পত্রিকা: 'ভয়ের ছায়ায় মোহাম্মদপুর'

'ভয়ের ছায়ায় মোহাম্মদপুর'— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের বরাতে এতে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর-আদাবরের চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান, বছিলা, জেনেভা ক্যাম্প, শেখেরটেক, নবোদয় হাউজিং ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি অপরাধপ্রবণ এলাকা। মোহাম্মপুরের বাকি যে এলাকা, সেখানে কেবল ভয়ের ছায়া।

মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের অন্যতম বৃহৎ আবাসস্থল মোহাম্মদপুর এলাকা।

এখানে শতাধিক স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা আছে। তবে এলাকাটি শিক্ষার প্রসারের জন্য আলোচনায় আসে না। ছিনতাই, ডাকাতি, খুনোখুনি, মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মোহাম্মদপুর আলোচিত হচ্ছে বারবার।

যখন-তখন যাকে-তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে কয়েকজন কিশোর– কদিন পরপর এমন আতঙ্ক-জাগানিয়া ভিডিও পরিস্থিতিকে অসহনীয় করে তুলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিক থেকে দ্রুত প্রতিকারের খবর কম। তাই পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপি'র অপরাধ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত তিন মাসে ৪৫টি ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে মোহাম্মদপুর থানায়। ছয় মাসে ডাকাতি ও ডাকাতির চেষ্টায় মামলা হয়েছে ২৩টি। একই সময়ে (জানুয়ারি-জুন) চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে ১৯টি।

খসড়া নিয়ে ৩ দলের আপত্তি— এটি দৈনিক প্রথম আলো'র প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদের খসড়া নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যে সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করা হবে— সনদের এ বিষয়টি নিয়েই মূলত আপত্তি।

দলগুলো বলছে, জুলাই সনদকে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে তা বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে। না হলে পুরো সংস্কারপ্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে।

তবে এ খসড়ার সঙ্গে মোটামুটি একমত বিএনপি।

গতকাল মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার ফাঁকে সাংবাদিকদের কাছে সনদের খসড়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায় কয়েকটি দল।

আজ বুধবার দুপুরের মধ্যে দলগুলোকে এ খসড়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মতামত জানাতে বলেছে ঐকমত্য কমিশন। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শেষ করে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

৬০ প্রকল্পের শত ঠিকাদার টাকা তুলে নিয়ে উধাও— এটি দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই খবরে বলা হয়েছে, চারটি মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৬০ টি প্রকল্পের ঠিকাদাররা বরাদ্দের টাকা তুলে নিয়ে কাজ না করে গত বছরের পাঁচই অগাস্টের পর গা ঢাকা দিয়েছেন। এমন শতাধিক ঠিকাদার নিয়েছেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

এই চার মন্ত্রণালয় হলো স্থানীয় সরকার , গৃহায়ণ গণপূর্ত , সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ।

এই প্রকল্পগুলোতে সরকারের ও বিদেশি অর্থায়ন রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ( আইএমইডি ) বলছে, এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১০ টি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের অগ্রগতির পাশাপাশি প্রকল্পের সার্বিক বিষয় নিয়ে তারা কাজ করছে। এর মধ্যে চারটি মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৬০ প্রকল্পের ঠিকাদারেরা প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ১০ টি প্রকল্পের ঠিকাদারেরা ৩৩০ কোটি টাকা তুলে লাপাত্তা। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ টি প্রকল্পের ঠিকাদারেরা ৩২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা নিলেও কাজ করছেন না। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬৭১ কোটি ৫২ লাখ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ১৬১ কোটি ২১ লাখ টাকা নিয়ে কাজ ফেলে উধাও ঠিকাদারেরা।

এসব ঠিকাদার লাপাত্তা হওয়ায় প্রকল্পগুলোর কাজ স্থবির রয়েছে । কাজ বন্ধ থাকা প্রকল্পগুলোর ঠিকাদারদের মধ্যে বিদেশি ঠিকাদারও রয়েছেন। তাদের মধ্যে ভারতীয়ই বেশি । আর, দেশি ঠিকাদারদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও দলটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের সংখ্যা বেশি ।

Hardly any reform in political parties বা রাজনৈতিক দলগুলোতে সংস্কার প্রায় অনুপস্থিত— এটি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ভেতরে এখন পর্যন্ত বড় কোনও পরিবর্তন বা সংস্কারের উদ্যোগ নেয় নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক নেতারা।

তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সংস্কার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে এবং এখানে ইতিবাচক পরিবর্তনের ব্যাপারে জনগণের মনে গভীর প্রত্যাশা আছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এসব আশা হয়তো বাস্তবে পূরণ হবে না। এতে করে সত্যিকারের বড় ধরনের গণতান্ত্রিক পরিবর্তন নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে এখন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য দলগুলোর অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন খুব দরকার। কিন্তু ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও সেই পরিবর্তনের জন্য বাস্তবে তেমন কিছু করা হয়নি। বরং, সবকিছু আগের মতোই চলছে।

তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো এখনও অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত, যেখানে শীর্ষ নেতাদের একক কর্তৃত্ব বজায় আছে এবং নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নেই।

নৈরাজ্যের আশঙ্কা, আতঙ্ক সতর্কতা— এটি দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরো্নাম।

খবরটিতে বলা হয়েছে, অগাস্ট মাসে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর নানা কর্মসূচি চলছে, চলবে। তাই, এ সময়ে নাশকতা হতে পারে বলে আশঙ্কা খোদ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর।

হতে পারে হতাহতের মতো ঘটনাও। উপদেষ্টাদের বহর, রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে হামলাসহ বহুমুখী অঘটন ও নৈরাজ্যের ঝুঁকি থাকতে পারে বলেও গোয়েন্দা সংস্থা মনে করে।

তাই এসব অপকর্ম ঠেকাতে ব্যাপক প্রতিরোধমূলক প্রস্তুতিতে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২০ হাজারের বেশি সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সরকারের বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনের আগাম তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, অগাস্টকে ঘিরে হামলা নাশকতার আশঙ্কায় তাদের মধ্যে চাপা আতঙ্ক রয়েছে।

গভীর সংস্কার না হলে স্বৈরাচার ফিরবে— এটি দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, "উপরে একটা প্রলেপ দেওয়ার মতো পরিবর্তন না, প্রয়োজন গভীরতম পরিবর্তন। সেই গভীরতম পরিবর্তন যদি না করি, তাহলে যেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আজকে আমরা কথা বলছি-আবার ঘুরেফিরে সে চলে আসবে; যতই আমরা সামাল দেই, যতই সংস্কার করি। আমাদের আরো গভীরের সংস্কার দরকার, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

গতকাল ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয় আয়োজিত 'জুলাই স্মরণ ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন' শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "সংস্কারের পাশাপাশি জুলাইয়ে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে আমরা বদ্ধপরিকর। ন্যায়বিচার মানে কেবল শাস্তি নয়, ন্যায়বিচার মানে এমন একটি রাষ্ট্র গঠন, যেখানে রাষ্ট্রক্ষমতা আর কখনো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না।"

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা আরো ক্ষীণ হয়ে আসছে— এটি বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের আভাস মিলছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে 'রেয়ার আর্থ মিনারেল' বা বিরল খনিজ ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত মিয়ানমারের বিরল খনিজ সম্পদকে চীনের একক নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে নিজস্ব সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত করার চেষ্টা করছে।

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি ছিল আন্তর্জাতিক চাপ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি মিয়ানমারকে তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের অংশ করে নিতে চায়, তাহলে সে চাপ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। এতে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা কার্যত শূন্যের কোটায় নেমে আসতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

চলমান পরিস্থিতিতে এটা প্রায় নিশ্চিত যে রোহিঙ্গা ইস্যু যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আর অগ্রাধিকার পাচ্ছে না। এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য নির্ধারিত মানবিক সহায়তায় আর্থিক ঘাটতি, জীবন রক্ষাকারী পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশে নতুন করে দেড় লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর আগমন সংকট আরো গভীর করেছে।

এ পরিস্থিতিতে মিয়ানমার জান্তার প্রতি মার্কিন নীতি নমনীয় হলে আন্তর্জাতিক মহলে তাদের বৈধতা প্রশ্নে যে নৈতিক অবস্থান বজায় ছিল, তা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়বে।

চীনকে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেওয়া হয়— এটি দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আয়োজিত ডিক্যাব টকে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথা জানিয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, গত ১০ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগকে ব্যাহত এবং প্রতিরোধ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন আমরা পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করেছি এবং দলগুলোও চীনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে চায়। আমি মনে করি, দু'পক্ষের মধ্যে দৃঢ় ইচ্ছা রয়েছে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে।

গত বছরগুলোতে কারা চীনকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দিয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি, ১০ বছরে কী অবস্থা ছিল। আপনারা বুঝতে পারেন, আমরা কেন এ ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলাম।

নিউ ইয়র্কের পুলিশ কর্মকর্তা কুলাউড়ার দিদারুলকে গুলি করে হত্যা— মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর। এতে বলা হয়েছে, নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে বন্দুকধারীর হামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম নিহত হয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারী শেন তামুরার হামলায় নিউ ইয়র্ক সিটির ৩৪৫ পার্ক এভিনিউয়ের একটি বহুতল ভবনে পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামসহ চারজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

দিদারুল ইসলামরা এক ভাই আর দুই বোন। তারা সবাই নিউ ইয়র্কে থাকেন। বছরখানেক আগে বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী আর দুই সন্তান নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন।