পত্রিকা: 'দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না এলপি গ্যাস, জিম্মি সাধারণ মানুষ'

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংকটে পড়েছে এলপি গ্যাসের বাজার। অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতার দোকান বন্ধ থাকায় অনেক জায়গায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না, আর কোথাও মিললেও নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশক পর্যায়ে সরবরাহ সংকট থাকায় তারা গ্যাস পাচ্ছেন না বা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

রোববার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে, একই অবস্থা বিরাজ করছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও। আবাসিক রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডার সংকটে পড়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে বাস্তবে এই দামে গ্যাস না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ কার্যত বাজারের কাছে 'জিম্মি' হয়ে পড়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার শিরোনাম - Tarique tells biz leaders, BNP to focus on security, energy, lending rates if voted to power অর্থাৎ ক্ষমতায় এলে নিরাপত্তা, জ্বালানি ও ঋণের সুদহার কমানোতে গুরুত্ব দেবে বিএনপি: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দলটি ক্ষমতায় এলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, জ্বালানি সংকট সমাধান, ঋণের সুদহার কমানো, পুঁজিবাজার শক্তিশালী করা এবং খাতভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেবে।

তিনি আরও জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগানো হবে। সোমবার (৪ জানুয়ারি) গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিভিন্ন খাতের ৩০ জন ব্যবসায়ী প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বৈঠক শেষে ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় সব খাতই তাদের সমস্যা তুলে ধরেছে। তারেক রহমান বলেন, লন্ডনে থাকার সময় তিনি বিভিন্ন খাত নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার ভিত্তিতেই করা হবে।

আরো পড়তে পারেন:

মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম- তিন আন্দোলনে স্থবির রাজধানী।

তিনটি পৃথক স্থানে আন্দোলন কর্মসূচির কারণে গতকাল রাজধানীর একাংশ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ফার্মগেট, কাওরান বাজার ও শাহবাগ এলাকায় সড়ক অবরোধ ও কর্মসূচির ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

কাওরান বাজার মোড়ে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা বাতিল, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে পরিবার নিয়ে বিক্ষোভ করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। দিনভর তাদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

একই সময়ে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানার হত্যার বিচার দাবিতে তার সহপাঠীরা ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন। অন্যদিকে শাহবাগে হাদি হত্যার বিচার দাবিতে পূর্বঘোষিত 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচি পালন করে হাদি মঞ্চ।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- ২৮.৩% প্রার্থিতা বাতিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ২৮.৩ শতাংশই বাতিল। আর বৈধ প্রার্থীর হার ৭১.৭ শতাংশ। গতকাল রবিবার যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানা গেছে। সারা দেশে ৫১টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে তিন হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে প্রার্থী ছিলেন দুই হাজার ৫৬৮ জন। তাঁদের মধ্যে এক হাজার ৮৪২ প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ হয়েছে। আর বাতিল করা হয়েছে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র। তাঁদের মধ্যে সদ্যঃপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার তিনটি মনোনয়নপত্র সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার থেকে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন। অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও এনসিপির নেতারাও। কুড়িগ্রামে প্রার্থিতা বাতিল নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। কোন কোন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম- যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি মাদুরো

ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে। দুজনকে নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনে মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) নামের আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। সেখানে মাদুরোকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ সোমবার তাঁদের বিচার শুরুর জন্য ম্যানহাটন আদালতে তোলা হতে পারে।

গত শনিবার শেষ রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' নামে অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নেয় মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত এ হামলার পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। নির্দেশ দেওয়া হয় দ্রুত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের। হামলার পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

৩৭ বছর আগে প্রতিবেশী দেশ পানামায় একইভাবে অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। আবারও একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, 'আইন মেনে নিরাপদে যথাযথভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা পর্যন্ত আমরা ভেনেজুয়েলা চালাব।'

নিউ এইজ পত্রিকার শিরোনাম- ENFORCED DISAPPEARANCE COMMISSION REPORT- Hasina, Tarique Siddique directly involved অর্থাৎ, গুম কমিশনের প্রতিবেদন: হাসিনা ও তারেক সিদ্দিকীর সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ

গুম সংক্রান্ত অনুসন্ধান কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আলোচিত কয়েকটি গুমের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সামরিক উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকী এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রোববার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রণীত 'Unfolding The Truth: A Structural Diagnosis of Enforced Disappearance in Bangladesh' শীর্ষক প্রতিবেদনটি ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী আলম, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহিল আমান আযমী, মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামানের গুমের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- ঋণাত্মক ধারায় দেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি, কমেছে ২ দশমিক ১৯%

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরুতে জুলাই মাসে দেশের রফতানিতে ২৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও পরবর্তী পাঁচ মাসে টানা নেতিবাচক ধারায় নেমে আসে খাতটি। সর্বশেষ ডিসেম্বর ২০২৫-এ রফতানির প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.২৫ শতাংশে, যা দুই অঙ্কের পতন। একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের প্রথমার্ধের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে মোট রফতানি কমেছে ২.১৯ শতাংশ।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা ও বিভিন্ন খাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। যদিও রফতানি আয় ও প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ও রিজার্ভকে কিছুটা স্থিতিশীল রেখেছে, তবু টানা পাঁচ মাসের নেতিবাচক রফতানি প্রবৃদ্ধি অর্থনীতি ও রিজার্ভের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে নির্বাচিত সরকার গঠিত হলে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে এবং বিনিয়োগ ও রফতানি খাত আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সরাসরি সম্পৃক্ত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেক গুমের সরাসরি নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা।

গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি গতকাল রোববার বিকেলে সরকারি বাস-ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের শিরোনাম- Enforced disappearance victims: 75% from Jamaat, 68% of still missing are from BNP অর্থাৎ গুম সংক্রান্ত অনুসন্ধান কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক গুমের শিকারদের ৭৫ শতাংশ ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য। অন্যদিকে, যেসব ব্যক্তি এখনো ফিরে আসেননি, তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।

প্রতিবেদনটি গতকাল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়। এতে আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে গুমের ঘটনাগুলোর রাজনৈতিক চরিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে কীভাবে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠী ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

কমিশন মোট ১,৯১৩টি অভিযোগ পায়, যাচাই শেষে ১,৫৬৯টি ঘটনাকে গুম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৮৭টি ঘটনাকে 'নিখোঁজ ও মৃত' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ১,২৮২ জন ভুক্তভোগী বিভিন্ন মেয়াদে অবৈধ আটক থাকার পর ফিরে আসেন।

তবে কমিশনের ধারণা, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকৃত গুমের সংখ্যা ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ হতে পারে। প্রতিশোধের ভয়, কম অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীদের দেশত্যাগের কারণে প্রকৃত সংখ্যা প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশের প্রথম পাতার বিশেষ প্রতিবেদন - Attorney General's office: A political rehab centre? অর্থাৎ অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর: রাজনৈতিক পুনর্বাসন কেন্দ্র?

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিপুলসংখ্যক রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেলের (এজি) দপ্তর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সরকারি অর্থের ব্যবহার নিয়ে সমালোচকদের উদ্বেগ বাড়ছে।

সরকারি তথ্য ও একাধিক আইন সূত্রের মতে, সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রায় ৩৫০ জন আইন কর্মকর্তা—ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি)—নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই সংখ্যা বাস্তব প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি এবং এতে এজি দপ্তর রাজনৈতিক কর্মীদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে এজি দপ্তরের অধীনে ৩৩২ জন ডিএজি ও এএজি এবং তিনজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালন করছেন, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে আইন কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল প্রায় ২১৫ জন, যা তখনও অতিরিক্ত হিসেবে সমালোচিত হয়েছিল। এখন সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে বর্তমান নিয়োগ।