‘ইসরায়েলের দম্ভে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র’

পত্রিকা

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘ইসরায়েলের দম্ভে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ফিলিস্তিনে প্রতিনিয়ত আগ্রাসন এবং কয়েক দশক ধরে ইরান, সিরিয়া, লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে একতরফা হামলা চালিয়ে ইসরায়েল জানান দিয়ে এসেছিল যে এ অঞ্চলের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক শক্তি তারাই।

তবে গত শনিবার দেশটির সেই আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক বড় শক্তি ইরান। একযোগে তিন শতাধিক ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইসরায়েলে।

প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের বৈরী ইরান সরাসরি ইসরায়েলের সার্বভৌম ভূখণ্ডে আঘাত করে তেল আবিবের দম্ভ চূর্ণ করে দিয়েছে।

ইরান ইচ্ছা করেই ইসরায়েলের বড় ক্ষতি করে বৃহত্তর যুদ্ধ বাধাতে চায়নি। তবে তেহরানের বার্তা ছিল খুব স্পষ্ট– চাইলেই তারা ইসরায়েলের বড় ক্ষতি করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

ফলে ইসরায়েল মার খেয়ে মার হজম করছে; এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা জবাব দেয়নি। ইসরায়েলের ওপর ইরানি হামলায় মুসলিম বিশ্বে খুশির জোয়ার বইছে।

ইসরায়েলে এবার অন্য একটি দিক থেকেও মুদ্রার অপর পিঠ দেখতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটির পশ্চিমা মিত্ররা ইরানের পূর্বঘোষিত হামলা ঠেকাতে সর্বাত্মক সহায়তা দিলেও ইসরায়েলের পাল্টা আক্রমণে সায় দেয়নি।

বরং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো ঘনিষ্ঠ মিত্ররা সাবধান করে দিয়েছে– ইরানে হামলার মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে ইসরায়েলের পাশে থাকবে না তারা।

ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বৃহত্তর যুদ্ধ শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা কোনো দেশই ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধের পর আরেকটি নতুন রণাঙ্গনের বোঝা বহন করার অবস্থানে নেই।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ঢাকায় ইসরায়েলের বিমান অবতরণ নিয়ে নানা খবর প্রকাশ ও আলোচনা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘ঢাকায় ইসরায়েলের নয়, নেমেছিল মার্কিন কার্গো উড়োজাহাজ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইসরায়েলের কোনো উড়োজাহাজ অবতরণ করেনি; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালামালবাহী (কার্গো) উড়োজাহাজ অবতরণ করেছিল।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) গত শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ইসরায়েলের মধ্যে বিমান চলাচলের চুক্তি নেই। ইসরায়েলের কোনো বিমান বাংলাদেশে অবতরণের ঘটনাও ঘটেনি।

‘ইসরায়েল থেকে বিমান এলো ঢাকায়’ শিরোনামে কিছু গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বিমান চলাচল চুক্তি অনুযায়ী কার্গো ফ্লাইট দুটি ঢাকা এসেছিল। ঢাকা থেকে তৈরি পোশাক নিয়ে ফ্লাইট দুটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও ইউরোপের একটি গন্তব্যে গেছে।

দুটি বিমানই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত এবং ওই দেশের বিমান সংস্থা ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের।

বেবিচকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামানের পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পত্রিকা

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘উপজেলায়ও আ.লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আ.লীগ

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও লড়াই হতে যাচ্ছে মূলত আওয়ামী লীগের নেতাদের নিজেদের মধ্যে।

প্রথম ধাপে ১৫০টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলটির গড়ে তিনজন করে প্রার্থী হচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নেতা আছেন কমবেশি ৪৫ জন। তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ২২ জন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, ১৫০টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট এক হাজার ৮৯১ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬৯৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭২৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৭১ জন।

প্রথম ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় কোথাও কোথাও ভোটের প্রয়োজন হবে না। বাগেরহাট সদর ও মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে একজন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বাছাইয়ে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হলে এই দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোটের প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া ১৫টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দুজন করে। এসব উপজেলায় মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে কোনো একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলে বা শেষ পর্যন্ত একজন প্রার্থিতা তুলে নিলে সেখানে আর ওই পদে ভোটের প্রয়োজন হবে না।

পত্রিকা

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অবস্থান নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে পারেনি বিএনপি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনেও দলীয় অবস্থানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিএনপি।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকলেও দলের অবস্থান কী হবে-এ বিষয়ে এখনো অস্পষ্টতায় দলটির নেতাকর্মীরা।

