আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'বিএনপিকে উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে না আওয়ামী লীগ'
রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম 'বিএনপিকে উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে না আওয়ামী লীগ'। খবরে বলা হয়েছে, ভোটের আগে বিএনপিকে আর উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে চায় না আওয়ামী লীগ।
ক্ষমতাসীন দলটির নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন, ২৮ অক্টোবর শনিবারের সংঘাতের পর বিএনপি আবারও ঘুরে দাঁড়ালে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে করা যাবে না। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ-দুই দিক থেকেই কঠোরভাবে বিএনপির ওপর চাপ প্রয়োগ করা হবে।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এ মনোভাব জানা গেছে বলে ওই খবরে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাদের গ্রেপ্তারের যে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা তসফিল ঘোষণার আগপর্যন্ত অব্যাহত রাখা হবে।
যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'হামলা সংঘর্ষ অগ্নিসংযোগ'। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, সংঘাত, সংঘর্ষ, গুলি ও পুলিশের গাড়িসহ যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের হরতাল।
রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা এই হরতালে কোথাও কোথাও সড়ক অবরোধ হয়েছে। হরতাল সমর্থক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, প্রতিরোধ ও পালটা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। গ্রেফতার করা হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে।
''রাজপথের ‘ফয়সালায়’ কার হার, কার জিত'' সমকালের শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, বছর খানেক ধরেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বলে আসছে, রাজনীতির ফয়সালা হবে রাজপথে। গত শনিবার ঢাকার রাজপথে সহিংসতা ‘সেই ফয়সালারই’ অংশ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ওই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির ভাষ্য, তাদের সংঘাতের প্রস্তুতি ছিল না, বরং শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশের পরিকল্পনা ছিল। পুলিশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সহিংসতা সৃষ্টি করেছে।
অন্যদিকে বিএনপির সহিংস চেহারা উন্মোচিত হয়েছে– ক্ষমতাসীনরা এমন বক্তব্য দিলেও আগামী নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক শক্তির আগ্রহের কারণে সেদিনের ঘটনায় হারজিত নির্ধারণ পাটিগণিতের নিয়ম মেনে হয়তো হবে না।
'BNP, allies call 3-day blocade from Tuesday' নিউ এজের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে এক দিনের হরতালের পর আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিন সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
'মামলা মাত্র শুরু, আরো মামলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী' ইত্তেফাকের এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মামলা মাত্র শুরু, আরও হবে।
রাজধানীতে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ডাকা সমাবেশের দিন সংঘটিত সহিংসতায় এক পুলিশ সদস্য নিহতের প্রতিক্রিয়ায় রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
End of বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর
দেশ রুপান্তরের খবরের শিরোনাম 'বাসে আগুন আড়ালে কে'। এতে বলা হচ্ছে, গত দুদিনে বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনে ৪৫টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এমন ঘটনায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে। যদিও তারা এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে।
তাদের অস্বীকারের পেছনে সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে শনিবারে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই দিন বিএনপির সমাবেশ ঘিরে ঢাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার পর কাকরাইল এলাকায় একটি বাসে আগুন দেয় গোয়েন্দা পুলিশের জ্যাকেট পরা দুই ব্যক্তি।
'ঢাকায় সহিংসতা: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন মর্মাহত' সংবাদের শিরোনাম। খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির মহাসমাবেশ কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকায় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশের দূতাবাসগুলো।
রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাকায় ইইউ দূতাবাস বলেছে, ঢাকায় প্রাণহানি ও সহিংসতার ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো ‘গভীরভাবে মর্মাহত’।
অংশগ্রহণমূলক এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকা যে জরুরি, সে কথাও বিবৃতিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে বিদেশিদের কাছে নোট দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে যুগান্তরের সংবাদ 'অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উৎসাহিত করতেই সহিংসতা'। ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সহিংস ঘটনার বর্ণনা সংবলিত এক নোটে সরকারের তরফে এই অভিমত ব্যক্ত করা হয়। এতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দেবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবারই নোট প্রস্তুত করে বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোয় পাঠিয়ে দিয়েছে। ঢাকায় বিদেশি দূতাবাসেও এটি পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের পুরো পরিস্থিতি অবহিত করতে ব্রিফিং করা হতে পারে।
'শেষ সময়ে প্রভাবশালীদের প্রকল্প পাসের তোড়জোড়' প্রথম আলোর আরেকটি শিরোনাম। বর্তমান সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ সময়ে মন্ত্রী, এমপি ও আমলাদের নিজের এলাকায় প্রকল্প পাস করিয়ে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটিই হতে পারে বর্তমান সরকারের মেয়াদে শেষ একনেক সভা। তাই প্রভাবশালীরা একে দেখছেন শেষ সুযোগ হিসেবে।
তাঁদের চাপ সামলাতেই এ সপ্তাহের একনেকে ৫০টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উঠছে। এক একনেক সভায় এত প্রকল্প এর আগে ওঠেনি।
'টাকার সঙ্কটে অসহায় ব্যাংক' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণ আদায় হচ্ছে না। কিছু গ্রাহক ও ব্যাংকের পরিচালকরা ঋণ নিয়ে ফেরত দিচ্ছেন না। এতে অসহায় হয়ে পড়েছে কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক।
কখনো টাকার সঙ্কটে পড়েনি এমন ব্যাংকও এখন তাদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে দ্বারস্থ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ধার দিচ্ছে সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোকে।
গত ২৫শে অক্টোবর সর্বোচ্চ ধার দিয়েছে সাড়ে ২৪ হাজার কোটি টাকা। গত ২৬ অক্টোবরও ধার দিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। টাকার সঙ্কটের সামগ্রিক প্রভাব পড়েছে মুদ্রাবাজারে। বেড়ে যাচ্ছে টাকা ধার নেয়ার খরচ।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম 'রেলের বড় বিনিয়োগের প্রকল্পগুলো কি আয় বাড়াতে পারবে?' খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে ১ নভেম্বর।
শুরুর দিকে এ রুটে চলবে দুটি ট্রেন—সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস। ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-যশোরের মধ্যে চলাচল করা এ ট্রেন দুটিকে বঙ্গবন্ধু সেতু রুট থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে পদ্মা সেতু রুটে।
তবে এ পথে ভ্রমণ সময় কিছুটা কমলেও যাত্রী পরিবহন করে ট্রেন দুটির আয় বাড়বে না। ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব আয় বাড়াতে আপাতত কোনো ভূমিকা রাখছে না এ রেলপথ।
সমকালের আরেকটি প্রতিবেদনের শিরোনাম 'পদ্মায় বালু উত্তোলনে পাল্টে গেছে বালুর প্রবাহ'। পদ্মা সেতুর আধা কিলোমিটারের মধ্যে একাধিক স্থানে ড্রেজার দিয়ে তোলা হচ্ছে বালু।
মুন্সীগঞ্জে লৌহজং ও মাদারীপুরের শিবচর এলাকায় অবৈধ এই বালু উত্তোলনে পদ্মায় পাল্টে গেছে স্রোতের প্রবাহ পথ। মাওয়া প্রান্ত থেকে স্রোতের প্রবাহ চলে গেছে জাজিরা প্রান্তে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, নদীর দুই তীরে দেখা দিয়েছে ভাঙন।