সিরিয়া যুদ্ধ: রাসায়নিক অস্ত্র যেভাবে বাশার আল আসাদকে জয়ের কাছে নিয়ে এলো

সিরিয়ায় সাত বছরের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের বিপর্যয় ও প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের প্রাণ হারানোর পর প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে মনে হচ্ছে জয়ের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু কিভাবে এই রক্তাক্ত ও নিষ্ঠুর যুদ্ধে জয়ের মুখ দেখতে চলেছেন তিনি ?

বিবিসির অনুসন্ধানী টিভি অনুষ্ঠান প্যানোরামা এবং বিবিসি আরবি বিভাগের একটি যৌথ অনুসন্ধানে প্রথম বারের মতো দেখা যাচ্ছে, রাসায়নিক অস্ত্র মি. আসাদের যুদ্ধ জয়ের কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

১. রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার ছিলো

বিবিসি মনে করে এটা বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আছে যে সিরিয়ায় ২০১৩ সাল থেকে অন্তত ১০৬টি রাসায়নিক হামলা হয়েছে সিরিয়ায় । ওই বছরই মি. আসাদ দেশটির রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করতে ইন্টারন্যাশনাল কেমিক্যাল উইপনস কনভেনশনে (সিডব্লিউসি) স্বাক্ষর করেছিলেন।

রাজধানী দামেস্কের কয়েকটি শহরতলীতে রাসায়নিক হামলার প্রায় একমাস পর সিরিয়া সিডব্লিউসি চুক্তি র‍্যাটিফাই করেছিলো। এসব হামলায় নার্ভ এজেন্ট সারিন ব্যবহার করা হয়েছিলো যাতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়। এ হামলার ভয়াবহ ছবিগুলো বিশ্ববাসীকে স্তম্ভিত করেছিলো। পশ্চিমা শক্তিগুলো এজন্য মিস্টার আসাদকে দায়ী করলেও তিনি এর দায় চাপিয়ে দেন বিরোধীদের ওপর।

যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার জেরে সামরিক হামলার হুমকি দিলেও রাশিয়া মি আসাদকে রাসায়নিক নিরস্ত্রীকরণে উদ্বুদ্ধ করে। অর্গানাইজেশন ফর দ্যা প্রহিবিশন অফ কেমিক্যাল ওয়েপনস্‌ (ওপিসিডব্লিউ) এবং জাতিসংঘ সিরিয়া সরকারের ঘোষিত প্রায় ১৩০০ টন রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করা সত্ত্বেও রাসায়নিক হামলা অব্যাহতই থাকে।

বিরোধী নিয়ন্ত্রিত এলাকার অধিবাসী আবু জাফর বলেন, "রাসায়নিক হামলা ভয়াবহ। বোমা বা রকেট মুহূর্তেই মানুষকে মেরে ফেলছে কিছু বুঝতে না দিয়েই। এটা ধীরগতির মৃত্যু, ডুবিয়ে মারার মতো বা অক্সিজেন না দেয়ার মতো। এটা ভয়াবহ"।

যদিও মি আসাদের দাবি ২০১৩ সালের পর থেকে তাদের হাতে আর রাসায়নিক অস্ত্র নেই।

প্যানারোমা ও বিবিসি আরবি সার্ভিসের রাসায়নিক হামলার বিষয়ে ১৬৪টি রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছে। এসব হামলা পাঁচ বছর আগে সিরিয়া সিডব্লিউসিতে সাক্ষরের পরই হয়েছে।

আরো পড়তে পারেন:

বিবিসি অনুসন্ধানী দল মনে করে যে তাদের হাতে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ আছে যে ওই ১৬৪টি ঘটনার মধ্যে ১০৬টিতেই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

জাতিসংঘে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি কারেন পিয়ের্স সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারকে 'ভয়াবহ' আখ্যা দিয়েছেন।

তার মতে, "শুধু এর প্রতিক্রিয়ার জন্যই নয়, এটি নিষিদ্ধ অস্ত্র ১০০ বছর ধরে এর ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে"।

