‘হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার তদন্ত শুরু’

পত্রিকা

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার তদন্ত শুরু— এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় সারা দেশে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি, হত্যার নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত বাগেরহাটের আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মো. বুলবুল কবির গতকাল বুধবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্ত সংস্থার উপপরিচালক (প্রশাসন) ও তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগটি গ্রহণ করেন। পরে তা অভিযোগ নিবন্ধন বইয়ে নিবন্ধন করা হয়।

কোনো অভিযোগ নিবন্ধনের পর তা মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়।

তদন্ত সংস্থার উপপরিচালক (প্রশাসন) ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, “অভিযোগটি নিবন্ধন বইয়ে নিবন্ধনভুক্ত করা হয়েছে। এই নিবন্ধনের মানে মামলা হয়েছে। আমরা তদন্তকাজও শুরু করে দিয়েছি। আপাতত পেপারওয়ার্ক করছি।”

এই খবরটি আজ দেশের অনেক পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

আরও পড়তে পারেন:
কালের কণ্ঠ

Salman F Rahman, Anisul Huq put on ten-day remand— এটি নিউ এজ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকার নিউমার্কেট এলাকার এক দোকানের কর্মচারী শাহজাহান আলীকে হত্যার অভিাযোগে নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালত ওই আদেশ দেন।

নিউ এজ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

শেখ মুজিব হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের হাত, গুজব ছড়িয়েছিল ভারত থেকে— এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৯শে অগাস্ট কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের যুব সংগঠনের প্রধান প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির একটি উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়।

বক্তব্যে দাবি করা হয় ‘উপমহাদেশে সিআইএ ও চীন কতটা সক্রিয়, তা শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো’।

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে দেয়া কোনও বক্তব্যের এটিই প্রথম ছাপা নিদর্শন। প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার গুজবও প্রথম ভারতেই ওঠে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড নিয়ে সে সময় ভারতজুড়ে নানা ধরনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছিল বলে বণিক বার্তার এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

নয়াদিল্লিতে এমনই এক প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে অল ইন্ডিয়া পিস অ্যান্ড সলিডারিটি অর্গানাইজেশন। সেখানে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (সিপিআই) রাজ্যসভা সদস্য ভুপেশ গুপ্তা অভিযোগ তোলেন, সিআইএ শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের সহযোগিতা করেছিল। তার ভাষ্যমতে, মুজিব হত্যাকাণ্ড ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সমর্থনে সংঘটিত ডানপন্থী ষড়যন্ত্রের অংশ।

ভারতে চলমান ওই অভিযোগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাস।

বিবিসি বাংলার আরও খবর:
বণিক বার্তা

দিল্লিতে বসে হাসিনার বিবৃতি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর— মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন এটি।

এতে বলা হয়, সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে বিবৃতি দিলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। শেখ হাসিনা যেন দিল্লি বসে আর কোনও বিবৃতি না দেন- সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ভারতের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে উপদেষ্টা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করেন।

কিন্তু এ বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের জবাব কী ছিল জানতে চাইলে গতকাল সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচায় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আমাদের সরকারের অবস্থানটা স্পষ্ট করেছি। এটার জবাব তিনি (হাইকমিশনার) কীভাবে দেবেন? তিনি তো ডিসাইড করতে পারবেন না।”

“তিনি এ নিয়ে কিছু বলতে পারেন না বলেই আমি মনে করি। এটা সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি যেটা পারেন, তার সদর দপ্তরে জানানো। আমি নিশ্চিত তিনি এটা সদর দপ্তরে জানাবেন,” বলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
মানবজমিন

এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরও ৫ ব্যাংক ঝুঁকিতে— দৈনিক প্রথম আলো’র এই দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংক বাদে আরও পাঁচটি ব্যাংক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইচ্ছেমতো লুট করে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে সদ্য বিদায়ী আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ।

ঋণের নামে পাচার করা এই টাকা ব্যাংকে ফেরত না আসায় ব্যাংকগুলো দেড় বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাহিদামতো টাকা জমা রাখতে পারছে না। কিন্তু চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকায় তৎকালীন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সায়ে সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার টাকা ছাপানোসহ অন্যান্য বিশেষ সুবিধা দিয়ে এস আলম-নিয়ন্ত্রিত ছয়টি ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখেছিলেন।

এখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সুবিধা কাটছাঁট করেছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ। এখন ব্যাংকটির এক-তৃতীয়াংশ ঋণই গ্রুপটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট। একই বছরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় দখল করে এস আলম গ্রুপ।

আগের বছর তারা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ এস আলম গ্রুপের হাতে। আর ২০০৪ সালে সিকদার গ্রুপ থেকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ যায় এস আলম গ্রুপের কাছে।

প্রথম আলো

Beximco leaves Janata Bank in poor health— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম বিশ্বস্ত উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে ব্যাংকটিকে ঝুঁকিতে ফেলেছিল। সেই ঋণের পরিমাণ ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত এই ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধনের চেয়ে নয় গুণ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনতার বকেয়া ঋণের প্রায় ৪৯ শতাংশ মন্দ ঋণ এবং এর ৩৭.৫ শতাংশ বেক্সিমকো গ্রুপের কাছে প্রাপ্য। এই গ্রুপটির ভাইস-চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান যাকে গতকাল একটি মামলায় রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

ব্যাংককে পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি একটি একক পক্ষকে ঋণ দেওয়ার অনুমতি নেই। জুন শেষে জনতা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা।

নথি বলছে, জনতা ব্যাংকের কাছে বেক্সিমকোর বকেয়া ঋণের ৭২ শতাংশই খেলাপি হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

পালাবদলে চাঁদাবাজি ও দখলের মচ্ছব— এটি আজকের পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ শুরু করেছে নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকার।

দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন সরকারের উপদেষ্টারাও। কিন্তু এসবে গা করছে না একটি গোষ্ঠী। সরকারি, বেসরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে তারা।

কেউ চাইছে ঠিকাদারি, কেউ দাবি করছে চাঁদা, আবার কেউ ব্যস্ত চেয়ার দখল নিয়ে। ক্ষমতার পালাবদলে যে দখলের মচ্ছব লেগেছে সর্বত্র।

আজকের পত্রিকা

বিশেষ আইনে বিপুল নয়ছয়— এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের বিশেষ আইন পাস হওয়ার পর বেসরকারি ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে গত ১৩ বছরে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে সরকার।

এর মধ্যে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ (কেন্দ্র ভাড়া) বাবদই গুনতে হয়েছে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি। যদিও দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনা হলে বিপুল পরিমাণ অর্থের সাশ্রয় হতে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতের কর্মকর্তারা।

প্রতিযোগিতা ছাড়া ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান)’ বিশেষ আইনে বিদ্যুৎ কেনার ফলে কী পরিমাণ অর্থের তছরুপ হয়েছে, তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি। তবে খাত-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপকালে যে ধারণা পাওয়া গেছে, তাতে এর পরিমাণ প্রায় ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার মতো হতে পারে।

দেশ রূপান্তর

রাজধানীতে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয়া তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন এটি। এখানে বলা হয়েছে, ঢাকার সায়েদাবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয়া তিন যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- সাইদুল ইসলাম ইয়াসিন (১৯), সাঈদ আরাফাত শরীফ (২০) ও অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি। গতকাল সকাল ৬টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কৌশলে একজন মাদরাসাছাত্রসহ ওই তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

নয়া দিগন্ত

তথ্য গোপন করে সরকারকে ৪১ হাজার কোটি টাকার ঋণ— সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। এখানে বলা হয়েছে, সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময়ে তথ্য গোপন করে ৬২ দিনে সরকারকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত অর্থবছরের শেষ সময়ে দেওয়া হয় বিপুল অঙ্কের এ ঋণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখানো হয়, নতুন ঋণ না নিয়ে ৬ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা আগের দায় সমন্বয় করেছে। সরকার পরিবর্তনের পর তথ্য গোপন করে টাকা ছাপিয়ে এ ঋণ দেওয়ার ঘটনা বেরিয়ে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন এক সময়ে তথ্য গোপন করে সরকারকে টাকা ছাপিয়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়, যখন দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ছিল। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গত বছরের জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষণা দেয়, বাজারে টাকার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সরাসরি কোনো ঋণ দেওয়া হবে না। কেননা সরাসরি ঋণ দিলে বাজারে টাকার সরবরাহ বেড়ে মূল্যস্ফীতি উসকে দেয়।

আরও পড়ুন:

শামসুল হক টুকু, পলক ও সৈকত গ্রেফতার— যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু; সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে বুধবার রাতে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আত্মগোপনে থাকাবস্থায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পল্টন থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

বুধবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ বিভাগ এই তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।