আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা হামলা তেহরানের, বাহরাইনেও বিস্ফোরণ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে তার দেশ ইরানে "বড় ধরনের যুদ্ধ অভিযান" শুরু করেছে। এর আগে ইসরায়েল দাবি করে, তারা ইরানের উপর হামলা হামলা চালিয়েছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলায়…

সরাসরি কভারেজ

  1. বাহরাইনের রাজধানীতে বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর সেখানে

    বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাহরাইন বলেছে তাদের রাজধানী মানামায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

    বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ জরুরি সাইরেন শোনা যাচ্ছে বলে বারবার সতর্ক করার পর এটি ঘটেছে।

    তারা জনসাধারণকে শান্ত থাকার ও নিরাপদ স্থানে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

    এর আগে ইসরায়েলের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে বলে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে।

  2. ইসরায়েলের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু, দাবি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

    ইসরায়েলের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে বলে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে।

    তারা বলে, ইরানের বিভিন্ন স্থানে আজকের হামলার পর, ইসরায়েলের উপর "ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা" শুরু হয়েছে।

  3. হামলার পর তেহরানের আকাশে ধোঁয়া

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরুর পরপরই ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশে বিস্ফোরণের ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। তেহরানের বাইরে আরো কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে ইরানি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

  4. এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে:

    • যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করেছে। ট্রাম্প নিশ্চিত করে বলেছেন ‘বড় ধরনের অভিযান’ চলছে।
    • ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলছেন তার দেশ তেহরানে পূর্ব পরিকল্পিত হামলা শুরু করেছে।
    • ইরানের পাঁচটি শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর মধ্যে আছে ইশফাহান, কওম, কারাজ, কেরমানশাহ ও রাজধানী তেহরান
    • ইসরায়েল জানিয়েছে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে।
    • ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফ বলেছে ‘ইরানের দিক থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র চিহ্নিত করায় বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে। তারা বলেছে হুমকি রুখে দিতে ও পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বিমান বাহিনী কাজ করছে।
  5. ইরানিদের প্রতি ট্রাম্পের আহ্বান, ‘নিজেদের সরকার দখলে নিন’, ডেভিড গ্রিটেন, বিবিসি নিউজ মধ্যপ্রাচ্য

    একটি ভিডিও বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানিদের প্রতি আহ্বান জানান যে, ইরানে চলমান তাদের ব্যাপক আক্রমণকে কাজে লাগিয়ে যেন তারা দেশের ধর্মীয় নেতৃত্বের শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করে।

    তিনি বলেন, “যখন আমরা শেষ করব, নিজেদের সরকার দখলে নিন। এটি আপনাদের নেওয়ার জন্য থাকবে। বহু প্রজন্মে এটাই সম্ভবত আপনাদের একমাত্র সুযোগ”।

    তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক করে বলেন, তারা যদি অস্ত্র ফেলে না দেয়, তাহলে “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি” হতে হবে, তবে অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের “মুক্তি” দেওয়া হবে।

    চলতি জানুয়ারির শুরুতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে অন্তত ৬,৪৮০ জন নিহত হয়েছে—মানবাধিকার কর্মীদের এমন দাবির পর—ট্রাম্প ইরানকে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন।

    তিনি সতর্ক করেছিলেন যে দায়ীদের “বড় মূল্য দিতে হবে”, এবং বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন যে “সহায়তা পথে রয়েছে”।

    তবে কয়েক দিন পর প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান সরকারের কাছ থেকে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন যে “হত্যা বন্ধ হয়েছে” এবং তার দৃষ্টি সরে যায় দেশের পরমাণু কর্মসূচির দিকে—যা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

  6. মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পৌঁছে গেছে: রেজা পাহলভি

    ইরানের শেষ শাহ-এর (সম্রাট) নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, “একটি নিষ্পত্তিমূলক মুহূর্ত আমাদের সামনে রয়েছে”।

    তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইরানের সাহসী জনগণকে যে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা এখন এসে পৌঁছেছে। এটি একটি মানবিক হস্তক্ষেপ; এবং এর (হামলার) লক্ষ্য ইসলামিক রিপাবলিক, তাদের দমনযন্ত্র এবং হত্যাযন্ত্র—ইরানের মহান দেশ ও জাতি নয়”।

