আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'জ্বালানির পর এবার সারেও বিপাকে পড়ছে বাংলাদেশ'
শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর গুরুত্ব পেয়েছে। এই যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ছাড়াও সার নিয়ে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ; ভিসা কড়াকড়িতে সৌদিতে বাংলাদেশিদের সুযোগ কমা এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এখনও স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরু করতে না পারার খবরও রয়েছে।
জ্বালানির পর এবার সারেও বিপাকে পড়ছে বাংলাদেশ— বণিক বার্তার প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, গ্যাস সংকট মোকাবেলায় দেশের পাঁচটি সার কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও দেশীয় উৎপাদনে মোট চাহিদার সামান্য অংশ পূরণ হয়।
তার ওপর কারখানাগুলো বন্ধ থাকায় আমদানির ওপর নির্ভরতা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কিন্তু বৈশ্বিক বাজারে সারের প্রধান কাঁচামাল গ্যাসের সরবরাহ সংকট, মূল্য ওঠানামা, জাহাজ সংকট, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি এবং প্রিমিয়াম চার্জ বাড়ার কারণে আন্তর্জাতিক সারের বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশকে সার আমদানিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।
এতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা।
এদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে পরিমাণ সার আমদানি করার কথা তার পুরোটাই দেশে এসেছে। ফলে চলমান বোরো মৌসুম সামাল দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সারের মজুদ রয়েছে।
তবে দীর্ঘমেয়াদে সারের বাজারে অচলাবস্থা থাকলে দেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি তারা।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Soudi visa curbs cut Bangladeshi jobs, war adds worries; অর্থাৎ ভিসা কড়াকড়িতে সৌদিতে চাকরির সুযোগ কমছে বাংলাদেশিদের, যুদ্ধ আরও বাড়িয়েছে উদ্বেগ।
এই খবরে বলা হচ্ছে, বিদেশে কাজের জন্য বাংলাদেশিদের বড় গন্তব্যস্থল হচ্ছে সৌদি আরব। দেশটি থেকে আসে উল্লেখযোগ্য প্রবাসী আয়-ও।
সৌদি আরবে গিয়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি বা কাজের অনুমতি না পাওয়ার অভিযোগ যখন আসছে, তার মাঝেই দেশটি কর্মসংস্থান ভিসা প্রদান কঠোর করেছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত মাসে হাজার হাজার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। প্রকৃত চাহিদা ছাড়াই নিয়োগকর্তা জালিয়াতির মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগের ঘটনায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের বৃহত্তম শ্রমবাজার সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের যাওয়া কমে যাচ্ছে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে অভিবাসন ৩৩ শতাংশ কমেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে বিদেশে কর্মসংস্থান ৩২ শতাংশ কমেছে।
গত ফেব্রুয়ারির প্রথম পাঁচ দিনে বাংলাদেশ থেকে যেখানে ১৩ হাজার ৬৬১ জন কর্মী সৌদি আরবে যায়, সেখানে চলতি মার্চ মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এই সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৭৪ জনে নেমে এসেছে।
এদিকে, সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, নতুন কর্মীর চাহিদা হ্রাস পাবে।
নিউ এইজের দ্বিতীয় প্রধান খবর— 22 Public univs yet to relocate to permanent campuses; অর্থাৎ এখনও স্থায়ী ক্যাম্পাসে যায়নি ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে ৫৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৪টিতে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। যার মধ্যে ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে পরিচালিত হচ্ছে।
বাকি ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়নি।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র চারটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মাণ কাজ চলছে। তিনটির স্থান নির্ধারণের কাজ চলছে। বাকি ১৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি।
যদিও এই ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম এক দশকেরও বেশি সময় আগে শুরু হয়।
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান না করেই অস্থায়ী ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
২০১৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতির জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্বজনপ্রীতিকে দায়ী করেছেন শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।
তারা বলছেন, মৌলিক সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো ও উপযুক্ত একাডেমিক পরিবেশের অভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিম্নমানের শিক্ষাপ্রদান করছে।
তারা এ-ও বলছেন, অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সরকার দায়ী, কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পর অবকাঠামো নির্মাণের যথাযথ উদ্যোগ না নিয়েই ভাড়া ভবনে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে।
সমকালের দ্বিতীয় প্রধান খবর— সংকটের গুজবে জ্বালানি তেল কিনতে সারাদেশে হুড়োহুড়ি।
এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দেশে তেল সংকটের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এর প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়েছে।
গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনেও সড়কে দেখা দেয় যানজট। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে, আবার কোথাও মজুত শেষ হয়ে সাময়িকভাবে পাম্প বন্ধ রাখা ও মারামারির ঘটনা ঘটছে।
সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
পরিস্থিতি সামলাতে যানবাহনে তেল বিক্রির কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাজধানীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
এ সময় তেল নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে আহ্বান এবং বাড়তি তেল মজুত না করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ঘাটতির চেয়ে আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত চাহিদাই পরিস্থিতিকে বেশি চাপের মধ্যে ফেলছে। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা ঠিক করে দিল বিপিসি।
এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে উদ্বেগে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করা এবং অতিরিক্ত জ্বালানি তেল নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যখন, তার মধ্যেই ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল/অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার এবং এসইউভি/মাইক্রোবাসে ২০-২৫ লিটার তেল নিতে পারবে।
পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে পরিমাণ হবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।
জ্বালানি তেল কেনার সময় রসিদ নিতে হবে এবং পরেরবার কেনার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।
চালকেরা বলছেন, বিপিসি নির্ধারিত তেল দিয়ে সাধারণ গ্রাহকেরা চলতে পারবেন। তবে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও গাড়ির ক্ষেত্রে এই পরিমাণ তেল দিয়ে চলবে না।
যদিও গাড়ির বেশিরভাগ গ্যাসে চলে। মোটরসাইকেল চলে অকটেন ও পেট্রল দিয়ে।
নতুন মোড় নিচ্ছে যুদ্ধ— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের সপ্তম দিনে গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো বি-২ স্টিলথ বোম্বার ব্যবহার করে ইরানে হাজার পাউন্ডের 'বাংকার বাস্টার' বোমা হামলা চালিয়েছে বলে পেন্টাগন জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান ইসরায়েলে নজিরবিহীন ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে তেল আবিব।
এছাড়া, যুদ্ধ এখন 'নতুন ধাপে' প্রবেশ করেছে বলে গতকাল ইসরায়েল দাবি করেছে।
দেশটি বলছে, এখন থেকে ইরানের শাসনব্যবস্থার মূল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আরো বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো হবে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল অভিযান থেকে সরে এসেছেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেকেশকিয়ান জানিয়েছেন, কয়েকটি দেশ যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।
পঞ্চম শ্রেণির 'পড়ার চিন্তায়' ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আইনি জটিলতায় স্থগিত হওয়া ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা সম্প্রতি জানিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষাবর্ষের এ সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা জেনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
কারণ, গত বছর যাদের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল, তারা এখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে।
ফলে নিজেদের শ্রেণির নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের আবার এখন পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পাঁচটি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের ওপর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
যদিও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলছেন, এপ্রিলে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ বলছেন, বৃত্তি পরীক্ষা কার্যত শিক্ষায় বৈষম্য বাড়ায়। কারণ, এতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আরও পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
এছাড়া, কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার ওপর নির্ভরতা বেড়ে গিয়ে অভিভাবকদের ওপর আর্থিক বোঝাও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ সবসময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে গতকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থন দিতে কূটনৈতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন।