'কারাগারে কারও সঙ্গে কোনো বৈঠক হয়নি: মির্জা ফখরুল'

'কারাগারে কারও সঙ্গে কোনো বৈঠক হয়নি: মির্জা ফখরুল' সমকালের শিরোনাম। এই খবরটিতে বলা হচ্ছে, বিএনপিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে কারাগারে সরকারের কোনো ‘প্রতিনিধি’র সঙ্গে বৈঠক হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, বিএনপি যাতে নির্বাচনে যেতে না পারে, সে ব্যাপারে সরকার আগে থেকেই নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে রেখেছিল। সে জন্য সংলাপের প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছে। আর সমঝোতা করতে চাইলে গ্রেপ্তারের আগেই করতেন বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার যদি দমননীতি পরিহার না করে, দেশে উগ্রবাদীরা সুযোগ নেবে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।
দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস কারাবন্দি থেকে বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর গতকাল শুক্রবার সমকালকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
'বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে রদবদল আসছে ' কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কমিটি পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে দলের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি থেকে কয়েকজনকে বাদ এবং কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ভাবছেন দলের শীর্ষ নেতা।
বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের দুজন নেতা এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই দুই নেতা বলেছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলাপকালে তাঁদের মনে হয়েছে, কাদের স্থায়ী কমিটিতে নিয়োগ দেওয়া যায় সে বিষয়ে তাঁর এক ধরনের সিদ্ধান্ত আছে। উপযু্ক্ত সময়ে আনুষ্ঠানিকতা সারবেন তিনি।
সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২২ জুন সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা বলেন, স্থায়ী কমিটির শূন্যপদ পূরণের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনিও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন।
এর আগেও একাধিকবার স্থায়ী কমিটি পুনর্বিন্যাস করার আলোচনা হয়েছে। রাজনৈতিক নানা ঘটনাপ্রবাহের কারণে তখন এই কমিটিতে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একটি বড় আন্দোলনের পর সংগঠনের কিছু ত্রুটি ধরা পড়ে। সে অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'উপজেলা পরিষদে উন্মুক্ত নির্বাচনে জটিল সমীকরণ তৃণমূলে' যুগান্তরের শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, উপজেলা পরিষদে উন্মুক্ত নির্বাচন ঘিরে জটিল সমীকরণে তৃণমূল আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয়ভাবে এ নির্বাচনে কাউকে সমর্থন দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনরা।
তবে স্থানীয়ভাবে অনেক জায়গায় জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রভাবশালীরা। আবার জাতীয় নির্বাচনের পরেই অনুষ্ঠেয় এই ভোটে বড় প্রভাব থাকছে স্থানীয় সংসদ-সদস্যদের। বেশিরভাগ প্রার্থীই চাইছেন এমপির সমর্থন।
অনেক জায়গায় এমপিরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের মাঠেও নামিয়েছেন। আছে উলটো চিত্রও। কিছু কিছু জায়গায় মাঠে আছেন এমপিবিরোধী প্রার্থীরাও। স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্যদের আসনের উপজেলাও দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, তারা চান সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। ফলে সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবতার নিরিখে শিগগিরই দেওয়া হবে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা।
আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগই যেখানে কাউকে সমর্থন দিচ্ছে না, সেখানে আর কারও বা কোনো শাখার কোনো এখতিয়ারই নেই কাউকে সমর্থন দেওয়ার। এটা এখতিয়ারবহির্ভূত। এ বিষয়ে খুব শিগগিরই নির্দেশনা দেওয়া হবে।
‘ডলার-সংকট তবু গ্যাস আমদানির বড় বড় চুক্তি, প্রথম আলোর শিরোনাম।খবরে বলা হচ্ছে, দেশে মার্কিন ডলারের সংকটের মধ্যেই আরও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির চুক্তি করছে সরকার। গত বছরের জুন ও নভেম্বরে তিনটি চুক্তি হয়েছে। আরেকটি চুক্তি শিগগিরই হতে পারে।
চারটি চুক্তির অধীনে ২০২৬ সালের জুন থেকে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের কথা দিনে ১৭০ কোটি ঘনফুট। এখন সক্ষমতা রয়েছে ১১০ কোটি ঘনফুট। তবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয়েছে দিনে ৯০ কোটি ঘনফুটের কম।
বাড়তি গ্যাস তরল অবস্থায় এনে তা রূপান্তরের জন্য নতুন টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে, যার কাজ শুরু মাশু হয়নি। বাড়তি গ্যাস সরবরাহের জন্য নতুন পাইপলাইন দরকার। সেই প্রকল্পে অর্থায়নও নিশ্চিত হয়নি।
ডলার-সংকটের কারণে বাড়তি গ্যাস আমদানি করতে না পারায় সরকার দেশে উত্তোলনে জোর দিয়েছে। এমন সময়ে কেন দীর্ঘমেয়াদি আমদানি চুক্তি এবং চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস আনতে ডলার কোথা থেকে আসবে, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি অনুযায়ী আমদানিতে ব্যর্থ হলে বিদ্যুৎ খাতের কেন্দ্রভাড়া বা ক্যাপাসিটি চার্জের মতো মাশুল দিতে হতে পারে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম 'এলএনজিতে সামিট বৃহৎ জ্বালানি তেল পরিশোধনাগারে এস আলম'। এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার চট্টগ্রামভিত্তিক ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২) নির্মাণে যুক্ত হতে যাচ্ছে এস আলম গ্রুপ।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) ভিত্তিতে। এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে এস আলম গ্রুপের।
