‘আত্মগোপনে’ বেনজীর আহমেদ পরিবার

সংবাদপত্র

‘আত্মগোপনে’ বেনজীর আহমেদ পরিবার – দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। রিপোর্টে বলা হচ্ছে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। গুলশানের র‍্যাংকন আইকন টাওয়ারের বাসাতেও নেই তারা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসেও যাতায়াত নেই। দুদকের তলবি নোটিশও সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছাতে পারেনি অনুসন্ধান টিম।

নোটিশ দেওয়া হয়েছে তার অফিসে কর্মরত এক কর্মীর হাতে। এ অবস্থায় তাদের অবস্থান নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। তারা এখন কোথায় আছে-তা নিশ্চিত করতে পারছেন না দুদক কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ। তাদের এ ‘আত্মগোপন’ রহস্যের সৃষ্টি করছে।

তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, স্ত্রীর চিকিৎসাজনিত কারণে পরিবার নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বেনজীর। তবে তার দেশত্যাগের বিষয়টি সরকারি কোনো সূত্র নিশ্চিত করেনি। পুলিশের একটি সূত্র বলেছে, তিনি দেশেই আছেন। ৬ ও ৯ জুন বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের দুদকে হাজিরার দিন ধার্য আছে। আর বেনজীর পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

জেনারেল আজিজের দুর্নীতির অভিযোগ যাচাই করছে দুদক – কালের কন্ঠের খবর। এতে বলা হয় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে পাওয়া দুর্নীতির অভিযোগ যাচাই-বাছাই করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন ও বিধি অনুযায়ী এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কি না, তা যাচাই-বাছাই করতে কমিশনের যাচাই-বাছাই কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের শিডিউলভুক্ত অপরাধ হলে তা অনুসন্ধান করা হবে। এর আগে গত বুধবার আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় প্রকাশ পাওয়া দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান।

আরও ‘বেনজীর-আজিজে’র খোঁজে বিএনপি – সমকালের খবর। ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার, মানবাধিকার হরণসহ ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুরুতর অপরাধ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি ‘অনুসন্ধানী টিম’ গঠন করেছে দলটি। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজও শুরু হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী-এমপি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, নিম্ন আদালতের বিচারক, উচ্চ আদালতের বিচারপতি, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন সেক্টরের ক্ষমতা অপব্যবহারকারী ব্যক্তি এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, অত্যন্ত নিবিড়ভাবে অনুসন্ধানে ‘সত্য প্রমাণিত’ তথ্যগুলো সংগ্রহ করা হবে। সময়মতো দেশবাসী ও বিদেশিদের সামনে তা প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় আরও কতজন আজিজ, বেনজীর ও আজীমের জন্ম হয়েছে, তা তারা খুঁজে বের করবে।

আরো পড়তে পারেন:
সংবাদপত্র
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মালয়েশিয়া যাওয়া অনিশ্চিত ৩০ হাজার শ্রমিকের – নয়া দিগন্তের শিরোনাম এটি। বিস্তারিত বলা হয় মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আজ শুক্রবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশসহ ১৪ সোর্সকান্ট্রিভুক্ত দেশের শ্রমিকরা কর্মসংস্থানের জন্য মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন। এরপর আর কোনো ফ্লাইটের কর্মীদের মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবেন না।

এ দিকে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে যে পরিমাণ চাহিদাপত্র দিয়েছিল সেই হিসাব অনুযায়ী এখনো ৩৫ থেকে ৪০ হাজার শ্রমিকের সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও তারা মালয়েশিয়ার ফ্লাইটে উঠতে পারেনি। এর মধ্যে অভিবাসন ব্যবসার সাথে সম্পৃক্তরা মনে করছেন আজ মধ্যরাতের পর কমপক্ষে ৩০ হাজার কর্মীর বিদেশযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। বাংলাদেশ সরকার, রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি, মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ নানাভাবে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের সময় বাড়িয়ে দেশটিতে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়ার অনুরোধ জানানোর পরও মালয়েশিয়া সরকার সেই সুযোগ দিতে নারাজ।

বারবার চক্র, বারবার বন্ধ শ্রমবাজার – মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রথম আলোর বিশেষ রিপোর্ট এটি। বলা হচ্ছে মালয়েশিয়ায় আগামীকাল থেকে আর কর্মী যাবে না। ১৫ বছরে তিন দফায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। প্রতিবারই শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে চক্র বা সিন্ডিকেট গঠনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এরপর চক্রের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ওঠে।

২০০৯ সালে প্রথম দফায় বন্ধ হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এরপর ২০১৬ সালের শেষে খোলা হয় বাজারটি। তখন বাংলাদেশের ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি চক্র গড়েছিল। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আবার বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। ২০২২ সালে আবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলে। তখন আবারও চক্র গঠন করা হয়। গত মার্চে মালয়েশিয়া জানায়, দেশটি আপাতত আর শ্রমিক নেবে না। যাঁরা অনুমোদন পেয়েছেন, ভিসা পেয়েছেন, তাঁদের ৩১ মের (আজ শুক্রবার) মধ্যে মালয়েশিয়ায় ঢুকতে হবে।

মালয়েশিয়া বাংলাদেশের বড় শ্রমবাজার। গত দেড় বছর সৌদি আরবের পর সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছে মালয়েশিয়ায়, সাড়ে চার লাখের বেশি। শ্রমবাজারটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আছে।

সংবাদপত্র

বেতনভোগী ব্যক্তি কীভাবে শতকোটি টাকার মালিক হন সেটাই বিস্ময় – বিচারপতি হাফিজের এই মন্তব্য নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে দৈনিক ইত্তেফাক।

এতে বলা হয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজবলেছেন, “দুর্নীতি আমাদের সব অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের হাত থেকে অফিস আদালতকে মুক্ত রাখতে হবে।” তিনি বলেন, “একজন বেতনভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারী কীভাবে কোটি কোটি এমনকি শতকোটি টাকার মালিক হন, তা দেশবাসীকে হতবাক করে। তাই এগুলোকে রোধ করতে রাষ্ট্রকেই দায়িত্ব নিতে হবে।”

উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব রাখছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি – বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে টানা ২২ মাস ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে বাংলাদেশে। পুরো সময়জুড়ে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের ওপরে। কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও এ মূল্যস্ফীতিকে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, দেশে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবা খাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও এখন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রভাব ফেলছে। দেশে গত দুই বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বেড়েছে দফায় দফায়। সর্বশেষ গতকালও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এছাড়া গ্যাসের দামও গ্রাহক পর্যায়ে গত দুই বছরে বাড়ানো হয়েছে দুবার। আবার বিদ্যুতের দাম গত বছর বেড়েছে তিন দফায়। এরপর চলতি বছরের মার্চে তা আরো এক দফায় বাড়ানো হয়।

সংবাদপত্র

Cyclone damages 83km roads – নিউ এজের খবরে বলা হচ্ছে সাইক্লোন রিমালের কারণে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টি ও স্রোতে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের প্রায় ৮৩ কিলোমিটার রাস্তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। গত ২৬শে মে থেকে ২৯শে মে-র মধ্যে৬৬টি হাইওয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার এক সভায় সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ঈদের আগের ঠিক করার নির্দেশ দেন।

এখনো অন্ধকারে ১০ লাখের বেশি গ্রাহক – মানবজমিনের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় রেমালের চারদিন পেরিয়ে গেলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়নি। এখনো বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছেন ১০ লাখের বেশি গ্রাহক। এরমধ্যে বেশির ভাগ গ্রাহকই পল্লী বিদ্যুতের। এ ছাড়া অন্য বিতরণ সংস্থারও কিছু গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দক্ষিণাঞ্চলের ভুক্তভোগীরা বলছেন, অসহনীয় গরম। এমন অবস্থায় চারদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। রাতে ঘুমাতে পারি না। এত বড় ঝড় গেল, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করবো যে, মোবাইলেও কল যায় না।

বন্যার কবলে সিলেট – সংবাদের শিরোনাম। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। সিলেট সদরসহ অন্ততঃ ৮টি উপজেলার এই বন্যায় গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের পরিস্থিতি ভয়াবহ। যে যেভাবে পারে শেষ সম্বলটুকু নিয়ে ছুটছে নিরাপদ স্থানে। মূলত মঙ্গলবার বিকাল থেকে এসব উপজেলায় হু হু করে পানি বাড়তে শুরু করায় পানিবন্দী হয়ে পড়েন লাখো মানুষ। রাতে খবর পাওয়া যায়- অনেকের ঘরে গলা পর্যন্ত ঢুকে পড়ে পানি। এ অবস্থায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সবগুলো পর্যটন স্পট।

সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ- এই ৫টি উপজেলায় মোট ২১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মঙ্গলবার বিকাল থেকে মানুষজন উঠতে শুরু করেছেন।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
সংবাদপত্র

অন্যান্য খবর

‘আমি ডিসির ওয়াইফ নিয়ম মানতে হয় না...’ কালবেলার শিরোনাম এটি।

বিস্তারিত বলা হয় রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের উল্টোপথে প্রাইভেটকার নিয়ে প্রবেশ করছিলেন এক নারী। তখন নিরাপত্তাকর্মীরা সেটি আটকে দিলে গাড়ি থেকে নেমে আসেন ওই নারী। উত্তেজিত কণ্ঠে নিজেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি বিভাগের উপকমিশনারের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন।

তবুও এক নিরাপত্তাকর্মী গাড়ি আটকে দিলে ক্ষিপ্ত নারী তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর বলতে থাকেন, আমি ডিসির ওয়াইফ, নিয়ম মানতে হয় না, দেশে নিয়ম আছে নাকি? এর পরই তিনি বীরদর্পে ওই শপিংমল থেকে বের হওয়ার সড়ক দিয়ে উল্টোপথে গাড়ি চালিয়ে ভেতরে ঢোকেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

Big tobacco push – ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় গত ৫ বছরে প্রতি হেক্টরে বাংলাদেশে তামাক উৎপাদন প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, অতিরিক্ত মুনাফার জন্য বড় টোবাকো কোম্পানিগুলো পরিবেশ ও শরীরের জন্য ক্ষতিকর এই পণ্যের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংবাদপত্র

রোদ ঝড় বৃষ্টি সবকিছুতেই আটকাচ্ছে মেট্রোরেল – দেশ রুপান্তরের শিরোনাম। দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণের জন্য রাজধানীবাসীর কাছে দিন দিন বাড়ছে মেট্রোরেলের চাহিদা। সড়কে নানা জট-জটিলতায় মানুষের চলার ভরসা এখন মেট্রোরেল।

কিন্তু ঝড়-বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক কারণে কিংবা যান্ত্রিক ত্রুটিতে হুটহাট মেট্রোরেল বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আধঘণ্টা বন্ধ ও পরে ১৫ মিনিট পরপর চলায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। প্রতিটি স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। শুধু গতকালকেই নয়, চলতি সপ্তাহে বেশ কয়েকবার মেট্রোরেল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।