'চাইলে বেনজীরকে ১৫ দিন সময় দেবে দুদক'

চাইলে বেনজীরকে ১৫ দিন সময় দেবে দুদক— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। এখানে বলা হয়েছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক বলেন, “দুদক কাউকে নোটিশ করলে তিনি আসতে বাধ্য কি না, সেটা আইনে সুস্পষ্ট বলা নেই। না এলে ধরে নিতে হবে তার কোনও বক্তব্য নেই। তবে তার সুযোগ আছে সময় চাওয়ার। সময় চাইলে দুদক ১৫ দিন সময় দিতে পারবে।”

“সময় দেওয়ার পরও তিনি যদি দুদকে না আসেন, তাহলে ধরে নিতে হবে তার কোনো বক্তব্য নেই। তখন নথিপত্র দেখে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় প্রমাণিত হবে, না হলে নাই।”

বেনজীর ও তার পরিবার দেশে আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা দেশে আছেন, নাকি বিদেশে চলে গেছেন, সে সংক্রান্ত কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের জানা নেই। অনুসন্ধান টিম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে যা যা করণীয় সবই করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনও ব্যক্তি অনুপস্থিত থাকলেও বিচার চলবে। এতে কোনও বাধা নেই। অনুপস্থিতিতে বিচার চলার বিষয়টি আদালত দেখবেন।”

মোদি ম্যাজিকে ধস চমক কংগ্রেসের— দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। শুধু সমকাল না, বুধবার দেশের সকল দৈনিকেই ভারতের নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে এসেছে।

সমকালের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারিভাবে পাওয়া প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায় যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট বির্বাচনে জয় না পেলেও ভারতের বিজেপিও এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এ ক্ষেত্রে বিজেপিকে সরকার গঠন করতে হবে শরিক দলগুলো নিয়ে।

এ ফলাফলকে মোদির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনে এনডিএর এমন বিপর্যয়ের নানা কারণ থাকলেও বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রা ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর যুক্তিনির্ভর প্রচারণার কারণে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বিজেপির।

তবে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মোদি নিজেকে বিজয়ী দাবি করে বলেন, এটা বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের বিজয়। মানুষ টানা তৃতীয়বারের মতো এনডিএর ওপর আস্থা প্রকাশ করেছে।

ভারতের কেন্দ্রে সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২ আসন। এনডিএ সেই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিরোধী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে ২৩১ আসন। অন্যরা জয় পেয়েছে ১৬টিতে। বিজেপি এককভাবে জিতেছে ২৪৩ আসনে। কংগ্রেস পেয়েছে ৯৭টি। এ দুই দলের বাইরে অন্য দলগুলো জিতেছে ২০৩ আসনে। নির্বাচনে ৪৪ দশমিক ১৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে এনডিএ জোট।

শাহীনকে না পেলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা— এটি যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অধরাই থাকতে পারে মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান শাহীন এবং তাকে আইনের আওতায় আনতে না পারলে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাওয়ার শঙ্কা আছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, শাহীনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে এই হত্যাকাণ্ডের জট খুলবে না।

সমস্যা হল- বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দিবিনিময় চুক্তি নেই। এমপি আনার ভারতে খুন হওয়ায় হত্যা মামলাটি যেহেতু সেখানে হয়েছে, তাই ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দিবিনিময় চুক্তি থাকার কারণে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন জানাতে পারবে।

কিন্তু ভারত উদ্যোগ নিলেই যুক্তরাষ্ট্র শাহীনকে তাদের কাছে দিয়ে দিবেবে, এটার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাছাড়া, এখানেও কিছু শর্ত আছে। ভারত সরকার সহসাই শাহীনকে চাইতে পারবে না। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর শাহীনের সাজা হলেই তাকে ফেরত আনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে চিঠি লিখতে পারবে দেশটি। তবে এটি বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

১৭ হাজার শ্রমিকের কী হবে?— এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার প্রতিবেদন। এখান বলা হচ্ছে, বেঁধে দেয়া সময়সীমা (৩১শে মে) মিস করার পর ১৭ হাজার স্বপ্নভঙ্গ কর্মীর মালেয়শিয়াতে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে করা বাংলাদেশের করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মালয়েশিয়া।

এ আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল দেশটির সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, “যদি আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সময় বাড়ানো হবে কিনা? উত্তর হবে, না। আমরা অনেক আগেই ৩১শে মে সময়সীমা ঘোষণা করেছি।”

দেশটির নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, এ বিষয়ে তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ব্যাখ্যা করেছেন যে, কোটা অনুমোদন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ এবং ফ্লাইটের ব্যবস্থাসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগুলো যত্নসহকারে বিবেচনা করে ওই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিলো।

অর্থনীতি ও ব্যবসায় মন্দা থাকা সত্ত্বেও কর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসছে বাজেট— এটি বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পুরো সময়জুড়ে মূল্যস্ফীতি নয় শতাংশের ওপরে। আমদানিতে প্রয়োজনীয় ডলারের সংস্থান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য নিয়েও কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়িক পরিবেশ মন্দাক্রান্ত সময় পার করছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই জাতীয় সংসদে আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বাজেটের আকার হতে যাচ্ছে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এতে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে আদায় করা হবে চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব। এজন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তের ভিত্তিতে ভ্যাট ও কর ব্যবস্থায় বেশকিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে অর্থ বিভাগ ও এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

এবার পরোক্ষ করের চেয়ে প্রত্যক্ষ কর আহরণে জোর দেয়া হচ্ছে বেশি। বেশকিছু খাত থেকে কর অব্যাহতি তুলে নেয়ার পাশাপাশি করছাড়ের আওতা সংকুচিত হতে যাচ্ছে।

কালোটাকা সাদা করতে পারবে প্রতিষ্ঠানও— আজকের পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবরে বলা হয়েছে, রাজস্ব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। নতুন বাজেটে কালোটাকা সাদা করার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

এত দিন ব্যক্তিপর্যায়ে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হলেও আসছে বাজেটে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এই সুযোগ নিয়ে আসছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

এ ছাড়া, ধনীদের ওপর কর বাড়ানো এবং সংসদ সদস্যদের (এমপি) আমদানি করা গাড়িতে শুল্ক বসানোর মতো সাহসী পদক্ষেপ যেমন নেওয়া হচ্ছে, তেমনি শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে এক শতাংশ শুল্ক বসানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তও থাকছে এই বাজেটে।

আজ বুধবার শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। আগামীকাল জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় করছাড় বাবদ অন্তত এক লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির প্রক্ষেপণ তুলে ধরে করছাড় কমিয়ে আনার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান জানান দেবেন সংসদে।

করের চাপে খরচ বাড়বে মানুষের— প্রথম আলো পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামেও বলা হয়েছে, নতুন বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা বাড়ছে। প্রতিদিনের জীবনযাপনে ব্যবহৃত হয় এ রকম নানা পণ্য ও সেবার ওপর বাড়তি কর আসছে।

মানুষের জীবনধারণ যখন ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, তখন স্বস্তি দেওয়ার জন্য সাধারণত করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়। কিন্তু এবার তা–ও বাড়ছে না। তবে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থকে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে বাজেটে।

শুল্ক বাড়তে পারে মুঠোফোনের রিচার্জের ওপর। ফলে ফোনে কথা বলতে গিয়ে মানুষকে আগের চেয়ে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে। পানি শোধন যন্ত্র, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালি সামগ্রীর ওপর শুল্ক-কর বাড়তে পারে। এতে খরচ বাড়বে মধ্যবিত্তের। ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার ওপর আবগারি শুল্কও বাড়ছে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, “আড়াই বছর ধরে আমরা উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় পার করছি। এর ফলে জীবনযাত্রার খরচ অনেক বেড়েছে। তাই এখন ঢালাওভাবে শুল্ক-কর বাড়িয়ে দেওয়া কাম্য নয়। এতে জীবনযাত্রার খরচ আরও বাড়বে।”

ঢাকায় দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ করার চিন্তা বিএনপির— এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার অন্যতম খবর। এখানে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদসহ সরকার সংশ্লিষ্টদের দুর্নীতির প্রসঙ্গ দেশজুড়ে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দলটির প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত সোমবার এক বৈঠকে বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতির বিস্তার নিয়ে নেতারা আলোচনা করেছেন। কেউ কেউ বৈঠকে ঈদের পরে ঢাকায় দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে এর আগে এ বিষয়ে দলটি একটি লিফলেট প্রকাশ করবে, যা সারা দেশে সাংগঠনিক কর্মসূচি হিসেবে বিতরণ করা হবে।

জানা গেছে, বিএনপির একটি কমিটি ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন সেক্টরের দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে কোনও সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, আর্থিক সেক্টরসহ গুরুত্বপূর্ণ সব সেক্টরের দুর্নীতিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শেষ হলে এ বিষয়ে দলটি একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ করতে পারে। প্রতিবেদনে দুর্নীতিসহ দেশের বর্তমান সঙ্কট যেমন তুলে ধরা হবে, তেমনি সেখান থেকে বের হওয়ার উপায় নিয়েও কিছু সুপারিশ থাকবে।

কয়লা আমদানিতে এক কোম্পানিকে সুযোগ দিতে বিশেষ টেন্ডার— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। এখানে বলা হয়েছে, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে বাতিল হওয়া এক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে সভা করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির (সিপিজিসিবিএল) বিরুদ্ধে।

গত ২৭ মে প্রকল্পের দরপত্র মূল্যায়নকারী কমিটি ইউনিক সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের নেতৃত্বে থাকা কনসোর্টিয়ামের আর্থিক প্রস্তাবনা বাতিল ঘোষণা করে। কিন্তু বাতিল করা সেই আর্থিক প্রস্তাবনাটি পুনর্বহালের জন্য সিপিজিবিএলের কিছু কর্মকর্তা জোরালো চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাতিল করা আর্থিক প্রস্তাবনা পুনর্বহালের মাধ্যমে ওই কনসোর্টিয়ামকে কয়লা আমদানির সুযোগ দিতে সম্প্রতি ‘বিশেষ সমঝোতা’ সভা হয়েছে।

World Environment Day: Land the size of Dhaka city degrades every year— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ভুমিক্ষয় হচ্ছে এবং এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

প্রতি বছর ঢাকার প্রায় ২৭০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার মাটির ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক বা অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য হ্রাস পাচ্ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের (ডিওই) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমীর মো. জাহিদ বলেন, "এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী ৬৩ বছরের মধ্যে কোনও চাষযোগ্য জমি থাকবে না।"