‘রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা’

‘রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা’- শিরোনামে প্রথম পাতায় খবর প্রকাশ করেছে দৈনিক মানবজমিন।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশে ৫ দিনের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
এতে বলা হয়েছে, রেমিট্যান্সের এ নেতিবাচক প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভের ওপরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায় বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছে সরকার।
নানা কৌশলে রেমিট্যান্স বাড়াতে কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নির্ধারিত রেটের চেয়ে বেশি দামে ডলার কিনতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও বলা হয়েছে এই খবরে।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে মানবজমিনের এই সংবাদে বলা হচ্ছে, গত ১৮ই জুলাই থেকে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় রেমিট্যান্স সংগ্রহ বন্ধ ছিল।
এরপর সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু হলে রেমিট্যান্স সংগ্রহ শুরু হয়। কিন্তু ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা আংশিক চালুর পর ব্যাংক ও এমএফএসের রেমিট্যান্স সংগ্রহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ব্যাপক কমেছে।
এছাড়াও সম্প্রতি কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট বন্ধ থাকাসহ নানা কারণে চলতি মাসে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আন্দোলনে সহিংসতায় বহু হতাহতের প্রতিবাদে দেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স না পাঠানোর বিষয়ে ক্যাম্পেইন করছেন অনেক প্রবাসী। যার প্রভাব রেমিট্যান্সে পড়তে পারে বলেও প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- ‘গ্রেপ্তার রিমান্ডে মানা হচ্ছে না উচ্চ আদালতের নির্দেশনা’।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে অভিযান চালাচ্ছে তাতে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মানছেন না তারা।
ভুক্তভোগীর আইনজীবী ও স্বজনদের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর এবং রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে তাদের ওপর। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি বিচারিক আদালতের নজরে আনলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেকেই অভিযোগ করেছেন, গ্রেপ্তারের তিন-চারদিন পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে তোলা হচ্ছে না। এমন পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলের নেতাকর্মী, আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের কাছে গ্রেপ্তার আর রিমান্ড এখন এক আতঙ্কের নাম।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অভিযোগ থাকলে সেটি মানবাধিকার ও সংবিধান লঙ্ঘন এবং মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
যদিও নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তারা বলছেন, উচ্চ আদালতের গাইডলাইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

‘ডিবি হেফাজত থেকেই কর্মসূচি প্রত্যাহার ঘোষণা ছয় সমন্বয়কের’- ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজত থেকেই সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক।
রোববার রাতে ডিবি কার্যালয় থেকে সব কর্মসূচি প্রত্যাহারের এ ঘোষণা দিয়ে সমন্বয়করা লিখিত বার্তা পাঠ করে শোনান।
সমন্বয়করা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও তার প্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেকেই অপ্রত্যাশিতভাবে আহত-নিহত হয়েছেন। এছাড়া রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
এ সব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন সমন্বয়করা।
এ সময় তারা আরও জানান, আমাদের প্রধান দাবি ছিল কোটার যৌক্তিক সংস্কার, যা ইতোমধ্যে সরকার পূরণ করেছে। এখন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহবান জানাই।
সার্বিক স্বার্থে এই মুহূর্ত থেকে আমাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি, বলে সমন্বয়কদের পক্ষ জানান নাহিদ ইসলাম।

আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম- ‘আল্লাহকে ডাকেন, খুনি জালেমদের হাত থেকে দেশটা যেন রেহাই পায়’।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৪ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
রোববার গণভবনে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র এবং নগদ অর্থ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
সহিংসতার ঘটনায় খুনিদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ আমার চেষ্টা থাকবে যারা এই খুনের সঙ্গে জড়িত খুঁজে খুঁজে বের করে তারা অবশ্যই যেন শাস্তি পায় সেটাই আমার প্রচেষ্টা থাকবে, আমি সেটাই করব’।
‘Dhaka eateries crying out for customers’ দ্যা ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
এই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চলমান অস্থিরতা এবং দেশব্যাপী কারফিউর কারণে রাজধানী ঢাকায় রেস্টুরেন্টগুলোতে ভিড় নেই ভোজনরসিকদের।
চারদিন বন্ধ থাকার পর ২৪শে জুলাই থেকে কারফিউ শিথিল করা হলে ঢাকার ২৫ হাজার রেস্টুরেন্ট আবার তাদের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু এখনও সেভাবে ভিড় জমেনি ভোজনরসিকদের।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বাভাবিক সময়ে ক্রেতাদের যে ভিড় থাকতো এখন তার মাত্র দশভাগ রয়েছে।
মানুষের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে ক্রেতা সমাগম কম বলে রেস্টুরেন্ট মালিকরা বলছেন।

