আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'বাংলাদেশের অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ভূমিকা রয়েছে'
বাংলাদেশের অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ভূমিকা রয়েছে, এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর।
এখানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডনাল্ড লু’র সঙ্গে বৈঠক শেষে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে।
দুই দেশের সম্পর্ককে বহুমাত্রিক উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ভূমিকা রয়েছে।
নির্বাচনের পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা চিঠিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে - জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার এবং সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী।
বাংলাদেশকে নিজের চোখ দিয়ে দেখে যুক্তরাষ্ট্র— এটি দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম।
খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বলেছেন, গত সাতই জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছিলো, তা সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
তবে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়গুলো সমুন্নত রাখতে মার্কিন অবস্থান অটুট থাকবে।
এছাড়া, র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নৃশংসতার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র বিক্ষোভসহ নানা বিষয়ে বুধবার কথা বলেছেন ডোনাল্ড লু।
তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, এই অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়েও কথা বলেন।
ডোনাল্ড লুর সফরের নানা দিক নিয়ে যুগান্তর, নয়া দিগন্ত, মানবজমিনসহ আরও কয়েকটি দৈনিক প্রধান খবর করেছে।
নিজ বাড়িকে ক্যাম্পাস দেখিয়ে ২৫ কোটি লুট— কালের কণ্ঠ পত্রিকার এই খবরে বলা হয়েছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেক নিজ বাড়িকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস হিসেবে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
রাজধানীর মতিঝিলের ২৮/১ টয়েনবি সার্কুলার রোড এবং উত্তরার বাসা নম্বর ১৪, রোড নম্বর ২৮, সেক্টর ৭—এই বাড়ি দু’টির মালিক তিনি নিজে।
ওই বাড়ি দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহৃত না হলেও কাগজে-কলমে তিনি তা ক্যাম্পাস হিসেবে দেখিয়ে গত ১০ বছরে বাড়িভাড়া বাবদ ২৫ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করেছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, ড. সাদেক অবৈধভাবে ভিসির দায়িত্ব পালনের সময় ২০১২ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্যাম্পাসের বাড়িভাড়া বাবদ এই অর্থ পরিশোধ করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরও সরকারি কোনও ধরনের নির্দেশনা ছাড়াই অবৈধভাবে ১০ বছর ভিসির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্তে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্ত কমিটি আপাতত বিশ্ববিদ্যালয়টির তহবিল হস্তান্তর না করা, ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠনসহ ১৪ দফা সুপারিশ করেছে।
চাপ বাড়ছে ব্যবসায়ী ভোক্তা সবার, বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, ছয় মাস আগেও দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারে শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্প গ্রুপের প্রতি মাসে ব্যাংক ঋণের সুদ আসত প্রায় ১২০ কোটি টাকা।
কিন্তু ঋণের সুদহার বাড়ায় গত মাসে গ্রুপটিকে বাড়তি ৩০ কোটি টাকার সুদ গুনতে হয়েছে।
সুদ ব্যয়ের পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার ও অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গ্রুপের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। গ্রুপটির বাড়তি ব্যয়ের এ বোঝা এসে চাপছে ভোক্তাদের ঘাড়ে।
দেশের বড়, মাঝারি কিংবা ছোট—সব খাতের ব্যবসায়ীরই বাড়তি সুদ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ বাড়ছে ব্যাংক খাতে।
ব্যাংক নির্বাহীরা বলছেন, বাড়তি সুদের চাপে অনেক ভালো গ্রাহকও ঋণের কিস্তি ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছেন না।
আর ব্যবসায়ীরা জানান, সুদহার বৃদ্ধির চাপ তারা আর নিতে পারছেন না।
Rooppur, Matarbari, metros to get highest ADP allocation বা রূপপুর, মাতারবাড়ী, মেট্রো রেলে সর্বোচ্চ এডিপি বরাদ্দ থাকবে, দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এখানে বলা হয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য বাজেট বাড়াতে চলেছে সরকার। এছাড়া, বিভিন্ন মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্যও অতিরিক্ত বাজেট থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উপস্থাপন করা হবে। সেখানেই কোন প্রকল্প কত বরাদ্দ পাবে, তা চূড়ান্ত হবে।
কয়লার শুল্কে বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম, এটি আজকের পত্রিকার প্রধান খবর। এখানে বলা হয়েছে, বর্তমানে কয়লা আমদানিতে পাঁচ শতাংশ শুল্ক আছে। কিন্তু এটি বাড়িয়ে ২২ শতাংশ করতে চায় সরকার।
জ্বালানি বিভাগ কয়লার আমদানি শুল্ক বাড়াতে চাইলেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে তা ১১ শতাংশ কমিয়ে ২২ শতাংশ করতে চায়। গ্যাসের ক্ষেত্রে বর্তমানে আমদানি শুল্ক ২২ শতাংশ।
মূলত, সব ধরনের জ্বালানির আমদানি শুল্ক একইরকম রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, “সব ধরনের জ্বালানিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি শুল্ক আরোপ করার চিন্তা করছি আমরা। আমাদের এখানে ডাস্ট এনার্জি কয়লার ওপর মাত্র ৫ শতাংশ আবার জ্বালানি তেলের ওপর ৩৩ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। এটির ন্যায্য সমন্বয় দরকার।”
EPZ investors may lose duty-free benefits for machinery, vehicles imports বা ইপিজেডের বিনিয়োগকারীরা যন্ত্রপাতি, যানবাহন আমদানিতে শুল্কসুবিধা হারাতে পারেন— এটি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশক ধরে শুল্কমুক্তির সুবিধা ভোগ করছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) ও হাই-টেক পার্কের বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যন্ত্রপাতি, যানবাহন ও আসবাবপত্র আমদানির ওপর শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে।
জোনের বাইরের বিনিয়োগকারীদেরকে সমান সুযোগ তৈরি করে দেওয়া ও শুল্কমুক্তির সুবিধার অপব্যবহার রোধ করাই হল এনবিআরের এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অন্যতম প্রধান কারণ।
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না, এটি যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর। এখানে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে না দেওয়ার বিষয়ে যে নির্দেশ দিয়েছেন, তা ৩০শে জুনের মাঝে কার্যকর করা হবে।
বুধবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যালয়ে সড়ক পরিবহণ উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভায় তিনি বলেন, “ঢাকায় কোনও ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না। এ বিষয়ে শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ নয়, এগুলো চলতে যাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, ২২ মহাসড়কে রিকশা ও ইজিবাইক নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন।”
তিনি বলেন, “ঢাকা শহরে যে ধরনের লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি চলে, তা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে দেখা যায় না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শহরে আধুনিক গণপরিবহণ চলাচল করে। কিন্তু ঢাকায় লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি চলে। এগুলো দেখতেও তো খারাপ লাগে।”
যেখানে এক আ.লীগ বিএনপি, এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপির রাজনীতির মত ও পথ আলাদা হলেও সাম্প্রতিক সময় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই দলকেই একবিন্দুতে দেখা যাচ্ছে।
কারণ আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার এবং স্বজনদের প্রার্থী না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু কেউ কথা শোনেননি।
অন্যদিকে, বিএনপি সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় উপজেলা ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলেও দলের মাঠপর্যায়ের নেতাদের অনেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।
দুই দলের মধ্যে তফাৎ হলো আওয়ামী লীগ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে বিএনপি বহিষ্কার করছে।
ঢাকায় সড়ক খুঁড়লেই কষ্টের একশেষ, এটি সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, রাজধানীতে আগমন ও বহির্গমনে পোস্তগোলা ও বাবুবাজার সেতু ব্যবহার করেন দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে এ দুই সেতুমুখ বাবুবাজার এবং টিকাটুলী সড়কে বিভিন্ন সংস্থার খোঁড়াখুঁড়িতে যানজটে নাজেহাল যাত্রীরা।
সকাল থেকে শুরু হওয়া টিকাটুলীর এ যানজট রাত পর্যন্ত প্রবেশমুখ ছেড়ে কাকরাইল পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে দীর্ঘ সময় যানজটে বসে থাকায় ওই অঞ্চলের মানুষের কাছে ঢাকায় আসা-যাওয়া অনেকটা যুদ্ধের মতো। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা।
তবে এ চিত্র রাজধানীর অভ্যন্তরের প্রধান সড়ক থেকে অলিগলিতেও। নগরজুড়ে কমপক্ষে শতাধিক সড়কে বিভিন্ন সংস্থা ও সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যানজট ও ভোগান্তি বাড়ছে।
আইসিজেতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে শুনানি আজ, নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার এই সংবাদে বলা হয়েছে যে রাফায় ইসরাইলের হামলার জবাবে নতুন করে জরুরি ব্যবস্থা নিতে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) আবেদন জানিয়েছে। সেই আবেদনের শুনানি হবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার।
চলতি বছর জানুয়ারিতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা আইসিজেতে গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে। তারই অংশ হিসেবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন করে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে যুক্ত হয়েছে মিসর, তুরস্ক ও কলম্বিয়া।