'সন্দেহে আটকে আছে সমঝোতা'

পত্রিকা

জাতীয় পার্টিকে ঘিরে নাটকীয়তা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘সন্দেহে আটকে আছে সমঝোতা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত আসন সমঝোতা নিয়ে এগোতে পারছে না দল দুটি।

পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সন্দেহের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জাপা নেতারা নির্বাচনে নিজেদের আসনে বিজয়ী হওয়ার নিশ্চয়তা চেয়ে আসছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছ থেকে তারা সেই নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।

আবার জাপার কোনো কোনো নেতা ব্যক্তিগতভাবে মনে করছেন, তাঁকে হয়তো জিতে আসতে দেওয়া হবে না। ফলে অবিশ্বাস গাঢ় হচ্ছে।

দুই দলের শীর্ষ নেতাদের দাবি, আওয়ামী লীগের সন্দেহের কারণ মূলত তিনটি। আসন নিয়ে জাপার অতিমাত্রায় দর-কষাকষি, অরাজনৈতিক মহলে দলটির নেতাদের দৌড়ঝাঁপ এবং দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রহস্যজনক ভূমিকা।

ধারণা করা হচ্ছে, এই সন্দেহ ও অবিশ্বাস থেকে জাতীয় পার্টি সংসদ নির্বাচনে থাকবে কি না, তা নিয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় সংশয় প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা।

প্রথম আলো

আসন ভাগাভাগি নিয়ে দুই দলের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে প্রথম আলোর প্রধান খবর, ‘জাপার সঙ্গে আ.লীগের সমঝোতা অনিশ্চয়তায়’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির (জাপা) আসন ভাগাভাগির বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাপা নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে এমন সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

তাদের সঙ্গে আসল ভাগাভাগির প্রশ্নে আলোচনা না করার আভাসও দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

তবে জাপা নেতাদের মতে তাদের দলকে আরো চাপে রাখতে এই সন্দেহ বা অবিশ্বাস প্রকাশ করা হচ্ছে।

এদিকে সবশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপার নেতৃত্বকে নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা প্রকাশ করেছেন।

এ নিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যরা বলছেন, জাতীয় পার্টি কে বিশ্বাস করা যায় না জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে কি করবে কোন নিশ্চয়তা নেই।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের এমন সন্দেহ প্রকাশের ঘটনায় নানা আলোচনা চলছে জাতীয় পার্টিতে। আলোচনা রয়েছে আওয়ামী লীগেও।

ইত্তেফাক

প্রধানমন্ত্রীর কাছে রওশন এরশাদের অভিযোগ নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘জি এম কাদের ক্যু করে জাতীয় পার্টি দখল করেছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে নির্বাচনী জোট না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানিয়েছেন দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং সংসদের প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে এক বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন জাপা।

রওশন এরশাদ প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন জি এম কাদের অবৈধভাবে ক্যু করে জাতীয় পার্টি দখল করেছে। জাতীয় পার্টির একটা খণ্ডিত অংশ নির্বাচনে যাচ্ছে।

দলের শত শত নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে। তাদের মনোনয়ন বঞ্চিত করেছে। এ কারণে রওশন এরশাদ নির্বাচন বর্জন করেছেন।

সেজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন জাতীয় পার্টির সঙ্গে কোন ধরনের সমঝোতা করতে চাইলে যেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

আসন্ন নির্বাচনকে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করতে সারা দেশে জাপার এককভাবে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নির্বাচনী শিষ্টাচার নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘ভোটের প্রচার ছাড়া, অন্য রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী ১৮ই ডিসেম্বর থেকে ৭ই জানুয়ারী ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা ছাড়া অন্য কোনো সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এই সময়ে শুধুই ভোটের প্রচারণা ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে ইসি।

মঙ্গলবার কমিশন এ নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, আগামী ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৮ই ডিসেম্বর থেকে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।

এই সময়ে নির্বাচনে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারে এমন অন্য কোন কর্মসূচি করা যাবে না।

নির্বাচনী প্রচারণা ছাড়া অন্য কোনো সভা, সমাবেশ বা সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে ইসি।

মানবাধিকার প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘মানবাধিকার সঙ্কুচিত হওয়ায় ৬ আন্তর্জাতিক সংগঠনের উদ্বেগ।’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন।

আগামী ৭ই জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে এখানে মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং নাগরিক সমাজের স্থান সঙ্কুচিত হয়ে আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

রবার্ট এ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে তারা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে চারটি সুপারিশ তুলে ধরেছে। তাতে বাংলাদেশের মানবাধিকার ও নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১. প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে হবে।

২. অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে সব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

৩. ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের পূর্ণাঙ্গ এবং পক্ষপাতহীন তদন্ত করতে হবে।

৪. নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অধিকারকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

নিউ এইজ

দ্রব্যমূল্য নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Price hikes land a fresh blow on consumers’ অর্থাৎ ‘ফের দাম বৃদ্ধির ধাক্কা খেল ভোক্তারা’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত কয়েকদিনে পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, রসুন, আদা, ডিম, চিনিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে ধাক্কা খেয়েছে ভোক্তারা।

শুক্রবার শনিবার ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার পরে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার প্রতি কেজি রসুনের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে এবং দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে এবং আমদানি করা রশুন বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজিতে।

আমদানি করা আদার দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে এবং ওই দিন পণ্যটি বিক্রি হয়েছে ২৬০ টাকায়।

ডিমের দাম প্রতি হালি দুই থেকে চার টাকা বেড়েছে এবং শহরের বাজারে প্রতি হালি ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সয়া বিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে, খোলা তেল প্রতি লিটার ১৬০-১৬৫ টাকায় এবং প্যাকেটজাত তেল ১৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

