আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘নভেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল, জানুয়ারিতে ভোট’
‘নভেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল, জানুয়ারিতে ভোট’- এমন শিরোনাম করেছে দৈনিক ইত্তেফাক। এতে বলা হয়েছে, আগাম দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
তিনি তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইত্তেফাককে বলেছেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হবে বলে-একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সিইসি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেন, সেপ্টেম্বর তফসিল দেওয়া সম্ভব নয়। এটি কথার কথা চলে এসেছে। তবে আমরা তফসিল এবং ভোটগ্রহণের মধ্যে একটি বড় সময় রাখতে চাই।
কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম, অক্টোবরের শেষে তফসিল হতে পারে: সিইসি। এই খবরে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আগামী অক্টোবরের আগে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল হওয়ার কথা নয়। অক্টোবরের শেষে হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে কমিশনে এখনো আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমার নিজের চিন্তা-ভাবনা।
গতকাল বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠকে সিইসি এ কথা বলেন।
সিইসি আরো বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের শেষ অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আমরা প্রস্তুতিমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে অতীতে নির্বাচনের ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা হলেও এবার আরো সময় হাতে রেখে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।’
এনিয়ে দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনাম, 'Polls schedule likely in late Oct: CEC.' এতে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা আসতে পারে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক : যুক্তরাষ্ট্রের মুখপাত্র- এই শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে নয়া দিগন্ত। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখ্য উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্য অর্জনে ওয়াশিংটন ও ঢাকা একসাথে কাজ করছে।
এটি আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমরা বিশ্বাস করি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের অভিন্ন অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রীসহ বাংলাদেশের অনেক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন এটি তাদের লক্ষ্য।
গতকাল ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস বিফ্রিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নিউএইজ পত্রিকার শিরোনাম, ‘US congressmen express concern over violence in Bangladesh by govt’ অর্থাৎ বাংলাদেশে সরকারের সহিংসতায় উদ্বেগ জানিয়েছে আমেরিকার কংগ্রেসম্যানরা।
এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বব গুড বলেন, জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিনিধির কাছে একটি চিঠি লিখেছেন তিনি। যেখানে বাংলাদেশের শান্তির্পূর্ণ সমাবেশকারীদের উপর সরকারের চালানো সহিংসতার বিষয়ে তার ১৩ সহকর্মী উদ্বেগ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক টুইটারের মাধ্যমে এই তথ্য জানান রিপাবলিকান এই কংগ্রেসম্যান।
কূটনীতিকদের বিবৃতির বিষয়ে মানবজমিনের শিরোনাম, ‘কূটনীতিকরা আহাম্মকের মতো বিবৃতি দিয়েছেন’। এতে বলা হয়েছে, বিদেশি কূটনীতিকরা আহাম্মকের মতো বিবৃতি দিয়েছেন মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের অনেকের জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের কথা বলা সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এটা একটা কালচার তৈরি হয়েছে। এটা বন্ধ করা উচিত।
গতকাল বিকালে রাজধানীর রমনাস্থ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘দেশ এগিয়ে চলছে’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসব শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সম্প্রতি ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় যৌথ বিবৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ১৩ দূতাবাস।
সেই বিবৃতির জেরে বুধবার ঢাকাস্থ পশ্চিমা ১৩ রাষ্ট্রদূতকে ডেকে সরকারের অসন্তোষের কথা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নির্বাচনের আগে মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে সরকার- এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে যুগান্তর। এতে বলা হচ্ছে, প্রশাসনের মাঠপর্যায়ে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। ৩ মাসের ব্যবধানে চারজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৩১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসনে ১৬ জন ডিআইজি, ৩৪ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ২৪ জেলার এসপি পদে রদবদল করা হয়েছে।
এছাড়া মঙ্গলবার পর্যন্ত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এ রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। কেউ বলছেন, ভোটের আগে ‘পছন্দ’র লোকজন দিয়ে প্রশাসন সাজাচ্ছে সরকার। আবার কেউ বলছেন, রদবদল একটা রুটিন কাজ। এর সঙ্গে ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই।
যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম, আসছে সরকার পতনের শেষ ধাপের কর্মসূচি। এতে বলা হয়েছে, নানা নাটকীয়তার পর রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই হচ্ছে বিএনপির মহাসমাবেশ। সরকারের পদত্যাগসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে আজ এ কর্মসূচি পালন করছে দলটি।
রাজপথ নিয়ন্ত্রণে নিতে এ সমাবেশে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা। সারা দেশের ইউনিয়ন থেকে জেলা-সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এখন ঢাকায়। রাজধানীকে সমাবেশের নগরী করতে চায় দলটি।
দুপুর ২টায় শুরু হবে শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচি। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা হবে নতুন কর্মসূচি।
সমকাল পত্রিকার শিরোনাম, পল্টনের পর আসছে অবস্থান কর্মসূচি। এতে বলা হয়েছে, নানা নাটকীয়তা ও টানটান উত্তেজনার পর রাজধানীতে মহাসমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি।
আজ শুক্রবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। মহাসমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আগামী রোববার সচিবালয়ের সামনে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ পালনের ঘোষণা দিতে পারে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটগুলো।
তবে সমাবেশ শান্তিপূর্ণ এবং সংঘাতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মসূচির ধরনও পরিবর্তন হতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
নিউএইজ পত্রিকার শিরোনাম, ‘500 activists arrested ahead of BNP rally’ অর্থাৎ বিএনপির সমাবেশের আগে ৫০০ নেতাকর্মী গ্রেফতার।
এতে বলা হয়েছে, আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে দেশের সবচেয়ে বড় বিরোধীদল বিএনপির সমাবেশের আগে দলটির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বিশেষ করে সাদা পোশাকে গ্রেপ্তার চলেছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ‘সুনির্দিষ্ট তথ্যের’ ভিত্তিতে রাজধানীর হোটেল ও অন্যান্য জায়গায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তবে বিএনপি দাবি করেছে যে, তাদের সমাবেশের আগে এই গ্রেপ্তার কার্যক্রম খুবই ‘সিলেক্টিভ’ বা সুনির্দিষ্ট।
এ বিষয়ে সমকালের শিরোনাম, ফের হার্ডলাইনে সরকার ব্যাপক ধরপাকড়। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীতে মিডওয়ে নামে একটি হোটেল ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘিরে হঠাৎ পুরোনো ও নতুন গায়েবি মামলায় গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
অন্যান্য
সংবাদ পত্রিকার শেষের পাতার প্রধান শিরোনাম, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও মানবিক প্রয়োজনে ইইউ সবসময় পাশে আছে : ইমোন গিলমোর। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও মানবিক প্রয়োজনে ইইউ সমসময় পাশে আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের।
মতবিনিময়ে অংশ নেয়া রোহিঙ্গারা জানান, ইইউ প্রতিনিধি আমাদের কথা শুনেছেন, আমরা বলেছি যেকোন মুহূর্তে আমরা নিজ দেশে ফিরতে প্রস্তুত রয়েছি। আমাদের অধিকারসহ স্বদেশে প্রত্যাবাসনে বিশ্ববাসীকে সহায়তা করতে হবে। এর পরিপেক্ষিতে গিলমোর আমাদের আশ্বস্ত করেছেন প্রত্যাবাসনসহ রোহিঙ্গাদের মানবিক প্রয়োজনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সবসময় পাশে আছে।
বণিক বার্তার শিরোনাম, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো কমেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এখন তা ২৩ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবায়ন পদ্ধতিতে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জানানো হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গণনায় চলতি মাসের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণপ্রাপ্তির শর্ত হিসেবেই তা করা হচ্ছে। নিট রিজার্ভ হিসাবায়নের ক্ষেত্রে আইএমএফ থেকে নেয়া এসডিআরসহ স্বল্পমেয়াদি বেশকিছু দায় বাদ দেয়া হয়। সে হিসাবে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে।
মানবজমিনের শিরোনাম, ১৭৮ জনের প্রাণহানি, ডেঙ্গুতে ২৭ দিনে ৩৪৭২৪ রোগী ভর্তি। এতে বলা হয়েছে, গতকাল সারা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
জুলাই মাসের ২৭ দিনে ১৭৮ জনের মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ৭২৪ জনে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৫ জনে।
ইত্তেফাকের শিরোনাম, সহকর্মীকে হত্যার দায়ে ফাঁসিতে ঝুললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমদ হত্যা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মো. মহিউদ্দিন ও ড. তাহেরের কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ফাঁসির রায় অবশেষে কার্যকর করা হয়েছে।
কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হত্যা মামলায় তারই ছাত্র, পরিবর্তীতে সহকর্মীর ফাঁসির ঘটনা দেশে এটাই প্রথম। এদিকে একই মঞ্চে দুই আসামির ফাঁসি একই সঙ্গে কার্যকরের ঘটনা দেশের প্রাচীনতম রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্যও একটি ইতিহাস হলো।