‘কারাবন্দি চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের ‘দাওয়াত’ জঙ্গিদের’

হলি আর্টিজান হামলার আট বছর নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘কারাবন্দি চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের ‘দাওয়াত’ জঙ্গিদের’।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নব্য জেএমবি এখন পাঁচজনের নেতৃত্বে অনলাইনে সক্রিয়। এছাড়া কারাবন্দি চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের দলে টানতে কৌশলে ‘দাওয়াত’ দিচ্ছে তারা।
এখন নব্য জেএমবির বড় ধরনের হামলা চালানোর সক্ষমতা নেই। তাদের লক্ষ্য, সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা সদস্যদের একই প্ল্যাটফর্মে আনা - বলে সমকালকে জানিয়েছেন উগ্রপন্থিদের কার্যক্রমে নজর রাখেন এমন একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা।
তারা বলছেন, এই উগ্রপন্থিদের লক্ষ্য, সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা সদস্যদের একই প্ল্যাটফর্মে আনা। চেইন অব কমান্ডের মাধ্যমে স্বতন্ত্র সেল করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং ‘সুবিধাজনক’ সময়ে আবারও হামলার মাধ্যমে আলোচনায় আসা।
সংগঠনের কারাবন্দি সদস্যদের মুক্ত করার ছক তৈরি, অনলাইন-অফলাইনে দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার মাধ্যমে প্রতিশোধ, উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন ভাষার ও আইএস প্রকাশিত আর্টিকেল অনুবাদ করে সদস্যদের মধ্যে সরবরাহের লক্ষ্যও রয়েছে নব্য জেএমবির।
কারাগারে থেকেও কৌশলে নব্য জেএমবির সদস্যরা সক্রিয়।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এক নারীকে নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ফাঁসির দিন গুনে এক নারীর ২৪ বছর’।
খবরে বলা হচ্ছে, ১৯৯৮ সালে এক হত্যা মামলায় শরীফা বেগম গ্রেফতার হন। এর দুই বছর পর বিচারিক আদালতে তার ফাঁসির রায় হলে সেই থেকে তিনি ফাঁসির সেলে (কনডেম সেল) বন্দি।
২০০৩ সালে হাইকোর্টে তার সাজা বহাল থাকে। এরপর ২১ বছরেও তার আপিল নিষ্পত্তির তথ্য মেলেনি।
এই দীর্ঘ সময় ফাঁসির সেলে থাকা শরীফার কথা আদালত, কারা কর্তৃপক্ষ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় কারও মনে আসেনি। এই নারী জানতে পারেননি তিনি দোষী না নির্দোষ।
কারা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কারা ইতিহাসে আর কোনো নারী আসামিকে এত দীর্ঘ সময় ফাঁসির সেলে থাকতে হয়নি। এত লম্বা সময় (২৬ বছর) কোনো নারী কারাবাসে ছিলেন কি না, সে তথ্যও মেলেনি।
অথচ শরীফা বেগম যখন কারাগারে যান, তখন তার মেয়ের বয়স তিন মাস। কারাগারে যাওয়ার পর আর কখনো সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা হয়নি তার। কারণ শরীফার মামলার বিচারই এখনো শেষ হয়নি।
মানবাধিকারকর্মীদের ভাষ্য, বিচারের নামে প্রতিনিয়ত কাউকে মৃত্যু যন্ত্রণা দেওয়া নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা এবং এটি বিলম্বিত বিচারের একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সার্বজনীন পেনশনে পরিবর্তন প্রসঙ্গে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘নতুন পেনশনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সুবিধা ‘কমবে’।
খবরে বলা হচ্ছে, নতুন পেনশন ব্যবস্থায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুবিধা কমায় তারা এই নতুন ব্যবস্থা প্রত্যাহারের দাবি করছেন। এ দাবিতে আজ সোমবার থেকে সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন পেনশন ব্যবস্থায় মাসে মাসে এখনকার চেয়ে দুই দশমিক সাত গুণ বেশি টাকা পাওয়া যাবে। কিন্তু এজন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন থেকে টাকা কাটা হবে।
অবসরের পর কোনো এককালীন টাকা পাওয়া যাবে না, বছর বছর পেনশন বাড়বে না এবং পেনশনারের মনোনীত ব্যক্তি এখনকার মতো আজীবন পেনশন পাবেন না।
আরও কয়েকটি সুবিধা না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে শিক্ষকেরা বলছেন, সব মিলিয়ে নতুন ব্যবস্থায় তাঁদের সুবিধা কমে যাবে। সিদ্ধান্তটিকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করে আসছে তারা।
নতুন অর্থবছরের (২০২৪-২৫) শুরুর দিন আজ চালু হচ্ছে সর্বজনীন পেনশনের কর্মসূচি ‘প্রত্যয়’। স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে আজ পহেলা জুলাই থেকে যাঁরা যোগ দেবেন, তাঁদের জন্য এ কর্মসূচি প্রযোজ্য হবে।
অবশ্য নতুন কর্মসূচি চালু করতে অনড় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

চলতি অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘সংকট উত্তরণই বড় চ্যালেঞ্জ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভের ডলার সংকট, জ্বালানি সংকট, আমদানিতে সংকোচননীতি, ব্যাংক খাতের করুণ দশা ও অর্থ সংকট- নতুন অর্থবছরে এসব সংকট উত্তরণই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে দেখা যায়, ১৪ মাস ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি। যে হারে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে তার চেয়ে দুই শতাংশ কম হারে বাড়ছে বেতন।
অর্থাৎ প্রতি মাসেই একজন মানুষকে এই পরিমাণ অর্থ ধার করে চলতে হচ্ছে। খানা আয়-ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দেশের ৩৭ শতাংশ পরিবারই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছে। আর এই ঋণের পরিমাণ গড়ে এক লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দেরিতে হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকনীতি সুদহার বাড়িয়েছে। যদিও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাগে আসার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
শুরুতে বৈশ্বিক কারণে মূল্যস্ফীতি হলেও সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে মূল্যস্ফীতি কমছে না বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এদিকে গত অর্থবছরে তলানিতে নেমেছে সরকারের রিজার্ভ, যা ৪৮ বিলিয়ন থেকে কমে ২৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সার্বিক অর্থনীতিতে।

এনবিআর এর দুই কর্মকর্তার দুর্নীতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ফয়সালকে বগুড়ায় বদলি হদিস নেই মতিউরের’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের ও স্বজনের নামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালকে বগুড়ায় বদলি করা হয়েছে।
এদিকে, এনবিআরের সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমানকে বদলি করা হলেও আত্মগোপনে চলে গেছেন। কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না তার।
অন্যদিকে, মতিউর পরিবারের জায়গা-জমির তথ্য চেয়ে দেশের সব ভূমি অফিসে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদেশযাত্রায় দেওয়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেছেন মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকী।
এদিকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে প্রভাবশালী মহলের কাছে মতিউর ও লায়লার যাওয়া-আসার তথ্যও পাওয়া গেছে।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘নিজ কার্যালয় ফাঁকা রেখে ঢাকায় অফিস করছেন ৮৭ জেলা-উপজেলা কর্মকর্তা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে এগিয়ে নিতে জেলা ও উপজেলায় স্থাপন করা হয় আইসিটি কার্যালয়।
নিয়োগ দেয়া হয় প্রোগ্রামার বা জেলা আইসিটি অফিসার, সহকারী প্রোগ্রামার বা উপজেলা আইসিটি অফিসার, সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার।
এসব কার্যালয়ের অনেক অফিসপ্রধানই মাঠপর্যায়ের কার্যালয়গুলো ফাঁকা রেখে অফিস করছেন ঢাকায় বসে।
তাদেরকে আইসিটি অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় কিংবা সরকারের অন্যান্য দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা ও উপজেলা আইসিটি কার্যালয়ে কর্মরত ৫০৭ কর্মকর্তার মধ্যে বর্তমানে ঢাকায় অফিস করছেন ৮৭ জন।
তাদের বেশির ভাগই এসেছেন তদবির করে। এর ফলে প্রায়ই ফাঁকা থাকছে তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা ও উপজেলা কার্যালয়গুলো।

চীনের থেকে ঋণ নেয়া প্রসঙ্গে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Dhaka looks to Beijing for fresh loans’ অর্থাৎ, ‘নতুন ঋণের জন্য বেইজিংয়ের দিকে তাকিয়ে আছে ঢাকা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন বেইজিং সফরে চীনের ঋণ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের জন্য ঋণ ছাড়াও প্রায় ৫০০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চাইতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
২০১৬ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরের সময়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রায় ২০ বিলিয়ন বা দুই হাজার কোটি ডলারে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী চার বছরে ২৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঠিক রাখতে বাংলাদেশ এমন সময়ে আবারও চীনা অর্থায়ন আশা করছে। আগামী আট থেকে ১১ই জুলাই হাসিনার চীনে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে বড় প্রকল্পের প্রস্তাব পেয়েছেন যাতে ঋণ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো নিয়ে চীনের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে।
তবে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
চীনা অর্থায়নে বিবেচনাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি হলো ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ও পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণ।
আরেকটি প্রকল্প হল এমআরটি লাইন-২, গাবতলী থেকে নারায়ণগঞ্জ হয়ে গুলিস্তান হয়ে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি শাখা লাইন।
বর্তমানে চীনের সাথে বাংলাদেশের প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। একবার ঋণ পেলে দেশটিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর চলমান চাপ কমাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অনলাইন জুয়া নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘অনলাইন জুয়ায় পাচার হাজার কোটি টাকা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আইপিএল, বিপিএল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ জনপ্রিয় সব খেলা সম্প্রচারকালে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে অনলাইন জুয়া বা বিভিন্ন বেটিং সাইটের বিজ্ঞাপন ।
এসব বেটিং সাইটের মাধ্যমে ই-মানি হয়ে বছরে হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে বিদেশে।
এসব সাইটে এমনভাবে অ্যালগরিদম করা থাকে যে, একজন জুয়াড়ি ১০ বার খেলার জন্য টাকা বিনিয়োগ করলে সে ছয় থেকে আট বার জয়ী হয়।
এতে জুয়াড়িরা পরের খেলায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে থাকে। তবে তখন আর লাভের মুখ দেখতে পায় না। সেই লোকসানের বিনিয়োগ তুলতে গিয়ে উল্টো নিয়মিত বিনিয়োগ করে সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব হয়।
সূত্র বলছে, এসব জুয়ার সাইট রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সাইপ্রাসসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পরিচালিত হয়। কিন্তু দেশে তাদের ডিলার বা প্রতিনিধি রয়েছে।
তারাই মূলত মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের কাছ থেকে জমা হওয়া জুয়ার টাকা সংগ্রহ করে। এরপর সেই টাকা অনলাইনভিত্তিক ‘বাইন্যান্স’ নামে অ্যাপে বিনিয়োগ করা হয়।

এদিকে বোটানিক্যাল সোসাইটির পরিবেশবিষয়ক ওয়েবিনারে তথ্য নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অসম পানিপ্রবাহ ও বণ্টনের ফলে দীর্ঘমেয়াদে সুন্দরবনের স্থলজ ও জলজ পরিবেশের লবণাক্ততা বাড়ছে। ফলে কম লবণাক্ততাপ্রিয় উদ্ভিদের সংখ্যা দ্রুত কমছে।
একই সাথে স্থলজ ও জলজ পরিবেশের ভৌত ও রাসায়নিক গুণাগুণের বিপর্যয়ের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হয়ে পড়ছে। বিলুপ্তি ঝুঁকি বাড়ছে কুমিরের মতো প্রাণীর।
ভারত থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির প্রবাহ না আসার কারণেও আমাদের দেশে বায়োডাইভার্সিটির কম্পোনেন্ট কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে।
বিশ্ব পরিবেশ ও মরুকরণ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে এমন বক্তব্য রাখেন বক্তারা।
এক্ষেত্রে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বেশি করে গাছ লাগানো ও তার পরিচর্যা করার আহ্বান জানান। সেই সাথে পানির পরিমিত ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে বলেছেন তারা।
বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের অতীত ও বর্তমানকে বিবেচনায় এনে দেশব্যাপী জলজ ও স্থলজ সব পরিবেশে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন তারা।











