আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'পায়রার মতো স্বপ্নভঙ্গ হতে পারে মাতারবাড়ীরও'
পায়রার মতো স্বপ্নভঙ্গ হতে পারে মাতারবাড়ীরও— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর তীরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা পরিবহনে ব্যবহার করা হয় রাবনাবাদ চ্যানেল।
আবার পায়রা বন্দরকেন্দ্রিক যে কর্মপরিকল্পনা, তা-ও রাবনাবাদ চ্যানেল ঘিরে।
কিন্তু চ্যানেলে নাব্য সংকটের কারণে কয়লা বা অন্যান্য পণ্যবাহী বড় জাহাজ সবসময় জেটিতে নোঙর করতে পারে না। তাই এখানকার বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে একটি অনিশ্চয়তা রয়েছে।
সব মিলিয়ে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে পায়রাকে ঘিরে লজিস্টিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা সফল হয়নি। বরং বিপুল ব্যয়ের পর পুরো প্রকল্প দেশের অর্থনীতির জন্য বোঝা হিসেবে দেখেন অনেক অর্থনীতিবিদ।
এখন মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানাচ্ছেন অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।
কারণ, তেইশে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হলেও তা থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রত্যাশিত বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে না।
প্রার্থী বৈচিত্র্যে লড়াইয়ের আভাস— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, আজ সকাল ৮টা থেকে শুরু হচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদগুলোর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। প্রায় সাড়ে ছয় বছর পর ডাকসুতে হচ্ছে ভোটের উৎসব।
প্রার্থীর সংখ্যা বেশি এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ হওয়ায় এবারের ডাকসু নির্বাচনে অধিকাংশ পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো জড়িয়ে পড়ায় ধারণা করা হচ্ছে, ছাত্র সংসদে জয়-পরাজয় জাতীয় নির্বাচনকেও প্রভাবিত করতে পারে। ফলে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে সারাদেশে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ডাকসুর শীর্ষ তিন পদে ১৯ থেকে ৪৪ জন প্রার্থী হয়েছেন। তবে জয়ের লড়াইয়ে রয়েছেন চার থেকে ছয়জন করে। হল সংসদেও একই অবস্থা।
ফলে কোন প্যানেল বা প্রার্থী জয়ী হবেন– এমন ধারণা ভোটের আগের দিনও করা যায়নি।
১৩ দিনের নির্বাচনী প্রচারে কথার লড়াই এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি সাইবার বুলিংয়ে উত্তেজনা ছড়ালেও এবার নির্বাচন ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষ হয়নি। কেউ কারও প্রচারে বাধা দেয়নি।
এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এরপরও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য মোতায়েন থাকবে দুই হাজার পুলিশ।
লুকানোর কিছু নেই, সবাই ক্যামেরার অধীনে থাকব— প্রথম আলোর প্রথম পাতার শিরোনাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদের বক্তব্য এটি।
এই নির্বাচন আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ডাকসুর ভোটের খবর নিয়ে আজ ঢাকার সকল সংবাদপত্র তাদের প্রথম পাতায় বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
পত্রিকাটিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ বলেছেন, ডাকসু নির্বাচন আয়োজনে আমাদের ভালো প্রস্তুতি আছে। কিছু আশঙ্কাও আছে, তবে তা বড় কিছু নয়।
তার মতে, এই ধরনের একটি আয়োজনে তো আসলে কোনও ধরনের আশঙ্কাহীন বলে কোনও কিছু নেই। এটা আপেক্ষিক বিষয়।
ডাকসু নির্বাচনকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আনন্দঘন করার জন্য সামনে যা কিছু আসছে, সেসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান ঢাবি ভিসি।
নিয়াজ আহমেদ উল্লেখ করেন, বিতর্ক এড়াতে হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো, ভোট গণনার সময় প্রার্থীদের প্রতিনিধি ও নির্বাচন কমিশনের লোকজনের উপস্থিতি এবং সাংবাদিকদেরও রাখা হবে।
পাশাপাশি বাইরে ইলেকট্রনিক পর্দায় তা দেখানো হবে।
জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ায় বড় পরিবর্তন আসছে— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সংবিধান ও আইনের ওপরে সনদের প্রাধান্য, জুলাই সনদ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা বন্ধের অঙ্গীকার ও সনদের ব্যাখ্যা দেয়ার ক্ষমতা আপিল বিভাগকে দেয়ার প্রস্তাব থেকে সরে আসছে ঐকমত্য কমিশন।
সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে না জুলাই সনদে।
রাজনৈতিক দল ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কমিশন কেবল সুপারিশ আকারে তা সরকারকে দেবে, সরকারই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবে কোন পদ্ধতিতে সনদ বাস্তবায়ন করবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত সনদ দুই খণ্ডে প্রকাশিত হতে পারে।
প্রথম খণ্ডে থাকবে যেসব সংস্কারে পূর্ণ ঐকমত্য আছে এবং যা প্রশাসনিক আদেশ বা অধ্যাদেশে অবিলম্বে কার্যকর করা সম্ভব।
দ্বিতীয় খণ্ডে থাকবে সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজনীয় প্রস্তাব এবং যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম— দলগুলো একমত না হলে বিশেষজ্ঞ মতামতই চূড়ান্ত।
