পত্রিকা: 'গ্যাস সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের শরণাপন্ন বাংলাদেশ'

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশের নতুন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে; বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম দেশের অর্থনীতিতে ফিরে আসার পথ খুঁজছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সংকট মেকাবিলায় সাশ্রয়ের নির্দেশনা— এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে।

বণিক বার্তার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— গ্যাস সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের শরণাপন্ন বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধপরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি আমদানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আবারো যুক্তরাষ্ট্রের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের আগে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ।

এদিকে, স্থানীয় গ্যাস উত্তোলন ও এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের বড় অংশীদার।

জাতীয় গ্রিডের জন্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গ্যাসের অর্ধেকের বেশি সরবরাহ করছে মার্কিন জায়ান্ট শেভরন। দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের একটি স্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি।

এদিকে, ঢাকা সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর গতকাল দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে পল কাপুর যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ জ্বালানি সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের সর্বত্র জনগণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করল ঢাকা— সমকালের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছে বলে এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ঢাকা সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে গতকাল বুধবার বৈঠকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

বৈঠকে আর্ট চুক্তি নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এ চুক্তির বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে। বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর ধারা ১২২-এর আওতায় ১৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। যখন ধারা ৩০১ বাস্তবায়ন হবে, তখন যাতে শুল্ক ১৯ না হয়ে কিছু কম হয়, সে আবেদন বাংলাদেশ করেছে।

নির্বাচনের তিন দিন আগে আর্ট সই নিয়ে মার্কিন কোনো চাপ ছিল কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি বাংলাদেশের প্রধান দুইটি দলের নেতাদের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। দলগুলো এতে সম্মতি দিয়েছিল। এমন না যে চুক্তিটি আমরা অন্ধকারে করেছি।

এই চুক্তিতে একটা প্রবেশের ধারা এবং বের হওয়ার ধারা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

প্রবেশের ধারা হচ্ছে— আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালে এ চুক্তি কার্যকর হবে না। এখনও আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাইনি। সরকার ইচ্ছা করলে পর্যালোচনা করতে পারে।

আর বের হওয়ার ধারা হচ্ছে— ৬০ দিনের নোটিশে বের হওয়া যাবে।

ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— S ALAM ATTEMPTS TO REGAIN INFLUENCE; অর্থাৎ এস আলমের প্রভাব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা।

এই খবরে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুতির পর তৎকালীন প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত বেশ কিছু বিতর্কিত ব্যবসায়ী দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তার মধ্যে এস আলম শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম একজন।

জুলাই বিদ্রোহের পর বাংলাদেশ যখন নয়া পথে এগোচ্ছে, তখনও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, বিতর্কিত এই শিল্পগোষ্ঠী কি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফিরে আসার পথ খুঁজছে?

একাধিক ঘটনা ও ইঙ্গিত এই প্রশ্নকে আরো উসকে দিচ্ছে।

এর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমল থেকেই রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষা শুরু হয়, বিএনপির প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে এস আলম গ্রুপ তাদের ব্যবসায়িক প্রভাব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে।

এস আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি টেলিযোগাযোগ কোম্পানির শেয়ার বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য গোপনে কিনে নেওয়ার খবরে সন্দেহের জাল আরও তীব্র হয়।

সেই নেতাকে বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে উদ্বেগ আরও বাড়ে।

এদিকে, বিতর্কিত এই শিল্পগোষ্ঠী আইনি ও আর্থিক তদন্তের মুখোমুখি; এক লাখ কোটি টাকার বেশি অর্থপাচারের অভিযোগে এস আলমের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে সিআইডি।

প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— তেল-গ্যাস নিয়ে দুশ্চিন্তা, এখনই সাশ্রয়ের নির্দেশনা

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় গত সোমবার বন্ধ হয়ে গেছে সৌদি আরবে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় শোধনাগার। একই দিনে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধ করেছে কাতার। বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহের পথ হরমুজ প্রণালীও বন্ধ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় মূলত বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। দেশেও জ্বালানিসংকটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই তেল- গ্যাস সাশ্রয়ের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে সরবরাহ করা হচ্ছিল ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট।

গতকাল বুধবার থেকে সরবরাহ ২০ কোটি ঘনফুট কমিয়ে আনা হয়েছে। সার ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের সরবরাহ কমানো হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আর কোথাও কোথাও রান্নার গ্যাস পেতে ভোগান্তি হতে পারে।

এদিকে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় শতভাগ আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানির পুরোটা আসে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত থেকে।

তবে পরিশোধিত জ্বালানি আসে বিভিন্ন দেশ থেকে।

এছাড়া, দেশের গ্যাস চাহিদার ৩৫ শতাংশ পূরণ করে আমদানি করা এলএনজি, যার সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম— ফারুক ওয়াসিফ, আপনিও!

এই খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) 'তারুণ্যের উৎসব ২০২৫' কেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান করে।

এর চারটি অনুষ্ঠানের বিল-ভাউচারের নথি ঘেঁটে দেখেছে সংবাদমাধ্যমটি। এর মধ্যে দুইটি সেমিনারে ২০০ জন করে ৪০০ জনকে মোট চার লাখ টাকা ভাতা দেওয়ার কথা বলেছে পিআইবি।

তাদের মধ্যে অন্তত ৭০ জনকে ফোন করে জানতে চাওয়া হলে প্রত্যেকেই বলেন, এ রকম কোনো সেমিনারের কথা তারা জানেনই না।

এমনকি তালিকায় এমন আলোচকের নামও পাওয়া গেছে, যাদেরকে উল্লেখ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে কাছাকাছি নামের ব্যক্তি রয়েছেন, তারা পিআইবির এমন সেমিনারে অংশ নেননি বলে জানান।

এছাড়া, এসব অনুষ্ঠান ঘিরে আরো একাধিক খাতে অনিয়মের কথা জানায় দৈনিকটি।

এ নিয়ে জানতে চাইলে শুরুতে অস্বীকার করলেও নথি-প্রমাণ দেখানের পর স্বীকার করে নেন ওই অনুষ্ঠানের মূল সমন্বয়কারী জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ। তিনি দোষ চাপান পিআইবির মহাপরিচালক (ডিজি) ফারুক ওয়াসিফের ওপর।

বিষয়টি নিয়ে ফারুক ওয়াসিফ দাবি করেন, এ ধরনের একটি বিল পিআইবির একটি দুষ্টচক্র তৈরি করেছিল; কিন্তু তিনি সেটি অনুমোদন দেননি। আর এই খাতে কোনো টাকাও খরচ করা হয়নি।

কিন্তু অনুমোদন না করলে তিনিসহ পিআইবির ছয়জনের স্বাক্ষর সংবলিত বিল তৈরি করে টাকা উত্তোলন হলো কীভাবে?

জবাবে ফারুক ওয়াসিফ বললেন, 'প্রতিদিন আমাকে অনেক ফাইলে স্বাক্ষর করতে হয়। তাই এ ধরনের একটি ফাইলে স্বাক্ষর করে পরে ভুয়া বিলের বিষয়টি সামনে এলে তা আমি বাতিল করি।'

কিন্তু এই খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, পিআইবির কর্মকর্তারা চারটি অনুষ্ঠানের নামে তৈরি করা বিল আগেই পরিশোধ দেখিয়ে ২০২৫ সালের জুন মাসে বিলগুলো পাস করেন। পরবর্তী সময়ে পিআইবির 'সম্পাদক নিরীক্ষা' নামে সোনালী ব্যাংক ভিকারুননিসা নূন স্কুল শাখা, ঢাকা থেকে চারটি চেকে ২৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করেন গোলাম মুর্শেদ।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— হামলা জোরদার দুই পক্ষেরই

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, তা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দু'পক্ষের কথা থেকে এর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ইসরায়েল ও আশপাশের দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ইরান গতকাল বুধবার বলেছে, সবচেয়ে উন্নত অস্ত্র এখনো তারা ব্যবহার করেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইরানের আরও ভেতরে হামলা করবে। আরও সেনা পাঠানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

গতকাল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) পক্ষ থেকে হামলার হালনাগাদ তথ্য দেওয়া হয়েছে। যেখানে ওঠে আসে তারা কোথায় কোথায় হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো তুরস্ককে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান, তবে তা ঠেকিয়ে দেওয়া হয়।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি রয়েছে দেশটির এবং তারা এখনো তাদের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্রগুলো ব্যবহার করেনি।

বিপরীতে, ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া, শ্রীলঙ্কার উপকূলে থাকা ইরানের একটি সামরিক জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র । এতে জাহাজের অন্তত ৮৭ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) বলেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৮১। আর হতাহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৪০২-এ পৌঁছেছে।

এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে ডেপুটি স্পিকার পদকে ঘিরে।

সরকারপক্ষের প্রস্তাব, প্রধান বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার পদ দেয়া হবে।

তবে বিরোধী শিবির স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, গণভোটে অনুমোদিত 'জুলাই জাতীয় সনদ' পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট রূপরেখা ছাড়া তারা আপাতত এই পদ গ্রহণ করবে না।

ফলে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনকে ঘিরে যে ঐকমত্যের বার্তা সরকার দিতে চেয়েছিল, তা এখন শর্তসাপেক্ষ রাজনৈতিক সমীকরণে আটকে যাচ্ছে।

কেবল ডেপুটি স্পিকার নয়, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির বিষয়টি নিয়েই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫; গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম— মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার নিয়ে শঙ্কা

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়লের যৌথহামলার জেরে আকাশসীমা বন্ধ, ফ্লাইট বাতিল ও ভিসা জটিলতা তৈরি হয়েছে দেশে দেশে। এতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের কর্মী পাঠানো।

অর্থাৎ, হামলা-পাল্টা হামলা ও সংঘাতের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারেও।

উপসাগরীয় ছয় দেশে প্রায় ৪৫ লাখ প্রবাসী কর্মীর ওপর অনেকটা নির্ভরশীল দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রবাসীদের পরিবারেও বাড়ছে উদ্বেগ-আতঙ্ক।

ইতোমধ্যে আরব আমিরাত ও বাহরাইনে দুইজন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর মিলেছে, আহত হয়েছেন আরও সাতজন।