আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'দুর্নীতি ও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি বিমান বাহিনীর কেনাকাটায়'
দুর্নীতি ও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি বিমান বাহিনীর কেনাকাটায়— বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রতিটি রাষ্ট্রই সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে।
প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ছে, যুদ্ধবিমান, রাডার, সাবমেরিন থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনা হচ্ছে বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে।
এসব সমরাস্ত্র ক্রয়ের প্রায় অধিকাংশ ঘটনাতেই উঠে আসে আর্থিক কেলেঙ্কারির খবর। নিরাপত্তার ছায়ায় ঢাকা খাতটিতে দুর্নীতির অভিযোগ ও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি বাংলাদেশেও।
অভিযোগ রয়েছে, ১৯৮২ সালে ক্ষমতা দখলের পর পরই রাডার মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে ফ্রান্সের সিএসএফের বদলে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিংহাউজ কোম্পানির রাডার কেনেন প্রয়াত স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছিলো আর্থিক কেলেঙ্কারির।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণত সামরিক খাতে কেনাকাটাগুলো অধিকাংশ সময়েই 'জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে' গোপন রাখা হয়।
এই সুযোগে সেখানে যুক্ত হয় রাজনৈতিক প্রভাব, অনিয়ম ও দুর্নীতি। 'ক্রয় ও কমিশনের জটিলতা' অনেক সময় দুর্নীতির আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে।
স্কুলে পোড়া গন্ধ, বার্নে জীবনযুদ্ধ— এটি দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গতকালও মারা গেছে আরও অন্তত ১১ জন।
সব মিলিয়ে সরকারি হিসাবেই মোট ৩১ জনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছে।
যদিও আরো অনেক শিক্ষার্থী নিখোঁজ থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, গতকাল সরেজমিনে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে দেখা যায়, পুরো স্কুলটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আধপোড়া বই-খাতা, স্কুলব্যাগ আর শিশুদের ব্যবহৃত উপকরণের স্মৃতি হাতড়াচ্ছেন স্বজনরা।
আর আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে যাচ্ছে।
সচিবালয়ের ভেতরে-বাইরে সংঘর্ষ, আহত ৭৫ শিক্ষার্থী— এটি দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ঢাকার সচিবালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের এ ঘটনায় অন্তত ৭৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা দেরিতে স্থগিত ঘোষণা করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয় এলাকায় আন্দোলন শুরু করেন।
তাদের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যরা খাতা পুনর্মূল্যায়নের দাবি নিয়ে যুক্ত হয়।
এক পর্যায়ে ফটক ভেঙে সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা। তাদের বের করতে প্রথমে লাঠিপেটা করে পুলিশ।
পরে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। শিক্ষার্থীরাও জবাব দিলে সচিবালয়ের সামনে থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
চার ঘণ্টার বেশি চলে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
নিহত বেড়ে ৩২, অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক— দৈনিক প্রথম আলো'র দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামে বলা হচ্ছে, যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ হয়েছে। আর অগ্নিদগ্ধ হয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি আছেন, তাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে হতাহতের এ চিত্র পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে একটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত আইএসপিআর ৩১ জনের মৃত্যুর খবর জানায়। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এতে ২৭ জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এর মধ্যে ২৩টি শিশু।
অর্থাৎ, হতাহতের সংখ্যা নিয়ে আইএসপিআরের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের তারতম্য আছে।
গতকাল বেলা তিনটার পর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বার্ন ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের বলেন, তখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২৯।
তবে, গতকাল রাত সাড়ে ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।
গতকাল রাত পৌনে একটার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান প্রথম আলোকে জানান, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নয় বছয় বয়সী এক শিশু রাত সোয়া ১২টায় মারা গেছে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
সচিবালয় টপকে উপদেষ্টার গাড়ি ভাঙচুর— এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।
এতে বলা হয়েছে, শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ের গেট ধাক্কিয়ে অনুপ্রবেশ করে বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে সচিবালয় থেকে বের করে দেয়।
তখন ওই এলাকায় সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ার শব্দও শোনা যায়। পরে সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে এক সাংবাদিকসহ অন্তত ৯১ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে দুইজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা আড়াইটার দিকে তাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের এক নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা।
তারা 'ভুয়া ভুয়া' ও 'আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব দে' ইত্যাদি স্লোগান দেয়।
এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী সচিবালয়ের এক নম্বর গেট ধাক্কাধাক্কি করে জোরপূর্বক খুলে ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং সচিবালয়ের ভেতর পার্কিং অবস্থায় থাকা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়িসহ ১৫টি গাড়ি গাড়ি ভাঙচুর করে।
মাইলস্টোনে ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ দুই উপদেষ্টা — এটি দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর, যেখানে বলা হয়েছে মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা।
তাদেরকে অবরুদ্ধ করে ছয় দফা দাবি জানায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার গতকাল বেলা পৌনে ১১টার দিকে মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ পরিদর্শনে যান।
সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও প্রেস উইং-এর অনেকেই। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন।
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে— নিহতদের সঠিক নাম-পরিচয় প্রকাশ , আহতদের সম্পূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা, শিক্ষার্থীদের প্রতিটি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো প্রশিক্ষণ বিমান বাতিল করে আধুনিক ও নিরাপদ বিমান চালু, বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও কেন্দ্র সংস্কার করে আরও মানবিক ও নিরাপদ ব্যবস্থা চালু এবং শিক্ষকদের গায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাত তোলার ঘটনার জন্য জনসমক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া।
100 students injured in secretariat clash— এটি ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রথম পাতার খবর। এখানে বলা হয়েছে, সচিবালয়ে ওই সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের পদত্যাগের দাবিতে সচিবালয়ে শিক্ষার্থী বনাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীরও ১৬ জন আহত হন।
বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার দিন যথাসময়ে ওই দিনের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা সচিব।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, সোমবার রাতে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার বিষয়ে তারা কোনও তথ্য পাননি। অনেক পরীক্ষার্থী মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে বিষয়টি জানতে পারেন।
নিহতের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা দিতে নির্দেশ— এটি যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর।
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেককে পাঁচ কোটি টাকা ও আহতদেরকেীক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— এ বিষয়ে রুল দেওয়া হয়েছে।
এতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডে বাবা-মা বা অভিভাবকের ফোন নম্বর সংযুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া, প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছাত্রছাত্রীসহ বহু হতাহতের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে সরকারকে এই কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে কমিটি গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এসব নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশনা শিক্ষা সচিবকে অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডে ব্লাড গ্রুপও সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।
হতাহতের তথ্য গোপন করা হয়নি— এটি দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবর।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় বিভিন্ন মহল থেকে হতাহতের তথ্য গোপন করার দাবি সঠিক নয় বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
গত সোমবারের ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়।
এ জন্য জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার পাশাপাশি আহত ও নিহতদের জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয় দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে।
গতকাল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহতদের পরিবার ও আহতদের প্রত্যেকের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
নিহতদের প্রত্যেকের নাম-পরিচয় যাচাই ও তালিকা করা হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, "আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, বিভিন্ন মহল থেকে হতাহতের তথ্য গোপন করা হচ্ছে দাবি করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।"
"আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই যে, এ দাবি সঠিক নয়। এ মর্মান্তিক ঘটনায় আহত-নিহতদের সম্পূর্ণ ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের জন্য বাংলাদেশ সরকার, সেনাবাহিনী প্রশাসন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করছে।"
Nation mourns lost children— মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা দ্য ডেইলি স্টারেরও প্রধান শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে পৌঁছেছে।
এই ঘটনাকে দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলোতে হৃদয়বিদারক দৃশ্য চোখে পড়ছে।
অনেক পরিবার আইসিইউতে থাকা সন্তানদের খোঁজে অপেক্ষা করছে।
কেউ কেউ ক্রমাগত ছুটে এলেছেন এক মর্গ থেকে আরেক মর্গে ছুটছেন নিখোঁজ সন্তানদের মৃতদেহের খোঁজে।
এদিকে, শোক ক্রমেই বিক্ষোভে রূপ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুলের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে।
সেখানে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা জানতে গতকাল দিনভর বিক্ষোভ করেছে।