আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা’
‘পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা’- দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
বিস্তারিত খবরের বলা হয়েছে, আগের দেয়া নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার দিন দশেকের মধ্যে আবারও পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করলো ভারত। এবার দেশটি অনির্দিষ্টকালের জন্য রফতানি বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে ভারতের পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল অনেক দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবরটিতে আরও বলা হয়েছে যে, চলতি মার্চে শেষ হতে যাওয়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত রেকর্ড পরিমাণ ২৫ লাখ টন পেঁয়াজ রফতানি করেছে।
এর মধ্যে গত বছরের এপ্রিল থেকে এ বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত মোট ৪৩ কোটি ১৮ লাখ ডলারের পেঁয়াজ রফতানি করেছে দেশটি, যার মধ্যে শুধু বাংলাদেশে রফতানি করেছে ১৮ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। আর শ্রীলঙ্কায় বিক্রি করেছে ৪ কোটি ৮১ লাখ ডলারের পেঁয়াজ।
গত ৮ই ডিসেম্বর থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশ ভারত পণ্যটি রফতানি বন্ধ রেখেছিল। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশসহ কয়েক দেশে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল ভারত।
এতে বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছিল। কিন্তু এখন আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য রফতানি বন্ধ ঘোষণা করায় পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে: ‘জেলা প্রশাসনের চাঁদাবাজি’।
খবরটিতে বলা হচ্ছে যে, বিশেষ দিবস ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের নামে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বেপরোয়া চাঁদাবাজি অনেকটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এসব ঘটনায় চাপা ক্ষোভ থাকলেও বিপদের আশঙ্কায় অভিযোগ করা তো দূরের কথা, প্রকাশ্যে মুখ খুলতেও নারাজ ভুক্তভোগীরা।
খবরটিতে গাজীপুরের একজন ব্যবসায়ীর উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে যে, গত বছরের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনকে ৭০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে তাকে। এর মধ্যে ৫০ হাজার জেলা প্রশাসকের ফান্ডে আর ২০ হাজার দিতে হয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) অফিসে।
একইভাবে ২১ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানেও চাঁদা দিয়েছেন ৭০ হাজার টাকা। সম্প্রতি তিনি মহান স্বাধীনতা দিবসেরও আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন। এসব বিশেষ দিবস ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণপত্র পেলেই এখন তিনি আঁতকে ওঠেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
‘প্রশিক্ষণের নাম করে পকেটে ২২ কোটি’- দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে যে, দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নিবেন সরকারি হাসপাতালের ৭২ জন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা। কিন্তু এ জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক কোটি ৯০ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে থাইল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। পরে দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি আসলে ছিলো সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিকের তৎকালীন এপিএস শেখ আলতাফুর রহমানের।
এতে আরও বলা হয়েছে যে, প্রশিক্ষণের জন্য মালয়েশিয়ার যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে যে ই-মেইল আইডি থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, সেটিও আসলে ছিল ভুয়া। মূলত জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে বসেই ওই ই-মেইল আইডি খোলা হয়েছিল।
শুধু এটি নয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পু্ষ্টিখাত কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণের নামে এরকম সাতটি জালিয়াতির তথ্য পেয়েছে দুদক। এতে প্রায় ২২ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘ডলার সংকটে হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি’- দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরের বিস্তারিত অংশে বলা হচ্ছে, দেশে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের অধিকাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু চলমান ডলার সংকট সেগুলোর আমদানির ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এর ফলে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
এর ফলে হাসপাতালগুলোয় এখন বড় অস্ত্রোপচারের সংখ্যাও কমার পথে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি রোগীরাও বিপাকে পড়েছেন।
খবরে আরও বলা হয়েছে যে, হৃদরোগ, অর্থোপেডিক, চক্ষু, ক্যান্সার, জেনারেল সার্জারি, স্নায়বিক রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রায় শতভাগ সরঞ্জামই আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে হৃদরোগের সার্জারি নিয়ে।
ডলার সংকটের কারণে চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানির জন্য ব্যাংকে এলসি (ঋণপত্র) খোলা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় সরঞ্জামগুলোর মধ্যে এখনও যেগুলো বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর দাম বাড়ছে কয়েকগুণ।
দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম: ‘বাংলাদেশ সরাসরি চীনের সঙ্গে লেনদেনে যাচ্ছে’।
এতে বলা হচ্ছে, ডলারের বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনে বাড়াতে এবার চীনের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘পিপলস ব্যাংক অব চায়না’য় অ্যাকাউন্ট খুলছে দেশটি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেনের বার্তা প্রেরণে সুইফটের আদলে গড়ে ওঠা চায়নার সিআইপিএসে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
খবরটিতে আরও বলা হচ্ছে যে, এসব উদ্যোগ নেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ চীনের মাধ্যমে পরিশোধ করা।
সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের প্রাথমিক কাজের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ। সেই কারণে দেশটির পাওনা প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার সোনালি ব্যাংকে একটি ‘স্ক্রো’ হিসাব খুলে সেখানে জমা দেওয়া হচ্ছে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে: ‘Banks promoting tax-free offshore banking to net foreign deposit’.
খবরের বিস্তারিত অংশে বলা হচ্ছে যে, বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বাড়ানোর মাধ্যমে ডলার সংকট কমাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন বিদেশে নানান প্রচারণা চালাতে শুরু করেছে। এসব প্রচারণায় গ্রাহকদের সামনে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে করমুক্ত সঞ্চয়, সহজে অন্যদেশে অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা এবং আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারি শিথিলতার মতো বিষগুলো।
বিদেশি গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীরা যেন বাংলাদেশে অর্থ রাখতে উৎসাহ পায়, যে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ প্রায় নয় শতাংশ সুদ প্রদানসহ নানান ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
‘Window for easy loans narrowing’- আরেক ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দশটির স্বল্পসুদের বিদেশি ঋণ পাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে দেশটির ব্যয় বাড়ছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের একটি প্রতিবেদনে বরাত দিয়ে খবরে আরও বলা হয়েছে যে, চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের খরচ যোগাতে দেশটিকে এখন তুলনামূলক উচ্চসুদের বৈদেশিক ঋণের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে। এমনকি, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সুদের হারও এক শতাংশ থেকে বাড়িয়ে দুই শতাংশ করা হয়েছে।
দৈনিক প্রথম আলো প্রধান শিরোনাম করেছে: ‘ঈদে লম্বা ছুটি, বাড়ি যাবেন বেশি মানুষ’।
খবরটিতে বলা হচ্ছে যে, আসন্ন ঈদুল ফিতরে এবার লম্বা ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। আর সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও লম্বা ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে এবার ঈদে বেশিরভাগ মানুষ গ্রামমুখী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আর এই ধারণা সত্যি হলে এবার ঈদে পর্যাপ্ত সংখ্যক যানবাহনের অভাবে গ্রামমুখী মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে বলে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়নকাজের কারণে মহাসড়কে যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে বলেও খবরে বলা হয়েছে।
ছুটির ফিরিস্তি দিয়ে খবরে আরও বলা হয়েছে যে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার ১০শে এপ্রিল থেকে ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকতে পারে। এর পরদিন অর্থাৎ ১৩ই এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তার পরেরদিন আবার পয়লা বৈশাখের ছুটি। অর্থাৎ সরকারি ছুটি পাঁচ দিন নিশ্চিত।
এর বাইরে শবে কদরের পর যদি কেউ দু’দিন ছুটি নিতে পারেন, তাহলে তিনি টানা ১০ দিন বাড়িতে কাটাতে পারবেন। কারণ, শবে কদরের আগের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।