আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ঘূর্ণিঝড় মোখা মিয়ানমারে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা রবিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ -রাখাইন উপকূল দিয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করে দুর্বল হয়ে এখন স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

সরাসরি কভারেজ

  1. ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে সর্বশেষ কিছু তথ্য

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশের টেকনাফ এবং মিয়ানমারের রাখাইন উপকূল দিয়ে প্রবেশ করে দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেটি উত্তর দিকে আরও সরে বৃষ্টির সাথে সাথে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    বাংলাদেশের ওপর থেকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পুরোপুরি চলে গেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরগুলোয় মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১২০০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেন্ট মার্টিনে বহু গাছপালা উপড়ে গেছে, পুরো দ্বীপ লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

    কক্সবাজার জেলায় সাড়ে ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে ঝড়ের প্রভাবের শিকার হয়েছেন তিন লাখ ৩৪ হাজার মানুষ।

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কয়েকশ ঘরবাড়ি ঝড়ে বিধ্বস্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অনেক এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সিতওয়ে শহরের বাসিন্দাদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। সেখানকার কাঠের বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছেসবরকমের টেলিফোন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সিতওয়ে শহরে বহু বাড়িঘরে পানি ঢুকে গেছে।

    মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বিরোধী এনইউজে সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝড়ে ইরাবতী এবং মান্দালায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে যারা কক্সবাজার, টেকনাফ বা সেন্ট মার্টিনের আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছিলেন, তারা নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।

    ঝড় চলে গেলেও আরও একদিন বৃষ্টি এবং সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর বলছে। মাছ ধরা নৌকা এবং ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশের অনেক এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও, যার ফলে লোডশেডিং বেড়েছে। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকহতে ৬/৭ দিন লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

  2. ঘূর্ণিঝড়ে মিয়ানমারের ক্ষয়ক্ষতির কিছু ছবি

  3. ঘূর্ণিঝড় মোখা এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হয়ে মিয়ানমারের সিতওয়ে অবস্থান করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি সেদেশের স্থলভাগের আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যাবে।

    কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পায়রা এবং মোংলা সমুদ্র বন্দরে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    তবে আপাতত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

  4. ব্রেকিং, 'ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশ থেকে চলে গেছে'

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে চলে গেছে।

    সংস্থাটির পরিচালক আজিজুর রহমান রবিবার রাত আটটায় বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ''এটা আমাদের দেশ থেকে পুরোপুরি চলে গেছে। আমাদের ভূখণ্ডে এটার আর কোন অস্তিত্ব নেই।''

    কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরের ওপর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    ''ঝড়টা আর নেই, মানুষজন তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে,'' বলছেন আজিজুর রহমান।

    তবে ঝড় চলে গেলেও সেটার প্রভাবে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি থাকবে বলে তিনি জানান। সেই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সমুদ্র উত্তাল থাকায় মাছ ধরতে আপাতত সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    মঙ্গলবার নাগাদ সব ধরনের সতর্ক সংকেত নামিয়ে আনা হবে বলে তিনি আশা করছেন।

    আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঝড়ের কারণে তারা যতদূর জানতে পারছেন, সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর কক্সবাজারে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটা অবশ্য তারা আগেই ধারণা করে সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

    ঝড় চলে যাওয়ায় অতিবৃষ্টি বা ভূমি ধ্বসের সম্ভাবনাও নেই বলে তিনি জানান।

  5. স্যাটেলাইট ছবিতে ঘূর্ণিঝড় মোখার অবস্থান

    বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উপকূল দিয়ে সমুদ্র থেকে ভূতিতে উঠে এসেছে।

    রাখাইন রাজ্যের অনেক এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

  6. ঝড়ে কক্সবাজারে প্রায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

    ঘূর্ণিঝড় মোখায় কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে বিধ্বস্ত হয়েছে ১২০০ বাড়িঘর।

    কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এই তথ্য জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় মোখা যেখানে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে, সেই রাখাইন রাজ্যের অনেক এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সিতওয়ে শহরের বাসিন্দাদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

    সেখানকার একজন বাসিন্দার সঙ্গে বিবিসির যোগাযোগ হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সেখানকার কাঠের বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছে। এমনকি শক্ত অনেক বাড়ির ছাদ উড়ে গেছে। সবরকমের টেলিফোন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, সিতওয়ে শহরের কেউ এখনো বাইরে যেতে পারছে না। সেখানে কোন রকম উদ্ধার তৎপরতাও নেই।

    মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বিরোধী এনইউজে সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝড়ে ইরাবতী এবং মান্দালায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  7. কক্সবাজারের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছে অনেক পরিবার

  8. সেন্ট মার্টিনে লণ্ডভণ্ড অবস্থা

    ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অনেক ঘরবাড়ি ভেঙ্গে পড়েছে এবং গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা মোঃ আজিজ রবিবার বিকালে টেলিফোনে বিবিসি বাংলাকে বলছেন, পুরো দ্বীপে লণ্ডভণ্ড অবস্থা। টিনের, বাশের হালকা ঘরবাড়িগুলো উড়ে গেছে। টিন, কাঠ, বাঁশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। জায়গায় জায়গায় নারকেল গাছ, বিভিন্ন ধরনের গাছ উপড়ে পড়ে আছে।

