আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'গোব্যাক মোদীর স্লোগান দেয়, কিন্তু গোব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলে না'- অভিযোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের আসন নিশ্চিত করতে কোনো কসুর ছাড়তে নারাজ বিজেপি।
সে কথা মাথায় রেখেই অনুপ্রবেশ ইস্যু, দুর্নীতি এবং ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে বিরোধিতার অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নদীয়ার তাহেরপুরে একসভায় অডিওবার্তা মারফত তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল তাকে 'গোব্যাক' বলতে ব্যস্ত কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের ইস্যুতে রাজ্যে ক্ষমতাসীন সরকার নীরব থাকে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি দেখেছেন- তাহেরপুরে তার সভায় যাওয়ার পথে 'গোব্যাক মোদী' লেখা পোস্টার লাগানো রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল "ভোট ব্যাংকের দিকে তাকিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের সে কথা বলে না, বরং তাদের বাঁচাতে এসআইআরের বিরোধিতা করে"।
মি. মোদী বলেছেন, "আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লক্ষ্য করেছি সভায় আসার পথে বোর্ডে লেখা রয়েছে গোব্যাক মোদী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটা গলিতে, প্রতিটা পোস্টে এটা লেখা থাকলে ভালো হতো- গোব্যাক অনুপ্রবেশকারী।"
"কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এরা গোব্যাক মোদীর স্লোগান দেয় কিন্তু এরা গোব্যাক অনুপ্রবেশকারী বলে না…এরা সেই অনুপ্রবেশকারী যারা রাজ্যে কব্জা করেছে। তৃণমূল এদেরকেই পছন্দ করে। এটাই তাদের আসল চেহারা।"
নদীয়ার এই অঞ্চল এবং উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের মতো এলাকা মতুয়া সম্প্রদায় অধ্যুষিত। সদ্য প্রকাশিত এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত অঞ্চল থেকে নাম বাদ যাওয়ার তথ্য মিলেছে, তার মধ্যে মতুয়া অধ্যুষিত বেশ কিছু এলাকাও রয়েছে। সেই নিয়ে মতুয়াদের মধ্যে উদ্বেগও রয়েছে।
সেই আবহে মতুয়া অধ্যুষিত এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সভার গুরুত্ব ছিল। সকলের চোখ ছিল তিনি কী বার্তা দেন, তার উপর।
প্রসঙ্গত ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধিতা জানিয়ে এসেছে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ ছিল, এসআইআর-এর নামে মুসলিমদের নিশানা করতে চায় বিজেপি।
বামপন্থি দলগুলোও এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেছে। এদিকে, চলতি সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। খসড়া তালিকাও প্রকাশ রেছে।
প্রধানমন্ত্রীর শনিবারের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তার তোলা অনুপ্রবেশ ইস্যুকে পাল্টা হাতিয়ার করে সমালোচনাও করেছে।
দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, "বিজেপি এসআইআর-এর মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে যে মানুষের নাম বাদ দেওয়ার কাজ করেছে তাতে মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় জন্মেছে। প্রধানমন্ত্রী কিন্তু সে নিয়ে কিছু বললেন না।"
পরে অবশ্য বিরোধীদের সেই কটাক্ষের জবাব দিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটা পোস্ট করেছেন তিনি। মতুয়া সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের আশ্বাসও দিয়েছেন।
পাশাপাশি, ফুটবলার লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের সময় যুববভারতী স্টেডিয়ামে যে বিশৃঙ্খলা দেখা গিয়েছিল, সে বিষয়ে সমালোচনাও করেছেন।
কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?
