বাংলাদেশের সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তের ওপারেই ভারতের পূর্ব খাসিয়া পাহাড়। বিশ্বের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় এখানেই।
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তের ওপারে খাসিয়া পাহাড়। সারাদিন বৃষ্টি যেখানে নিত্যদিনের ব্যাপার।
ছবির ক্যাপশান, এই এলাকায় একবার বছরে ২৫৪০ সেন্টিমিটার (১০০০ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যেটি ছিল এক বিশ্ব রেকর্ড।
ছবির ক্যাপশান, মসিনরাম গ্রামের বাইরে এই সাইনবোর্ডটি বলে দিচ্ছে এই এলাকার খ্যাতির কী কারণ?
ছবির ক্যাপশান, এত বৃষ্টির মধ্যে থাকতে ভাল লাগে? স্থানীয় কসাইখানার মালিক উইনচেস্টার লিংখই বলছেন, ''বৃষ্টি এখানে সব সময়েই হচ্ছে। আমাদেরও নিত্যদিনের কাজকর্ম করতে হয়। তাই এসব নিয়ে এত ভাবলে চলে?''
ছবির ক্যাপশান, মসিনরামের কৃষক ব্যস্ত তার ক্ষেতে। এই এলাকায় সবার কাছেই ছাতা আছে, কিন্তু কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় নাপ নামে এই বিশেষ আচ্ছাদন।
ছবির ক্যাপশান, নাপ তৈরি হয় কলাপাতা আর বাঁশ দিয়ে। বৃষ্টি ঠেকাতে এটি বিশেষ কার্যকর।
ছবির ক্যাপশান, মসিনরাম গ্রামে ঢোকার পথ। ভারতে মোট বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের ৮০% দেখা যায় বর্ষাকালে।
ছবির ক্যাপশান, আর মোট বৃষ্টিপাতের ৭৫% দেখা যায় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। এখানে একজন বৃদ্ধা খাসিয়াকে দেখা যাচ্ছে গির্জায় রোববারের প্রার্থণাসভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।
ছবির ক্যাপশান, বৃষ্টির ছাঁট থেকে বাঁচার জন্য বাসস্টপে আশ্রয় নিয়েছে দুটি ছাগল। বর্ষায় বৃষ্টিপাত ভাল হলে সে বছর ফসল ভাল হয়, কৃষকদের আয় বাড়ে আর গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি ঘটে।
ছবির ক্যাপশান, আর বৃষ্টিপাত কম হলে, বা খরা হলে, সে বছর ফসলের ক্ষতি হয়, খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ে আর অর্থনীতি দূর্বল হয়। ছাতা হাতে মসিনরামের বাসিন্দারা।