‘মার্কিন শ্রমনীতির লক্ষ্যবস্তু বাংলাদেশ’

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম, মার্কিন শ্রম-নীতির লক্ষ্যবস্তু বাংলাদেশ। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, গত ২০শে নভেম্বর এক চিঠির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশের মিশন থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে শ্রম ইস্যুতে সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরকারকে সতর্ক করা হয়েছে।
দূতাবাসের মিনিস্টার মো. সেলিম রেজার সই করা চিঠিতে বলা হয়, যদিও এটি বিশ্বের সব দেশের উপরই প্রযোজ্য বলে মনে হচ্ছে, তবু বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে এর অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে বাংলাদেশে।
তবে এ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশটির শ্রমনীতি বৈশ্বিক। এখানে বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণ নেই। এছাড়া রাজনৈতিক ইস্যুতে শ্রমিকদের ক্ষতি হয় এমন উদ্যোগ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল এর প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমেছে ২৩.৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে শুধু সেপ্টেম্বরেই কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।
একই বিষয় নিয়ে সংবাদ পত্রিকার শিরোনাম, মার্কিন শ্রম অধিকার নীতিতে ‘শঙ্কিত হওয়ার কারণ রয়েছে’ বাংলাদেশ দূতাবাস।
এতে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের দূতাবাস ঢাকায় সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করে বলেছে, বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি যে স্মারকটি ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশ তার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এবং শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই নীতি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রের ওপর আরোপের সুযোগ রয়েছে। এতে আরো বলা হয়, স্মারক অনুসারে বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো শ্রমসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে সরাসরি কাজ করতে পারবে।
তাই এই নীতি আগ্রহী মার্কিন দূত বা মিশনগুলোকে দেশি বা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে উৎসাহিত করতে পারে। এটা মনে হচ্ছে, শ্রম অধিকার লঙ্ঘন হয়েছে এমনটি তারা মনে করলে বা বিশ্বাস করলে এই নীতি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আরোপ করার সুযোগ রয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বাংলাদেশের দূতাবাসের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘স্মারকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় শঙ্কিত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এই স্মারকে শ্রম অধিকারের বিষয়ে যা বলা হয়েছে, তার পেছনে রাজনীতি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র নানাভাবে এই রাজনৈতিক অভিপ্রায়কে ব্যবহার করতে পারে।’
‘সে কারণে এই স্মারক বাংলাদেশের জন্য একটি বার্তা। কারণ, শ্রম অধিকারের অজুহাতে স্মারকে উল্লেখ করা যেকোনো পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র নিতে পারে। এই স্মারকের প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক খাতের ওপর পড়তে পারে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।’
ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সাথে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক নিয়ে সমকালের শিরোনাম, ইসির সঙ্গে প্রতিনিধি দলের বৈঠক, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ইইউ’র। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক করেছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি।
পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন গণতান্ত্রিক, বিশ্বাসযোগ্য, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে সারাবিশ্ব আশা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এ ধরনের নির্বাচন প্রত্যাশা করে।’
এই বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির নেতৃত্বে সুইডেন, স্পেন, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, ফ্রান্স ও জার্মানির মিশন প্রধানসহ ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। পরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানালেও সাংবাদিকদের কোন ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।
সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য যাতে হয়, সেটা নিশ্চিত করতে ইসি সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বলে তাদেরকে জানান হয়েছে।
“যতদূর বুঝেছি, তাঁরা আমাদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়েছেন। আমরা আমাদের যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা; একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে আইনত ও সাংবিধানিকভাবে বাধ্য, সেটা খুব স্পষ্ট করে তাঁদের বুঝিয়েছি, আগেও বুঝিয়েছি। আমার বিশ্বাস, আমাদের এ সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা এটা তাঁরা বুঝতে পেরেছেন।”
নির্বাচন নিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম, নির্বাচনী আইন ও বিধি, একেকবার একেক বক্তব্য দিচ্ছে ইসি। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী আইন ও বিধি নিয়ে একেকবার একেক ধরনের ব্যাখ্যা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী আচরণবিধি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়ে গত চার দিনে চার ধরনের ব্যাখ্যা এসেছে সাংবিধানিক এ সংস্থার পক্ষ থেকে। এতে একদিকে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
গত মঙ্গলবার রাজশাহীতে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, দলীয় সাংসদরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চাইলে তাদের অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।
এই বক্তব্যের পরদিন বুধবার ইসি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে দলীয় সংসদ সদস্যের পদত্যাগ করতে হবে না।

দ্য নিউ এইজ পত্রিকার শিরোনাম, 'Nomination filing ends Thursday amid opposition’s boycott’ অর্থাৎ বিরোধী দলের বয়কটের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেয়া শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার।
এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের বয়কট এবং ক্ষমতাসীন জোটের দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সুরাহার আগেই নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখ শেষ হচ্ছে আজ।
বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো এখনো আন্দোলন নিয়ে রাস্তায় রয়েছে এবং তারা নির্বাচনের তফসিল বাতিল এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি জানিয়ে আসছে।
এই দাবির পক্ষে আজ হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি এবং গণতন্ত্র মঞ্চ। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে আজ কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করবে ছয় দলের জোট বাম গণতান্ত্রিক জোট।
এদিকে, আওয়ামী লীগের ১৪ দলের জোট প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র পূরণ করে জমা দিচ্ছে এবং তারা আশা করছে যে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ই ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের আসন বণ্টনের সমস্যার সমাধান হবে।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, ‘Raushan won’t run for JS.’। এতে বলা হয়েছে, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নেত্রী রওশন এরশাদ ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। কারণ হিসেবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার দলের পরীক্ষিত নেতাদের অবজ্ঞা করা হয়েছে।
গুলশানে নিজের বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, “জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর অসহযোগিতার কারণে দলের পরীক্ষিত নেতাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি।”
জাতীয় পার্টির মধ্যে উদ্ভূত এই সমস্যার সমাধানে দলীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীর ‘হস্তক্ষেপ’ চাইছে বলে জানিয়েছেন জাপার পলিটিক্যাল সেক্রেটারি গোলাম মসী।
আয়কর নিয়ে যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম, দুই মাস বাড়ল রিটার্ন জমার সময়। এতে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক আদেশ জারি করে জানিয়েছে, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন জমার সময় দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেড় মাস বাড়ানো হয়েছে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার সময়।
এনবিআর-এর আদেশে ব্যক্তি করদাতাদের ক্ষেত্রে করদিবস ৩০ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং কোম্পানি করদাতাদের করদিবস ১৫ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলমান নতুন আয়কর আইন প্রণয়ন, দেরিতে কর পরিপত্র প্রকাশ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে করদাতাদের সুবিধার্থে সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
ডলারের দাম নিয়ে বণিক বার্তার শিরোনাম, ডলারের দাম আরো ২৫ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে গতকাল ডলারের দাম আরো ২৫ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩রা ডিসেম্বর থেকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের দাম হবে ১০৯ টাকা ৭৫ পয়সা। আর ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ২৫ পয়সায় আমদানিকারকদের কাছে ডলার বিক্রি করতে পারবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাফেদা ও এবিবির সভায় ডলারের দর ৫০ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।