সবচেয়ে বেশি রাসায়নিক হামলার হয়েছে ইদলিবে। দামেস্কের কাছে পূর্ব ঘুটা, হামা ও আলেপ্পোতেও বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে বিবিসির কাছে থাকা তথ্য উপাত্তে দেখা যাচ্ছে।

হামা প্রদেশের কাফর জিটা ও পূর্ব ঘুটার দুমাতে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। উভয় শহরেই বিরোধী যোদ্ধাদের সাথে সরকারি বাহিনীর লড়াই হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী রক্তক্ষয়ী একক ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা হয়েছিলো ২০১৭ সালের ৪ঠা এপ্রিল ইদলিব প্রদেশের খান শেইখুন শহরে। একদিনেই সেখানে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।

রাসায়নিক অস্ত্র আসলে কী?

ওপিসিডব্লিউ- যারা রাসায়নিক অস্ত্রের ওয়াচডগ সংস্থা হিসেবে কাজ করে- তাদের মতে উদ্দেশ্যমূলক হত্যা কিংবা আহত করার উদ্দেশ্যে কেমিক্যাল ব্যবহারই রাসায়নিক অস্ত্র।

সুনির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্য ছাড়া আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

২০১৪ সাল থেকে ওপিসিডব্লিউ এর তথ্যানুসন্ধান দল সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারের বিষয়ে কাজ করেছে। তারা ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিলের মধ্যে অন্তত ৩৭টি ঘটনায় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারের বিষয়টি সনাক্ত করেছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের একটি কমিশন বলছে তাদের বিশ্বাস যে অন্তত আঠারটি হামলায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

২. তথ্য প্রমাণের আঙ্গুল সরকারি বাহিনীর দিকেই

২০১৩ সালে সারিন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় চুক্তির পর সিরিয়া যেসব রাসায়নিক অস্ত্রের তথ্য প্রকাশ করে সেগুলো ২০১৪ সালের জুনে এসে ধ্বংস করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয় ওপিডব্লিউসি ও জাতিসংঘের যৌথ কমিশন।

একজন পরিদর্শক বলেন, "যেগুলো জানানো হয়েছে সেগুলো হয়তো সরানো বা ধ্বংস করা হয়েছে"। যদিও তিনি তখনি বলেছিলেন যে তাদের যেটুকু তথ্য দেয়া হয়েছে সেটুকুই তারা জানেন।

২০১৪ সালের ঘোষণায় রাসায়নিক অস্ত্র সরিয়ে ফেলার কথা বলা হলেও রিপোর্ট বলছে রাসায়নিক হামলা অব্যাহতই ছিলো।

খান শেইখুনের হামলায় আব্দুল হামিদ ইউসেফ তার স্ত্রী, ১১ মাস বয়সী যমজ সন্তান, দুই ভাই, আত্মীয় ও কয়েকজন প্রতিবেশীকে হারান।

তিনি তার বাড়ি, প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের অবস্থার বর্ণনা দেন।

"তারা কাতরাচ্ছিল। তাদের মুখ দিয়ে ফেনা আসছিলো। যখন জানতে পারি যে এটা ছিলো রাসায়নিক হামলা , সেটি ছিলো ভয়াবহ"।

এক পর্যায়ে তিনিসহ সবাই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি জেগে ওঠেন ও স্ত্রী সন্তান সম্পর্কে জানতে চান।

"পনের মিনিট পর তাদের আমার সামনে আনা হয়- তারা ছিলো মৃত। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলো আমি হারালাম"।

ওপিডব্লিউসি ও জাতিসংঘের যৌথ অনুসন্ধানে সারিন হামলার বিষয়ে অনেক তথ্য উঠে এসেছিলো।

সারিন সায়ানাইডের চেয়ে বিশগুণ বেশি ভয়াবহ। কয়েক মিনিটের মধ্যেই এটি মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করে।

খান শেইখন শহরের ছবি প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ান বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দেন।

