ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় কেন সরব নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী?

    • Author, রূপসা সেনগুপ্ত
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা

ভারতের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের সদ্যঘোষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা করেছেন সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স। এই চুক্তিকে 'না অবাধ না ন্যায্য' আখ্যা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, পার্লামেন্টে এই চুক্তি বাস্তবায়নের বিরোধিতা করবে তার দল।

দুই দেশের মধ্যে গত কয়েক মাস যাবত চলা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) সংক্রান্ত আলোচনা চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা করা হয় চলতি সপ্তাহের সোমবার।

চুক্তি অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ড সব ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার করবে। নিউজিল্যান্ড থেকে আসা পণ্যের ৯৫ শতাংশকেই হয় শুল্কমুক্ত করবে বা তার উপর থেকে ব্যাপক হারে শুল্ক কমাবে ভারত।

আগামী বছরের প্রথমার্ধে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবায়নের জন্য নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে অনুমোদন পাওয়া দরকার।

এরই মাঝে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তি, নিউজিল্যান্ড ভারতের জন্য নিজেদের বাজার উন্মুক্ত করছে, অভিবাসন নীতিতেও ছাড় দিচ্ছে; কিন্তু বদলে তাদের জন্য 'যথেষ্ট' কিছু নেই।

নিউজিল্যান্ড দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের উপর নির্ভরশীল। অথচ এই চুক্তিতে সেটাকে বাদ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে ভারত দুধ ও কৃষিজাত পণ্যকে প্রথম থেকেই বাদ রাখার কথা বলে এসেছে এবং সেই শর্তে আলোচনা এগিয়েছে।

তবে উইনস্টন পিটার্স স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তার আপত্তির বিষয়টা ভারত বা মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে নয়, বরং এই বিরোধ নিউজিল্যান্ডের জোট সরকারের মধ্যেকার বিবাদের প্রতিফলন।

নিউজিল্যান্ডে ক্ষমতায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের নেতৃত্বাধীন নিউজিল্যান্ড ন্যাশনাল পার্টি। তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। হাতে ৪৮টা আসন রয়েছে। তাই জোটসঙ্গীদের উপর নির্ভর করছে এই দল।

এদিকে নিউজিল্যান্ড ফার্স্টের হাতে রয়েছে আটটা আসন।

বর্তমান আবহে একদিকে যেমন নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া রাজনীতির বিবাদ স্পষ্ট হয়েছে, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে, চুক্তির-র ভবিষ্যতকে এই বিরোধ প্রভাবিত করতে পারে কি না।

আরও পড়ুন

চুক্তির আলোচনায় যা উঠে এসেছে

দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। একাধিক দফার আলোচনার পর ২২শে ডিসেম্বর মাসে এই চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা সম্পন্ন হয়।

তারপরই সোমবার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার কথা ঘোষণা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন।

প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন এক বিবৃতিতে বলেছেন, "এই সাফল্য সুদূরপ্রসারী এবং তাৎপর্যপূর্ণ"।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক মাইলফলক' বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে রফতানি করা সব পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার করবে নিউজিল্যান্ড। ভারতে ১৫ বছরের মধ্যে দুই হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরো মজবুত হবে।

এসটিইএম (সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথমেটিক্স) শাখায় স্নাতকদের জন্য পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা এবং দক্ষ পেশাদারদের জন্য ভিসার ব্যবস্থা করা হবে।

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড থেকে ভারতে আসা ৯৫ শতাংশ পণ্যই শুল্কমুক্ত হবে বা পণ্যের উপর ব্যাপক পরিমাণে শুল্ক হ্রাস করা হবে।

নিউজিল্যান্ডকে ৭০.০৩ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে ভারতীয় বাজার প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং ২৯.৯৭ শতাংশ ট্যারিফ লাইন বাদ রাখা হয়েছে।

দেশজ স্বার্থের কথা ভেবে এই তালিকা থেকে দুগ্ধজাত পণ্য, নির্বাচিত কৃষিপণ্য, চিনি, কৃত্রিম মধু, তেল, অস্ত্র, রত্ন ও গয়না, তামা ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য ইত্যাদি বাদ রাখার কথা বলেছে ভারত।

নিউজিল্যান্ডের ৪.৩৭ শতাংশ পণ্যের উপর থেকে শুল্ক হ্রাস করা হবে, যেমন ওয়াইন, ওষুধ, পলিমার, অ্যালুমিনিয়াম, লোহা, ইস্পাত ইত্যাদি।

কিছু পণ্যকে কোটার আওতায় রাখা হয়েছে যার মধ্যে মধু, আপেল, কিউই ফল এবং দুধের অ্যালবুমিন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্সের আপত্তি মূলত দুগ্ধজাত ও কৃষি পণ্য এবং অভিবাসন নীতিতে বদল এনে ভারতীয় শিক্ষার্থী এবং কর্মীদের কাজের সুযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে।

কী বলেছেন মি. পিটার্স?

