'দেশটা তো জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছেন'

আদিলুর-এলানের জামিন শুনানি প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “দেশটা তো জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছেন”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানকে জামিন আবেদনের শুনানিকালে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, দেশটা তো জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছেন।
আদালতকে উদ্ধৃত করে নয়াদিগন্ত পত্রিকা বলছে, মঙ্গলবার বিচারপতি মো: এমদাদুল হক আজাদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।
শুনানির শুরুতে আদিলুর-এলানের আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতের সামনে দাঁড়ান। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো: রেজাউল করিম দাঁড়িয়ে বলেন, আমাদেরও বক্তব্য আছে।
তখন আদালত বলেন, ‘আসামিদের আইনজীবীদের আগে বলতে দিন। আপনি এখন লাফ দিয়ে উঠছেন কেন? দেশটা তো জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছেন।’
তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় আসামিদের দুই বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত তাদের দুজনকে জামিন দেন। একইসাথে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ স্থগিত করা হয়।
গত ২৫শে সেপ্টেম্বর আদিলুর ও এলানের দুই বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন আবেদন করেন। অপরদিকে তাদের সাজা বাড়াতে ৫ই অক্টোবর হাইকোর্টে আপিল আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এ খবরটি অধিকাংশ সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় স্থান করে নিয়েছে। যেমন দেশ রূপান্তরের শিরোনাম, '‘দেশকে জাহান্নাম’ বলা বিচারপতিকে তিরস্কার'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ‘দেশকে জাহান্নাম’ বলা বিচারপতিকে ডেকে তিরস্কার করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। শব্দ চয়নে তাকে আরও যত্নশীল হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে হাইকোর্টের বিচারপতি ইমদাদুল হক আজাদের এমন বক্তব্য প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নজরে এনেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।
একই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, 'You have turned country into hell: HC bench tells DAG.'
প্রতিবেদনে ওই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিচারপতি এমদাদুল তার শপথ ভঙ্গ করেছেন। "সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন এমন একজন বিচারকের এ ধরণের অসাংবিধানিক মন্তব্য খুবই দুঃখজনক," তিনি বলেন।
"আমি সংবাদমাধ্যম থেকে তার মন্তব্য সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছ থেকেও এটি শুনেছি..আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। তারপর আমি প্রধান বিচারপতির সাথে দেখা করি এবং তাকে সংবাদের ক্লিপিংস হস্তান্তর করি ... . "
মি. আমিন উদ্দিন বলেন, ‘ বিচারপতি এমন কথা বলে, সংবিধান অনুযায়ী বিচারক হিসেবে যে শপথ নিয়েছেন, সেই শপথ তিনি ভঙ্গ করেছেন। একজন বিচারকের এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। আমি আশা করি প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।’

ইসির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘ইসির প্রস্তুতি জানতে চাইলো মার্কিন পর্যবেক্ষক দল’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই ও এনডিআইয়ের পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন-ইসি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে ইসির প্রস্তুতি জানতে চেয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি প্রি-ইলেকশন এসেসমেন্ট মিশন এসেছে। এরিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকারের দপ্তরের সঙ্গে তারা বৈঠক করেছে। দলটি এসেছে মূলত প্রি-এসেসমেন্টের জন্য।
এর আগে, সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
সিইসি বলেন, “ইসি কী রোল প্লে করে, গর্ভমেন্টের রোল কতটুকু, কিভাবে প্লে করে; সরকারের সাথে ইলেকশন কমিশনের কো-অর্ডিনেশন কিভাবে হয়, যার মাধ্যমে পুরো ইলেকশন প্রসেসটা তুলে নিয়ে আসি- তাদেরকে জানিয়েছি। তারা যা যা জানতে চেয়েছেন, জেনেছেন। এখন জেনে কী করবেন, আমরা জানি না।”

