পত্রিকা: 'উপদেষ্টা পরিষদের রদবদলের খবর গুজব'

পত্রিকা

'উপদেষ্টা পরিষদের রদবদলের খবর গুজব' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে রদবদল হওয়ার যে খবর চাওর হয়েছে তা সঠিক নয় বলে নীতি নির্ধারক পর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সরকারের প্রভাবশালী একজন উপদেষ্টা দেশ রূপান্তরকে জানান, উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এ মুহূর্তে এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির অন্যতম নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যার জেরে সংগঠনটির দাবির মুখে উপদেষ্টা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়ায়।

এতে বলা হয় বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জে. অব. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে এবং স্বরাষ্টের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে।

এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরীকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের উচ্চ পদেও রদবদলের সিদ্ধান্ত শিগগির কার্যকর করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা মেলেনি।

দেশ রূপান্তর

'উগ্রবাদ দমনে ব্যবস্থা নিতে হবে দিল্লিকে' যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের তিক্ততা বেড়েই চলেছে।

মঙ্গলবার হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি উগ্র ধর্মীয় সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে নয়াদিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের দিকে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন।

কলকাতায়ও একই রকম ঘটনা ঘটেছে। যদিও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা করে।

এ ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে ঢাকার কঠোর বার্তা দেওয়াসহ পুরো ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে।

এছাড়া সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো ছাড়াও ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কোনো কিছু না ঘটে সে ব্যাপারে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে শনিবার রাতে দিল্লিতে 'অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনা' নামের এক সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করা হয়।

ওই বিক্ষোভ থেকে হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকেও হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিরাপত্তা শঙ্কায় দিল্লি, আগরতলা ও শিলিগুড়ির হাইকমিশনে ভিসা বা কনস্যুলার সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেওয়া হয়।

এছাড়া এসব ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে ১০ দিনের ব্যবধানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে দুদফায় তলব করা হয়।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন
যুগান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'ঢাকা-দিল্লির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন চায় বন্ধু রাষ্ট্রগুলো' সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। বর্তমানে তা এযাবৎকালের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পার করছে।

এখন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে উদ্বিগ বন্ধু রাষ্ট্রগুলো। তারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার উত্তেজনার অবসান চায়। তবে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছে জাপান ও রাশিয়া। বাকি দেশগুলো আলোচনা ও প্রশ্নের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাশা জানিয়েছে।

গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় জাপানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি ঢাকা ও দিল্লির উত্তেজনায় টোকিওর অস্বস্তির কথা ইঙ্গিত করেন।

গত সোমবার ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বলেছেন, ঢাকা-দিল্লির মধ্যে যে কোনো ধরনের উত্তেজনা যত দ্রুত সম্ভব কমাতে হবে।

জাপানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরির বক্তব্য ছিল, জাপানের অবাধ ও মুক্ত ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিকল্পনার জন্য বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে কানেক্টিভিটি জরুরি।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে শুধু দ্বিপক্ষীয় ব্যবহারের জন্য নয়; বরং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করার জন্য। আর অঞ্চলিক কানেক্টিভিটির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আস্থা ও বোঝাপড়া প্রয়োজন।

সমকাল

'তারেক রহমানকে বরণে ঢাকামুখী স্রোত' মানবজমিনের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালেই স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে দেশের মাটিতে পা রাখবেন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

লন্ডন স্থানীয় সময় সোয়া ৬টায় বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। তাকে বহনকারী বিমানটি সকাল ১০টায় সিলেটে অবতরণ করবে, এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর বেলা ১২টায় ঢাকায় নামবে।

দলের কাণ্ডারিকে বরণ করতে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি চলছে বিএনপিতে। ফেরার দিনটিকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশের আয়োজন করছে দলটি। রাজধানীর তিনশ' ফিট সড়কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

বিমানবন্দরে নেমে সংবর্ধনাস্থলে আসবেন তারেক রহমান। সেখানে সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন। সংবর্ধনাস্থল থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন।

সেখানে মায়ের শয্যাপাশে কিছুসময় কাটিয়ে গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন তারেক রহমান। এদিকে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানাতে ইতিমধ্যে ঢাকামুখী জনস্রোত শুরু হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আসা দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান করছেন। এমনকি বিদেশে অবস্থান করা নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসছেন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে।

মানবজমিন

'বিশেষ ট্রেনে ভোটের প্রচার করা যাবে না' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চাওয়া নেতা - কর্মীদের যাতায়াতের জন্য ১০ টি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর দেশের ১০ টি রুটে এসব বিশেষ ট্রেন পরিচালিত হবে। ট্রেন পরিচালনায় কোন কোন শর্ত মানতে হবে, তা জানিয়ে রেলওয়ে মহাপরিচালককে আলাদা চিঠি দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

শর্তের মধ্যে রয়েছে, কোনো অবস্থাতেই এসব ট্রেনকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যম, বাহন বা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

ট্রেনের ভেতরে বা বাইরে নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার, প্রতীক, লোগো বা সদৃশ কাঠামো, মাইক, সাউন্ড সিস্টেম বা অন্য কোনো প্রচারণামূলক উপকরণ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ট্রেনে চলাচলের সময় কোনো ধরনের স্লোগান, মিছিল বা রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। নির্ধারিত আসনসংখ্যার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন , ছাদে বা ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রী আরোহণও করা যাবে না।

এসব শর্ত না মানলে বা ট্রেন, রেলপথ কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করলে ট্রেনের ভাড়া গ্রহণকারীকে ক্ষতিপুরণ দিতে হবে।

আজকের পত্রিকা

'আইনের শাসন কাকে বলে দেখিয়ে দিতে চাই' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাহসী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেছেন, আমি বেশ কিছু দিন আগে সম্ভবত এটা বলেছিলাম যে, আইনের শাসন কাকে বলে আমরা দেখিয়ে দিতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের ওপর সামষ্টিকভাবে একটা ব্লেম করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আমরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছি। আমরা একটা ম্যানেজ ইলেকশন করেছি। এই অপবাদ থেকে আমরা মুক্তি চাই।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে গতকাল ডিসি-এসপি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাথে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ আহবান জানান সিইসি।

নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চার নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন।

নয়াদিগন্ত

'ভোটে শঙ্কা বাড়াচ্ছে অবৈধ অস্ত্র, গুজব' প্রথম আলোর শিরোনাম। এ খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পথভোট সুষ্ঠু করার পথে অবৈধ অস্ত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ছড়ানো, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ঢালাও জামিন, সীমান্তে নিরাপত্তার দুর্বলতাসহ নানা চ্যালেঞ্জ ও আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন প্রশাসন ও পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় ও ব্রিফিংয়ে এসব চ্যালেঞ্জের কথা উঠে আসে। এসব মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিতে নানা পরামর্শও দেন কর্মকর্তারা।

সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

চার নির্বাচন কমিশনারও তাঁদের বক্তব্যে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্বাচনসংক্রান্ত নানা দিকনির্দেশনা দেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে এই মতবিনিময় বা ব্রিফিংয়ে ৮ বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ৮ উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি), ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, ইসির ১০ আঞ্চলিক কর্মকর্তা, ৬৪ জেলার নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ২২৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, শতাধিক আসনে বিএনপির পথের কাঁটা বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

একাধিক প্রার্থী মনোনয়নের বিধান না রাখায় এবার বিদ্রোহী হিসেবে লড়াই করার সুযোগ পাচ্ছেন বিভিন্ন স্তরের বিএনপির নেতারা।

অনেক আসনে স্বতন্ত্র এবং দলীয়ভাবে মনোনয়ন সংগ্রহ করছেন প্রার্থীরা। যদিও বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বিএনপি।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রাতের ভোটের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বিএনপি। সেবার বিদ্রোহী ঠেকাতে প্রতি আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল দলটি।

কিন্তু এবার একক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন দলটির নেতারা। নির্বাচনি আইনে একটি আসন থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নের সুযোগ আছে রাজনৈতিক দলগুলোর। কিন্তু সেই সুযোগ এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি বিএনপি।

দ্য ডেইলি স্টার

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Election process must stay on track' অর্থাৎ নির্বাচন প্রক্রিয়া সঠিক পথে থাকতে হবে।

খবরে বলা হচ্ছে, গতকাল চারটি রাজনৈতিক দলের নেতারা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা, সমাজের সকল স্তরের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা করার এবং সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে সুশাসন ও ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তারা বিচার বিভাগ ও সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক নির্বাচনী সংলাপে বিএনপির মহাসচিব এ কথা বলেন। 'ইওর পার্টি ভোটার কোয়েশ্চেনস' শীর্ষক নির্বাচনী সংলাপের আয়োজন করে দ্য ডেইলি স্টার।

এই সংলাপে প্যানেল আলোচক ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ডেইলি স্টারের উপদেষ্টা সম্পাদক কামাল আহমেদ।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এজের শিরোনাম 'ICT charges Hasina, 11 army officers, 5 others' অর্থাৎ 'শেখ হাসিনা, ১১ সেনা কর্মকর্তা, আরও ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের'।

খবরে বলা হচ্ছে, র‌্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-০১।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

আদালতে আটক ১০ জন সেনা কর্মকর্তাকে হাজির করা হয়। এ সময় ট্রাইব্যুনাল তাদের জিজ্ঞাসা করনে, তারা দোষী কি না? জবাবে তারা নিজেদের 'নির্দোষ' বলে দাবি করেন।

এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান, তারিক আহমেদ সিদ্দিকী ও পুলিশের সাবেক তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আরও সাতজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে।

আগামী ২১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ডের মাধ্যমে তাদের বিচার শুরুর দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনাল এদিন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে বারবার কাজে বাধা দেওয়ার জন্য সতর্ক করেন। বলেন যে, ট্রাইব্যুনাল তার কথা শুনতে বাধ্য নয়। বিচারপতি বলেন, তারা তাজুলের কাছ থেকে সংযত এবং পেশাদার আচরণ আশা করেন।

নিউ এজ

'হাতিয়ায় চর দখল নিয়ে সংঘর্ষ গুলি, নিহত ৫' কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে দুটি বিবদমান বাহিনীর সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে গতকাল মঙ্গলবার সকালে পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটেছে। চর দখলকে কেন্দ্র করে ওই সংঘর্ষ হয়।

এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে আটজন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল প্রায় ১০টা থেকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী জাগলার চরে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ একজনের নাম নিশ্চিত করতে পেরেছে। তাঁর নাম মো. আলাউদ্দিন (৪০)।

তাঁর মরদেহ বিকেলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়। অন্য চারজনের নাম-পরিচয় পুলিশ গত সন্ধ্যা পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনা নদীতে দ্বীপ জেলায় জেগে ওঠা জাগলার চরে আছে খাসজমি। এটির দখল নিয়ে স্থানীয় কোপা সামছু ওরফে সামছুদ্দিন ও আলাউদ্দিন বাহিনীর বিরোধ চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই।

কালের কণ্ঠ

'নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি হারাতে বসেছে সুন্দরবনের মুন্ডা জনগোষ্ঠী' বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় ২৩০ বছর আগে সুন্দরবন অঞ্চলে বসতি গড়ে তুলেছিল মুন্ডা জনগোষ্ঠী।

এরপর ধীরে ধীরে এ অঞ্চলে বাইরের মানুষ বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। মূল ধারার জনগোষ্ঠীর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেকটা অন্তরালে চলে যান মুন্ডারা।

বর্তমানে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় এ জনগোষ্ঠীর চার শতাধিক পরিবার রয়েছে। তবে জায়গা-জমি থেকে শুরু করে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধিশালী এ মুন্ডারা একে একে সবই হারাতে বসেছেন।

একসময় তাদের জমি থাকলেও এখন বেশির ভাগই ভূমিহীন। চর্চার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে তাদের নিজস্ব বর্ণমালাও।

সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থার (সামস) দেয়া তথ্যমতে, প্রায় ২৩০ বছর আগে ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের রাচি অঞ্চল থেকে মুন্ডাদের এ অঞ্চলে আনা হয়। সুন্দরবন কেটে আবাসভূমি গড়ে তোলার কাজে নিযুক্ত করা হয় তাদের।

তবে বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দিলেও নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতিকে সুরক্ষা করা হয়নি।