'যে কারণে জেনারেল আজিজের নিষেধাজ্ঞায় চাঞ্চল্য'

যে কারণে জেনারেল আজিজের নিষেধাজ্ঞায় চাঞ্চল্য- এভাবেই শিরোনাম করেছে মানবজমিন। এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র অনেক আগেই তার ওপর নজর রাখছিল। ডনাল্ড লু’র সাম্প্রতিক ঢাকা সফরে সবাই ধারণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বোধহয় সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়ে গেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যে তার নীতিতে অটল থাকে এটা তারই প্রমাণ।

বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আসায় নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

নানা সূত্রের খবর, পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বিদেশে যারা টাকা পাচার করেছেন তাদের ওপর।

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওই ঘোষণার মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন একটি উইন্ডো ওপেন করলো। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো জেনারেলের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা জারির পর জনমনে নানা প্রশ্ন, কৌতূহল। সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে আর কার কার বিরুদ্ধে কী কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে?

সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, অনেক দিন ধরেই আলোচিত সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে গত সোমবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর ফলে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন না। বাংলাদেশে এবারই প্রথম কোনো সাবেক সেনাপ্রধান যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়লেন।

এর আগে ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক এবং ওই সময়ে কর্মরত সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

এই খবরটি সমকাল, কালের কণ্ঠ, নয়া দিগন্ত সহ আরও অনেক পত্রিকার প্রথম পাতায় এসেছে।

এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনীতি আছে, এটি আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের যে অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন সাবেক এই সেনাপ্রধান।

গতকাল তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যদিও ব্যক্তিগত, তারপরও বর্তমান সরকারের সময়ে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই ঘটনাটি কিছুটা হলেও সরকারকে হেয় করে।

তার ভাষায়, "এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনীতি আছে।"

"আমার বিরুদ্ধে যে দুটো অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সত্য নয়, মিথ্যা," তিনি বলেন।

দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়ে তিনি বলেছেন, "আপনারা হয়তো খেয়াল করবেন, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ নামে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছিল, সেখানে সেই একই কথা ছিল। তাহলে সহজেই বুঝতে পারছেন আল জাজিরার তথ্যচিত্র ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা একই সূত্রে গাঁথা।"

‘আমি ঘুষ নেইনি দুর্নীতি করিনি’- এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার সংবাদ। এখানে শিরোনামে জেনারেল আজিজ আহমেদের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

গতকাল তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "আমি কোনো অন্যায় করিনি। ঘুষ গ্রহণ বা দুর্নীতি করিনি। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে অবাক ও মর্মাহত হয়েছি। শাস্তি পাওয়ার মতো কোনো কাজ আমি করিনি। কেউ যদি তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ আনতে পারে, তাহলে এর পরিণতি ভোগ করতে আমি প্রস্তুত।"

ভোটার খরায়ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, নিহত ১- এটি সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার দ্বিতীয় শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, গতকাল সারাদেশে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপেও বেশির ভাগ কেন্দ্রে ছিল ভোটার শূন্যতা।

যদিও ১৫৬ উপজেলায় ভোট শেষে ঢাকায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ভোটার উপস্থিতির হার ৩০ শতাংশের বেশি হতে পারে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে দাবি করে তিনি কম ভোটার উপস্থিতির জন্য দেশের বড় একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচন বর্জনকে দায়ী করেন।

তবে মঙ্গলবার বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট, কেন্দ্র দখল করে সিল মারা সহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আটকের পর শাস্তি দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলায় এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নারী আনসারসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে অসুস্থতায়।

পণ্য রফতানিতে সবচেয়ে বেশি হারে শুল্ক দিতে হবে ভার, এটি বণিক বার্তার প্রধান খবর। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের (এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন) কথা রয়েছে।

