পত্রিকা: 'তিন প্রতিবেশী নিয়ে চিন্তায় ভারত'

তিন প্রতিবেশী নিয়ে চিন্তায় ভারত— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এতে বলা হচ্ছে, কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের তিন প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালে ব্যাপক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার পতন হয়েছে।
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ভারতের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। তবে কাঠমান্ডুর সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক নিবিড়।
নেপালে এখন যে অস্থিরতা চলছে এর প্রভাব ভারতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ধারণা করা হয়, প্রায় ৩৫ লাখ নেপালি ভারতে কাজ করেন বা বসবাস করেন। দুই দেশের মানুষের ভ্রমণের জন্য কোনো পাসপোর্ট বা ভিসা লাগে না।
এছাড়াও কয়েক দশক পুরোনো এক বিশেষ চুক্তির আওতায় নেপালের ৩২ হাজার গুর্খা সেনা ভারতের সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত-নেপাল কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেকটা দড়ির ওপর হাঁটার মতো অবস্থায় রয়েছে।
কারণ, নেপালের বিক্ষোভকারীরা দেশটির তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতিই ব্যাপক ক্ষুব্ধ। আর ভারত এদের সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে।
নেপালের কৌশলগত অবস্থান বিবেচনায় ভারত ও চীন উভয়েই সেখানে প্রভাব বিস্তারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, ফলে অভিযোগ উঠেছে যে এই দুই এশীয় শক্তি নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে।
নেপালের সংকট এমন সময়ে দেখা দিয়েছে, যখন পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিম্নমুখী, বাংলাদেশের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে এবং মিয়ানমার গৃহযুদ্ধে জর্জরিত ।
ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নেপালবিষয়ক বিশেষজ্ঞ অশোক মেহতার মতে, ভারত তার মহাশক্তি হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কারণে প্রতিবেশীদের ওপর থেকে মনোযোগ হারিয়েছে। কিন্তু এই মহাশক্তি হতে হলে একটি নিরাপদ স্থিতিশীল প্রতিবেশ থাকা জরুরি।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ভোট শান্তিপূর্ণ, অব্যবস্থাপনা ছিল, বর্জন পাঁচ প্যানেলের— আজ প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। যা অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার।
এই নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও অব্যবস্থাপনা দেখা গেছে। কোনও কোনও হলে সন্ধ্যার পরও ভোট নিতে হয়েছে।
অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ভোটগ্রহণের সময় শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন বর্জন করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।
অপরদিকে, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গ ও নির্বাচন বানচাল করার অভিযোগ করে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল।
এছাড়া, আরও চারটি প্যানেল ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়।
জাকসুতে এবার পূর্ণ ও আংশিকসহ আটটি প্যানেল হয়েছিল।
এদিকে, অব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত সময় সকাল নয়টায় সব হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়নি।
হলগুলোতে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়মের পার্থক্যও দেখা যায়। কোনও কোনও হলে ভোটারদের আঙুলে অমোচনীয় কালি দেয়া হয়।
কোনও কোনও হলে আবার কালি দেয়া হয়নি।
আবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংসদ নির্বাচনে ব্যালট পেপারে ভুল ছিল।
কার্যকরী সদস্য পদে তিনজন প্রার্থীকে ভোট দেয়ার কথা থাকলেও ব্যালটে দেয়া নির্দেশনায় একজনের নামের পাশে টিকচিহ্ন দিতে বলা হয়েছে।
কেন্দ্রগুলোতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির ব্যালট ছিল না। তাদের অন্যের সাহায্য নিয়ে ভোট দিতে দেখা যায়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে চার পদ্ধতির প্রস্তাব কমিশনের— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে চারটি পদ্ধতির প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
এগুলো হচ্ছে— গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ, অধ্যাদেশ ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।
তবে এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হলেও ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। এ নিয়ে আলাদা মতামত দিয়েছে দলগুলো।
এদিকে, খুব শিগগিরই কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেবে। বিষয়টিকে সামনে এগিয়ে নিতে আগামী রোববার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও বৈঠক করবে ঐকমত্য কমিশন।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই সনদের ভূমিকায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
অঙ্গীকারনামায় তিনটি প্রস্তাবেও আনা হয়েছে পরিবর্তন।

কাঠমান্ডুর হোটেলে হামলার শিকার বাংলাদেশি পরিবার— যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এক বাংলাদেশি পরিবার বিক্ষোভকারীদের হামলা ও লুটপাটের শিকার হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে কাঠমান্ডুর একটি পাঁচতারকা হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লার হোমনায়।
বিক্ষোভকারীরা তাদের জিম্মি করে মারধর করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, দুটি আইফোন লুট করে।
পরে হোটেলে বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দিলে তারা তৃতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে কোনোমতে প্রাণে বাঁচেন।
পরে নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস তাদেরকে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে স্থানান্তর করে।
একই দিনে জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সহায়তা দিতে যাওয়ার পথে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়।
তবে ওই গাড়িতে তখন কোনও যাত্রী ছিলেন না।
এছাড়া, নেপালের পর্যটকদের বহনকারী একটি গাড়ি বিক্ষোভের মধ্যে পড়ে গেলে বিক্ষোভকারীরা গাড়িটি পুড়িয়ে দেয়। ওই গাড়িতে একজন বাংলাদেশি তরুণী ছিলেন।
দূতাবাস সূত্র জানায়, চলমান সংকটের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩০ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপালে আটকে পড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্যদেরকে বিশেষ একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

দেশে বেকারদের সাড়ে ১৩% স্নাতক ডিগ্রিধারী— সমকালের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে বেকারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ২০ হাজারে। ২০২৩ সালে যা ছিল ২৪ লাখ ৬০ হাজার।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে এক লাখ ৬০ হাজার।
মোট বেকারের মধ্যে ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী।
এছাড়া, দেশে কর্মে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কমেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করা বেকারের হার ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ।
মোট বেকারের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়ালেখা শেষ করাদের হার ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
আর কোনও রকম আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নেই, বেকারত্বে এদের হার সবচেয়ে কম, যা মাত্র ১ দশমিক ২৫ শতাংশ।
কর্মক্ষম তবে কোনও কাজে নিয়োজিত
নয়, কাজ খুঁজে বেড়ায় এবং সুযোগ পেলে কাজে যোগ দিতে প্রস্তুত থাকে এ ধরনের ব্যক্তিকে বেকার হিসেবে ধরা হয়েছে।
তবে সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা মজুরির বিনিময়ে কাজ করার সুযোগ পেলে তাকে বেকার হিসেবে ধরা হয় না। পরিবারের কাজে সহযোগিতা করলেও তাকে বেকার বলা যাবে না।
এমনকি উৎপাদনশীল কাজে মজুরি না পেলেও তাকে বেকার বলা হয় না।
১৫ বছর এবং তার বেশি বয়সীদের শ্রমশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বণিক বার্তার প্রধান খবর— বোরো চাষের জমি ও উৎপাদন বেশি দেখাচ্ছে কি বিবিএস।
খবরে বলা হয়েছে, দেশে কী পরিমাণ জমিতে বোরো ধানের চাষ হয় সে তথ্য পাওয়া যায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কাছে।
তবে সংস্থাটির প্রকাশ করা তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে,স্যাটেলাইট ইমেজ প্রযুক্তির মাধ্যমে হিসাব করা বোরো ধান আবাদের জমির পরিমাণ বিবিএসের হিসাবের চেয়ে ১২ শতাংশ কম।
জমির পরিমাণ বেশি দেখানোর ফলে স্বাভাবিকভাবে উৎপাদনের তথ্যও বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বিবিএসের প্রাক্কলিত হিসাব অনুসারে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বোরোর মোট জমির পরিমাণ ছিল ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৭৭৫ হেক্টর। এক্ষেত্রে প্রতি হেক্টরে ৪ দশমিক ৩২ টন ফলন ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশের মোট ধানের প্রায় ৫৫ শতাংশ বোরো মৌসুমে উৎপাদন হয়।
তাই খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বোরো ধানকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেন বিশেষজ্ঞরা।

Police to get two commissions for accountability; অর্থাৎ পুলিশের জবাবদিহিতায় হচ্ছে দুইটি কমিশন। এটি দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর।
এতে বলা হয়েছে, পুলিশের একটি স্বাধীন তদন্ত সার্ভিস গঠন করা হবে, যাতে কোনও রাজনৈতিক বা অন্য কোনও প্রভাব ছাড়াই তদন্ত সম্পন্ন করা যায়।
পাশাপাশি পুলিশের ভেতরে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ যাচাইয়ের জন্যও একটি কমিশন গঠন করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তা জানিয়েছেন।
এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

ACC summons 12 former secys, senior officials; অর্থাৎ সাবেক সচিবসহ ১২ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুদক। এটি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান খবর।
এতে বলা হয়েছে, নিয়ম ভঙ্গ করে ঢাকার ধানমন্ডিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বরাদ্দের অভিযোগে সাবেক সাত সচিব, দুদকের সাবেক দুই কমিশনার, সাবেক দুই বিচারক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সংস্থাটির তলব করা ব্যক্তিরা হলেন, মোজাম্মেল হক খান,
জহুরুল হক, ইউনুসুর রহমান, এম এ কাদের সরকার, এম আসলাম আলম, আকতারী মমতাজ, সিরাজুল হক খান, মঞ্জুরুল বাছিদ, সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, নেহাল আহমেদ, আনিছুর রহমান ও এস এম গোলাম ফারুক।
১৭, ১৮ ও ২১ সেপ্টেম্বর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের 'গৃহায়ণ ধানমন্ডি (প্রথম পর্যায়)' প্রকল্পের আওতায় নীতিমালা ভেঙে উচ্চ মূল্যের ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'দিনের ভোট রাতে নেয়ার সঙ্গে জড়িত' কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করতে শেখ হাসিনার আমলে এসব ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়।
তলব করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের বিকল্প নেই আমাদের হাতে— যা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্য, এটিকে শিরোনাম করে প্রথম পাতায় খবর প্রকাশ করেছে দেশ রূপান্তর।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, 'আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন শুধু একটি সাধারণ নির্বাচনই নয়, এটি একটি ''ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন'', যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা।'
তাই নির্বাচন সামনে রেখে মৌলিক সংস্কারগুলো চূড়ান্ত করার তাগিদ দেন তিনি এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনও বিকল্প হাতে নেই, সেটিও মাথায় রাখতে বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানতম তিনটি ম্যান্ডেটের অন্যতম হচ্ছে সংস্কার। তাই নির্বাচন ও বিচারের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে জুলাই সনদের বিষয়টি দেখতে হবে।'