‘147 killed in violence during quota protests across Bangladesh: govt’ নিউএইজ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অবশেষে সরকার কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। রোববার এটি প্রকাশ করা হয়।
এক সপ্তাহ আগে ঘটে যাওয়া সহিংসতায় হতাহতের কোনো তথ্য না দেওয়ায় দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এরই মধ্যে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান মৃত্যুর সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৪৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য,আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন”।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার তালিকা আরও হালনাগাদ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তথ্য যাচাই করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মৃতদের মধ্যে কতজন নারী, পুরুষ ও বিভিন্ন পেশার লোক রয়েছে তা খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে”।

বণিক বার্তা পত্রিকায় ‘স্কলারশিপ ও ভিসা নিয়ে শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র গমনেচ্ছু সহস্রাধিক শিক্ষার্থী’ শিরোনামে প্রথম পাতায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। কিন্তু এ বছর চলমান আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা তৈরা হলে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভিসার সাক্ষাৎকার পিছিয়ে দেয়। পরে আরেক দফাও পেছানো হয় সাক্ষাৎকার।
নতুন করে দূতাবাসের শিডিউলও নিতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। ফলে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাবেন এমন শিক্ষার্থীরা।
গত বছরও তের হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।
বাংলাদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১০ই জুলাই ‘মিডিয়া নোটে’ মার্কিন দূতাবাস জানায়, ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়তে যাওয়ার হার বেড়েছে ২৮ শতাংশ।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ থেকে গত বছর যে পরিমাণ শিক্ষার্থী গেছেন, তা এ যাবৎকালের রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী যাওয়ার তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম।

‘নির্দলীয় নয়, শীর্ষ নেতৃত্বে ছাত্র-শক্তির নেতারা’- শিরোনামে কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন পরিচালনায় নেতৃত্ব দেয়া প্ল্যাটফরম বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে নির্দলীয় দাবি করা হলেও এর নেতৃত্বে রয়েছেন একাধিক ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
সমন্বয়কদের নামের তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে পাঁচজনই গণতান্ত্রিক ছাত্র-শক্তি নামের একটি ছাত্র সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এই সংগঠনটির নেতারাই আন্দোলনের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
গত ৮ই জুলাই বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তারা হলেন ছাত্র-শক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব নাহিদ ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহবায়ক আসিফ মাহমুদ ও যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব মো. আবু বাকের মজুমদার ও যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল হান্নান মাসুদ।
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন সংগঠন গণ অধিকার পরিষদ থেকে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বেরিয়ে গিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র-শক্তি গঠন করেন।
গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।

‘পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশিদের আশ্বস্ত করেছে সরকার’- দেশ রূপান্তর পত্রিকায় প্রথম পাতার খবর এটি।
দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সরকার ও জনগণের সময়োপযোগী ও যথাযথ পদক্ষেপের কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে বলে সব আন্তর্জাতিক অংশীদারকে আশ্বস্ত করেছে সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অপপ্রচার, ভুল ও মিথ্যা তথ্যের ব্যাপক প্রচারের মাঝেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অকুণ্ঠ সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য সরকার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনায় সুশীল সমাজের সংগঠন ও গণমাধ্যমসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক অংশীদার যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তা বাংলাদেশ সরকার লক্ষ করেছে।’
সহিংসতায় ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারগুলো যে মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করছে, তা মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার প্রতি সরকার সংবেদনশীল রয়েছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন- ‘নিহত ১১৩ জন কম বয়সী, শিক্ষার্থী ৪৫’।
এতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নিহত ১৫০ জনের বিস্তারিত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে। সংঘর্ষে বেশি মৃত্যু হয়েছে শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষের। নিহত ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ শিশু, কিশোর ও তরুণ।
হাসপাতাল, স্বজন ও মরদেহ নিয়ে আসা ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে সংঘর্ষ-সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে বয়স, পেশা ও আঘাতের ধরন এবং কোন এলাকায় আহত অথবা নিহত হয়েছিলেন, তার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে ১৫০ জনের। যার ১১৩ জন শিশু, কিশোর ও তরুণ।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, নিহতদের বেশির ভাগের শরীরে প্রাণঘাতী গুলির ক্ষতচিহ্ন ছিল। ছররা গুলি বা প্যালেট, রাবার বুলেটের ক্ষতচিহ্ন এবং অন্যান্য আঘাত কম। মৃত্যুর কারণ ও গুলির ধরন নিশ্চিত করতে ময়না তদন্ত দরকার। অনেক ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত হয়েছে, তবে প্রতিবেদন তৈরি হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ স্বজনেরা নিয়ে গেছেন।
নিহতদের মধ্যে ১৯ জন শিশু ও কিশোর। এর মধ্যে চার বছর বয়সী শিশুও রয়েছে। ১৮ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে ৯৪ জন। ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ২১ জন। ৪০ বা এর বেশি বয়স ১৬ জনের।
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকায় হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেড়শো জনের মধ্যে ৮৮ জনই ঢাকায় নিহত হয়েছেন।








