‘গ্রস রিজার্ভের সঙ্গে নিটের ব্যবধান এখন ৫০ শতাংশ’

‘গ্রস রিজার্ভের সঙ্গে নিটের ব্যবধান এখন ৫০ শতাংশ’- বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভের সঙ্গে নিট রিজার্ভের ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য বলছে, চলতি বছরের এপ্রিল শেষে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ ছিল ১২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ওইদিন গ্রস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছিল।
সে হিসাবে গ্রসের সঙ্গে নিট রিজার্ভের ব্যবধান ছিল ১২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার বা ৫০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটাতে আইএমএফ থেকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা নিচ্ছে সরকার। সংস্থাটির পক্ষ থেকে গত সোমবার ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ডলার ছাড়ের অনুমোদন দেয়া হয়।
ওইদিনই বাংলাদেশের অর্থনীতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে আইএমএফ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০২২ সালের জুনে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ ছিল ২৮ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। এ পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে দেশের ৪ দশমিক ২ মাসের আমদানি চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল।
এরপর থেকে নিট রিজার্ভ কমে আসায় আমদানি চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে তথা জুন শেষে নিট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে।
কোনো দেশের রিজার্ভ দিয়ে সর্বনিম্ন তিন মাসের আমদানি দায় মেটানোর সক্ষমতা থাকলে সেটিকে ‘ঝুঁকিমুক্ত’ মনে করা হয়।
তবে বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে বাংলাদেশ মাত্র ১ দশমিক ৮ মাসের আমদানি দায় মেটাতে পারবে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘ফিল্মের গল্পকেও হার মানায়’- মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বগুড়া কারাগারের কনডেম সেলের ছাদ ফুটো করে চার আসামির পালানোর আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বুধবার ভোররাত ৩টা ৫৫ মিনিটে নাটকীয় কৌশলে জেলটির জাফলং ভবনের কনডেম সেল থেকে পালিয়ে যায় চার আসামি।
প্রায় এক মাস ধরে ঘরের দুর্বল ছাদ ফুটো করে পালানোর পরিকল্পনা করে তারা। বিছানার চাদর, ব্যবহৃত পোশাককে রশি বানিয়ে বেরিয়ে পড়লেও শেষ রক্ষা হয়নি।
যদিও ১৫ মিনিটের ব্যবধানে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আসামিরা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
‘গরু মাফিয়া’- কালবেলা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
ছাগলকান্ডে আলোচনার জন্ম দেয়া সাদিক এগ্রোর কর্ণধার শাহ ইমরান হোসেনকে নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি।
এতে ২০০৮ সালে ব্যবসা শুরুর পর থেকে খামার ব্যবসার আড়ালে গরু মাফিয়া শাহ ইমরান হোসেনের উত্থানের নানা অনিয়মের খবর তুলে ধরা হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে রাজধানীর উপকণ্ঠ বছিলায় মাত্র কয়েকটি গরু নিয়ে যাত্রা শুরু হয় সাদেক এগ্রোর।
তবে কয়েক বছরের মধ্যেই ব্যাপ্তি বাড়তে থাকে ব্যবসার। তখন থেকেই প্রভাবশালীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে শুরু করেন ইমরান।
খবরে বলা হয়েছে, এই সুবাদেই মি. হোসেন জড়িয়ে পড়েন গরু চোরাচালানের সঙ্গে। দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে রাজধানী পর্যন্ত বিস্তার করেছেন গরু চোরাচালানের সিন্ডিকেট।
অল্প টাকায় ভারত থেকে গরু এনে বিক্রি করেন রাজধানীর বিভিন্ন হাটে।
এছাড়া থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চোরাইপথে নানা জাতের গরু আনা হয়। সেজন্য স্তরে স্তরে রাখা হয় দালাল। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে তোলা হয়েছে গরু রাখার গোপন ডেরা।
খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার বছিলায় খাল দখল করে গড়ে তুলেছেন এগ্রো ফার্ম। প্রয়োজনে ব্যবহার করেন তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, আমলা এবং ব্যবসায়ীদের।

‘আরও দুই আসামি গ্রেফতার’- যুগান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। খবরে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান ও ফয়সাল আলী নামের ওই দুই আসামিকে ধরতে বুধবার পার্বত্য এলাকা খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামে হেলিকপ্টার নিয়ে অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পাহাড়ি এলাকার একটি কালী মন্দিরে তারা পলাশ ও শিমুল রায় নামে হিন্দু সেজে গত ২৩ দিন ধরে অবস্থান করছিল।
ডিবি জানিয়েছে, সেখান থেকে দেশের বাইরে পালানোর চেষ্টা করছিল তারা।
ডিএমপির (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে আনার হত্যায় সরাসরি জড়িত সাতজনই গ্রেফতার হলো।
এখন চাঞ্চল্যকর এই খুনের মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান শাহীনসহ অন্যদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

‘বিক্রি হয় না ট্রেনের ৩২% টিকিট’ – আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়েতে বছরে বিক্রিযোগ্য টিকিট বরাদ্দ থাকে কমবেশি ৫ কোটি ১০ লাখ।
রেলমন্ত্রীর দেয়া তথ্যমতে, ২০২৩ সালে রেলওয়ে টিকিট বিক্রি করেছে প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ।
সে হিসাবে টিকিট অবিক্রীত থেকেছে ১ কোটি ৬৫ লাখ, যা মোট টিকিটের ৩২ শতাংশ। টিকিট অবিক্রীত থাকায় বিপুল পরিমাণ আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রেলওয়ে।
যদিও আন্তনগর ট্রেনগুলোয় আসন ফাঁকা আছে, এমন চিত্র সচরাচর দেখা যায় না। বরং কোনো কোনো রুটে আসনের অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে ট্রেনগুলো।
রেলের এক-তৃতীয়াংশ টিকিট অবিক্রীত থাকার পেছনে বিনা টিকিটে যাত্রীদের ভ্রমণকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্টেশনে বিনা টিকিটে যাত্রী পরিবহনে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে। ট্রেনের ভেতরে দায়িত্ব পালনকারী টিটিই, সিকিউরিটি গার্ড, আনসার সদস্য এবং খাবার বিক্রির কাজে নিয়োজিতরা এই সিন্ডিকেটের সদস্য। তাঁরা বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন থামলে টাকার বিনিময়ে বিনা টিকিটের যাত্রী তোলেন।

‘অর্থনীতির শক্তি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ’- সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
অর্থনীতিতে অবদান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ২০১৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৭ জুন ‘আন্তর্জাতিক এসএমই দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। সে উপলক্ষে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ নিয়ে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে দেশের দুই কোটির বেশি মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান রয়েছে। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশই এসএমই খাতে।
অবশ্য বিশেষজ্ঞ, ব্যাংকার ও উদ্যোক্তারা বলছেন, এসএমইর সম্ভাবনার অনেকটাই এখনও কাজে লাগানো হয়নি। অর্থনীতির বর্তমান সংকট কাটাতে এ খাতই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।
সারাবিশ্বেই ছোট ও মাঝারি উদ্যোগই ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল শক্তি। জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বের ব্যবসার ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের। মোট কর্মসংস্থানের ৭০ শতাংশই এ খাতের। বিশ্ব জিডিপিতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অবদান অর্ধেক।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রায় ৭৯ লাখ কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ রয়েছে।
তবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক গড় এবং প্রতিযোগী কিছু দেশের চেয়ে এখনও পিছিয়ে আছে। যেমন– শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান ৫০ শতাংশের বেশি।
ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার অর্থনীতিতেও অর্ধেকের মতো অবদান এ শিল্পের।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান প্রায় ২৫ শতাংশ। ফলে সুযোগ পেলে এসএমই আরও অনেক এগিয়ে যেতে পারে।
হস্তশিল্প, পাটপণ্য, চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, সিরামিক, হালকা প্রকৌশলসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে। এসএমইর বিকাশ ত্বরান্বিত হলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশের রাজস্ব আয় ও রপ্তানি বাড়বে।

‘আইসিইউ নেই ৩৩ জেলায়’- দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে সরকারি পর্যায়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ আছে ৩১ জেলায়।
বাকি ৩৩ জেলায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের এ সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ১৯টিতে এই সেবা চালু করতে পেরেছে সরকার।
সরকারি পর্যায়ে চালু আইসিইউতে শয্যা আছে ১ হাজার ১৮৫টি। এর মধ্যে রাজধানীসহ ঢাকা জেলাতেই ৭৩০ শয্যা, যা আইসিইউর ৬২ শতাংশ।
বাকি ৪৫৫ শয্যা ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসহ আটটি বিভাগে।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩০, খুলনায় ৮৬, রংপুরে ৪৪, বরিশালে ৪১, রাজশাহীতে ৩৮, ময়মনসিংহ ও সিলেটে ২২ শয্যা করে আইসিইউ রয়েছে। এসব শয্যার মধ্যে ৩০০টিই শয্যা নষ্ট।
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে খবরেটিতে বলা হয়েছে এসব আইসিইউতে মধ্যম থেকে নিম্নমানের সেবা দেওয়া হচ্ছে।

‘Foreign debt costs to spiral’ অর্থাৎ বৈদেশিক ঋণের ব্যয় বাড়ছেই- দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরে বলা হয়েছে, বাড়তে থাকা বৈশ্বিক সুদের হার ও বৈদেশিক ঋণের সম্প্রসারণের ফলে আগামী তিন বছরের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের সুদ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফলে কমতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর চাপ আরও বাড়বে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে সুদের পরিমাণ ২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে।
আর এসময় ডলারের বিপরীতে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত টাকার মূল্য হারাতে পারে।
এমনকি মূল অর্থের পরিমাণও চলতি অর্থবছরের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৮ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন হবার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

‘দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করার দাবি সংসদে’- কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যদের আলোচনা খবরটিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ছাগলকাণ্ড বা অন্য কোনো মাধ্যমে দুর্নীতিবাজরা চিহ্নিত হওয়ার আগেই তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।
একই সঙ্গে বিশেষ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তার পক্ষে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে দায় নেওয়ার সংস্কৃতির সমালোচনা করে তা থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান জানানো হয়েছে সংসদে।
এসময় ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘যাঁরা রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে থাকেন, যেমন—মতিউরকে দুর্নীতি দমন কমিশন, গণমাধ্যম এমনকি আমরা যারা রাজনীতিবিদ আছি, তারা চিহ্নিত করতে পারিনি।
তাঁকে একটি বোবা প্রাণী ছাগল চিহ্নিত করেছে। এমন মতিউর আরো আছে কি না, ভবিষ্যতে ছাগল বা অন্য কোনো বোবা প্রাণী চিহ্নিত করার আগেই তাদের চিহ্নিত করার প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট সংস্থার।’











