'বিচারের পরই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে স্বাগত জানানো হবে'

প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস টাইম ম্যাগাজিনকে দেয়া দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হয়েছে।

ওই সাক্ষাতকারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে ফেরা প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেছেন, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য স্বাগত জানানো হবে। ইত্তেফাকের ওই সাক্ষাতকারে তার বক্তব্য তুলে ধরেছে।

তবে, তার আগে জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।

“তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। বিচারে অপরাধী প্রমাণিত না হলে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার পাবে”।

শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয়ের বিষয়ে ৮৪ বছর বয়সী ড. ইউনূস টাইম ম্যাগাজিনকে বলেন, তিনি ভারতে আশ্রয় নিয়ে আবার কথাও বলছেন, এটা আমাদের জন্য অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি ভারতে বসে সরকারের উপদেষ্টারদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

সহিংসতার জেরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তিনি শেখ হোসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত চেয়েছেন। যদিও কেউ বিশ্বাস করে না যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাতে রাজি হবেন।

বিদেশে আওয়ামী লীগের হাজার কোটি ডলার পাচারের অর্থ উদ্ধারে কাজ করবেন বলে টাইম ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ড. ইউনূস।

এছাড়া দেশকে পুনর্গঠিত করার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে ছয় দফা সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে। যেখানে নির্বাচনী ব্যবস্থা, পুলিশ প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি প্রশাসন এবং জাতীয় সংবিধানকে কেন্দ্র করে কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়তে পারেন

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘দৃশ্যপট পাল্টায় এভাবেই!’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গেল অনেকগুলো বছর খালেদা জিয়ার জীবন বলতে ছিল কারাগার, বাসা, হাসপাতাল। এই ছকের বাইরে দীর্ঘদিন পর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় মঞ্চে দেখা গেল তাকে।

এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে।

তারা দু’জন কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি বসে কথা বলেন। ছাত্র আন্দোলনের নেতা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

তখন অনেকে ভাবছিলেন বছর দুয়েক আগে তাদের নিয়ে শেখ হাসিনার করা একটি মন্তব্যের কথা। ২০২২ সালের ১৮ই মে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল আওয়ামী লীগ।

সেদিনের বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।”

শেখ হাসিনা আরও বলেন, “খালেদা জিয়া বলেছিল যে, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। তাদেরকে কি করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে যেয়ে, ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।”

ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং খালেদা জিয়াকে পদ্মা নদীতে ফেলে দিতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু রাজনীতির মঞ্চ কখনো কখনো রোমাঞ্চকর এবং নিষ্ঠুর।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘এমন দেশ গড়তে চাই যেখানে জনগণই হবে সব ক্ষমতার মালিক

প্রতিবেদনে মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এখন থেকে বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়তে চাই যেখানে সত্যিকার অর্থে জনগণই হবে সব ক্ষমতার মালিক।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব সব মানুষকে এক বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা। কেউ কারো ওপরে না, আবার কেউ কারো নিচেও না; এই ধারণা আমরা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই”।

পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতা। জলবায়ু সঙ্কট মোকাবেলা এবং বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনীতি সুসংহতকরণে আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

সেইসাথে স্বাধীনতা যুদ্ধে সব বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যাতে রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, কূটনীতিক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী গঠিত হয়। এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক হামলা চালায়।

স্বাধীনতার পর থেকে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে প্রতি বছর সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘আস্থা রাখতে চায় দলগুলো

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।

নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) প্রথম আলোকে বলেছেন, মানুষ যাতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

পাঁচজনের নির্বাচন কমিশনে সিইসি নাসির উদ্দীনসহ তিনজনই সাবেক সচিব। একজন সাবেক বিচারক ও সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা একজন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাদের নিয়োগের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলো দ্রুত নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাগিদ দিয়ে আসছিল।

এবারে নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে চায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে দেশ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল। এখন এই বার্তা গেল জনগণের কাছে।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা জোট গণতন্ত্র মঞ্চের দুটি দলের নেতারা এই কমিশনের ওপর আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তবে ওই জোটের আরেক নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানান, নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রত্যাশিত কেউ নেই।

জামায়াতে ইসলামীর প্রত্যাশা তুন কমিশন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে আস্থার প্রমাণ দেবে।

গণ অধিকার পরিষদের (একাংশ) সভাপতি নুরুল হক বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নিশ্চয়ই অনেক ভেবেচিন্তে এই কমিশন করেছে। আমরা তাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই, আমরা তাদের স্বাগত জানাই।’

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘citizens lack confidence in present poll system’ অর্থাৎ, ‘বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থায় নাগরিকদের আস্থা নেই’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের বিষয়ে উন্মুক্ত সমীক্ষায় নাগরিকরা বিদ্যমান নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস জানিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই একটি 'নির্বাচনী ক্যাডার' পরিষেবা তৈরির পরামর্শ দেন।

তারা সুপারিশ করেছেন যে শুধু প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিয়োগ না করে জাতীয় ও স্থানীয় উভয় পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। ]