আইএমএফ এর প্রতিবেদন প্রসঙ্গে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘৭ শতাংশে নিতে অপেক্ষা করতে হবে ৪ বছর’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে বাংলাদেশ ২০২৭-২৮ অর্থবছরে গিয়ে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধির বৃত্তে প্রবেশ করতে পারে।
এর আগে বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার সময় আইএমএফ এক প্রতিবেদনে বলেছিল ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির বৃত্ত সাত শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে তিন বছর প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের উপরে থাকবে।
কিন্তু এবারের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বাংলাদেশকে আরও চারবছর অপেক্ষা করতে হবে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত আইএমএফ’র ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক অক্টোবর ২০২৩’ বা ‘বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস অক্টোবর ২৩’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে আইএমএফ বাংলাদেশ সম্পর্কে এই পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতির পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়।
এদিকে চলতি অর্থবছরে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি আরও বাড়বে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। ফলে চলতি অর্থবছরেও ডলার সংকট অব্যাহত থাকবে। তবে মূল্যস্ফীতির হার কমে আসবে। চলতি অর্থবছর শেষে তা কমে সাত দশমিক দুই শতাংশে নামতে পারে।
ব্যাংকিং খাত নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘নিয়মের শিথিলতায় ব্যাংকে দুর্দশা আরও বেড়েছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, , বছরের পর বছর নীতি শিথিলতায় ব্যাংক খাতের দুর্দশা বেড়েছে এবং আর্থিক খাতের বেশির ভাগ সূচকের অবনতি হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এ কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন ছাড় দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বারবার ব্যাংক খাতের আসল চিত্র আড়ালের চেষ্টা করলেও খেলাপি ঋণ বেড়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে মূলধন ঘাটতি বেড়েছে। ঋণ চাহিদা কমার পরও প্রতিদিন কিছু ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মুদ্রাবাজার থেকে বড় অঙ্কের ধার করতে হচ্ছে।
ব্যাংক খাতের সুস্থতা বোঝার সবচেয়ে বড় সূচক খেলাপি ঋণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খেলাপি ঋণ কম দেখানোর বিভিন্ন উপায় বের করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঋণ পরিশোধে ঢালাও শিথিলতা এবং ব্যাপক ছাড় ব্যাংক খাতকে দুর্দশায় ফেলেছে।
কেননা ঋণের টাকা ফেরত না এলে নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে মূলধন ঘাটতি বেড়ে যায়।
বছর দুয়েক আগেও বেশির ভাগ ব্যাংকে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল। এখন তাতে ভাটা পড়েছে। এর একটি বড় কারণ ডলার বিক্রির বিপরীতে বাজার থেকে টাকা উঠে আসছে। আবার আস্থাহীনতার কারণে আমানত প্রবৃদ্ধি কমছে।

ব্যাংকিং খাত নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Bank branches get CIB control before Bangladesh polls’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে ব্যাংক শাখাগুলো সিআইবি নিয়ন্ত্রণ পায়’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) সংবেদনশীল ডাটাবেসের নিয়ন্ত্রণ ব্যাংকের শাখায় হস্তান্তর করেছে। যাকে বিশেষজ্ঞরা দেশের ইতিমধ্যে ভেঙে পড়া আর্থিক খাতকে আরও অস্থিতিশীল করার বিপজ্জনক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন।
খেলাপিদের আইনের আওতায় আনার জন্য সিআইবি ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার, কিন্তু চিঠির মাধ্যমে এই ক্ষমতা এখন শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জানুয়ারিতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ঋণ খেলাপিদের সুবিধা দিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৩ই সেপ্টেম্বর একটি চিঠিতে বলেছে যে ব্যাংক এবং নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় এবং শাখা অফিসের কর্মকর্তারা যখনই প্রয়োজন তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই ঋণগ্রহীতার ঋণের তথ্য আপলোড বা আপডেট করতে পারেন। কাজের চাপ কমাতে বিবি এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
আগে অন্য ব্যাংকের হেড অফিসেন শুধুমাত্র দুজন অনুমোদিত কর্মকর্তা ক্রেডিট তথ্য আপলোড করতে পারতেন, এই পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি প্রয়োজন হতো। এখন আর সেই বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
ব্যাঙ্কিং বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্লাডগেটগুলো খুলে দেওয়ার কারণে যে কোনও ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সার্ভারে থাকা ব্যক্তির ডেটা অ্যাক্সেস পেতে পারে।
যেহেতু সিআইবি সার্ভারে হাজার হাজার ঋণগ্রহীতার ডেটা রয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে কোন শাখার কোন কর্মকর্তার দ্বারা অপব্যবহার হয়েছে তা সনাক্ত করা বেশ কঠিন হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
চাল সরবরাহ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘কমেছে সরকারি চাল বিতরণ: চাল আমদানি ছাড়াই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের চালের বাজার অনেকটা স্থিতিশীল হওয়ায় আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাল আমদানি না করার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিগত মৌসুমগুলোয় উৎপাদন ভালো হওয়ায় আগামী আমন মৌসুমের সংগ্রহ পর্যন্ত চাল আমদানির প্রয়োজন নেই। এর পাশাপাশি ডলার সংকটের কারণেও চাল আমদানি না করে খাদ্য পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়া যায়, সেদিকেই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) সূত্রে জানা যায়, গত অর্থবছরে প্রায় ১০ লাখ ৫৬ হাজার টন চাল আমদানি হয়। এরপর চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কোনো চাল আমদানি হয়নি।
বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৬ লাখ ২ হাজার টন চাল মজুদ রয়েছে। এর পাশাপাশি চলতি আমন মৌসুমে দুই লাখ টন ধান ও পাঁচ লাখ টন চাল সংগ্রহ করা হবে। মজুদ পর্যাপ্ত থাকায় আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ খাদ্যপণ্যটি আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম এখন বাড়তির দিকে থাকলেও দেশে তা অনেকটাই স্থিতিশীল। চাল রফতানির বৃহত্তম উৎস ভারত ও মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ চাল রফতানিতে এরই মধ্যে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘পদ্মা সেতুতে চললো ট্রেন, খুললো রেলপথের দখিন দুয়ার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের এক বছর দুই মাস পর মঙ্গলবার ঢাকা ও যশোরের মধ্যে রেল যোগাযোগের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ট্রেনে পদ্মা সেতু অতিক্রম করার স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে।’
নতুন এই রেলপথ উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে চারটি জেলা রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, পুরো ঢাকা টু যশোর প্রকল্প চালু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যোগাযোগের নতুন মাত্রা পাবে।
এই রেল সংযোগের ফলে ঢাকা-খুলনা রুটের দূরত্ব কমবে ২১২ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রতিটি লেভেল ক্রসিংয়ে আন্ডারপাস নির্মাণ করায় এ রেলপথের কোথাও কোনো রেলক্রসিং থাকবে না।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজ সম্পন্ন হলে এই রেলপথে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলবে। এতে ওই অঞ্চল থেকে সারাদেশে পণ্য আনা-নেয়া সহজ হবে। প্রসার ঘটবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
অনিয়ম নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘বনমন্ত্রীর এলাকায় সংরক্ষিত বন কেটে হবে সাফারি পার্ক’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মৌলভীবাজারের জুরীর সংরক্ষিত বন লাঠিটিলায় এক হাজার কোটি টাকা বেশি ব্যয় সাফারি পার্ক নির্মাণ করতে চাইছে বনবিভাগ।
বাংলাদেশের যেখানে সংরক্ষিত বনে স্থাপনা নির্মাণ দূরে থাক, বনে প্রবেশ করতেও বন বিভাগের অনুমতি লাগে সেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ভেঙে এমন পার্ক নির্মাণ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহাবুদ্দিনের নিজের নির্বাচনী এলাকায় ৬৩১ একর জায়গা জুড়ে সাফারি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন এবং প্রকল্প প্রস্তাবে প্রথম পর্যায়ের খরচ বাবদ ৩৮২ কোটি টাকা চেয়েছেন।
অবশ্য আইন না মানা, বাড়তি ব্যয়সহ নানা অসঙ্গতির বিষয় উল্লেখ করে গত ৩রা সেপ্টেম্বর প্রকল্পটি অনুমোদন না করে ফেরত পাঠিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। আপত্তির জবাব দিয়ে পহেলা অক্টোবর পুনরায় প্রকল্প প্রস্তাবটি বনবিভাগ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। মন্ত্রণালয় তা চূড়ান্ত করে পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে।
লাঠিটিলা বনটি ১৯২০ সালে সংরক্ষিত গবন বলে ঘোষণা করা হয়। সেখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুললে বনভূমির জীববৈচিত্র হুমকিতে পড়বে বলে সরকারি বেসরকারি নানা গবেষণায় উঠে এসেছে।

হানিফ ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘প্রতি তিন দিনে এক মৃত্যু’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাড়ে ১১ কিলোমিটারের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে প্রতি তিন দিনে একজন করে মানুষ মারা যাচ্ছে।
মঙ্গলবার সেভ দ্য রোড নামের একটি সংগঠনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই ফ্লাইওভারে ১০ বছরের এমন দুর্ঘটনার চিত্র ফুটে ওঠে।
ঢাকার সবচেয়ে বড় এই উড়াল সড়ক গত ১০ বছরে দুর্ঘটনায় এক হাজার ১৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৪৯৯ জন মারা গেছে। এটি মোট মৃত্যুর ৪৪ শতাংশ।
গত এক দশকে সব ধরনের যানবাহন মিলিয়ে আট হাজার ৩৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ছয় হাজার ৩১২ জন আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার এমন পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে সড়কটি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্লাইওভারে সক্ষমতার চেয়ে গাড়ির চাপ বেশি। র্যাম্পগুলোর মুখে বাসের যাত্রী ওঠানামা করে। ৩সড়কের যানজট থেকে মুক্ত হয়ে চালকরা বেসামাল গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
ইসরায়েল ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর, ‘Gaza’s darkest hour: Israel’s unleashing of brutal massacres’ অর্থাৎ ‘গাজার অন্ধকার সময়: ইসরায়েলের নির্মম গণহত্যা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি দ্বন্দ্বের ৭৫ বছরের ইতিহাসে মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিমান হামলা চালিয়েছে তেল আবিব।
গাজায় আটক জিম্মিদের হত্যা করা হবে হামাসের এমন হুমকির মুখেও অবরুদ্ধ অঞ্চলটিকে একের পর এক হামলায় ধুলোয় মিশিয়ে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।
হামাস যোদ্ধারা তাদের শহরে তাণ্ডব চালানোর পর ইসরায়েলও প্রবল শক্তিতে পাল্টা হামলা চালায়। ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক এই হামলায় রাস্তায় রাস্তায় লাশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এরইমধ্যে ইসরায়েল তাদের কয়েক হাজার সংরক্ষিত বাহিনীকে ডেকেছে এবং ২৩ লাখ মানুষের আবাসস্থল সম্পূর্ণ অবরোধ করে রেখেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক হামলায় অন্তত ৭৭০ জন নিহত এবং ৪,০০০-এর বেশি আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ বলেছে যে এক লাখ ৮০ হাজারের বেশি গাজাবাসী গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। অনেককে রাস্তায় বা স্কুলে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
গাজার তিনজন সাংবাদিক ইসরায়েলি বোমার আঘাতে একটি ভবনের বাইরে রিপোর্ট করার সময় নিহত হয়েছেন, এতে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা ছয়জনে পৌঁছেছে।











