ঝড়ে ডুবে গেছে থাই যুদ্ধজাহাজ, ৩১ নাবিক নিখোঁজ

ছবির উৎস, กองทัพเรือ ROYAL THAI NAVY
সাগরে রোববার রাতে ঝড়ের সময় থাইল্যান্ড নৌবাহিনীর জাহাজ এইচটিএমএস সুকোথাইয়ের বৈদ্যুতিক সংযোগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পানি ঢুকে পড়ে। তারপরই জাহাজটি ডুবে যায়।
সোমবার থাই কর্তৃপক্ষ জানায় তারা এখন পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ সাগর থেকে ৭৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে, কিন্তু এখনও ৩১ জন নিখোঁজ।
“প্রায় ১২ ঘণ্টা কেটে গেছে, কিন্তু আমরা এখনও তাদের খুঁজবো, “ থাই নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন।
উদ্ধার-কর্মীরা সারারাত ধরে নিখোঁজ নাবিক এবং নৌ সেনাদের খোঁজ করেছে। বিমান বাহিনীর সাহায্য নিয়ে সোমবারও এই উদ্ধারকাজ চলছে।
থাই নৌবাহিনী জানিয়েছে কেন জাহাজটি ডুবলো তা তদন্ত করা হবে।
“আমাদের নৌবাহিনীর ইতিহাসে এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিশেষ করে এমন একটি জাহাজ ডুবেছে যেটি পুরোপুরি সক্রিয় ছিল,” বিবিসিকে বলেন বাহিনীর মুখপাত্র অ্যাডমিরাল পুকরং মোনথার্ডপালিন।
এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of YouTube post
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ঝড়ের সময় জাহাজের খোলের ভেতর প্রচুর পানি ঢুকে বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে যাওয়ার কারণে সেটি ডুবে যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে নাবিকরা বহু চেষ্টা করেও সেটিকে ভাসিয়ে রাখতে পারেনি। রোববার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
ঝড়ের সময় ঐ যুদ্ধ জাহাজটি সাগরে টহল দিচ্ছিল।
জরুরী বার্তা পেয়ে উদ্ধারের জন্য হেলিকপ্টার ছাড়াও নৌ বাহিনীর তিনটি জাহাজ পাঠানো হয়, কিন্তু জাহাজটি ডুবে যাওয়ার আগে একটি মাত্র ফ্রিগেট সেখানে পৌঁছুতে পেরেছিল।
ঐ ফ্রিগেটটিই সুকোথাই জাহাজের নাবিকদের উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তারা লাইফ জ্যাকেট পরে সাগরে ভাসছিল। অনেকে রাবারের তৈরি ভেলায় ভাসছিল। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
থাই নৌ বাহিনীর জন্য এই জাহাজটি ১৯৮০’র দশকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি করা হয়।