সেইসাথে একজন প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন, নির্বাচিত প্রার্থীদের সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে সীমিত করা, দলীয় মনোনয়নে গণতন্ত্র, 'না' ভোটের পুনঃপ্রবর্তন, স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের সুপারিশ করেন তারা।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশন গত ২২শে অক্টোবর জনগণের মতামত জানতে একটি ওয়েবসাইট, ইমেল ঠিকানা এবং ফেসবুক পেজ খোলে। সেখানে মানুষ কমেন্ট ও মেসেজের মাধ্যমে তাদের মতামত জানিয়েছেন।

জরিপ সংশ্লিষ্ট একজন জানান, ‘নির্বাচনী সংস্কারের জন্য জনসাধারণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’।

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ঘুস লেনদেনের বিশাল নেটওয়ার্ক ইসিতে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন, স্মার্ট এনআইডি কার্ড প্রিন্টসহ জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত অন্যান্য সেবার নামে কোটি কোটি টাকা ঘুস লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ ও নগদ) মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সদস্যদের মাঝে এ ঘুস লেনদেন হয়েছে।

নেটওয়ার্কে আছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও বহিরাগত দালাল।

হাজার হাজার এনআইডির তথ্য সংশোধনের নেপথ্যে রয়েছে এ চক্রের সম্পৃক্ততা।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বাইরে কী পরিমাণ নগদ টাকা লেনদেন করেছেন, এর হিসাব পাওয়া যায়নি।

তবে একটি এনআইডির তথ্য সংশোধনেই এক লাখ ১৫ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার তথ্য মিলেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নেটওয়ার্কের এক সদস্য তার ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে বেতনের টাকা ছাড়াই দুই কোটি ১২ লাখ টাকা লেনদেন করেছেন।

অথচ তিনি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ১৯ হাজার টাকা বেতনের একজন কর্মচারী। ওই দুই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকার ভাগ গেছে অন্তত ১১ জন কর্মচারীর অ্যাকাউন্টে।

আরেক কর্মচারীর ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে অর্ধকোটি টাকা লেনদেনের তথ্য। তিনিও টাকার ভাগ দিয়েছেন এসব কাজে যুক্ত অন্তত ছয়জনকে।

একইভাবে আরও কয়েকজনের ব্যাংক হিসাবে বেতন ছাড়াই বড় অঙ্কের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকজন কর্মচারী ঘুস নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, ‘রাজধানীজুড়ে তাণ্ডব ভাঙচুর’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিন দিনের মধ্যে ঢাকায় ব্যাটারি রিকশা বন্ধে দেওয়া হাইকোর্টের নির্দেশের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালিয়েছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা।

তে বন্ধ হয়ে যায় সড়কে যানবাহন চলাচল, শহরজুড়ে তৈরি হয় তীব্র যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

রিকশাচালকদের অবরোধে সাময়িক বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল, বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ট্রেনের শিডিউল।

সকাল ১০টার দিকে মহাখালী রেলগেট অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে ঢাকা থেকে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা আগারগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। মহাখালীতে সেনাকল্যাণ সংস্থার (এসকেএস) শপিং মল এবং সিটি ব্যাংকের এটিএম বুথ ভাঙচুর করেন।

মিরপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষুব্ধ রিকশাচালকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায়।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতীয় ধনকুবের আদানি গ্রুপের চেয়ারপারসন গৌতম আদানি ও তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল কৌঁসুলিরা ঘুস ও প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন।

তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ পেতে ভারতের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুস প্রদান এবং এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়েও বিভিন্ন সমালোচনা ও অভিযোগ রয়েছে।

এ অবস্থায় আদানির সঙ্গে সম্পাদিত অসম বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিলের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

উচ্চ আদালত থেকেও এ চুক্তি পর্যালোচনার নির্দেশনা এসেছে। ঠিক এমন মুহূর্তে মার্কিন আদালতে আদানির অভিযুক্ত হওয়ার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা

সংবাদের প্রথম পাতার খবর, ‘নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আইসিসির’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। পাশাপাশি হেগভিত্তিক আদালতটি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সামরিক প্রধান ইব্রাহিম আল-মাসরির বিরুদ্ধেও পরোয়ানা জারি করেছে। তিনি মোহাম্মদ দেঈফ নামে পরিচিত।

রয়টার্সের খবরের বরাতে সংবাদ জানায় গত বছরের ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় সংঘটিত নৃশংসতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কারণে নেতানিয়াহু এবং গ্যালান্ট বিদেশে ভ্রমণ করলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকিতে থাকবেন।

তবে ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, তারা গত জুলাই মাসে গাজায় একটি বিমান হামলায় মোহাম্মদ দেঈফকে হত্যা করেছে। তবে চেম্বার বলেছে যে, তারা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।

আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান গত মে মাসে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার অনুরোধ জানিয়ে ছিলেন। তার অভিযোগ ছিল, নেতানিয়াহু এবং গ্যালান্ট গাজায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির জন্য দায়ী।

এদিকে আদালত জানিয়েছেন, দেইফ মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ এবং জিম্মি করাসহ যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী।