আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের'
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে সমকালের খবর ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের। নির্বাচনকে বাধা দেয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি ঘোষণার প্রায় চার মাসের মাথায় শুক্রবার থেকে এই ভিসা নীতি প্রয়োগের ঘোষণা জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। তার বিবৃতিতে উঠে এসেছে যে ভিসা নীতির আওতায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্যরা অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন।
এই বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের মন্তব্যকে ধরে যুগান্তরের খবরের শিরোনাম সংখ্যা খুব বড় নয় মার্কিন প্রশসনের সঙ্গে কথা বলব। শুক্রবার রাতে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন মি. আলম।
তিনি মন্তব্য করেন যে ভিসা নীতির আওতায় থাকা কর্মকর্তাদের সংখ্যাটি খুব বড় নয়। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে র্যাবের স্যাংশনের পর নতুন করে কোনো ঘটনা ঘটেনি যাতে করে নতুন করে স্যাংশন আসতে পারে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপকে কেন্দ্র করে কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের শিরোনাম সরকার, বিরোধী সবার জন্য ভিসানীতির প্রয়োগ শুরু। গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টিকারী বাংলাদেশিদের এই ভিসা নীতির আওতায় আনা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে প্রতিবেদনে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি ঘোষণার প্রায় চার মাসের মাথায় শুক্রবার থেকে এই ভিসা নীতি প্রয়োগের ঘোষণা জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। তার বিবৃতিতে উঠে এসেছে যে ভিসা নীতির আওতায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্যরা অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন।
এছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্ষুণ্ণ করার জন্য দায়ী বা জড়িত হিসেবে প্রমাণিত অন্য ব্যক্তিরাও ভবিষ্যতে এই নীতির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন বলে উঠে এসেছে খবরে।
পাশাপাশি, ভিসা নীতির আওতায় থাকা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন, যা উঠে এসেছে নিউ এজের US visa curb begins. শিরোনামের খবরে।
এই খবরে আরো বলা হচ্ছে, আমেরিকার এই ভিসা নীতি ঘোষণার পর শুক্রবার রাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন। সেসময় তিনি মন্তব্য করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতি যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে বাধা তৈরি করে তাহলে তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সাথে আলোচনা করবেন তারা।
আরো পড়তে পারেন
ইলিশের দাম এবং রপ্তানি পরিস্থিতি নিয়ে দেশের চেয়ে কম দামে ভারতে যাচ্ছে ইলিশ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। খবরে উঠে এসেছে যে বাংলাদেশের বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের পাইকারি দর প্রায় ১৪০০ টাকা হলেও ভারতে ১১০০ টাকা কেজি দরে ইলিশ রপ্তানি করছে রপ্তানিকারকরা।
দূর্গা পুজা উপলক্ষে ভারতে তিন হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আর এই ইলিশ মাছ রপ্তানি করার অনুমতি পেয়েছে ৭৯টি প্রতিষ্ঠান।
যুগান্তরের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বাজারের চেয়ে কম দামে কীভাবে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করছে এই প্রতিষ্ঠানগুলো।
খবরে উঠে এসেছে যে রপ্তানিকারকরা বাংলাদেশের বাজার থেকে ১৪০০ টাকা কেজি দরে ইলিশ কিনে ঐ দরেই এলসি খুলে ভারতে তা পাঠাচ্ছেন। কিন্তু কলকাতার বাজারে সেই ইলিশ বিক্রি হচ্ছে অন্তত ২১০০ টাকা দরে।
এর ফলে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি কেজি ইলিশে অন্তত ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা লাভ করছেন রপ্তানিকারকরা। আর তারা এই বাড়তি লাভের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে দেশে আনছেন বা ভারতে বিনিয়োগ করছেন বলে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
এলসি’তে রপ্তানিমূল্য কম উল্লেখ করায় রপ্তানিকারকরা বাড়তি লাভ পেলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি বৈদেশিক মূদ্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে যে এভাবে তিন হাজার ৯৫০ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাড়ে তিন কোটি ডলার বা ৩৮৫ কোটি টাকা যোগ হবে না।
ইলিশের প্রাপ্যতা নিয়ে প্রথম আলোর খবরের শিরোনাম ইলিশ উধাও, হতাশ জেলেরা। গত ১৩ই সেপ্টেম্বর থেকে কক্সবাজার উপকূলে জেলেরা ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না বলে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
কক্সবাজারের ফিশারি ঘাট থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দৈনিক ২৫ টন ইলিশ ঢাকায় সরবরাহ করা হলেও গত এক সপ্তাহে দৈনিক ৫ টন ইলিশও সরবরাহ করা যাচ্ছে না ঢাকায়। প্রাপ্তি স্বল্পতার কারণে ইলিশের দামও বেড়েছে প্রায় ২৫ ভাগ।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রতিবেদন দাম নির্ধারণের প্রভাব নেই বাজারে। নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকারিভাবে কয়েকটি পণ্যের দাম ঠিক করে দেয়া হলেও বাজারে প্রায় সবকটি পণ্যই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এই খবরে।
গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকার পেয়াজ আলু ও ডিম, এই তিন পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পাইকারি বাজারে বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় তারাও ভোক্তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে পারছেন না এসব পণ্য।
দাম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের লাগাতার অভিযান চলতে থাকায় খুচরা বিক্রেতারা নতুন করে আলু ও পেঁয়াজ তুলতে চাইছেন না। এর ফলে বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে দামেও।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিও গুরুত্ব পেয়েছে প্রায় সব পত্রিকাতেই। এ বিষয়ে মানবজমিনের শিরোনাম মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি যাতে উন্নয়নশীল দেশের উপর চাপ সৃষ্টি না করে।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বৈশ্বিক ঝুঁকি, খাদ্য নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা ইস্যু সহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
সাধারণ পরিষদে ভাষণের পর যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার সাথে সাক্ষাৎ হয় বলেও বলা হচ্ছে খবরে। ঐ বৈঠকে বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, রোহিঙ্গা সঙ্কট সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে সমকালের খবরের শিরোনাম শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না: ফখরুল। শুক্রবার বিকেলে বিএনপির সমাবেশে দলটির মহাসচিব এই বক্তব্য দিয়েছেন।
সমাবেশে সরকার পতনের এক দফা দাবির পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকায় এই সমাবেশ করেছে বিএনপি।
বিএনপি চেয়ারপরসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে ডেইলি স্টারের খবর Khaleda Zia’s health deteriorates.। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে এই খবরে প্রকাশ করা হয়েছে যে শুক্রবার দুপুরে তাকে সিসিইউ’তে নেয়া হয়েছে।
এর আগে ১৮ই সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়াকে একবার সিসিইউ’তে নেয়া হয়। সেখানে ১০ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর তাকে আবার কেবিনে নেয়া হয়। মিজ জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভার জটিলতা ও হৃদরোগে ভুগছেন।
আরো পড়তে পারেন
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদন জলাবদ্ধতা নিরসনে এত টাকা, তবু কেন ডুবছে ঢাকা। খবরে উঠে এসেছে সিটি কর্পোরেশন সহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা গত ১২ বছরে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে শুধু জলাবদ্ধতা নিরসনে, কিন্তু তবুও জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হয়নি।
খবরে আরো উঠে এসেছে যে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন লেক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, ড্রেন কিলিং এবং খাল পরিষ্কারে ১৫ কোটি টাকা খরচ করবে। এর বাইরে উন্নয়ন ও ক্রয়বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে আরে ২৫ কোটি টাকা। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এই সময়ে খরচ করবে মোট ৯০ কোটি টাকা।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই প্রকল্পগুলো কাজ করলেও জলাবদ্ধতা মোকাবিলা করার মতো সক্ষমতায় যাওয়া প্রায় অসম্ভব।