এতে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রূপরেখা তৈরি করতে আগামী বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছে ঐকমত্য কমিশন।
সেখানে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞদের মতামত দলগুলোকে জানানো হবে । দলগুলো তাতে একমত না হলে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে সুপারিশ করবে কমিশন ।
এবার দলগুলোর সঙ্গে একদিনেই বৈঠক শেষ করতে চায় কমিশন । তবে প্রয়োজনে একাধিক দিনে গড়াতে পারে।
ইতোমধ্যে সনদের বিশেষ আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বাকিগুলো অধ্যাদেশ ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে বলেন।
জুলাই সনদের ঐকমত্য হওয়া ৮৪টি বিষয়কে বাস্তবায়নের জন্য তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি বিশেষ সাংবিধানিক আদেশে, ২১ টি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ এবং ৯ টি সরকারের নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়নের কথা ভাবা হচ্ছে।
Mobs not to be allowed to undermine Liberation War: army; অর্থাৎ সেনাসদর বলছে, মব করে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার সুযোগ নেই। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রথম পাতার খবর এটি।
গতকাল সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেছেন, 'মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের আগেও আমরা যেভাবে সশ্রদ্ধ সম্মান করেছি, আজও করি এবং ভবিষ্যতেও অন্তরের অন্তস্তল থেকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করবো।'
কোনও মব বা কোনও কিছু করে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার কোনও সুযোগ নেই বলে এ সময় তিনি স্পষ্ট করেন।
মবের বিরুদ্ধে নিজেদের জিরো টলারেন্স অবস্থানের কথা উল্লেখ করে আগামীতে এক্ষেত্রে আরও উন্নতি দেখার কথা জানায় সেনাসদর।
কোনও কোনও মবের ক্ষেত্রে সোর্স থেকে দেরিতে তথ্য পাওয়ার কথাও জানানো হয়। এ কারণে ঘটনাস্থলে যেতে সময় লেগেছে।
এ সময় আবারও বলা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— বাংলাদেশ এগোচ্ছে এই বয়ান ফেলে দিতে হবে!
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে এমন বয়ান থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান।
দুর্নীতির পাশাপাশি হয়রানিকে রাষ্ট্রীয় ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করে অর্থনীতির গতি বাড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম (বিবিএফ) আয়োজিত 'বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের করণীয় ও এফবিসিসিআইয়ের ভূমিকা' শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি বললেন, 'আমরা খুব সহজে আত্মতুষ্টির ফাঁদের মধ্যে ঢুকে যাই। আগেও ঢুকেছি। এখনও কিন্তু সেই আত্মতুষ্টির ফাঁদের মধ্যে ঢুকে যেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। বাংলাদেশ এগোচ্ছে এই বয়ান আজ আমাদের ফেলে দিতে হবে।
বাংলাদেশ এগোচ্ছে আজকের বাস্তবতায় এটি পর্যাপ্ত নয়। মূল বিষয় হলো এগোনোর গতি। এগোচ্ছে বলে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।'
বিবিএফের এই সেমিনার নিয়ে করা কালের কণ্ঠের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবরের শিরোনাম— ব্যবসায়ীরা এতিমের মতো অবস্থায়।
এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আবদুল হক বলেছেন, রপ্তানি কাঠামোর দুর্বলতা, শুল্ক কোটা বাধা, অবকাঠামো সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতায় ব্যবসায়ীরা আজ 'এতিমের মতো' অবস্থায় রয়েছেন।
তার ভাষ্য, দেশের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
'সুরক্ষিত' রয়েই গেল কানাডার বেগমপাড়া— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশ থেকে অর্থপাচারের কথা এলেই যে দেশটির কথা সবার আগে চলে আসে, তা হলো 'কানাডার বেগমপাড়া'।
তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছর পার হলেও কানাডায় পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের তেমন উদ্যোগ এখনও নেয়া হয়নি।
বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে কানাডায় এমন ১৮টি পাচারের ঘটনাও শনাক্ত করা হয়েছিল।
কিন্তু এ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেও সরিয়ে দিয়েছে ছুটিতে পাঠানো বহুল আলোচিত বিএফআইইউ প্রধান শাহীনুল ইসলাম।
কানাডার হালনাগাদ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০২৫ অনুযায়ী যেকোনও দেশের পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার অন্য অনেক দেশের তুলনায় অনেক অনুকূলে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
নেপালে জেনজিদের বিক্ষোভে গুলি: নিহত ১৯— যুগান্তেরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতির প্রতিবাদে নেপালে জেনজিদের বিক্ষোভে পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে বিক্ষুব্ধ তরুণরা সংসদ ভবনে ঢুকে পড়লে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এর প্রেক্ষিতে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।