আগামী বছরের বিধানসভা ভোটকে 'পাখির চোখ' করে বিজেপিসহ সমস্ত রাজনৈতিক দলই এখন সক্রিয়। বিহারের পর পশ্চিমবঙ্গকে যে বিজেপি লক্ষ্য করছে, সে কথা প্রধানমন্ত্রী মোদী বিহারের ভোটের পরপরই স্পষ্ট করেছিলেন।
কথা ছিল, তাহেরপুর পুরসভা সংলগ্ন নেতাজি হাইস্কুলের মাঠে সকালে তিনি জনসভা করবেন। তার আগে প্রশাসনিক বৈঠক করারও কথা ছিল।
আসন্ন ভোটের আগে মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে এই জনসভা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। কারণ এসআইআর-এ এই এলাকায় অনেক ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।
তার সভার আগে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেছিলেন, "তিন দেশ থেকে যারা অমুসলিম এসেছে কারও ভোটাধিকার বাদ যাবে না, এটা আমার বিশ্বাস। আর সেটা নিশ্চিত করবেন বলেই মোদী জি আসছেন।" যদিও সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।
শনিবার ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতার অভাবে তার চপার অবতরণ করতে পারেনি, তাই তাহেরপুরের সভায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি কলকাতা ফিরে এসে অডিও বার্তা পাঠান।
সভায় উপস্থিত না হতে পারায় ক্ষমাপ্রার্থনা করে তিনি তার বক্তব্য শুরু করেন। এই সভায় যোগ দিতে আসা কয়েকজন বিজেপি কর্মীদের ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
তার ভাষণে একদিকে যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, চৈতন্যদেবের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, তেমনই নদীয়া ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ''নদীয়া সেই ভূমি, যেখানে প্রেম, করুণা, ভক্তির রূপ হিসেবে চৈতন্যদেবের জন্ম হয়েছে। নদীয়ার গ্রামে গ্রামে কীর্তনের সুর উঠত, ঐক্যের সুর বাজত।"
সেই ভাবনা এখনো বিরাজমান বলে তিনি মন্তব্য করেন।
'একবার সুযোগ দিন'
তার বক্তব্যে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গে অরাজকতা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি বলেছেন, ''বিহারে জঙ্গলরাজ উপড়ে দিয়েছে বিজেপি। ২০ বছর পরেও বিজেপিকে আগের থেকে বেশি আসন পেয়েছে।"
"পশ্চিমবঙ্গে মহাজঙ্গলরাজ চলছে। এর থেকে মুক্তি দরকার।"
কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি সরকারের 'ডবল ইঞ্জিন সরকার' গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। মি. মোদী বলেছেন, ''বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে দিন, দেখুন কত দ্রুত এখানে উন্নয়ন হয়।"
এরপরই তাকে উদ্দেশ করে তাহেরপুরে 'গো ব্যাক' প্ল্যাকার্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন তৃণমূল কংগ্রেস তাকে 'গো ব্যাক' বললেও অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে কিছু বলে না।
এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ত্রিপুরার উদাহরণ টেনেছেন তিনি বলেছেন, "ত্রিপুরাকে দেখুন। সেখানে কমিউনিস্ট, বামপন্থিরা সেখানে কীভাবে সবকিছু নষ্ট করেছে। ত্রিপুরাবাসী আমাদের সুযোগ দিয়েছে, আমরা সেখানে উন্নয়ন করেছি।"
"বাংলাও লাল ঝন্ডাধারীদের থেকে মুক্তি পেয়েছে। মানুষ আশা করেছিলেন, ভালো কিছু হবে। কিন্তু তৃণমূল বামপন্থিদের খারাপ গুণ গ্রহণ করেছে। ত্রিপুরাতে দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু বাংলায় হচ্ছে না। বাংলার গৌরব ফিরিয়ে দিতে চাই।"
তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে বিজেপির অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, গ্রহণ করেছে। তৃণমূলের 'কারণে' তা থমকে গিয়েছে।
মি. মোদী বলেছেন, "পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য অর্থ, পরিকল্পনা বা ইচ্ছের অভাব নেই। কিন্তু এখানে যে সরকার রয়েছে তাদের কারণে প্রকল্প থমকে আছে। আপনাদের সবাইকে সামনে রেখে বলতে চাই এবং এটা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে টিএমসি যদি মোদীর বিরোধিতা করতে চায়, বিজেপির বিরোধিতা করতে চায়, তাহলে অবশ্যই করুক। তাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে করুক কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের গতিকে কেন তারা অবরুদ্ধ করবে?"
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের অভিযোগ তুলে প্রথম থেকেই তৃণমূলকে নিশানা করে এসেছে বিজেপি। একাধিক বিজেপি নেতা অভিযোগ তুলেছেন- রাজ্যে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গা রয়েছেন, যাদের সাহায্য করছে তৃণমূল। এসআইআর-এর তাদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
তাকে পাল্টা নিশানা করে তৃণমূলের অভিষেক ব্যানার্জীকে বলতে শোনা গিয়েছে, "বিজেপি বলে পশ্চিমবঙ্গে এত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আর রোহিঙ্গা রয়েছে, তাহলে এসআইআর-এ হিন্দুদের, মতুয়াদের নাম বাদ পড়ল কেন?"
