'করের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসছে বাজেটে'

দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম হচ্ছে - “বড় পরিবর্তন আসছে করে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের বাজেটে রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং আইএমএফের শর্ত পূরণে করের ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
কিছু ক্ষেত্রে কর ছাড় থাকবে না এবং কিছু ক্ষেত্রে কমবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রত্যাহার করা হবে। নতুন করদাতা যুক্ত করা বা করের জাল বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ থাকবে। ভ্যাটের হার ও আওতা বাড়ানো হবে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা মানুষের একটি বড় অংশ নতুন করে আরও চাপে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।
কর প্রসঙ্গ নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে দৈনিক যুগান্তর - “করের খড়গে বাড়বে খরচ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজস্ব আয়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আগামী বাজেটে কর হার ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে।
নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী যেমন : প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্র, টয়লেট টিস্যু, কলম, মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভ্যাট বাড়ানো হচ্ছে। নিম্নআয়ের মানুষের কাছ থেকে আয়কর আদায় করতে ন্যূনতম করের প্রস্তাব থাকছে।
এছাড়া ডলার সাশ্রয়ে এবং শুল্ক ফাঁকি রোধে কাজুবাদাম, খেজুরের মতো খাদ্যসামগ্রীর আমদানি শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে আগামী বাজেট জীবনযাত্রার খরচ বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাজেটকে ঘিরে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “বেসরকারি বিনিয়োগে সুখবর কম”। প্রতিবদনে বলা হচ্ছে, ডলার সংকটে শিল্পের কাঁচামাল থেকে শুরু করে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে।
পাশাপাশি জ্বালানি সংকটেও ভুগছে শিল্প কারখানা। তাতে কমেছে উৎপাদন কমেছে। ক্রয়াদেশের অভাবে কমেছে রফতানি।
সুদহার কম থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি বিনিয়োগে বড় কোন খবর নেই। এতে মুদ্রাস্ফিতির চাপ অব্যাহত থাকবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি থমকে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকারের অর্থ বিভাগ।
এ জন্য চাকরি (বেতন-ভাতাদি) আদেশ-২০১৫ সংশোধন করা হচ্ছে। সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বৃদ্ধির নির্দেশনা দেন।
আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ধরা হচ্ছে ৬.৫ শতাংশ। সে ক্ষেত্রে এ হারই হতে পারে বেতন বৃদ্ধির একটি ভিত্তি। বাজেটে বেতন-ভাতার জন্য প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে বলে অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয় বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়লেও বছরজুড়ে অস্থির ছিল বাজার”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে খাদ্য ও কৃষিপণ্যের দাম কয়েক মাস ধরেই নিম্নমুখী।
আবার দেশেও এসব পণ্যের উৎপাদন বাড়ছে বলে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যানে উঠে আসছে। দেশে আলু-পেঁয়াজের মতো কিছু খাদ্যপণ্য চাহিদার চেয়ে উৎপাদন হলেও বাজারে দুটির দাম ব্যাপক হারে বেড়েছে।
এক বছরে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৯৩ শতাংশ। আলুর দাম বেড়েছে ৭৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে আদা ও চিনির দাম বেড়েছে যথাক্রমে ২১২ ও ৬৪ শতাংশ। এজন্য বাজারে যথাযথ নজরদারি না থাকাকে মূল কারণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
একই বিষয়ে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, “ভোগ্যপণ্যে ভোজবাজি”। শেয়ার বাজারে কৃত্রিম সংকট ও গুজব ছড়িয়ে কারসাজির মাধ্যমে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়, একইভাবে নিত্যপণ্যের দামও অস্বাভাবিক হারে বাড়াতে দেখা যায়।
পুঁজিবাজারের মতো এখানেও রয়েছে বিভিন্ন সিন্ডিকেট, যারা সরবরাহজনিত কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে অস্বাভাবিক মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে।
চিনি, তেল, পেয়াজ, ব্রয়লার মুরগি, ডিম সবই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। এতে দেশ ভুগছে উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে। আর সাধারণ মানুষ নিত্যপণ্যের বর্ধিত মূল্য মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।

সরকার বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনকে ঘিরে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “সরকার হবে জাতীয় ঐকমত্যের”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা যৌথ রূপরেখার একটি খসড়া তৈরি করেছে বিএনপি। ক্ষমতায় গেলে এই দফাগুলোই হবে ‘রাষ্ট্র মেরামত ও পুনর্গঠনের’ পাণ্ডুলিপি।
এরমধ্যে রয়েছে, সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন, গণভোট ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা, পরপর দুই টার্মের অতিরিক্ত কেউ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবে না ইত্যাদি।
বাজেট বরাদ্দ নিয়ে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Budget Subsidies: Big chunks go to power, fertiliser”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জনগণের উপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর লক্ষ্যে আগামী বাজেটে কৃষি, খাদ্য ও বিদ্যুতে ভর্তুকির জন্য বরাদ্দ যথেষ্ট বাড়ানো হবে।
আগামী অর্থবছরে মোট ভর্তুকি বরাদ্দ হবে এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটে তা ছিল ৮১ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধন করে ৯৪ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জ্বালানি সংকট নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “লোডশেডিংয়ে ব্যহত শিল্প উৎপাদন”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি বাড়ছে।
স্থানীয় গ্যাস এবংআমদানিকৃত এলএনজি স্বল্পতার কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন কমেছে।
কয়লা সংকটে পায়রায় চালু থাকা সবচেয়ে বড় কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দাম বেশি হওয়ার কারণে পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও।

একই বিষয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “ower shortage deepens despite fuel price fall”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় লোডশেডিং চারগুণেরও বেশি বেড়েছে।
বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি খুব সাশ্রয়ী হলেও দেশে বিদ্যুতের ঘাটতির নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন করে তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ায় লোডশেডিং আবারও এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বলা হচ্ছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, “ডেঙ্গু বেড়েছে ৬ গুণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর রেকর্ড গত বছরের তুলনায় এবার রোগীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ছয়গুণ।
এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, আসছে বর্ষায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। কীটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমান আবহাওয়া ও পরিবেশ ডেঙ্গুজ্বরের বাহক এডিস মশার প্রজনন ও বংশ বিস্তারের জন্য অনুকূলে আছে।
এডিস মশার সংখ্যা এখনই না কমাতে পারলে ভাইরাসবাহী মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

অন্যান্য খবর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন তিনি।
শোকাবহ এই দিনটি স্মরণে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
সমকালের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম, “বাংলাদেশের উন্নয়ন এখনও ভঙ্গুর”। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের চরম দারিদ্র্যবিষয়ক বিশেষ দূত অলিভিয়ার ডি শ্যুটারকে কোট করে এই শিরোনাম করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা এখনও এত মজবুত হয়নি। যে কোনো বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ তারা সামাল দিতে পারবে না।
ফলে যারা দারিদ্র্যসীমা থেকে বের হয়েছেন, তারা যে কোনো সময় আবার দরিদ্র হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “শান্তির জন্য যা যা দরকার সবই করবে বাংলাদেশ”।
এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোট করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ গত ৩৫ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সাত হাজার ৪৩৬ শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের ১৪টি মিশন ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে।
এই সংখ্যা বিশ্বব্যাপী মোতায়েন শান্তিরক্ষীদের মোট সংখ্যার প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে ৫৭২ জন বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীও রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করেছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর পেছনের পাতার খবর, “গরম আরও বাড়তে পারে, চার বিভাগে মৃদু তাপপ্রবাহ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি মাসের শুরুটা হয়েছিল প্রচণ্ড গরম দিয়ে, মাসের শেষেও দেখা দিয়েছে গরম, বৃষ্টিপাত কমে গিয়েছে। দেশের চার বিভাগের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা আরও দুই একদিন এভাবে বাড়তে পারে।
নির্মাণ প্রকল্পে দুর্ঘটনা নিয়ে কালের কণ্ঠে পেছনের পাতার খবর, “উড়ালপথ থেকে রড় পড়ে প্রাণ গেল শিশুর”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মহাখালী উড়াল সেতুর উপর থেকে লোহার রড পড়ে ১২ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রড পড়ে শিশুটির মাথা এফোড় ওফোড় হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে নিহত একজন পথশিশু ছিলেন। বনানী থানার ওসি জানান কাজের সাইটে কোন নিরাপত্তা বেষ্টনি ছিল না।
ইত্তেফাকের খবর, “রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসন চায় ওআইসি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) মহাসচিব হোসেইন ইব্রাহিম ত্বাহা বলেছেন, ওআইসি সবসময় রোহিঙ্গা ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে।
আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই। বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও টেকসই প্রত্যাবাসন চায়। ২৯শে মে দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।











