‘সেন্টমার্টিন চায় যুক্তরাষ্ট্র, সংসদে রাশেদ খান মেনন’

‘সেন্টমার্টিন চায় যুক্তরাষ্ট্র’, সংসদে রাশেদ খান মেনন, দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি ‘রেজিম চেঞ্জের’ কৌশলের অংশ উল্লেখ করে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন দাবি করেছেন, তারা সেন্টমার্টিন চায়, কোয়াডে (কোয়াড্রিলেটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগ) বাংলাদেশকে চায়। বর্তমান সরকারকে হটানোর লক্ষ্যে তারা সব কিছু করছে। বুধবার জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

একই বিষয়ে নিয়ে সমকালের খবর মার্কিনিরা সেন্টমার্টিন চায়, বর্তমান সরকারকে হটাতে সব করছে: মেনন। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে উপলক্ষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি ‘রেজিম চেঞ্জের’ (ক্ষমতা বদল) কৌশলের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। তিনি আরো বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যারা বন্ধু, তাদের শত্রুর প্রয়োজন নেই। বেশকিছু সময় আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে বাগে রাখতে স্যাংশন দিয়েছে। এখন নির্বাচনকে উপলক্ষ করে ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে। এটা কেবল দূরভিসন্ধিমূলকই নয়, তাদের ‘রেজিম চেঞ্জে’র কৌশলের অংশ। তারা সেন্টমার্টিন চায়, কোয়াডে বাংলাদেশকে চায়।”

নয়া দিগন্তের শিরোনাম, শেখ হাসিনার অবস্থানকে চীনের সমর্থন। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে চীন।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়ে শুধু বাংলাদেশের জনগণের পক্ষেই কথা বলছেন না, তিনি কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্বের হয়ে।

এই সংবাদটি প্রায় প্রতিটি পত্রিকাতেই এসেছে।

চীনের মাধ্যমে হচ্ছে না বকেয়া পরিশোধ, সমকালের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে রাশিয়া। এতে দেশটির সঙ্গে অন্য দেশের লেনদেনেও দেখা দিয়েছে নানা জটিলতা। এরই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার অর্থায়নে পাবনায় বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিশোধও আটকে আছে। বকেয়া প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার সরাসরি রাশিয়াকে না দিয়ে পিপলস ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে পরিশোধের জন্য গত এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রটোকল সই হয়।

তবে বাংলাদেশ থেকে চীনে অর্থ পরিশোধের বার্তা পাঠানোর একমাত্র উপায় ‘সুইফট’। এ ব্যবস্থায় অর্থ দিলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে– এ কারণে আপাতত পরিশোধ হচ্ছে না বকেয়া।

প্রথম আলোর শিরোনাম, বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ চেয়ে ব্লিঙ্কেনকে ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠি। এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভূমিকা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের কাছে চিঠি লিখেছেন দেশটির ছয়জন কংগ্রেস সদস্য। তাঁরা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য।

গত ৮ই জুন দেওয়া ওই চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা বলেছেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন এগিয়ে আসায় মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে। এটি নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিতে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

আমেরিকার নিষেধাজ্ঞায় সরকারের হাঁটু কাঁপছে, এমন শিরোনাম করেছে সমকাল। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন মানে এখন মানুষকে বোকা বানানো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, "আমেরিকা স্যাংশন দিয়েছে, লজ্জায় আমরা মুখ দেখাতে পারি না। কেন স্যাংশন আসে? র‍্যাবকে কারা ব্যবহার করছে, এই সরকার, শেখ হাসিনার সরকার। ভিসা নীতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আওয়ামী লীগ নাকি ভয় পায় না। কিন্তু এমন ভয় পেয়েছে, হাঁটু কাঁপছে। ভিসা নীতির কারণে আবার যেনতেন নির্বাচন করলে, তাদের রেহাই নেই।"

নিউএইজের শিরোনাম, ‘AL govt destroys election system, says BNP,’ অর্থাৎ, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন ধ্বংস করছে, বিএনপি এই মন্তব্য করেছে। এই খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান বিরোধীদল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দলীয় নেতাকর্মীদের একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রিয় তরুণ নেতাকর্মীরা আপনারা দেশকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে আসুন, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সামনে আসুন।’

বাংলাদেশের অতীত নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক ও প্রশংসা দুটোই আছে, বণিকবার্তার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, বণিকবার্তাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল এক প্রশ্নের উত্তরে বলছেন, আগের দুটি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করব না। নির্বাচন দেশে নতুন হচ্ছে না। অতীতে অনেক নির্বাচন হয়েছে। বিতর্ক হয়েছে। প্রশংসা হয়েছে। সমালোচনা হয়েছে। সফলতা-বিফলতার বিষয়টি আপেক্ষিক। নির্বাচন কমিশন তার যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবে।