    রেজা পাহলভি বলেছেন, “কিন্তু এই সহায়তা পৌঁছানোর পরও চূড়ান্ত জয় আমাদেরই হবে”।

    তিনি আরও বলেন, “রাস্তায় ফেরার সময় ঘনিয়ে এসেছে”।

    প্রিন্স রেজা পাহলভি সামরিক বাহিনী ও আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ইরানি জাতির সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

  7. ইরানের শাসকগোষ্ঠী পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত হতে পারবে না, বললেন নেতানিয়াহু

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল "ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর তৈরি করা হুমকি দূর করতে" একটি অভিযান শুরু করেছে।

    “আমি আমাদের মহান বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ৪৭ বছর ধরে আয়াতুল্লাহ শাসকগোষ্ঠী ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’, ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিয়ে আসছে,” বলেছেন তিনি।

    বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, “তারা আমাদের রক্ত ঝরিয়েছে, বহু আমেরিকানকে হত্যা করেছে এবং নিজেদের জনগণকেও হত্যা করেছে। এই হত্যাকারী সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেওয়া যাবে না- যা তাদের সমগ্র মানবজাতিকে হুমকি দেওয়ার সুযোগ করে দেবে। আমাদের যৌথ পদক্ষেপ সাহসী ইরানি জনগণকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে নেওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করবে”।

    বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, “সময় এসেছে ইরানের সব জনগোষ্ঠীর—পার্সিয়ান, কুর্দি, আজারি, বালুচি এবং আহওয়াজি—অত্যাচারের শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরান গড়ে তোলার। আমি ইসরায়েলের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করুন"।

    "আগামী দিনগুলোতে ‘অপারেশন দ্য রোর অব দ্য লায়ন’-এ আমাদের সবার ধৈর্য ও দৃঢ়তার প্রয়োজন হবে। আমরা একসাথে দাঁড়াব, একসাথে লড়ব এবং একসাথে ইসরায়েলের চিরস্থায়িত্ব নিশ্চিত করব,” বলেন তিনি।

  8. কাতার ও বাহরাইনে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    কাতার এবং বাহরাইনের মার্কিন দূতাবাসগুলো শনিবার তাদের কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেছে।

    একইসঙ্গে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পর ওই দেশগুলোতে বসবাসকারী আমেরিকান নাগরিকদেরও একই কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এই দূতাবাসগুলো দুটি পৃথক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে তারা "তাদের সকল কর্মীদের জন্য একটি আশ্রয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে"।

    পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব আমেরিকান নাগরিককেও একই কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  9. ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে, জানালো ইসরায়েল

    তেহরানসহ কয়েকটি শহরে হামলার পর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে ইরান এবং সেগুলো রুখে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী।

    ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরানের দিক থেকে আসা কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তারা চিহ্নিত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অল্প কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে। সাধারণ জনগণকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী হুমকি প্রতিহত ও প্রয়োজন হলে আঘাত হানার মাধ্যমে হুমকি নিষ্ক্রিয় করার জন্য কাজ করছে”।

    এতে বলা হয়, “প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি নির্ভুল বা অপ্রবেশযোগ্য নয়, তাই জনগণের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ মানুষকে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অব্যাহতভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে”।

  10. 'তোমাদের মুক্তি নিকটবর্তী', ইরানিদের উদ্দেশে ট্রাম্প

    তেহরান ও আরও কয়েকটি শহরে হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা ও নৌবাহিনী ধ্বংস করবে।

    তিনি ইরানের জনগণের উদ্দেশে বলেন, “তোমাদের মুক্তির সময় নিকটে"।

  11. ট্রাম্প বলছেন ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে যা ইউরোপকে হুমকিতে ফেলতে পারে

    ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের “তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করেছে এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে, যা এখন ইউরোপে আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও মিত্রদের, বিদেশে অবস্থানরত আমাদের সেনাদের হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডেও পৌঁছাতে সক্ষম হতে পারে”।

    ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘বড়’ অভিযান পরিচালনা করছে, যার লক্ষ্য হলো "এই অত্যন্ত দুষ্ট ও উগ্র স্বৈরশাসনকে আমেরিকাকে হুমকি দেওয়া থেকে বিরত রাখা"।

  12. ট্রাম্প গতকাল বলেছিলেন- ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি

    যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা করবে কি-না সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    তবে তিনি বলেছেন পারমাণিবক আলোচনায় ইরানের অবস্থানের বিষয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

