আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের পদত্যাগ
প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার একমাস পূর্ণ হয়নি, এর মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করতে হলো জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনকে।
হোয়াইট হাউজ এই ঘোষণা দিয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ কিথ কেলেগকে আপাতত ওই পদের দায়িত্ব পালন করবেন।
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এত তাড়াতাড়ি কোন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা এটাই প্রথম।
আরো পড়তে পারেন:
মি. ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সেরগেই কিসলিয়াকের সঙ্গে আলাপে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।
এই ঘটনার বিষয়ে হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তাদেরও তিনি বিভ্রান্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ ওঠার পর প্রথমে মি. ফ্লিন বলেছিলেন যে, রুশ রাষ্ট্রদূত কিসলিয়াকের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তার কোন কথা হয়নি।
পরে অবশ্য হোয়াইট হাউজকে তিনি বলেছেন যে, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা হতেও পারে।
মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, গতমাসের শেষের দিকে এ বিষয়ে বিচার বিভাগ হোয়াইট হাউজকে সতর্ক করে দিয়েছিল।
গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডেমোক্রেট সিনেটরা মি. ফ্লিনের পদত্যাগ দাবি করেন।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, মি. ফ্লিনের এ ধরণের আচরণের ঘটনা কে কে আগে থেকেই জানতেন? কেন তারা আগে কোন পদক্ষেপ নেন নি? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি জানতেন?
অনেক বিশ্লেষক এই ঘটনার সঙ্গে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির মিল দেখতে পাচ্ছেন।