রোহিঙ্গাদের ফেরাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমঝোতা

রোহিঙ্গাদের ফেরতের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।
বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে এই স্মারক সাক্ষরিত হয়।
কিছুদিন ধরেই এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
আরো খবর:
''অ্যারেঞ্জমেন্ট অন রিটার্ন অফ ডিসপ্লেসড পারসনস ফ্রম রাখাইন স্টেট'' বা রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুত মানুষদের ফিরিয়ে আনার সমঝোতা বলে বর্ণনা করা হচ্ছে।
নেপিড থেকে বাংলাদেশের সাংবাদিক এ কে এম মঈনউদ্দিন টেলিফোনে বিবিসি বাংলাকে জানান, দুপুরে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলের অফিসে সমঝোতাটি সাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের ইউনিয়ন মিনিস্টার চ টিন্ট সোয়ে সাক্ষর করেন।

ছবির উৎস, DOMINIQUE FAGET
মি. মঈনউদ্দিন বলছেন, এরপরই আমি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, এটা হলো প্রথম ধাপ। কিভাবে তাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়, এখন সেই ধাপের কার্যক্রম শুরু হবে।
এই সমঝোতার মধ্যে কি কি রয়েছে, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে বা কখন শেষ হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হননি।
ঢাকায় ফিরে বিস্তারিত জানাবেন বলে তিনি জানান।
তবে বাংলাদেশের একজন সফররত কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে মি. মঈনউদ্দিনকে জানিয়েছেন যে, দুইমাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।
মিয়ানমারের রাখাইনে সাম্প্রতিক সহিংসতা শুরু হওয়ার পর প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
এর আগে থেকে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে আরো কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বাস করছে।