সেই আবহে অনুমান করা হয়েছিল এসআইআর-র প্রসঙ্গে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দেবেন তিনি। সভায় অডিওবার্তায় সে সম্পর্কে কিছু বলেননি বলে বিরোধীরা সমালোচনাও করেছে।
পরে আসামের সভার পর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, "আমি প্রত্যেক মতুয়া ও নমশূদ্র পরিবারকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমরা সর্বদা তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকব।"
''এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) তারা (মতুয়া ও নমশূদ্ররা) তৃণমূলের দয়ায় থাকছেন না। আমাদের সরকারের আনা সিএএ-র সৌজন্যে মর্যাদার সঙ্গে ভারতে বাস করা তাদের অধিকার। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার শপথ নেওয়ার পরে আমরা মতুয়া এবং নমশূদ্র সমাজের জন্য আরও অনেক কিছু করব।''
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুবভারতীর ঘটনা নিয়েও তিনি তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন। নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, ''তৃণমূলের সৌজন্যে পশ্চিমবঙ্গের মতো একটা ফুটবলপ্রেমী রাজ্যের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনা অজস্র ফুটবলপ্রেমী তরুণের মন ভেঙে দিয়েছে।''
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বিষয় নিয়ে গেরুয়া শিবির নিয়ে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। তার মধ্যে বাংলা বললেই তকমা দেওয়ার অভিযোগ, বাংলাদেশি সন্দেহে মানুষকে সীমান্ত পার করানোর মতো অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সন্তান সম্ভবা সোনালি খাতুনও রয়েছেন যাকে আদালতের হস্তক্ষেপে ভারতে ফেরানো হয়েছে।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে ভারতবিদ্বেষী বক্তব্য ও অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে অবশ্য তিনি কিছু বলেননি। তবে ওই সভাতে উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও শমিক ভট্টাচার্য অবশ্য তাদের ভাষণে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে অন্যান্য বিজেপি নেতা
তাহেরপুরের সভাতে দাড়িয়েই শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেছেন, "আমি মোদীজি কে ধন্যবাদ দিতে চাই, যারা বাংলাদেশ থেকে ধর্মরক্ষার জন্য ভারতে এসেছেন তাদের জন্য সিএএ এনেছেন। এই তৃণমূল এবং তার নেত্রী মমতা ব্যানার্জী একে ক্যা ক্যা ছি ছি বলেছেন। মোদীজি শরণার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় গ্যারেন্টার।"
"আপনারা দেখেছেন দীপু দাসের (ময়মনসিংহে যাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে) উপর বাংলাদেশে যে অত্যাচার হয়েছে, আপনারা এর বিরুদ্ধে যারা সনাতনী ঐক্যবদ্ধ হয়ে জামাতিদের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গকে, নদীয়াকে রক্ষা করবেন। আমি আপনাদের কাছে এই অনুরোধ করছে চাই।"
একই সুর শোনা গিয়েছে শমীক ভট্টাচার্যের কণ্ঠে। তিনি বলেছেন, "পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানাতে দেওয়া যাবে না।"
"ওপারে হিন্দুদের উপর নির্মম অত্যাচার চলেছে। ওপারে যে মতুয়া ভাইরা আছেন, দত্ত, বোস, দত্ত, গুপ্ত… চাকমা, বুদ্ধিস্ট রয়েছেন তারা আমাদের রক্ত আমাদের ভাই। যারা ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় চলে এসেছেন তাদের তুলসি মঞ্চে প্রদীপ জ্বালাবেন বলে, নিজেদের পদবী টিকিয়ে রাখবেন বলে, তাদের পাশে যদি কোনো দল থেকে তাহলে সেটা বিজেপি।"
তিনি এও বলেছেন যে, "কোনো হিন্দু উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না ভোটার তালিকা থেকে। আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে।"
বিরোধীরা কী বলছে?
নরেন্দ্র মোদীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল ও বামেরা।
তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ একেবারেই দিশাহীন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।"
"বিজেপি প্রভাবিত নির্বাচন কমিশনের এসআইআর নামক হঠকারিতায় যারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন, তাদের জন্য বার্তা দিতে পারতেন। কিন্তু তার কাছে কোনো বার্তা নেই।"
পরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী মোদী এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন।
নরেন্দ্র মোদীর মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীও। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলে সাংবাদিকদের বলেছেন, "এসআইআরে যাদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ গিয়েছে তাদের বিষয়ে তিনি কিছু বললেন না। যাদের অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশকারী বলে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, তাদের বিষয়ে কিছু বললেন না।"