    তিনি বলেন ‘আমাদের যা প্রয়োজন ইরান তা দিতে রাজি নয়’। তিনি তখন জোর দিয়ে বলেন যে “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারে না”।

    সপ্তাহের শুরুতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষই জানিয়েছে যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে।

    ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল যেন তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন একটি চুক্তিতে রাজি হয়। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র “দ্রুত এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে” পদক্ষেপ নিতে “প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম”।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নিতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের সামনের লনে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “যুদ্ধ হলে সবকিছুরই ঝুঁকি থাকে”।

    তিনি আরও বলেন, “যখন যুদ্ধ হয়, তখন যেকোনো কিছুরই ঝুঁকি থাকে—ভালোও, খারাপও”।

  13. ‘আপনারা এমন একটি পথ শুরু করেছেন যার পরিণতি আপনাদের হাতে নেই’

    ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি তেহরান এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি শহরে আজকের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এক্স-এ পোস্ট এক বার্তায় বলেছেন, "আমরা আপনাদের সতর্ক করেছিলাম, এখন আপনারা এমন একটি পথ শুরু করেছেন যার পরিণতি আর আপনাদের হাতে নেই"।

    ইরানি কর্মকর্তারা পূর্বে সতর্ক করেছিলেন যে দেশটির উপর যেকোনো আক্রমণ এই অঞ্চলকে যুদ্ধে নিমজ্জিত করবে।

  14. ইরানের বিল্পবী গার্ডকে অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর বা বিল্পবী গার্ড বাহিনীকে সতর্ক করেছেন।

    বিবিসি পার্সিয়ান সার্ভিসের খবরে তাকে কোট করা হয়েছে, "তোমাদের অবশ্যই তোমাদের অস্ত্র জমা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে তোমাদের সাথে ন্যায্য আচরণ করা হবে এবং তোমাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা থাকবে; অন্যথায়, তোমাদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে"।

    ট্রাম্প বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো ইরান থেকে "আসন্ন হুমকি অপসারণ" করা।

  15. ইরানের হাসপাতালগুলো সতর্কতা জারি

    ইরানের হাসপাতালগুলোয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং আহতদের সংখ্যা চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণের পরে ঘোষণা করা হবে।

    ইরানের বিভিন্ন শহরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ইরানি সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

  16. ইরানের সংবাদ সংস্থার ওয়েবসাইট হ্যাক

    তেহরানসহ অন্তত পাঁচটি শহরে হামলার খবরের সঙ্গে সঙ্গে আইএসএনএ সংবাদ সংস্থার ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    সংবাদ সংস্থাটি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

    তবে তারা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে।

  17. ইরান ও ইসরায়েলের পর ইরাকের আকাশসীমাও বন্ধ

    ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে যে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় শনিবার ইরানের ইসরায়েলি হামলার পর তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইরান ও ইসরায়েলও তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।

    শনিবার সকালে ইরানে হামলার পরপরই ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা সব বেসামরিক বিমানের জন্য বন্ধ করে দেয়।

    এরপর ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সাথে যোগসূত্র থাকা তাসনিম নিউজ এজেন্সি ইরানের আকাশসীমা বন্ধের খবর দেয়।

    ট্রাম্প ইরানের এই হামলার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।

  18. 'বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান' শুরুর ঘোষণা ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে "বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান" চালিয়েছে।

    নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভিডিও বার্তায় তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন।

    “আমরা বারবার একটি চুক্তি চেয়েছি। আমরা চেষ্টা করেছি,” বলেছেন তিনি।

    তিনি বলেন, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা জ্বালিয়ে দিতে যাচ্ছি। এটা পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে”।

  19. ইরানের কয়েকটি শহরে হামলার খবর

    ইরানের একাধিক শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

    তেহরান ছাড়াও কেরমানশাহ, কওম, লোরেস্তান, কারাজ এবং তাবরিজ শহরে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে তারা।

  20. ইরানের হামলার দাবি ইসরায়েলের ও আকাশসীমা বন্ধ

    ইরানের হামলা চালানোর তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েল। তারা এটিকে "পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ" বলে উল্লেখ করেছে।

    ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

    ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে, তারা রিপোর্ট পেয়েছে যে ইরানের রাজধানীর রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

    এদিকে, আজ সকালে এক বিবৃতিতে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইসরায়েল জুড়ে "বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা" ঘোষণা করেছেন।

    এদিক ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ দেশটির আকাশসীমা বেসামরিক বিমানের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।