আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'তৃণমূলে মার খাচ্ছে আওয়ামী লীগ'
নির্বাচনী প্রচারণায় সংঘাত সংঘর্ষ নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘তৃণমূলে মার খাচ্ছে আওয়ামী লীগ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠ থেকে সরায় নি আওয়ামী লীগ।
এতে নৌকা প্রতীকের দলীয় প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন । বেড়েছে অভ্যন্তরীণ সংকট।
নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই ঘটছে হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা। এতে হতাহতও হচ্ছে অনেক।
কোথাও নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা করছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা। আবার কোথাও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করছে নৌকার সমর্থকরা।
আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও বন্ধ হচ্ছে না হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা।
গত আট দিনে অর্ধশতাধিক সহিংসতার ঘটনায় অন্তত দুই শতাধিক আহত এবং তিনজন নিহত হয়েছেন। ফলে নির্বাচনী এসব সহিংসতায় তৃণমূলে মূলত মার খাচ্ছে আওয়ামী লীগই।
নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘ভোটের দিন ঘিরে কর্মসূচি জোরালো করবে বিএনপি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভোটের দিন ঘিরে কর্মসূচি জোরাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আগামী সপ্তাহ থেকেই এই কর্মসূচি শুরু হবে।
মূলত ৭ই জানুয়ারির ভোট ঠেকানোই এখন বিএনপি ও যুগপৎ শরিকদের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে বিএনপির হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ভোটারদের ভোট বর্জন এবং অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়েছে।
এখন ভোটের দিন ও আগের কয়েক দিন ঘিরে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে দলটি।
প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটের আগে টানা ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা অবরোধ অথবা হরতাল ও ভোটের দিন হরতালের কর্মসূচি আসতে পারে।
নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে জনমত গড়তে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো এখন ঢাকাসহ দেশব্যাপী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের কর্মসূচিতে রয়েছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলা হরতাল-অবরোধের সাময়িক বিকল্প হিসেবে জনসম্পৃক্ত এই কর্মসূচি ঘিরে আত্মগোপন অবস্থা থেকে নেতাকর্মীদের অনেকেই প্রকাশ্যে আসছেন, সংগঠিত হচ্ছেন।
টিআইবির হলফনামা ভিত্তিক বিশ্লেষণ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম ‘আওয়ামী লীগের ৮৭% প্রার্থী কোটিপতি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনের আগের চেয়ে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্রদের মধ্যে কোটিপতি প্রার্থী বেশি।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের দেয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তাতে এই তথ্য উঠে এসেছে।
সেখানে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের প্রায় ৮৭ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি। স্বতন্ত্রদের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৪৭ শতাংশ। এরপরেই জাতীয় পার্টির অবস্থান। তাদের প্রার্থীদের প্রায় ২২ শতাংশ কোটিপতি।
সংস্থাটি কোটিপতির হিসাব করেছে নগদ ও ব্যাংকে জমা টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, সোনাসহ বিভিন্ন অস্থাবর সম্পদের ভিত্তিতে।
জমি, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মতো স্থাপক সম্পদ এই হিসেবে আসেনি। আবার যে তথ্য দেয়া হয়েছে সেটা পূর্ণাঙ্গ কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।
টিআইবি, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেয়া এক হাজার ৯২০জন প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে।
টিআইবি প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়, সম্পদ, দায়, মামলা ইত্যাদি বিষয়ে প্রবণতা বিশ্লেষণ করেছে।
সবচেয়ে বেশি আয় বৃদ্ধি, সম্পদ বৃদ্ধি, সবচেয়ে বেশি জমি, সবচেযে বেশি ঋণগ্রস্ত ১০ জন প্রার্থীর তালিকাও তুলে ধরেছে।
টিআইবির বিশ্লেষণ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘শতকোটি টাকার বেশি সম্পদ আছে ১৮ প্রার্থীর’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে ১৮ জনের ১০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে টিআইবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
শতকোটি টাকার বেশি অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এ তালিকায় শীর্ষে আছেন বর্তমান পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তার সম্পদ রয়েছে এক হাজার ৩৪৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার।
সংস্থাটির দাবি, বর্তমান মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের বিদেশে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকার ব্যবসা রয়েছে। এ বিনিয়োগের তথ্য তিনি নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেননি। টিআইবি ওই মন্ত্রীর নামও প্রকাশ করেনি।
এদিকে গত ১৫ বছরে সম্পদ বেড়েছে এমন শীর্ষ আট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর তালিকা তুলে ধরেছে টিআইবি। সম্পদ বৃদ্ধিতে শীর্ষে রয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, তার সম্পদ বৃদ্ধির হার ছয় হাজার ৩৫০ দশমিক ১৮ শতাংশ।
প্রার্থীদের যেভাবে সম্পদ বেড়েছে, বৈধ উপায়ে এভাবে সম্পদ বাড়ে কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
একই ইস্যুতে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘ব্যবসায়ীদের প্রভাবে রাজনীতিকরা প্রায় বিলুপ্ত : টিআইবি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমান সংসদে ৬২ শতাংশ ব্যবসায়ী রয়েছেন।
আগের তিনটি এবং এবারের নির্বাচন মিলিয়ে সংসদ নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। আর গত ১৫ বছরে নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে ২১ শতাংশ।
সংস্থাটির মতে, রাজনীতি আর ব্যবসা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ব্যাংকিং, আরএমজি, বিদ্যুৎ খাতগুলো ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের প্রভাবে রাজনীতিকরা কোনঠাসা বা প্রায় বিলুপ্ত।
এদিকে হলফনামায় সম্পদের অর্জনকালীন যে মূল্য তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করেছে সংস্থাটি।
হলফনামায় মিথ্যা বা অপর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ করা, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের এসব বিষয় খতিয়ে দেখার কথা, তারাও এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের প্রভাব নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Businesspeople likely to dominate Bangladesh JS again’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে আবারও আধিপত্য বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে ব্যবসায়ীদের’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় যে নতুন সংসদে তাদের উপস্থিতি অপ্রতিরোধ্য হবে।
অর্থাৎ বাংলাদেশে আগামী ৭ই জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
টিআইবির দেয়া তথ্য অনুসারে, প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র দুই দশমিক ৮৬ শতাংশ রাজনীতিবিদ, যেখানে সর্বোচ্চ ৫৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ প্রতিযোগী ব্যবসায়ী, নয় দশমিক ১৭ শতাংশ আইনজীবী এবং সাত দশমিক ১৭ শতাংশ প্রার্থীর পেশা কৃষি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ ছিল ৫১ দশমিক ৪০ শতাংশ, যেখানে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ ছিল তিন দশমিক ৭৮ শতাংশ।
১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম সংসদে নির্বাচিত আইন প্রণেতাদের তিনটি সবচেয়ে সাধারণ পেশা ছিল আইন, ব্যবসা এবং কৃষিকাজ। ব্যবসায়ী ছিলেন ২৪ শতাংশ।
কয়েক দশক ধরে রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের উত্থান ঘটেছে বিশেষ করে ১৯৯০ সালে এরশাদ শাসনের পতনের পর থেকে।
১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৫৩ শতাংশ প্রার্থী, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫৬ শতাংশ প্রার্থী ব্যবসায়ী ছিলেন।
ব্যাংকিং খাত নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, ‘How National Bank went astray’ অর্থাৎ ‘ন্যাশনাল ব্যাংক কিভাবে বিপথে গেল’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের এক সময় সমৃদ্ধ ও দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হলেও বর্তমানে ব্যাপক ঋণ, অনিয়ম, সুশাসনের অভাব এবং পরিচালকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে সেই অতীত হারাতে বসেছে।
ব্যাংকটি ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তার বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত এর পরিস্থিতি ভালো ছিল।
ব্যাংকের আর্থিক বিবরণী অনুসারে, ২০১৩ সালের শেষে ঋণদাতাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮৯ কোটি টাকায়। এক বছর পরে, এটি লাফিয়ে ৯১০ কোটি টাকায় পৌঁছায়।
এরপর ২০২২ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটি লোকসান নিবন্ধন করেনি। এখন এর লোকসানের পরিমাণ তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা।
এছাড়া বাকি সব সূচকেই নেতিবাচক অবস্থায় আছে এই ব্যাংকটি।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির মন্দ ঋণের পরিমাণ ১৩ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা, যা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ছিল দুই হাজার ২৪ কোটি টাকা এবং প্রভিশনিং ঘাটতি ১৩ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা।
ব্যাংক খাতের ধস নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘ব্যাংকিং খাতে প্রকৃত লুটপাট আরও বেশি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তার তুলনায় প্রকৃত লুটপাট আরও বেশি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
সিপিডির প্রতিবেদনে ব্যাংকিং খাত থেকে গত ১৫ বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের তথ্য উঠে এসেছে।
তবে এটি তাদের নিজস্ব কোনো গবেষণা নয়। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ হিসাব করেছেন।
এর ভিত্তিতে বলা হচ্ছে ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে সেটা বরফখণ্ডের শীর্ষভাগ মাত্র।
মঙ্গলবার অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সংলাপে এক প্রশ্নের উত্তরে বিশ্লেষকরা এসব কথা বলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত ২৪টি আর্থিক কেলেঙ্কারির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে কালের কণ্ঠের পেছনের পাতার খবর, ‘৩৭ শতাংশ মানুষ ঋণ করে সংসার চালাচ্ছে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ ঋণ করে সংসার চালাচ্ছে। বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের গড় ঋণ ৭৩ হাজার ৯৮০ টাকা।
মাথাপিছু গড় ঋণ ১৭ হাজার ৩৬৬ টাকা। ঋণগ্রস্ত পরিবার হিসাবে এই অঙ্ক আরো অনেক বেশি। বিশেষ করে শহরের মানুষকে বেশি ঋণ করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খানা আয়-ব্যয় জরিপ-২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এই খানা আয় ও ব্যয় জরিপে সারা দেশের ১৪ হাজার ৪০০ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটিই ব্যক্তির বা সাধারণ মানুষের ঋণ। ব্যক্তি ঋণ বাড়া স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। আর্থিক নির্ভরশীলতা যখন হয়, তখন ঋণের পরিমাণ বাড়বেই।
জরিপের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালে জাতীয়ভাবে প্রতিটি পরিবারের গড় ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৯৮০ টাকা।
গড়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা ৪.২৬ ধরে মাথাপিছু ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৩৬৬ টাকা।
টিকা নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘শিশুদের টিকা সংকট’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইপিআই তথা সমপ্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী দেশের কিছু কিছু জায়গায় শিশুদের টিকার সংকট রয়েছে। এজন্য শিশুরা নিয়মিত টিকা পাচ্ছে না।
ইপিআই-তে শিশুদের দেয়া টিকার সংকট রয়েছে। এ টিকা সংকট শিশুকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলেছে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।
তবে যেসব টিকা পায়নি ওইসব টিকা পরেও দেয়া যাবে। শিশুদের টিকা আগে নেয়া যায় না।
টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্যাভি থেকে আগামী তেসরা জানুয়ারির মধ্যে টিকা চলে আসবে বলেও দাবি করছে সূত্রটি।
ইপিআই এর অধীনে শিশু জন্মের ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে তাকে ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি ও হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে টিকা দেয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক মাত্রায় ও সময়ে না দেয়া গেলে শিশুর শরীরে টিকাগুলোর কার্যকারিতা থাকে না। এতে শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, সমগ্র জাতিকেই খেসারত দিতে হয়।