'যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে কমছে পোশাক রপ্তানি'

পত্রিকা

মানবজমিনের প্রধান খবর, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে কমছে পোশাক রপ্তানি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান দুই বাজার উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে সামগ্রিক পোশাক রপ্তানি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে এক-তৃতীয়াংশ ও ইউরোপের বাজারে কমেছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ যায় এ দুই বাজারে।

এ দুটি বাজারে কোন কারণে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে তার বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পড়ে। মঙ্গলবার তৈরি পোশাক খাতের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এর মধ্যে চলতি বছর ন্যূনতম মজুরি বোর্ড তথা নতুন মজুরি কার্যকর হলে পোশাক শিল্প আরও চাপে পড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজিএমইএ নতুন বাজারগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘রেমিট্যান্সের বিপর্যয় আরো গভীর হয়েছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত আড়াই বছরে বিদেশের শ্রমবাজারে প্রায় ২৪ লাখ বাংলাদেশি নতুন করে যুক্ত হলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ তো বাড়েইনি, উল্টো আরও কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম।

চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ১০৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। নিকট অতীতে কোনো মাসে এত কম রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা যায়নি। দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার শুরুটা গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে।

ওই সময় আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর বেঁধে দেয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোয় বিশেষ পরিদর্শন চালায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

নিউ এইজ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের শিরোনাম ‘EC prepares for polls amid oust-govt movement’ অর্থাৎ ‘সরকার পতনের আন্দোলনের মধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র সরকারের পদত্যাগ এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চলমান দাবির মুখেই জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ।

মঙ্গলবার গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান বলেছেন, জানুয়ারির শুরুতে ভোট গ্রহণের জন্য নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনকালীন সরকার এবং সংসদ ভেঙে দেওয়া নিয়ে চলমান রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের আগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে বিএনপি নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার হুমকি দেওয়ার ঠিক একদিন পর এই মন্তব্য এল।

এবার ভোটের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে ব্যালট পেপার পৌছে যাবে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অতীতে, ব্যালট পেপার আগে থেকেই কেন্দ্রে পাঠানো নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল।

দুর্গম অঞ্চল যেমন পাহাড়ি অঞ্চল এবং দ্বীপগুলির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। ইসি সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার নাও করতে পারে বলে জানানো হয়।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, তারা কাউকে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য করতে পারবেন না।

নির্বাচন নিয়ে দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের জন্য সংশোধিত নীতিমালা জারি’। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং বিদেশি গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

খবরে বলা হচ্ছে, সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি নাগরিক বা সংস্থা বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে তাদের সুশাসন, নির্বাচন, গণতন্ত্র, শান্তিপ্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থার ক্ষেত্রে ওই সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধিত হতে হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের যোগ্যতা, করণীয়, ভিসা প্রক্রিয়া এসব বিষয়ে নীতিমালায় সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ইতিমধ্যে ৬৬টি দেশীয় সংস্থাকে পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিবন্ধন পেতে আরও ১৫০টির বেশি দেশি বেসরকারি সংস্থা ইসিতে আবেদন করেছে বলে জানা গেছে।

কালের কণ্ঠ

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জন্য দল ঘোষণা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘দল ঘোষণা নিয়ে দিনভর নাটক’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তামিম ইকবালকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হবে কি হবে না, তা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় দল ঘোষণা পিছিয়ে দিতে দিতে শেষ পর্যন্ত তামিমকে ছাড়াই দল ঘোষণা করলো বিসিবি।

এর আগে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪৪ রানের ইনিংস খেলা তামিম ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি ‘পুরো ফিট’ নন।

সেই সঙ্গে নির্বাচকদেরও এই ওপেনার জানিয়ে রাখেন, তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হলে তার ইনজুরির বাস্তবতা মেনেই যেন নেওয়া হয়। দুইয়ে মিলে অধিনায়ক আর হেড কোচ মনস্থির করে ফেলেন যে তামিমকে ছাড়াই তাঁরা বিশ্বকাপে যেতে চান।

তারা বিসিবি সভাপতিকে জানিয়ে আসেন, তারা বরং তামিমের জায়গায় পুরো ফিট একজন ক্রিকেটার নিয়েই বিশ্ব আসরে যেতে চান। বোর্ড সভাপতিও একমত হন তাঁদের সঙ্গে।

স্বাস্থ্য খাত নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘$27b health budget in the works’ অর্থাৎ ’২৭ বিলিয়ন ডলার স্বাস্থ্য বাজেট প্রস্তুত’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার আসন্ন পাঁচ বছরের স্বাস্থ্য খাতের পরিকল্পনার জন্য ২৭ বিলিয়ন ডলারের বাজেট প্রস্তুত করছে, যা ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়া চলমান কর্মসূচির তুলনায় ৫২ দশমিক পাঁচ শতাংশ বেশি।

উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা বিশেষ করে শহুরে এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়াসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে জুলাই মাসে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্য খাতের পরিকল্পনার মধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ এবং কার্যকর সমন্বয় ছাড়া বাস্তব অগ্রগতি অধরা থেকে যাবে।

আর্থিক সহায়তার জন্য প্রস্তাবটি দাতা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। সরকার প্রাথমিকভাবে বাজেটের সিংহভাগ অর্থায়ন করে, উন্নয়ন সহযোগীরা বর্তমানে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ঋণ দিয়ে অবদান রাখে।