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, "এই চুক্তির আওতায় নিউজিল্যান্ড ভারতীয় পণ্যের জন্য নিজেদের বাজার সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত করে দিলেও, ভারত আমাদের প্রধান দুগ্ধজাত পণ্যের ক্ষেত্রে যে উল্লেখযোগ্য শুল্ক বাধা রয়েছে সেগুলো হ্রাস করছে না"।

"এটা নিউজিল্যান্ডের কৃষকদের জন্য ভালো চুক্তি নয় এবং আমাদের গ্রামীণ সম্প্রদায়ের কাছে এটা রক্ষা করা সম্ভব নয়। এটা নিউজিল্যান্ডের প্রথম বাণিজ্য চুক্তি যেখানে আমাদের প্রধান দুগ্ধজাত পণ্য - দুধ, পনির ও মাখনকে বাদ দেওয়া হবে"।

তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্জন্য পর্যন্ত দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের রফতানি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার (দুই হাজার ৪০০ কোটি ডলার) যা সে দেশের মোট পণ্য রফতানির ৩০ শতাংশ।

বাণিজ্য ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে উদ্বেগ

দেশের যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের বিষয়টাও তুলে ধরেছেন মি. পিটার্স।

তার কথায়, "ন্যাশনাল (পার্টি) ভারতকে এমন কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর ছাড় দিয়েছে যার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের কোনো সম্পর্ক নেই - বরং সেটা ভারত থেকে নিউজিল্যান্ডে মানুষের আগমন এবং ভারতে নিউজিল্যান্ডের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে"।

"ন্যাশনাল (পার্টি) অস্ট্রেলিয়া বা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে এফটিএ নিশ্চিত করতে পার ক্যাপিটা ভিত্তিতে আমাদের শ্রমবাজারে যে পরিমাণ প্রবেশাধিকার দিয়েছিল, ভারতকে তার তুলনায় আরো বেশি প্রবেশাধিকার দিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বর্তমান শ্রমবাজারের পরিস্থিতির কথা ভাবলে এটা মুর্খতা। অনেক নিউজিল্যান্ডবাসী বেকার অথবা অর্থনৈতিক দিক থেকে লড়ছেন"।

ভারতের জন্য অভিবাসন নীতিতে ছাড় দেওয়াকে সমালোচনা করেছেন তিনি। বলেছেন, এই চুক্তি নিয়ে সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়টা কিন্তু প্রথম থেকেই অনিশ্চিত ছিল। কিন্তু সে বিষয়ে নিউজিল্যান্ড ন্যশানাল পার্টি ভ্রূক্ষেপ করেনি।

তবে তিনি জানিয়েছেন, এর সঙ্গে ভারত-বিরোধিতার সম্পর্ক নেই এবং তার দল ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্ককে মজবুত করার বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি বলেছেন, "আমাদের দেশের কৌশলগত স্বার্থে আমরা ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয়ে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অস্ট্রেলিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বাইরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এই মেয়াদে প্রথম সফর ছিল ভারতে এবং আমরা এই বছর সেখানেই আবারো ফিরে গিয়েছি"।

তিনি জানিয়েছেন তার দলের অবস্থান সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে বলেছেন তিনি।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য

নিউজিল্যান্ডে প্রায় তিন লাখ ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং অনাবাসী ভারতীয় বাস করেন, যা সে দেশের জনসংখ্যার প্রায় পাঁচ শতাংশ।

এই প্রবাসীরা একদিকে যেমন দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের কাজ করেন তেমনই ভারতীয় পণ্য ও পরিষেবার চাহিদাতেও অবদান রাখেন।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০১৫-২০১৬ সালে ৮৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৮৫.৫ কোটি ডলার) থেকে বেড়ে ২০২৪-২০২৫ সালে ১২৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (১২৯.৮ কোটি ডলার) দাঁড়িয়েছে।