    জেটির কাছে যে হোটেল- রেস্তোরাগুলো ছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই ভেঙ্গে পড়েছে বলে তিনি জানান।

    এখনো দ্বীপের বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে।

  9. সন্ধ্যার পর দুর্বল হয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড় মোখা

    বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন ও টেকনাফ এবং মিয়ানমারের রাখাইন এলাকায় এই মূহুর্তে ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্রে আঘাত করেছে। তবে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ এটি সরে যাবে কেন্দ্র থেকে-বিবিসিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    সন্ধ্যার পর থেকে এটি দুর্বল হয়ে যাবে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম।

    তবে আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ৫ থেকে ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা দেখছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    ঝড় চলে গেলেও এর প্রভাবে আগামী দুই-তিনদিন টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে বরিশাল, ঢাকা ও সিলেট অঞ্চলে। এছাড়া টানা বৃষ্টির প্রভাবে ভূমিধ্বসের শঙ্কার কথাও বলছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  10. ঝড়ের কারণে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে

  11. ঘূর্ণিঝড় মোখা সামান্য দুর্বল হয়েছে: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সবশেষ পূর্বাভাসে বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সামান্য দুর্বল হয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সেন্ট মার্টিন ও টেকনাফে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো: আজিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বিকেলেই সেন্ট মার্টিন অতিক্রম করবে। ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টি হবে বলেও জানিয়েছেন মি. রহমান।

    তিনি আরও বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ কিমি যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া হয়ে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    কক্সবাজার ও তার আশেপাশের দ্বীপ ও চরগুলোতে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বহাল রয়েছে।

  12. বাংলাদেশের কিছু জরুরি সেবা নম্বর

    বাংলাদেশের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ এনামুর রহমান খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব নম্বর শেয়ার করেছেন।

  13. সিতওয়ে অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় মোখা এর প্রভাবে বাতাস ও বৃষ্টি

    মায়ানমারের সিতওয়ে অঞ্চলে আঘাত করা ঘূর্ণিঝড় মোখা এর প্রভাবে বাতাস ও বৃষ্টি...। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ফেসবুক পাতা থেকে নেয়া

  14. ঝড়ে যেভাবে ভেঙে পড়লো টেলিকম টাওয়ার

  15. মিয়ানমারের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবর

    অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে মিয়ানমারের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    দেশটির সেনাবহিনীর প্রকাশ করা ছবিতে দেখা গেছে রাখাইন রাজ্যের থানদউয়ে বিমানবন্দরে একটি ভবন ধসে পড়েছে। সেখানকার বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়া প্রবল ঝড়বৃষ্টির সাথে বাড়তে শুরু করেছে পানির প্রবাহ, ইতোমধ্যে সিতওয়েতে হাটু পানি জমে গেছে।

    এই খবরটি বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

  16. মিয়ানমারে ঝড়ের ঝুঁকিতে বাস্তুচ্যুত হওয়া লাখ লাখ মানুষ

    মিয়ানমারের ইরাবতী পত্রিকা জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা রাখাইন রাজ্যের কাছাকাছি এগিয়ে আসায় সেখানকার লক্ষ্যাধিক মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় চলে গেছেন।

    বর্তমানে সেখানে ১৮৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।

    ইরাবতী জানিয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের মুখে যে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল, সেই সাড়ে সাত লাখ মানুষ বিশেষ ঝূঁকিতে রয়েছে। রেড ক্রসের তথ্য অনুযায়ী, সাগাং এবং মগওয়েতে সাড়ে সাত লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ বসবাস করছে।

    আরাকান আর্মির একজন মুখপাত্র খাইং থু খা জানিয়েছেন, তারা রাখাইন রাজ্য থেকে এক লাখ দুই হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাদের খাবার ও স্বাস্থ্যগত সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

    সোয়েতে শহরের ৭৫ শতাংশ নাগরিক বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন।

    ইরাবতী পত্রিকার একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অসংখ্য বাসিন্দা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আশ্রয় শিবিরে রয়েছেন।

  17. রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে ইউনিসেফের শঙ্কা

    বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট ঘূর্ণিঝড় মোখায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন রোহিঙ্গা শিশুদের নিয়ে।

    এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, "বঙ্গোপসাগরে যেভাবে ঘূর্ণিঝড় মোখা তীব্র হচ্ছে, আমি সবচেয়ে চিন্তিত বাংলাদেশের শিশুদের নিয়ে, অন্তত ৫ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশু রয়েছে এখানে।"

  18. ব্রেকিং, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় মোখা

    ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের দক্ষিণপূর্ব উপকূল অতিক্রম করছে মোখা। ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ প্রতিঘণ্টায় ১৮০ থেকে ১৯০ কিলোমিটার যা ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

  19. সেন্ট মার্টিনে প্রবল ঝড় শুরু হয়েছে

  20. সিতওয়ে থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি: ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর

    ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান এখন মিয়ানমারের সিতওয়ে থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এবং কক্সবাজার থেকে ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে। ঘূর্ণিঝড়টি যে কোনও সময় আঘাত হানতে পারে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।