ডেইলি স্টার

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘এত মৃত্যু, তবু গা ছাড়া ভাব’। খবরে বলা হচ্ছে, এ বছর ডেঙ্গুতে ৯৪৩ জনের মৃত্যু হলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গা ছাড়া ভাব যাচ্ছে না।

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সামনে পরিস্থিতি আরও কিছুটা খারাপ হতে পারে, এমন আশঙ্কাও আছে।

জনস্বাস্থ্যবিদ, কীটতত্ত্ববিদ ও ডেঙ্গু রোগবিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ যেন প্রকৃতির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ঠিক সময়ে ঠিক কাজ করেনি। তাদের উদাসীনতায় ডেঙ্গু ৬৪ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, সংক্রমণ কম থাকে এমন সময়ই তা নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে সহজ হয়। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রেও তাই হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তা করেনি।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মশা নিয়ন্ত্রণের কিছু কাজে করেছে। তবে পরিকল্পনার অভাব, জনবল-ঘাটতি, মাঠকর্মীদের গাফিলতি সর্বোপরি নজরদারির অভাবের কারণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ ঠিকমতো হয়নি। ঢাকায় মশার পাশাপাশি ডেঙ্গু বেড়েছে। সেই ডেঙ্গু সারা দেশে ছড়িয়েছে।

প্রথম আলো

মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘অনেক দেশেই নিয়ন্ত্রণে, বাড়ছে বাংলাদেশে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকটে দেউলিয়া হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলংকা ইতোমধ্যে তাদের মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতিকে বাগে আনতে পারলেও বাংলাদেশ পারেনি।

অনেক দেশই মূল্যস্ফীতিকে নিম্নমুখী করেছে। কিন্তু বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশ এখনো চড়া মূল্যস্ফীতি চলছে। উলটো বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার সবচেয়ে বেশি বাড়ছে।

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলসহ খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতির হারও। এর মধ্যে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতিই বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। একই সঙ্গে যেখানে খাদ্য উৎপাদন হয়, সেখানে অর্থাৎ গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও বেশি, যা ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, মূলত চার কারণে দেশে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে। এগুলো হচ্ছে- করোনার পর হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, দেশের বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদরা এর সঙ্গে একমত। তারা আরও মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া এবং পণ্যমূল্য নিয়ে কথিত সিন্ডিকেটের কারণেও মূল্যস্ফীতি হচ্ছে।

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে ছুটছে ঘাম’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র- এ রকম ১৯টি কাজে প্রয়োজন পড়ছে জন্ম সনদের।

একজন নাগরিকের এমন গুরুত্বপূর্ণ দলিল নিবন্ধন নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা চলছে। গত চার মাস ধরে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম অনেকটাই অকার্যকর হয়ে আছে।

বেশিরভাগ মানুষ ঢুকতে পারছে না স্থানীয় সরকার বিভাগের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে। কাজের মধ্যেই সার্ভার বিগড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মহা সংকটে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণীতে শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে কিছুদিনের মধ্যেই। প্রতিবছর প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হয় প্রায় ৩৫ লাখ শিশু। অনেকে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীতেও ভর্তি হয়। এসব ভর্তির ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হলেও জন্ম সনদ নিবন্ধনের গোলমেলে পরিস্থিতিতে উদ্বেগের মধ্যে আছেন অভিভাবকরা।

কয়েক বছরের হিসাব ঘেটে দেখা গেছে প্রতিবছর ৩২ থেকে ৩৬ লাখ জন্ম সনদ নিবন্ধন হয় এর মধ্যে ২০ লাখই হয় বছরের শেষ তিন মাসে সেই হিসেবে এই ২০ লাখ মানুষের এখন ঘুম হারাম।

যুগান্তর

অন্যান্য খবর

ডিম ও মুরগির বাজারে অস্থিরতা নিয় কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘বাচ্চা ও খাবারের দাম কমালে ডিম-মুরগিতে স্বস্তি মিলবে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সিন্ডিকেট ভাঙার জন্য ডিম আমদানি না করে মুরগির বাচ্চা এবং পোলট্রি ফিডের দাম কমানোর ব্যবস্থা নিতে বলেছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।

এতে ডিম ও মুরগির বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

সংস্থাটির সভাপতির মতে, বাংলাদেশে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা চার কোটি পিস, বিপরীতে উৎপাদন হয় পাঁচ কোটি পিস। পোলট্রি শিল্পে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িত ৫০ থেকে ৬০ লাখ উদ্যোক্তার কর্মসংস্থান। এই কর্মসংস্থান রক্ষায় ডিম আমদানি বন্ধ করতে হবে।

প্রান্তিক খামারিদের লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। পোলট্রি ফিড এবং মুরগির বাচ্চার দাম কমালে উৎপাদন খরচও কমবে। তখন বাজারে ডিমের দাম কমানো সম্ভব।

প্রশ্নবিদ্ধ বিনিয়োগ নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘দুবাইয়ে ১১ হাজার কোম্পানির মালিক বাংলাদেশিরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশীদের মালিকানাধীন নিবন্ধিত কোম্পানির সংখ্যা বাড়ছে।

দেশটির একটি রাজ্যে নিবন্ধিত কোম্পানির যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তাতে এই চিত্র দেখা গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন দুবাই চেম্বার অফ কমার্সে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সদস্যপদ নেয়ার হার ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।

প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ১,০৪৪টি কোম্পানি দুবাই চেম্বারের সদস্য পদ নিয়েছে। এখন সেখানে বাংলাদেশিদের মালিকানাধীন কোম্পানির মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৭৫টি।

প্রায় ৪৫ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দুবাই চেম্বার অফ কমার্স চলত মিাসে নিজেদের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করে।