বিরোধিতা

ন্যাশনাল পার্টি ২০০২ সালে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে জানিয়েছিল নির্বাচিত হলে প্রথম মেয়াদে নিউজিল্যান্ড-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করবে। সেই দিক থেকে তাদের জন্য এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।

চুক্তি বাস্তবায়নের আগে তার জন্য নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে অনুমোদন দরকার।

নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি এর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার কথা বললেও বিরোধী লেবার পার্টি ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা চুক্তির পক্ষে।

লেবার পার্টির বাণিজ্য মুখপাত্র ড্যামিয়েন ওকনর বলেছেন, "আমরা যা চাইছি, তার সমস্তটা না হলেও আমি যা দেখেছি তা থেকে বলতে পারি এটা একটা সমর্থনযোগ্য চুক্তি।"

সে দেশের প্রধানমন্ত্রী অবশ্য আশাবাদী যে এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় সমর্থন মিলবে।

ভারতের দিক থেকে অবশ্য এমন কোনো বাধা নেই, ক্যাবিনেটের সবুজ সংকেত আগেই মিলেছিল।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

জিন্দল স্কুল অফ ইন্টারন্যাশানাল অ্যাফেয়ার্স -এর অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর এবং ফরেন পলিসি বিশেষজ্ঞ গীতাঞ্জলি সিনহা রায় বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "নিউজিল্যান্ড ভারতের মতোই কৃষিনির্ভর দেশ যেখানে দুধ, দুগ্ধজাত ও কৃষি পণ্যের মতো বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই তারাও ভারতের মতোই চাইবেন কৃষক ও গ্রামীণ সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে"।

"এখানে মনে রাখতে হবে শুধু অর্থনীতি এবং দেশের উন্নয়নের জন্যই নয়, ভোট ব্যাংকের জন্যও বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ"।

গীতাঞ্জলি সিনহা রায় জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতি আগেও দেখা গিয়েছে। তার কথায়, "কয়েক বছর আগে একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল চীন এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে। দুই দেশের মধ্যে একটু সমস্যাও দেখা দেয়"।

দেশের যুবা প্রজন্মের কথা ভেবে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা ও দক্ষ কর্মীদের ভিসা দেওয়া নিয়ে আপত্তি করেছেন উইনস্টন পিটার্স।

এই প্রসঙ্গে গীতাঞ্জলি সিনহা রায় বলেছেন, "সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে ভারতীয়দের কর্মসংস্থান, শিক্ষার্থী ও দক্ষকর্মীদের ভিসা দেওয়া নিয়ে যা দেখা গিয়েছে সেই একই মনোভাব যদি নিউজিল্যান্ডে দেখা যায়, তাহলে তা চিন্তার কারণ হবে"।

এই চুক্তির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মানব রচনা ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ-এর অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর এবং বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ উপমন্যু বসু বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক নিয়ে দর কষাকষি একাধিক দেশের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে কথা মাথায় রেখে দুই দেশের কাছেই এই চুক্তির গুরুত্ব রয়েছে।"

ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য নীতির বিষয়ে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তার কথায়, "ভারতের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড ছাড়াও যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমানসহ একাধিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের অন্যান্য দেশের মতোই ভারত একাধিক বিকল্পের কথা ভেবেছে"।

ডেয়ারি পণ্য সম্পর্কে ভারতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, "রিজিওনাল কম্প্রিহেন্সিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ চুক্তির সময়ে ভারতে এই জাতীয় বিরোধ দেখা গিয়েছিল। সে কথা মাথায় রেখে ভারত সরে আসে। তখন ভারতের উদ্বেগ ছিল দুধজাত পণ্য, কৃষি পণ্য ইত্যাদির উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে"।

"তাই কিন্তু নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিতেও একই জায়গায় অনড় থেকেছে ভারত। কারণ নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধজাত সেক্টর বিশাল। ভারতের বাজারে তাদের দুগ্ধজআট পণ্যকে অবাধ প্রবেশাধিকার দিলে ভারতের ক্ষতি হবে"।

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন নিউজিল্যান্ডের একাধিক দুগ্ধজাত পণ্য বাদ দিলেও দুধের অ্যাল্বুমিন কিন্তু বাদ দেওয়া হয়নি।

তার মতে নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টির আপত্তিতে এই বাণিজ্য চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা এই মুহূর্তে নেই। কারণ জোট সরকারে অন্য দলও রয়েছে।