শহরের বাজারে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে চিনি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাজার পর্যবেক্ষণ শাখা, পেঁয়াজ এবং অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে অভিযান শুরু করেছিল, তবে এই পদক্ষেপ বাজারে তেমন কোন প্রভাব ফেলছে না।

যুগান্তর

পেঁয়াজের দাম নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘ভোক্তা না কেনায় গুদামে নষ্ট হচ্ছে পেঁয়াজ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবার শক্তিশালী আড়তদার সিন্ডিকেট আড়ত থেকে পেঁয়াজ সরিয়ে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।

তাদের কারসাজিতে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২০০ থেকে ২৪০ টাকা ঠেকানো হয়, যা ১১০ থেকে ১৩০ টাকা ছিল।

তবে এবারই প্রথম নীরব প্রতিবাদ হিসাবে বাড়তি দাম দিয়ে পেঁয়াজ কেনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ভোক্তা। ফলে পণ্যটি না কেনায় আড়ত থেকে সরবরাহ কমে যায়।

অনেক গুদামেই নষ্ট হচ্ছে পেঁয়াজ। বস্তাবন্দি থাকায় পচন ধরেছে পেঁয়াজে।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেঁয়াজ কেনা থেকে বিরত থাকতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। ফলে ক্রেতারা বাড়তি দরে পেঁয়াজ কেনা থেকে বিরত ছিলেন।

অতিপ্রয়োজন না হলে কেউ পেঁয়াজ কেনেননি। পাশাপাশি দেশি নতুন পেঁয়াজ পুরোদমে বাজারে আসতে শুরু করেছে।

ফলে দিশেহারা হয়ে সেই শক্তিশালী সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম কমাতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার ঢাকার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা।

এছাড়া দেশি নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় আগের পুরোনো পেঁয়াজ ক্রেতার প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে সব মিলে লুকিয়ে রাখা পেঁয়াজ লুকিয়েই নষ্ট হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার

আইএমএফ এর ঋণ ছাড় নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘IMF approves $681m in 2nd tranche of loan for Bangladesh’ অর্থাৎ, ‘আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য ২য় ধাপে ৬৮১ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আইএমএফ বোর্ড বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় কিস্তির ঋণের অনুমোদন দিয়েছে। যার পরিমাণ ৬৮১ মিলিয়ন ডলার বা ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এই ঋণ পেতে দেশটি প্রয়োজনীয় দুটি শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় কিস্তি পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

এই ঋণ পাওয়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস পাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছিল সেটা কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবে।

দ্বিতীয় কিস্তির এই ঋণ শিগগিরই দেয়া হবে এবং এটি দিয়ে প্রায় ১৫ দিনের আমদানি বিল কভার করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আইএমএফ এর কাছে ৪৫০ কোটি ডলার চেয়েছে।

কিন্তু রিজার্ভের ন্যূনতম পরিমাণ এবং নূন্যতম কর রাজস্ব এই দুটি শর্ত পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। এরপরও এই ঋণ ছাড় নিয়ে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক মামলায় আসামীদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘আসামি না পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যকে গ্রেপ্তার, আইন কী বলে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় আসামিকে না পেয়ে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের ধরে নেয়ার অভিযোগ আসছে বেশ কিছুদিন ধরে।

আসামিকে না পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যকে আটকের এসব ঘটনাকে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজ্ঞরা আইনবিরোধী কাজ এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন।

গত মাসে এক বিএনপি নেতাকে দুই ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। যাদের কেউই কোন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে পরিবার দাবি করেছে।

পুলিশ বাসায় এসে তাদের বাবাকে আটক করতে না পেরে ওই শিক্ষার্থী সন্তানদের নিয়ে যায়।

অথচ আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজনের দায় আরেকজনের ওপরে বর্তানোর কোনো বিধান আইনে নেই। যার যার কৃতকর্মের দায় তাকেই ভোগ করতে হয়।

আসামিকে না পেয়ে পরিবারের কিংবা অন্য কাউকে আটক করার কোনো বিধান নেই। এরপরও এসব ঘটনা অনেক আগে থেকেই ঘটছে।

একে সম্পূর্ণ বেআইনি, চরম অমানবিক এবং মানুষের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি বলেও দাবি করা হয়েছে।

বণিক বার্তা

এদিকে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ঋণ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘নগদের সংকট, সঞ্চয় ভেঙে ঋণ পরিশোধ করছে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদ্যুতের মূল্য বাবদ সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর পাওনা অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এতে নগদ অর্থের সংকটে পড়ে গেছে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশী বিভিন্ন ব্যাংকের কাছ থেকে নেয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে নিজস্ব তহবিল ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ থেকে।

এসব ঋণের বিপরীতে সরকারের গ্যারান্টি দেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ এরই মধ্যে অর্ধ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কোনো কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তা সরকারকে বিপাকে ফেলে দিতে পারে।

টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বিদেশী ঋণের কিস্তি পরিশোধে সরকারের ব্যয় এমনিতেই বেড়েছে।

তার ওপর সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে অর্থ সরকারকে পরিশোধ করতে হবে এবং এতে সরকারের ওপর ঋণ পরিশোধের চাপ আরো বাড়বে।

এতে সরকারের ব্যয় আরো বাড়বে। ফলে সার্বিকভাবে সামষ্টিক অর্থনীতির অসামঞ্জস্যতা বাড়বে।

এ অবস্থায় ঋণদাতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঋণ পরিশোধের বিষয়টি পিছিয়ে দিতে হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এজন্য তারা ঋণদাতার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঋণ পুনর্গঠন করার কথা জানান।

কালের কণ্ঠ