অর্থাৎ স্বতন্ত্রভাবে দলের কেউ নির্বাচন করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, নাকি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল নেবে তা নিয়ে কেন্দ্রের কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি তৃণমূল। যে কারণে তারা অনেকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন।

জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘যেহেতু দল নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, সেহেতু পূর্বের সিদ্ধান্তই এখনো বলবৎ আছে।’

চার ধাপে সাড়ে ৪শর বেশি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০টি উপজেলা উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ই মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল সোমবার।

জানা গেছে, দলের সিদ্ধান্ত না মেনে অংশ নিলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি স্থায়ী কমিটি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করলেও পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করে।

এরপর ২০১৮ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিলেও নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি।

পত্রিকা

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের নানা অনিয়ম নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘অর্ধশত এমপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের অর্ধ শতাধিক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে।

দলের হাই কমান্ড আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাউকে সমর্থন না দিতে এমপিদের নির্দেশ দিলেও সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন অনেক সংসদ সদস্য।

কোনো কোনো এমপির স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, ভাই, ভাতিজা, শ্যালক, ভগ্নিপতি, মামা, ভাগ্নে, বেয়াইরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

মন্ত্রী এমপিদের কেউ প্রকাশ্যে আবার কেউ পরোক্ষভাবে স্বজন ও নিজেদের অনুসারী অনুগত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থন দেখছেন।

উন্মুক্ত নির্বাচনে প্রভাবশালীদের এমন হস্তক্ষেপে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা নাখোশ বলে দলীয় সূত্রের বরাতে বলছে ইত্তেফাক।

অর্ধ শতাধিক দলীয় ও স্বতন্ত্র এমপির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ কেন্দ্রে জমা পড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র।

শোকজ সতর্কতা তলব এমনকি সংসদ সদস্যদের বর্তমান দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করার চিন্তাভাবনা চলছে বলে খবরে প্রকাশিত হয়েছে।

পত্রিকা

এমভি আবদুল্লাহ দস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার ঘটনায় আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘৫৫ কোটিতে কেনা মুক্তি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার ৩৩ দিন পর মুক্ত হয়েছে জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ এবং এর ২৩ নাবিক।

জাহাজটি এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের হারমিয়া বন্দরের পথে।

এমভি আবদুল্লাহকে মুক্ত করতে জলদস্যুদের ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা) মুক্তিপণ দিতে হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

যদিও জাহাজের মালিক প্রতিষ্ঠান বিষয়টি স্বীকার করেনি।

এদিকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে ঈদ কাটলেও নাবিকদের মুক্তির খবরে স্বস্তি ফিরেছে তাদের পরিবারে। স্বজনরা এখন প্রিয়জনকে ফিরে পেতে দিন গুনছেন।

প্রতিবেদন আরও বলা হচ্ছে, ২২ এপ্রিল হারমিয়া বন্দরে পৌঁছাবে এমভি আবদুল্লাহ। সেখান থেকে আকাশপথে দেশের পথ ধরবেন ২৩ নাবিক।

আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে গত ১২ই মার্চ জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেয় জলদস্যুরা।

সে সময় জাহাজটি সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল পূর্বে অবস্থান করছিল।

জিম্মি হওয়ার আগে ও পরে জাহাজ থেকে পাঠানো নাবিকদের বার্তায় সর্বত্র উৎকণ্ঠা ছড়ায়।

এর মধ্যেই দস্যুদের সঙ্গে আলোচনা চলতে থাকে। চূড়ান্ত সমঝোতা হওয়ার পর বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে জাহাজ থেকে দস্যুরা নেমে যায়।

পত্রিকা

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, ‘Economy in for a double whammy’ অর্থাৎ, ‘অর্থনীতির ওপর দ্বিমুখী আঘাত’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতি দ্বিগুণ অঙ্কের দিকে এবং ত্রৈমাসিক জিডিপি বৃদ্ধির হার বছরে প্রায় অর্ধেক হওয়ার সাথে সাথে, ভোক্তাদের উপর চাপ বাড়ছে।

পরিস্থিতি আরও অন্ধকার দিকে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত করছেন।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এক্ষেত্রে জনগণের উপর চাপ কমাতে সতর্কতার সাথে অর্থনীতি পরিচালনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক ৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা তিন প্রান্তিকের মধ্যে সবচেয়ে ধীর গতির প্রবৃদ্ধি।

ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরে প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি পতন হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে, জিডিপি সাত দশমিক আট শতাংশ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে নয় দশমিক তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবার ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল নয় দশমিক ৬৭ শতাংশ। উচ্চমূল্য ক্রমাগতভাবে ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস করছে।

