'উপজেলা নির্বাচনে যেতে বাধা দেবে না বিএনপি'

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অবস্থান বিষয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘উপজেলা নির্বাচনে যেতে বাধা দেবে না বিএনপি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করা নিয়ে বিএনপিতে দ্বৈত মত রয়েছে।

রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে যেমন মত রয়েছে, তেমনি নির্বাচনে গিয়ে তেমন কোনো অর্জন হবে না এমন কথাও এসেছে।

তবে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে অংশ না নিলেও কেউ প্রার্থী হলে তাকে বারণ করবে না এমন কৌশল নিতে পারে দলটি।

মূলত তিন কারণে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে থাকতে পারে বিএনপি।

প্রথমত, স্থানীয় নির্বাচন সরকার পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। বিএনপির আন্দোলন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের প্রার্থীদের কোনো প্রতীক দিচ্ছে না।

তৃতীয়ত, আন্দোলনে পর্যুদস্ত তৃণমূল সংগঠনকে ফের চাঙ্গা করার জন্য স্থানীয় নির্বাচন হতে পারে একটি প্ল্যাটফর্ম।

বিএনপির পরামর্শকরা বলছেন, রাজনীতি হলো কৌশলের খেলা। সবসময় একই কৌশল সফলতা বয়ে নাও আনতে পারে।

এ কারণে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিকল্প কী কী হতে পারে তাও পরিকল্পনায় থাকা উচিত বলে তারা জানান।

মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিরতা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Coast Guard, BGB on alert’ অর্থাৎ ‘সতর্ক অবস্থানে কোস্টগার্ড, বিজিবি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের নাগরিকরা নতুন করে বাংলাদেশে ঢুকতে পারে এমন আশঙ্কার মধ্যে, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি এবং কোস্টগার্ড নাফ নদীসহ মিয়ানমার সীমান্তে সতর্কতা বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের গত কয়েকদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় টহল দিতে দেখা গেছে।

স্থানীয়দের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ এবং রোহিঙ্গাসহ আরও মিয়ানমারের নাগরিকরা আশ্রয়ের জন্য যে কোনো সময় নাফ নদী অতিক্রম করে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করতে পারে।

গত মঙ্গলবার থেকে, কক্সবাজারের টেকনাফ ফেরি টার্মিনালের কাছে নাফ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় কমপক্ষে একশ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে কোস্টগার্ড জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে বিজিবি।

সরকারি আবাসনে অনিয়ম নিয়ে আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘মন্ত্রীদের বাংলোয় আমলাদের বাস’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার মিন্টো রোডের সরকারি বাংলো বাড়িগুলো একসময় শুধু মন্ত্রীরা থাকতেন। এজন্য মিন্টু রোডকে বলা হয় মন্ত্রী পাড়া।

সেই মন্ত্রী পাড়ায় এখন আমলাদের আধিক্য। অন্যদিকে সরকারি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের কেউ কেউ।

মিন্টোর রোড এলাকায় ১২টি বাংলো আছে এছাড়া গুলশান ও ধানমন্ডিতে আছে আরো ১৪টি পৃথক বাংলো।

এসব বাংলোয় বর্তমানে সাবেক সচিব, বিচারপতি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত সচিব, জেলা জজ, ডিসি, এসপিসহ প্রশাসনের উচ্চপর্যয়ের কর্মকর্তারা বসবাস করছেন।

অথচ সরকারের সচিবদের জন্য রয়েছে সচিব নিবাস আর বিচারপতিদের জন্য আছে জাজেস কমপ্লেক্স । তারপরও মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের জন্য রাখা বাংলোই পছন্দ তাদের অনেকের।

এ ব্যাপারে আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে বাংলোগুলো বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে মূলত মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। তাদের দেয়ার পর যদি খালি থাকে তাহলে সরকারের আমলাদের দেয়া হয়।

বৈদেশিক লেনদেন হিসাব হালনাগাদ নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘এখনও আর্থিক হিসাবে বড় ঘাটতিতে দেশ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আমদানি কমাতে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত আছে। রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়ায় রপ্তানি আয়ে সামান্য হলেও প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এতে করে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে।

তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী বিদেশি ঋণের ছাড় না হওয়া, ঋণ পরিশোধ বেড়ে যাওয়া, বিদেশি বিনিয়োগ কমাসহ বিভিন্ন কারণে আর্থিক হিসাবে বড় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

গত ডিসেম্বর শেষে আর্থিক হিসাবে ঘাটতি রয়েছে ৫৩৯ কোটি ডলার। অথচ গত বছরের একই সময়ে এ হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল ১৪ কোটি ডলার।

সামগ্রিক লেনদেন পরিস্থিতির উন্নতির ওপর ডলার সংকটের সমাধানের অনেকটাই নির্ভর করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের ব্যালান্স অব পেমেন্ট বা বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে দেখা যাচ্ছে, বাণিজ্য ঘাটতি কমে এখন ৫৬০ কোটি ডলারে নেমেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল এক হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমান, আগামী জুন শেষে বাণিজ্য ঘাটতি আরও কমে একশ বা দুইশ কোটি ডলারে নামবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘লক্ষ্য বিরাট অর্জনে বিভ্রাট’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে হয়েছে পাঁচ গুণ। বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে শতভাগ মানুষ।

এই সফলতা এসেছে মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর ভর করে। কিন্তু পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তা অর্জন হয়নি।

সরকারের এখনকার পরিকল্পনা হলো, ২০৪১ সাল নাগাদ অন্তত ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন করা।

ওই সময় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার মেগাওয়াট; অর্থাৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত এক হাজার মেগাওয়াটও অর্জন হয়নি। নির্মাণাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিও হতাশাজনক।

২০১৬ সালের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার অন্তত ১০ শতাংশ (২,৪৭০ মেগাওয়াট) নবায়নযোগ্য জ্বালানি (সৌর, বায়ু, জল ইত্যাদি) থেকে উৎপাদন করার কথা ছিল।

এরপরও পেরিয়ে গেছে আরও দুই বছর। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র তিন শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে।

বিশেষজ্ঞ ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সমন্বিত উদ্যোগের অভাবের পাশাপাশি প্রভাবশালী মহলের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়েই মূলত নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার খুব একটা হয়নি।

বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘থমকে গেছে বেবিচকের ছয় মেগা প্রকল্প’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডলার সংকটে বিপাকে পড়েছে চার বিমানবন্দরের ছয় মেগা প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ।

সময়মতো বিল পরিশোধ করতে না পারায় প্রকল্পগুলোর কাজের গতি পুরোপুরি থমকে গেছে। এ অবস্থায় প্রকল্পগুলো যথাসময়ে শেষ হওয়ার বিষয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ছয়টি প্রকল্পের একটির কাজ চলতি বছর এবং বাকি পাঁচটির কাজ আগামী অর্থবছরে শেষ হওয়ার কথা।

কিন্তু এসব প্রকল্পের কাজের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় প্রদান করতে হয়।

গত বছর থেকে এসব বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।

অনাপত্তিপত্র না থাকায় ব্যাংকগুলোও সময়মতো অর্থছাড় করছে না। বিষয়টি সুরাহার জন্য মন্ত্রণালয়ের দারস্থ হয়েছে সংস্থাটি।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আশা করছে সংকটের দ্রুত সুরাহা হবে। তবে প্রকল্পগুলোর কাজ যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও জানায় সংস্থাটি।

পাকিস্তানের নির্বাচন নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর ‘প্রধানমন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি চায় পিএমএল-এন ও পিপিপি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট করতে তোড়জোড় শুরু করেছে প্রধান দলগুলো।

এরই মধ্যে জোট সরকার গঠনের দফায় দফায় আলোচনা করছে নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ পিএমএল-এন এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর জারদারির দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি- পিপিপি।

এই প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছাতে পারেনি দল দুটি। সংকট নিরসনে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে পালাক্রমে প্রধানমন্ত্রিত্ব চাইছে দুই দল।

জোট সরকার গড়া নিয়ে আলোচনা করতে প্রথমবারের মতো রোববার আলোচনায় বসে দুই দল।

সেখানে অর্ধেক মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

এদিকে চলমান পরিস্থিতিতে পিটিআইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোনো দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়ে ভাবতে হবে।

কারণ পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত ৭০টি আসনের জন্য তারা বিবেচিত হবেন না।

কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘কিশোর গ্যাং প্রশ্রয় দেন ঢাকার ২১ কাউন্সিলর’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পুলিশের নিজস্ব প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকায় অন্তত ৮০টি বাহিনীর খোঁজ পাওয়া গেছে যেগুলোর বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং নামে পরিচিত।

নামে কিশোর গ্যাং হলেও এসব বাহিনীর বেশিরভাগ সদস্যদের বয়স ১৮ বছরের বেশি।

তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখলে সহায়তা, ইন্টারনেট সংযোগ, কেবল টিভি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, উত্ত্যক্ত করা, যৌন হয়রানি করা, হামলা মারধরসহ নানা অপরাধে জড়িত।

এসব নেতাদের কেউ কেউ ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করেন, কেউ কেউ রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও আশ্রয় পান রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে।

পুলিশের একটি প্রতিবেদনে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের অন্তত ২১ জন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গ্যাং-কে প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ এসেছে।

কিশোর গ্যাং নিয়ে পুলিশ যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে, সে অনুযায়ী ২০২২ সালের শেষের দিকে সারাদেশে অন্তত ১৭৩টি কিশোর গ্যাং রয়েছে।

বিভিন্ন অপরাধে এদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৭৮০টি। এসব মামলায় আসামি প্রায় ৯০০ জন।

ঢাকায় কিশোর গ্যাং রয়েছে ৬৬টি। চট্টগ্রাম শহরে আছে ৫৭টি। মহানগরের বাইরে ঢাকা বিভাগে রয়েছে ২৪টি গ্যাং। বেশির ভাগ বাহিনীর সদস্য ১০ থেকে ৫০ জন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘উপাচার্যদের ‘‌আত্মীয় কর্মসংস্থান কেন্দ্র’ হয়ে উঠছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো?’ ।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে গত কয়েক দশকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হলেও দীর্ঘদিন ধরেই এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতিসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠছে।

শিক্ষাবিদদের অভিযোগ, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন উপাচার্যদের আত্মীয়দের ‘‌কর্মসংস্থান কেন্দ্র’ হয়ে উঠেছে।

নতুন নিয়োগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে আত্মীয়-অনুসারীসহ কাছের মানুষদের নিয়োগ দিচ্ছেন উপাচার্যরা।

মূলত কারো কারো উপাচার্য হিসেবে নিযুক্তি বেকার আত্মীয়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে।

কম-বেশি প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই উপাচার্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় এমন অভিযোগ উঠছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক-কর্মকর্তারা বলছেন, আত্মীয়স্বজনসহ নিজস্ব লোক নিয়োগদানের মাধ্যমে উপাচার্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও প্রশাসনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছেন।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রশাসনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার পাশাপাশি একাডেমিক কার্যক্রমে ব্যাঘাতও ঘটছে।

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদরা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এসব অনিয়মের ফলে যোগ্য প্রার্থীরা যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও পিছিয়ে যাচ্ছে।

এ জায়গা থেকে বের হতে আমাদের পর্যাপ্ত মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে এবং যারা নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করবেন, তাদের সৎ হতে হবে।

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রসঙ্গে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘ড. ইউনূসের নির্দেশে ২৫ কোটি টাকা দেওয়া হয় সিবিএ নেতাদের’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) মধ্যে একটা সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছিলো।

চুক্তি অনুযায়ী ঢাকা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ৪৩৭ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়। এই টাকার মধ্যে ৩৬৪ কোটি টাকা ১৫৬ জন কর্মচারীকে দেওয়ার আগেই তাদের সম্মতি ছাড়া শ্রমিক নেতাদের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেলিকমের সিবিএ নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশে পরস্পর লাভবান হয়ে ওই টাকা প্রদান করে আত্মসাতে সহযোগিতা করেছেন বলে দুদকের চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, ড. ইউনূস অসৎ উদ্দেশ্যে বিশ্বাস ভঙ্গ করে ভুয়া সেটেলমেন্ট এগ্রিমেন্ট ও ভুয়া রেজুলেশনকে খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে গ্রামীণ টেলিকম থেকে ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে।

এটি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থপাচার মামলায় ড. ইউনূসহসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া চার্জশিট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ইতিমধ্যে দাখিল করা হয়েছে।