'যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূতের প্রশ্ন - হঠাৎ সড়ক নিরাপত্তা প্রত্যাহার কেন?'

“যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এখন পরিপক্ব, তবে অস্বস্তিও আছে” - এই খবরটি দিয়েছে দৈনিক ইত্তেফাক। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পরিপক্ব সম্পর্ক রয়েছে। দৈনিক ইত্তেফাক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, যেখানে মতপার্থক্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনার সুযোগও রয়েছে। তবে অন্যান্য যে কোনো সম্পর্কের মতো এখানেও কিছু অস্বস্তিকর বিষয় রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে অস্বস্তির একটি উৎস হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত না দেওয়া।
এক্ষেত্রে সমাধান হচ্ছে খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠানো। যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন ভিসা-নীতি নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি, ঐ নীতির যথেচ্ছ ব্যবহার হবে না।
“হঠাৎ কেন সড়ক নিরাপত্তা প্রত্যাহার” - এই শিরোনাম করেছে দৈনিক মানবজমিন। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সাক্ষাত প্রসঙ্গে মানবজমিন এ খবরটি দিয়েছে।
শিরোনামের এই প্রশ্নটি পিটার হাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে করেন। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তার বিষয়টি তাদের আলোচনায় এসেছে। এ নিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, হঠাৎ করে কেন তার সড়ক নিরাপত্তা তুলে নেয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন।
আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, আমরা সিস্টেমটি পরিবর্তন করেছি। কূটনৈতিকপাড়া ও তাদের চলাচল যাতে নিরাপদ থাকে; সেই ব্যবস্থা আমরা করবো।
“নিরাপত্তায় একজন আনসার নিলে দিতে হবে ৩০০ ডলার”। বিদেশি দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে বিদেশি দূতাবাস, সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনগুলো নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে এখন থেকে আনসার বাহিনীর মাধ্যমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা (এসকর্ট) নিতে পারবে।
এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করে দূতাবাসগুলোকে জানিয়েছে সরকার। কোন দূতাবাস যদি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য প্রশিক্ষিত একজন আনসরা সদস্যকে নিতে চায় তাহলে মাসে ৩০০ মার্কিন ডলার বা ৩২ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।
প্রয়োজনে আনসার ব্যাটেলিয়ন থেকে গাড়ি ভাড়া করতে পারবে। একটি গাড়ির জন্য প্রতিমাসে এক হাজার ডলার বা এক লাখ সাত হাজার টাকা খরচ করতে হবে। গাড়ির জ্বালানি খরচ দূতাবাস দেবে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণাকে ঘিরে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Inflation, dollar crisis among challenges as budget due today ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির কারণে আর্থিক সংকটের মধ্যেই আজ জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট পেশ হবে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, এই বাজেট উপস্থাপন করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে গত ১০ মাসে গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.২ শতাংশ।
যা নিয়ন্ত্রণ করা এবারে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেইসাথে সম্প্রতি ঘোষিত মার্কিন ভিসা নীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
একই বিষয়ে যুগান্তরের শিরোনাম “রাজস্বের লক্ষ্য অর্জনই চ্যালেঞ্জ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নেতিবাচক অবস্থা বিরাজ করছে রাজস্ব আদায়ে।
এর মধ্যেই এই খাতে আগামী বাজেটে নির্ধারণ করা হয়েছে মোটা অঙ্কের লক্ষ্যমাত্রা, যা বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আইএমএফ-এর শর্ত পূরণ করতে গিয়েই মূলত সৃষ্টি হয়েছে এমন পরিস্থিতি।
যদি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় কম হয়, সেক্ষেত্রে ব্যয় মেটাতে বেড়ে যাবে সরকারের ব্যাংক ঋণ। এছাড়া আগামী দিনে মূল্যস্ফীতি, বড় অঙ্কের ভর্তুকি ও সুদ পরিশোধ ব্যয় অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
এসব প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই অর্থমন্ত্রী আজ ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করবেন।
বাজেট নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম “কঠিন সময়ে আশার বাজেট”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি নানামুখী চাপে। ডলার সংকট এখনও প্রকট।
আর আছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত পূরণের চাপ। এছাড়া চাল, ডাল, লবন, ভোজ্যতেল, চিনিসহ প্রায় প্রতিটি জিনিসেরই দাম বাড়তি। গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও সারের দাম কয়েক মাস আগেই বাড়ানো হয়েছে।
চলতি অর্থ বছরের জন্য সরকার মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। গত এপ্রিলে তা ৯ দশমিক ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে সরকারি হিসেবেই। এত সব টানাপোড়েন বাস্তবতা মাথায় নিয়েই বাজ জাতীয় সংসদে ২০২৩-৩৪ অর্থ বছরের বাজেট পাস হতে যাচ্ছে।
বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টার প্রথম পাতার খবর, “Safety Net Programmes: Slice for the poor only gets thinner” প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৩ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির জন্য বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেও, তবে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচির বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
সামঞ্জস্যপূর্ণ সোশ্যাল সেফটি নেট প্রোগ্রাম বলতে এমন সব কর্মসূচি বোঝায় যা আসলে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের সুরক্ষা প্রদান করে। যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা ও নিঃস্ব নারীদের জন্য ভাতা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা।