অর্থনীতিবিদরাও বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমলেও মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। এর ফলে জনগণের আয়ের সুযোগ ও ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

পত্রিকা

ব্যাংকের একীভূত হওয়া নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘একীভূত ব্যাংক : পাঁচটির বাইরে আপাতত আর না’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী তিন বছরের জন্য নতুন করে আর কোনো ব্যাংককে একীভূত হওয়ার অনুমতি দিবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ পর্যন্ত পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া বা আলোচনা শুরু হয়েছে।

যে পাঁচটি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার আলোচনা রয়েছে সেগুলোর কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে আর কোনো ব্যাংকের একীভূত হওয়ার অনুমোদন দেয়া হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রোজার ঈদের আগে ‘স্বপ্রণোদিত হয়ে ব্যাংক-কোম্পানির একীভূতকরণ সম্পর্কিত নীতিমালা’ জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এই প্রক্রিয়াকে একীভূতকরণ বলা হলেও আদতে অপেক্ষাকৃত ভালো ব্যাংক দুর্বল ব্যাংককে অধিগ্রহণ করবে।

সম্প্রতি বেসরকারি খাতের পদ্মা ও ন্যাশনাল ব্যাংক, এবং রাষ্ট্রীয় খাতের রাকাব, বেসিক ও বিডিবিএল ব্যাংকের অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত বা বিলীন হওয়ার প্রক্রিয়া বা আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে শুধু পদ্মা ব্যাংকের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংকের চুক্তি হয়েছে। বাকি চারটির শুধু আলোচনা হয়েছে। এখনও কোনো চুক্তি হয়নি।

এর মধ্যে কাগজ-কলমে ন্যাশনাল ব্যাংকের ও রাকাবের খেলাপি ২৬ শতাংশ। বাস্তবে আরও বেশি। বেসিকের ৬২ শতাংশ ও বিডিবিএলের ৪৪ শতাংশ খেলাপি রয়েছে।

পত্রিকা

ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন, ‘ঈদের ছুটিতে সড়কে নিহত ২৫’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ১২টি উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত হয়েছেন।

এসব দুর্ঘটনায় পাঁচ মোটারসাইকেল আরোহীসহ আরো প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর গত ৯ এপ্রিল থেকে গত ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ জেলায়। সেখানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ নয় জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।

বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই ঘটেছে বাসের সাথে মাহেন্দ্র বা অটোরিকশার সংঘর্ষে।

নোয়াখালীর চার উপজেলায় উপজেলায় পৃথক চারটি সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয় বেশ কয়েকজন ।

নড়াইলে আলাদা দু’টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন পাঁচজন মোটরসাইকেল আরোহী।

চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ায় চলন্ত বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই আপন চাচাত ভাই দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

সীতাকুণ্ডে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো তিনজন।

ঈদের পর দিন সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের।

পত্রিকা

এদিকে ঈদের ছুটিতে ঢাকায় বাতাসের মান নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Holidays bring no respite from air pollution’ অর্থাৎ, ‘ছুটির দিনেও বায়ু দূষণ থেকে ছুটি মেলেনি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারে ঈদ ও পহেলা বৈশাখের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়লেও এবং যানবাহন চলাচল এবং নির্মাণ ও উৎপাদন কাজ কমে গেলেও শহরের বাতাসের মান খারাপ ছিল।

সোমবার, ঢাকা বিশ্বব্যাপী বায়ুর গুণমান পরিমাপের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় খারাপ অবস্থানে রয়েছে, যেটিকে সবুজ রক্ষা সংক্রান্ত আন্দোলনকর্মীরা অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

সকাল নয়টায় ঢাকার বায়ু মানের সূচকের স্কোর ছিল ১৯৩, যা নিচে থেকে দ্বিতীয় অবস্থান নির্দেশ করে।

ভারতের দিল্লি, চীনের বেইজিং এবং নেপালের কাঠমান্ডুর বায়ুমান স্কোর যথাক্রমে ২০৭, ১৯৩ এবং ১৭৫। তারা তালিকার প্রথম, তৃতীয় এবং চতুর্থ খারাপ স্থান দখল করেছে।

বায়ুমান স্কোর ১০১ এবং ২০০-এর মধ্যে হলে সেটা 'অস্বাস্থ্যকর' হিসাবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে নিম্নমান বলে মনে করা হয়।

এই স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে হলে সেটি 'বিপজ্জনক' বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।