এ উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য রফতানিতে শুল্ক পরিশোধের চাপ বাড়বে রফতানিকারকদের। বিশেষ করে সম্ভাবনাময় প্রধান বাজারগুলোয় বেশ উচ্চহারে শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য রফতানি করতে হবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক হিসাব অনুযায়ী, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে প্রতিবেশী ভারতে।

লঘুদণ্ডে প্রশাসনে বাড়ছে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও আবিষ্কার ও বেতন হ্রাসের শাস্তি দিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এসব কর্মকর্তার বেশির ভাগ নবীন হওয়ায় কম শাস্তির পাশাপাশি বড় দায় থেকেও অনেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন। কিন্তু অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রশাসনে বেড়েই চলেছে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড।

তবে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনের ফাঁকফোকরে আবিষ্কার কিংবা বেতন হ্রাস করে অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি না দেওয়ায় প্রশাসনে অনিয়ম-দুর্নীতি অব্যাহত আছে। এ থেকে মুক্তি পেতে হলে ২০১৮ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আচরণ) বিধিমালা সংস্কার করা প্রয়োজন।

লুটপাটে ধ্বংস হচ্ছে সাদামাটির পাহাড়, এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এখানে বলা হয়েছে, অবাধ লুটপাটে তছনছ হয়ে পড়েছে নেত্রকোনায় দেশের বৃহৎ প্রাকৃতিক খনিজসম্পদ সাদামাটির পাহাড়। কিছু সিন্ডিকেট অরক্ষিত এই খনিজসম্পদ যুগের পর যুগ ধরে লুটপাট করছে।

অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় থেকে মাটি উত্তোলনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে গভীর খাদের। ফলে প্রায়ই ঘটছে পাহাড় ধসের ঘটনা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এ নিয়ে সেখানকার অধিবাসীরা উৎকণ্ঠায় রয়েছে।

কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর প্রশাসনের নজরদারির অভাবে লুটপাটকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।

দৃষ্টি নন্দন এই সাদামাটি বা চীনামাটি পাহাড়ের অবস্থান নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী সুসং দুর্গাপুর উপজেলায় গারো পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বিজয়পুর নামক স্থানে। বাংলাদেশের একমাত্র বৃহত্তম প্রাকৃতিক খনিজসম্পদ চীনা মাটি বা সাদা মাটির পাহাড় এটি।

GDP grows by 5.8pc in FY24 amid economists’ doubt বা অর্থনীতিবিদদের শঙ্কার মধ্যেও ২০২৪ অর্থবছরে জিডিপি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। এটি নিউ এজ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।

এতে বলা হয়েছে, কৃষি ও শিল্পখাতে ধীরগতি সত্ত্বেও বিদায়ী অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে, অর্থনীতির সকল সূচকে নেতিবাচক প্রবণতার মধ্যে এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান অর্থনীতিবিদরা।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, এতো প্রবৃদ্ধি অর্জনের মতো কোনো ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

পাওনা না পেয়ে ভাড়া বাড়াচ্ছে বিদেশি এয়ারলাইন, এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার আরেকটি খবর। এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কাছ থেকে পাওনা ডলার ছাড় করে নিজ দেশে নিতে না পেরে টিকিটের মূল্য বাড়িয়ে চলছে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো।

প্রায় দেড় বছরের বকেয়ার জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন (আইএটিএ)। সংগঠনটি দ্রুত এয়ারলাইন্সগুলোর বকেয়া পরিশোধের তাগিদও দিয়েছে।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর বাংলাদেশের কাছে পাওনা ৩২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৭ টাকা দরে) ৩ হাজার ৭৭৯ কোটি ১০ লাখ টাকা।

বিবৃতিতে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে আইএটিএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপ গোহ বলেছেন, লিজ চুক্তি, খুচরা যন্ত্রাংশ, ওভারফ্লাইট ফি এবং জ্বালানির মতো ডলার নির্ভর খরচ মেটাতে বিভিন্ন দেশের কাছে এই পাওনা সময়মতো পরিশোধ করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।