দেশের গ্যাস খাতের অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বড় বিনিয়োগ করছে জ্বালানি খাতের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সামিট গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগে দেশের তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়টি এরই মধ্যে সরকারের নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।
এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে সরকারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একটি চুক্তি এখন চূড়ান্তভাবে সইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। ইআরএলের দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি চিঠি ইস্যু করা হয়।
'ইরাকি কূটনীতিকের বিরুদ্ধে ঢাকার নারী নির্যাতন আদালতে মামলা' মানবজমিনের শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, চাকরির প্রলোভন। বিয়ে নিয়ে প্রতারণা। ধর্ষণ ও নির্যাতন। এন্তার অভিযোগ ঢাকাস্থ ইরাকি দূতাবাসের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
দূতাবাসের ভাইস কনসাল ইমাদ আলী জালাল মৌসাবির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন এক বাংলাদেশি নারী। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করছে। আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য রয়েছে।
পিবিআই’র পরিদর্শক গোলাম মুক্তার আশরাফ বলেন, মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। তদন্ত কার্যক্রম শেষে রিপোর্ট দাখিল করা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সংশোধিত-২০০৩) এর ৯(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলটি তদন্ত করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ইংরেজি পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Cold wave kills 281 on average every winter'. খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ঠাণ্ডাজনিত রোগে প্রতিবছর গড়ে ২৮১ জনের মৃত্যু হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে এই ধরনের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
'বাংলাদেশে ঠাণ্ডাজনিত রোগে মৃত্যু: ২০ বছরের স্প্যাটিওটেম্পোরাল বিশ্লেষণ' শীর্ষক ওই গবেষণায় ২০০০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ বছরে বাংলাদেশ ৮১টি শৈত্যপ্রবাহ ঘটেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনা আরও বেড়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ প্রবণ এবং এসব এলাকায় মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটেছে।

'জাল কাগজে মানব পাচার: অর্ধশত তরুণের নামে মার্কিন দূতাবাসের অভিযোগ' আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, মফিজুর রহমান ও আশরাফুল আলম ভূঁইয়া নামের দুই বাংলাদেশি ১১ই ফেব্রুয়ারি মার্কিন ভিসার জন্য সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েছিলেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে। সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এ দুজন স্বীকার করেছেন, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে মানব পাচারে জড়িত। তাঁরা মূলত দালাল হিসেবে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য তাঁরা ভুয়া নথিও জমা দিয়েছিলেন।
ওই ঘটনায় পরদিন রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা মিকাইল লি। মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তাবিষয়ক এই কর্মকর্তা এর আগেও এমন পাঁচটি মামলা করেছেন।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে মানব পাচার ঠেকানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কথা বলে আসছিল। ওই দেশে এমন পাচার বন্ধ করতে তারা আরও বেশি সক্রিয় থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা যায়, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণার’ অভিযোগে মিকাইল লি গুলশান থানায় প্রথম মামলাটি করেছিলেন গত বছরের ১৫ মার্চ। সেই মামলায় প্রথমে চারজনকে আসামি করা হয়েছিল। ওই আসামিরা মূলত নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ‘কথক একাডেমি’ নামের একটি এনজিওর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন।
'জাবি ঘিরে ভয়ংকর মাদক সিন্ডিকেট' দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভয়ংকর মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ছাত্র সংগঠনের এক শ্রেণির নেতারা এই মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছেন।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এক শ্রেণির মেধাবী ছাত্র মাদক বেচাকেনায় ও এতে আসক্ত হয়ে পড়ছেন। লেখাপড়া করতে এসে সর্বনাশা মাদকের ছোবলে পড়ে মেধাবীরা শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ছে।
এটি শিক্ষক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, অভিভাবকসহ সব নীতিনির্ধারক মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।
মাদকের এই আগ্রাসন নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে। কারণ হিসেবে একাধিক কর্মকর্তা বলেন, যারা এটা নিয়ন্ত্রণ করবেন তাদের মধ্যে এক শ্রেণির কর্মকর্তারা এই ব্যবসায় জড়িত। রাজনৈতিক অনেক নেতাকর্মীও এর সঙ্গে জড়িত।








