'সুষ্ঠু নির্বাচনে সহযোগিতা করলে ভিসা নীতি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই'

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, "অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে সহযোগিতা করলে ভয়ের কিছু নেই"। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সহযোগিতা করলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।
মার্কিন ভিসা নীতির সম্ভাব্য প্রভাব বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত হাস বলেন, সবাইকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সঠিক আচরণ করতে উৎসাহ দিতেই ওই নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যাঁরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন এবং এ লক্ষ্যে কাজ করবেন তাঁদের ভয়ের কিছু নেই।
এ নিয়ে বণিক বার্তার পেছনের পাতার খবর, "নতুন মার্কিন ভিসা নীতি ‘সকলের’ জন্য প্রযোজ্য: হাস। প্রতিবেদনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, নতুন ভিসা নীতির পেছনের ধারণাটি হলো- এটি প্রত্যেকের জন্য প্রযোজ্য। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে- সঠিক আচরণ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে উৎসাহিত করা।
এটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের সকলকে সঠিক আচরণ করতে উৎসাহিত করবে বলে তিনি জানান।
একই বিষয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, "নতুন ভিসা নীতি নিয়ে সাধারণের ভয়ের কিছু নেই"। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মার্কিন ভিসা নীতি সেই প্রতিশ্রুতিকেই সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
গত ২৪শে মে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচনে কারচুপি, ভীতি প্রদর্শন এবং নাগরিক ও গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতায় যারা বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তা করতে আগ্রহী এমন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সমকালের প্রধান শিরোনাম, “ডলার সংকটে ধুঁকছে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ডলার সংকট প্রকট হচ্ছে।
জ্বালানি পণ্য সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানির কাছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বকেয়া দিন দিন বাড়ছে। বকেয়া বিল পরিশোধে এ মুহূর্তে অন্তত ১০০ কোটি ডলার দরকার। হাতে টাকা থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী ডলার নেই।
যথাসময়ে অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় কয়েক কোটি টাকা জরিমানা গুনছে পেট্রোবাংলা। ডলার সংকটে ব্যাহত হচ্ছে এলএনজি আমদানি, কয়লা আমদানিও বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পায়রা, রামপালসহ একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সংকটে পড়েছে।
এ অবস্থায় চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। তেল আমদানির বিল পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে বিপিসি।
ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, “জ্বালানি সংকটে বস্ত্র খাতে উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে টেক্সটাইল খাতে উৎপাদন সক্ষমতা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে।
উৎপাদন কমে যাওয়ায় টেক্সটাইল শিল্প ক্রমাগত লোকসানে পড়ছে। এতে করে উদ্যোক্তারা ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হচ্ছেন। জ্বালানির পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন খাতটির সংকট আরো বাড়িয়ে তুলেছে।
এমন পরিস্থিতিতে অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরো অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

নানামুখী চাপের মধ্যে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের বাজেট নিয়ে প্রধান শিরোনাম, “A bleak time to draw up budget”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি তার "সবচেয়ে খারাপ সময়ের" মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবেলায় নতুন নানা উদ্যোগ নিয়ে আসতে হবে। কারণ বিদায়ী অর্থবছরে গৃহীত ব্যবস্থা থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল আসেনি।
সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, মুদ্রাস্ফীতি রোধ করা এবং রিজার্ভ রক্ষা করা এবারে গুরুত্ব পেতে পারে।
বাজেট নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “ত্রিমুখী চাপে বাজেট চূড়ান্ত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এ বছর বাজেটে বড় চাপ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত।
এগুলো ঋণ দেওয়ার প্রথম বছরেই বাস্তবায়ন করতে হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে থাকছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে থাকছে। নানা ধরনের সংকটের মধ্যেও স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১-এর স্বপ্ন দেখাবেন অর্থমন্ত্রী।
একই ইস্যুতে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, “What businesses demand in the FY24 budget”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের ব্যবসায়ীরা 2023-24 অর্থবছরে একটি শিল্প- এবং বিনিয়োগ-বান্ধব বাজেট প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
তারা চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কথা বিবেচনা করে উৎপাদন ও পণ্য রপ্তানির সুবিধার্থে বিভিন্ন কর অব্যাহতি ও হ্রাস, করমুক্ত ভর্তুকিযুক্ত বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের দাবি জানিয়েছে।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “করের ছাড় কম, চাপ বেশি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুল্ক কর আদায়ে মরিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। একদিকে সরকারের বাড়তি ব্যয়ে অর্থ জোগান দেয়ার চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত পূরণ করার বাধ্যবাধকতা।
সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটে কর ছাড়ের চেয়ে কর আদায়ের উদ্যোগই বেশি থাকছে।
ভিন্ন ধরণের শিরোনাম বণিক বার্তার, “মুডি’স রেটিংয়ে বাংলাদেশের অবনমন”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা মুডি’স ইনভেস্টর সার্ভিস বাংলাদেশ সরকারের লং টার্ম ইস্যুয়ার ও সিনিয়র আনসিকিউরড রেটিং ‘বিএ৩’ থেকে অবনমন করে ‘বি১’ নির্ধারণ করেছে।
একই সঙ্গে শর্ট টার্ম ইস্যুয়ার রেটিং (স্বল্পমেয়াদি ঋণ বাধ্যবাধকতা পূরণের সামর্থ্য) নির্ধারণ করেছে ‘নট প্রাইম’। এর মাধ্যমে গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের রেটিং অবনমন পর্যালোচনার যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, সেটির পরিসমাপ্তি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তাদের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, চলমান সংকটের সময়টিতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাহ্যিক দুর্বলতা ও তারল্য ঝুঁকি এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার বিষয়টি সামনে এসেছে।
কালবেলার প্রথম পাতার খবর, “ড. ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক থেকে বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে দুদকের কাছে অভিযোগ করা হলে আইন ও বিধি মোতাবেক অনুসন্ধান করা হয়।
এতে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বোর্ড সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়া যায়।