মুডিস রেটিং এর অবনমন নিয়ে বণিত বার্তার প্রধান শিরোনাম, “বিদেশী ঋণের সুদ ও এলসি কমিশন বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা মুডি’স ইনভেস্টর সার্ভিস বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে দেয়ার পরদিনই এর বিরূপ প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে বুধবার আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে ঋণসীমা বা ক্রেডিট লাইন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ইসলামিক ব্যাংক।
বাংলাদেশের অন্তত ২০টি ব্যাংকের সঙ্গে এ ব্যাংকটির ক্রেডিট লাইন রয়েছে। বিশ্বের অন্য বড় ব্যাংকগুলোও বাংলাদেশে নিজেদের ঋণসীমা পুনর্বিবেচনার কথা জানাচ্ছে।
বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, “ঘাটতি ৩০০০ মেগাওয়াট সারা দেশে লোডশেডিং”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্রমে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। তবে জ্বালানিসংকটে উৎপাদন বাড়াতে পারছে না বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
এতে রাজধানীসহ সারা দেশে বাড়ছে লোডশেডিং। রাজধানীতে দিনে গড়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, “ভয়ংকর চেহারায় ডেঙ্গু”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুই বছর আগে ২০২১ সালের মে মাসে সারাদেশে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল মাত্র ৪৩ জন। গত বছরের মে মাসে এ সংখ্যা ছিল ১৬৩।
এই বছরের মে মাসে রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৬। সরকারি পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, কতটা আগ্রাসী চেহারায় রয়েছে এবারের ডেঙ্গু। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মে মাসের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় জ্যামিতিক হারে রোগী বাড়ছে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এডিস মশা নিধন জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা। ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিলেও অনেক হাসপাতালে প্রস্তুতি নেই। চিকিৎসাধীন ৯০ শতাংশ রোগী থাকছেন মশারি ছাড়াই। ডেঙ্গুর জন্য আলাদা ইউনিটও করা হয়নি।
ড. ইউনূসের মামলার রায় নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর “ড. ইউনূসের ৩ আয়কর রেফারেন্স মামলা খারিজ: ১২ কোটি টাকা শোধ করতে হবে”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিনটি ট্রাস্টে দান করা অর্থের ওপর কর দাবি করে এনবিআরের পাঠানো নোটিশ চ্যালেঞ্জ করা তিনটি আয়কর রেফারেন্স মামলা খারিজ করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ রায়ের ফলে তাকে এনবিআরের দাবি করা প্রায় ১২ কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হবে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন জানিয়েছেন।
অপর দিকে ড. ইউনূসের আইনজীবী সৈয়দা সুমাইয়া ইসরাত আদেশের পর সাংবাদিকদের বলেন, ড. ইউনূসের তিনটি আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন আদালত। আদালতের আদেশের কপি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অন্যান্য খবর
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, “লিফট কিনতে তুরস্কে যাচ্ছেন উপ-উপাচার্যসহ ছয়জন”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) নতুন ভবনের লিফট কেনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির উপ-উপাচার্য এস এম মোস্তফা কামাল খানসহ ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল তুরস্কে যাচ্ছে।
আগামী ৭ জুন তাঁরা তুরস্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। দেশে ফিরবেন ১৪ জুন। এই ভ্রমণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চলছে সমালোচনা।
সফরটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে পাবনার সুধীজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে নিয়ম মেনেই প্রতিনিধিদলটি তুরস্কে যাচ্ছে বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার প্রসঙ্গে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “28 arrested in DSA cases last month”। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে সারা দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে অন্তত ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি সবাই বিএনপি কর্মী।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে এই আইনের অধীনে দায়ের করা সাতটি মামলায় একজন সাংবাদিক, একজন কিশোর এবং একজন বিএনপি কর্মীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
১৮টি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা মানবাধিকার লঙ্ঘন মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, “বর্ষা আসছে দেরিতে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পহেলা জুনের আগে-পরে বর্ষারোহী মৌসুমি বায়ুমালা টেকনাফ দিয়ে দেশে প্রবেশের স্বাভাববিক নিয়ম থাকলেও এবার ব্যাত্যয় ঘটছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা।
সাইক্লোন মোখা স্থলভাগ অতিক্রমের পর আবহাওয়ার স্বাভাবিক পরিবেশ তছনছ হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূল হতে সময় নিচ্ছে। সেইসাথে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও আছে।

সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের নামে থানায় জিডি, ফের ধাক্কাধাক্কি”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতে হট্টগোলের ঘটনায় বিএনপিপন্থি ২৮ আইনজীবীর নাম উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে কোতোয়ালি থানায়।
কাতোয়ালি থানার ওসি মো. শাহীনুর রহমান জানান, মহানগর দায়রা জজ আদালতের নাজির শাহ মো. মামুন মঙ্গলবার থানায় গিয়ে ওই জিডি করেন।
বুধবারও ওই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে এজলাসের বারান্দায় স্লোগান দেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা, সে সময় আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীদের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়।
সিটি নির্বাচনকে ঘিরে সমকালের প্রথম পাতার খবর, “বিএনপির বর্জনেও ভোটে জামায়াত, নেই বন্ধুত্ব”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জোটের পর এবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বন্ধুত্বও ভেঙেছে। দল দুটির অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগও আর নেই।
নির্বাচন ও আন্দোলন ইস্যুতে দুই মেরুতে তাদের অবস্থান। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার নীতিতে বিএনপি কঠোর হলেও, জামায়াতকে নমনীয় অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। চার সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন নেতারা। বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন থেকেও সরে গেছে দলটি।
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “দলীয় কোন্দলে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দলটির নেতাকর্মীরা এখন সারা দেশে নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন।
এক পক্ষ আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে পালটাপালটি অভিযোগ ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে কাদা ছোড়াছুড়ির সঙ্গে মাঠ দখলের লড়াইয়ে চলছে পেশিশক্তির প্রদর্শনী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি দলের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত নানা সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ফলে দলটির মধ্যে কোন্দল বাড়ছে।