প্রেসিডেন্ট আসাদ অবশ্য খান শেইখনের ঘটনাকে সাজানো ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

যদিও রাশিয়া দাবি করে সিরিয়ার বিমান বাহিনী সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের মজুদে বোমা বর্ষণ করে যা ছিলো রাসায়নিক অস্ত্রে ভর্তি।

ওপিডব্লিউসি সদস্য স্টেফান মোগল বলছেন সিরিয়ার সরকারই সারিনের ব্যবহার করেছিলো এমন প্রমাণ তিনি পেয়েছেন। তিনি বলেন, এটা প্রমাণ করে যে সব রাসায়নিক অস্ত্র সরিয়ে ফেলা হয়নি।

কিন্তু বিবিসি টিমের ম্যাপে চিহ্নিত বাকী ১০৫টি হামলার ঘটনা কি? কারা এর পেছনে ছিলো?

যৌথ অনুসন্ধান মিশনের মতে দুটি ঘটনার দায় ইসলামিক স্টেট জিহাদিদের। আর বিবিসি ডাটা বলছে আইএস তিনটি হামলা চালিয়েছে।

আইএস ছাড়া অন্য কোন সশস্ত্র বিরোধীরা রাসায়নিক হামলা করেছে এমন প্রমাণ পায়নি যৌথ অনুসন্ধান ও ওপিডব্লিউসি।

যদিও সিরিয় সরকার ও রাশিয়া বিরোধী যোদ্ধাদের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য দায়ী করেছে বেশ কয়েকবার। বিরোধীরা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

অর্ধেকের বেশি হামলায় বিমান ব্যবহার করা হয়েছে

ভিডিও, ফটোগ্রাফ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সহ যেসব প্রমাণাদি রয়েছে সেগুলো বলছে ১০৬টির মধ্যে ৫১টি হামলা চালানো হয়েছে বিমান থেকে। বিবিসি মনে করে বিমান হামলাগুলো সবই চালিয়েছে সিরিয়া সরকারী বাহিনী।

যদিও ২০১৫ সাল থেকে সিরিয়া সরকারের সমর্থনে অসংখ্য বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া তবে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন রাশিয়ানরা সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে এমন প্রমাণ তারা পাননি।

বিরোধীরা বিমান থেকে রাসায়নিক হামলা করেছে কিনা তা নিয়ে অনুসন্ধান করেছে দা গ্লোবাল পাবলিক পলিসি ইন্সটিটিউট।

সংস্থাটির কর্মকর্তা টবিয়ান স্নেইডার বলছেন, "বিমান থেকে রাসায়নিক হামলার কাজটি একমাত্র আসাদ সরকারের"।

খান শেইখুনের ভয়াবহ হামলা সারিন ব্যবহারের তথ্য আসলেও অন্য প্রমাণাদি বলছে হামলাগুলোতে বেশি ব্যবহার হয়েছে ক্লোরিন - অস্ত্র হিসেবে যার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিবিসির কাছে থাকা তথ্য থেকে মনে করা হয় ১০৬টির মধ্যে ৭৯টিতেই ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে না যেতে পারলে ক্লোরিন ব্যবহারের দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া খুবই কঠিন।

৩. রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার ছিলো কৌশলগত

১০৬টি হামলার সময় ও স্থান দেখলে কিভাবে রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছিলো তার একটি প্যাটার্ন সম্পর্কে জানা যাবে। অনেক গুলো ঘটনা ঘটেছে একই এলাকায় এবং একই সময়ে।

হামা ও ইদলিবে ২০১৪, ইদলিবে ২০১৫, আলেপ্পোতে ২০১৬ সালের শেষে এবং পূর্ব ঘৌটায় ২০১৮ সালের শুরুতে।

লন্ডনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাটাম হাউজের ড: খতিবের মতে যেখানেই স্থানীয়দের কোনো শক্ত বার্তা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করেছে সরকার সেখানেই রাসায়নিক হামলা হয়েছে।

আর যখনই রাসায়নিক হামলা হয়েছে লোকজন পালিয়েছে। অনেকে আর ফিরেও আসেনি ভয়ে।

আলেপ্পোতে বহু বছর লড়াইয়ের পর এধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে।

প্রথমে বিরোধী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ করা হয়েছে এবং এরপর ধারাবাহিক রাসায়নিক হামলা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন শেষ পর্যায়ে এ হামলা করাই হয়েছে যাতে লোকজন পালিয়ে যায়।

২০১৬ সালের শেষে পূর্ব আলেপ্পোতে অন্তত ১১ বার ক্লোরিন হামলা হয়েছে।

আলেপ্পোতে সিরিয়ার বিরোধীদের সাথে ফরেনসিক বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করতেন আবু জাফর। তিনি রাসায়নিক হামলায় নিহত অনেকের দেহ পরীক্ষা করেছেন।

"আমি মর্গে গিয়েছিলাম। মৃতদেহগুলো থেকে ক্লোরিনের গন্ধ আসছিলো। যখন পরীক্ষা করলাম আমি পরিষ্কার দেখলাম যে ক্লোরিনের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়েই মারা গিয়েছিলো তারা"।

তিনি বলেন এ গ্যাসে শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় ও ভয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়।

যখন তরল ক্লোরিন ছাড়া হয় এটি দ্রুতই গ্যাসে পরিণত হয়। এটি বাতাসের চেয়ে কিছুটা ভারী।

মানুষের সংস্পর্শে আসা মাত্র চোখ, গলা, ফুসফুসে অ্যাসিড তৈরি হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ টিস্যু ধ্বংস করে দেয়।

সিরিয় সরকার অবশ্য বলেছেন তারা কখনোই ক্লোরিন ব্যবহার করেনি।

আলেপ্পোতে এক লাখ বিশ হাজার মানুষ লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পালিয়ে গেছে আর এটাই সিরিয়া গৃহযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। একই ধরনের হামলা হয়েছে ইস্টার্ন (পূর্ব) ঘুটায়, যেটি ছিলো বিরোধীদের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি।

চলতি বছরের প্রথম চার মাসে সেখানে বহুবার এই হামলা হয়েছে।

দুমায় চারমাসে চারবার রাসায়নিক হামলা হয়েছে।

সাতই এপ্রিল ভয়াবহতম হামলা হয়েছে যখন উপর থেকে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার ছোঁড়া হয়। এরপরই বিরোধীরা আত্মসমর্পণ করে।

এক ভিডিওতে দেখা যায় ত্রিশ শিশু, নারী ও পুরুষের মৃতদেহ যারা বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলো।

অধিকার কর্মী ইয়াসের আল ডোমানি ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি নিহতদের মুখে ফেনা দেখেছেন।

ওই হামলার প্রত্যক্ষদর্শী ১৮ জনের সাথে কথা বলেছে বিবিসি।

রাশিয়ার সরকার এই হামলার জন্য সিরিয়ার বিরোধীদের দায়ী করে বলেছে যুক্তরাজ্যের সহায়তা তারা এ হামলা করেছে। যুক্তরাজ্য সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ওপিডব্লিউসির টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে দু সপ্তাহ পর এবং গ্যাস সিলিন্ডারের স্যাম্পল সংগ্রহ করেছে।

তারা এখনো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে, কিন্তু পশ্চিমারা বিশ্বাস করছে যে ক্লোরিনই ব্যবহার করা হয়েছে।

দুমার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স একযোগে তিনটি জায়গায় বিমান হামলা চালিয়েছে।

কিন্তু সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ওপিসিডব্লিউ'র জুলিয়ান টাঙ্গায়ের বলেছেন "হ্যাঁ, আমি তাই মনে করি"।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট আসাদ কি এর দায় থেকে মুক্তি পেয়ে গেলেন?

জাতিসংঘে যুক্তরাজ্যের দূত বলছেন, "প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। একদিন ন্যায়বিচার হবেই। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করবো"।