অন্যান্য খবর
মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “টুকুর ৯, আমানের ১৩ বছরের সাজা বহাল”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অবৈধ সম্পদ অর্জনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানের ১৩ বছর ও তার স্ত্রী সাবেরা আমানের ৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া, দুদকের অপর মামলায় বিএনপি নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদের ৯ বছরের কারাদণ্ড হাইকোর্ট বহাল রেখেছেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
সমকালের প্রথম পাতার খবর, “রড চোর চক্রের ফাঁদে প্রাণ গেল কিশোরের”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চলা অবস্থায় ওপর থেকে রড পড়ে এক কিশোর নিহতের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, রড চোর চক্রের ফাঁদে পড়ে প্রাণ গেছে ওই কিশোরের। কিশোরের মৃত্যু অবহেলাজনিত কারণে হতে পারে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অসাধু কর্মীদের যোগসাজশে একটি চক্র রড চুরি করতে পারে। সরানোর জন্য ওপর রড ফেলা হচ্ছিল। নিচে তা সংগ্রহ করতে আসে ওই কিশোর। রড চুরি করার জন্য কিশোরকে তারা ব্যবহার করতে পারে।
টেলিকম সেবা নিয়ে ইত্তেফাকের পেছনে পাতার খবর, “হাজারো প্যাকেজে বিভ্রান্ত গ্রাহক, দামেও আপত্তি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মোবাইলের সেবা নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির গণশুনানিতে হাজারো অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।
অপারেটরগুলোর একাধিক প্যাকেজ নিয়ে তাদের অভিযোগ জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, একাধিক প্যাকেজের কারণে গ্রাহকেরা বিভ্রান্তিতে পড়েন। ডাটা প্যাকেজের সংখ্যা কমিয়ে দামও কমার পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে। দাম নিয়েও আপত্তি করেছেন অনেকে।
আবার বেশি প্যাকেজ থাকায় সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন কিছু গ্রাহক। মঙ্গলবার বিটিআরসিতে শুনানিতে এসব মতামত উঠে আসে। টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, প্যাকেজ, ডাটার মেয়াদ এবং মূল্য নিয়ে বেশি উদ্বেগ। তিনটি বিষয়কে কীভাবে সমন্বয় করা যায় সেটা দেখতে হবে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে যুগান্তরের খবর, “মৌসুমের শুরুতেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে জুন থেকে সেপ্টেম্বর ডেঙ্গির প্রজনন মৌসুম।
এই সময়ে বর্ষাকাল শুরু হয় এবং বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমতে শুরু করে। কীটতত্ত্ববিদরা এই সময়টাকে ডেঙ্গির জীবাণু বহনকারী এডিস মশার প্রজননকাল হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
কিন্তু চলতি বছর এডিস মশার প্রজনন মৌসুমের শুরুতেই ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সংখ্যার দিক থেকে গত বছরের প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় প্রায় ছয়গুণ।
হজ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের খবর, “Govt teams going to KSA: To perform hajj or assist hajis?”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশি মেডিকেল ও টেকনিক্যাল টিমকে হজে সহায়তার জন্য সরকার যে ২১৮ জন কর্মকর্তাকে সৌদি আরবে পাঠাচ্ছে তাদের মধ্যে অন্তত ২০০ জনের মেডিসিন সংক্রান্ত কোন কারিগরি প্রশিক্ষণ বা দক্ষতা নেই। তবুও তাদের পাঠানোর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় করদাতাদের অর্থ ব্যয় করছে।
সৌদি আরবে আরেকটি ‘হজ কারিগরি প্রতিনিধি দল’ পাঠাচ্ছে মন্ত্রণালয়। কিন্তু এর ৩১ সদস্যের মধ্যে ২৩ জনের কোনো প্রযুক্তিগত বা আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড নেই।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর, “Payra power plant may remain closed from June 4 due to coal crisis”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডলার সংকটে কয়লার বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ৪ঠা জুন থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে।
পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব বলেছেন: "কয়লা সংকটের কারণে ২৫শে মে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছিল।
বর্তমানে আমাদের কাছে ৪০ হাজার টন কয়লা রয়েছে। সংরক্ষিত কয়লা ব্যবহার করে দ্বিতীয় ইউনিটে ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করছি। এই ইউনিটটি ৩রা থেকে ৪ঠা জুন পর্যন্ত পরিচালনা করা যাবে। তারপর সেটিও বন্ধ করতে হবে। "