১৯ দল নিয়ে ‘গোপন’ বৈঠক, নানা গুঞ্জন- যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে চলছে নানামুখী তৎপরতা। এর অংশ হিসাবে মঙ্গলবার রাজধানীর মালিবাগের স্কাই সিটি হোটেলে ১৯টি রাজনৈতিক দল নিয়ে ‘গোপন’ বৈঠক করে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপির সভাপতি ক্বারি মো. আবু তাহের।

হঠাৎ করে তার এমন ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে নানা কৌতূহল। পর্দার আড়ালে চলছে তোলপাড়।

বিএনপির হাইকমান্ডও এ ব্যাপারে খোঁজখবর শুরু করেছেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া দলগুলোর কর্মকাণ্ডের ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সেদিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপির হাইকমান্ড। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এমন তথ্য।

এক দফার আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি, নয়াদিগন্তের শিরোনাম এটি। এতে বলা হচ্ছে, এক দফার আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি। ১০ দফা দাবিতে গত ছয় মাস নানা কর্মসূচি পালনের পর দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম দ্রুত সময়ের মধ্যে এক দফার আন্দোলনে নামার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শরিক দলগুলোর সাথেও বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। জানা গেছে, কোরবানির ঈদের আগে না হলে এর পররপরই ঢাকায় বিশাল সমাবেশ করে এক দফার ঘোষণা দেয়া হবে। এক দফায় থাকছে সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ।

এটি নিয়ে কালেরকণ্ঠের শিরোনাম, এক দফার খসড়া চূড়ান্ত শরিকরাও মত দিচ্ছে। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক দফা দাবির খসড়া তৈরি করেছে বিএনপি। খসড়ায় এক দফার সংজ্ঞা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্যসহ বিস্তারিত পথনকশা তুলে ধরা হয়েছে। এর ভিত্তিতে আন্দোলনে যেতে শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকও শুরু করেছে তারা। গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর এক দফা দাবির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।

অন্যান্য খবর

নাজুক রিজার্ভ পরিস্থিতি সত্ত্বেও আমদানিনির্ভরতার পথে হাঁটছে জ্বালানি বিভাগ- বণিকবার্তার খবর এটি। এতে বলা হচ্ছে, ডলারের অভাবে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এরই মধ্যে জ্বালানির বিল পরিশোধ করতে না পারায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিড়ম্বনার মধ্যেও পড়তে হয়েছে।

চরম এ সংকটের মুহূর্তেও আমদানিনির্ভরতার নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না জ্বালানি বিভাগ। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবচেয়ে রক্ষণশীল উপায়ে হিসাব করে দেখা গেছে, চলতি ২০২৩ থেকে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত শুধু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও কয়লা আমদানি করতেই সরকারকে অর্থ ব্যয় করতে হবে প্রায় ৪২ বিলিয়ন ডলার।

প্রথম আলোর শিরোনাম, এবার ফার্নেস তেলের সংকট। এতে বলা হয়েছে, কয়লার পর এবার ফার্নেস তেলের সংকটে পড়েছে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের সরবরাহের ঘাটতি থাকায় তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। এই তেল দিয়ে দেশের ২৭ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে।

জ্বালানি তেল আমদানির একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্র বলছে, বিপিসির কাছে বর্তমানে ফার্নেস তেলের মজুত এক সপ্তাহের। তবে ফার্নেস তেলের নতুন দুটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। মাসের শেষ দিকে ওই জাহাজের তেল পাওয়া যাবে। এই পরিস্থিতিতে ফার্নেস তেলের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমবে। এতে বাড়তে পারে লোডশেডিং।

মহেশখালীতে হচ্ছে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল, দৈনিক ইত্তেফাকের খবর এটি। এতে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে দৈনিক ৬০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন কিউবিক ফুট) ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি নির্মাণ করবে সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড। গতকাল বুধবার ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এই খবরটি প্রায় প্রতিটি প্রত্রিকাই প্রকাশ করেছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে ক্ষতি ৩৫ হাজার কোটি টাকা, এমন শিরোনাম করেছে দৈনিক নয়াদিগন্ত। এতে বলা হয়েছে, দেশে বড় বড় মেগা প্রকল্প হয়েছে। এই মেগা প্রকল্পসহ এত উন্নয়ন করার পরও স্বস্তি পওয়া যাচ্ছিল না, শুধু দুর্ঘটনার কারণে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় দেশে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক ক্ষতি হয়।