শনিবার নির্ধারিত শান্তি আলোচনা সামনে রেখে ইরানের
প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে নেয়া জরুরি:
১. পাকিস্তান গত
কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, পাকিস্তানের
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আসিম মুনির ইরানকে “অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো বোঝেন”।
২. ট্রাম্প
জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ
থেকে ১০ দফা প্রস্তাব পেয়েছে, এই প্রস্তাবকে তিনি
“আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
৩. ইরানের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন ট্রাম্পের
প্রধান আলোচকরা।
৪. কোনো প্রস্তাবই
এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, যদিও উভয় পক্ষের প্রস্তাবের কিছু অংশ ফাঁস
হয়েছে বলে খবর রয়েছে। তবে বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের মতে, দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে।
এদিকে, লেবাননে
ইসরায়েলের হামলা শান্তি আলোচনার নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুদ্ধবিরতি
লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বুধবার দেশটির সামরিক বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন স্থানে হামলা
চালায়। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ওই হামলায় ৩০০ জনেরও বেশি
মানুষ নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় লেবানন জানিয়েছে, তারা আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি
নিয়ে আলোচনা করবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করতে
ইসলামাবাদে যাচ্ছেন।
তার সঙ্গে থাকবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের
জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড
কুশনার।