'বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট'

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সরকার প্রধানের বৈঠক নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট, ভারতের অবস্থান তাদের নিজস্ব’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট বলে জানিয়েছেন সেদেশের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের (এনএসসি) স্ট্র্যাটিজিক কমিউনিকেশন পরিচালক অ্যাডমিরাল জন কিরবি।

মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরের প্রাক্কালে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন প্রেস সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার ও জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তার বক্তব্য লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রায় একই শিরোনাম করেছে সমকাল, “বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা স্পষ্ট”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বুধবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন মোদি। সফরকালে তিনি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হবে। এ বৈঠকে যাতে ভারতে গণতন্ত্র, মানবাধিকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন, সে জন্য অনুরোধ জানিয়ে বাইডেনকে চিঠি দিয়েছেন ৭৫ কংগ্রেসম্যান।

সেখানে এক সাংবাদিক কিরবিকে প্রশ্ন করেন যে, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি যে ভিসানীতি ঘোষণা করেছে, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের এ উদ্যোগের পাশে থাকবে কিনা?

জবাবে জন কিরবি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে ভারত সরকারের যা বলার, সেটি তাদেরই বলতে দেওয়া উচিত। বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বিষয়ে আমাদের প্রত্যাশার কথা আমরা ইতোমধ্যে স্পষ্ট করেছি।

বাংলাদেশে নির্বাচনে যারা বাধা সৃষ্টি করবে এমন ব্যক্তিদের ভ্রমণ ঠেকাতে আমরা ভিসা নীতি গ্রহণ করেছি।

এ নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, “ভারতকে বাংলাদেশ বিষয়ে কথা বলার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠবে কি না তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি কোনো পক্ষই।

তবে এরই মধ্যে ওই বৈঠকের আগে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের অবস্থান প্রসঙ্গে মার্কিন এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ভারতকে কথা বলার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আর যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান থেকে কথা বলবে।

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলবেন বলে সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

রাজশাহী ও সিলেটে সিটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “ভোটার কম, ইভিএমে ভোগান্তি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভোটের প্রতি আগ্রহহীনতা অন্য দিকে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অংশ না নেয়াতে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।

সমালোচিত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) জটিলতায় ও বিকল হয়ে যাওয়ায় ভোট গ্রহণে ধীরগতি ও ভোটারের ভোগান্তি ছিল রাজশাহী ও সিলেট সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণে। ফলে ভোটাররা ছিল ক্ষুব্ধ।

আঙুলের ছাপ মেলাতেও সমস্যায় পড়তে হয়। ভোট দিতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে ইভিএম দিয়ে করা নির্বাচনের ভোট গ্রহণে। ভোটের ফলাফল পেতেও অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে।

বিএনপি’র সেমিনার নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “যে নামেই হোক নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে”।

বর্তমান সরকারের অধীনে কোনোভাবেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে না বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। তারা মনে করছেন পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে বিচারপতি খায়রুল হক অবৈধ রায় দিয়েছেন।

তিনি অবসরে যাওয়ার ১৬ মাস পরে রায়ে সই করেছেন, আবারো রায়ের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে। সুতরাং বর্তমান সংবিধানের আলোকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল রয়েছে, আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে সংবিধানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অস্বীকার করছে।

বিএনপি নেতারা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। ক্ষমতাসীন দলীয় সরকারের অধীনে অতীতের কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এজন্য আগামীতে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

বুধবার ‘পঞ্চদশ সংশোধনীর সাংবিধানিকতা: নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখনো সংবিধানসম্মত’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর বুধবারের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “সেন্টমার্টিন লিজ দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাই না”। বৃহস্পতিবার দুপুরে গণভবনে কাতার ও সুইজারল্যান্ড সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে শিরোনামটি করা হয়েছে।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে সরকার প্রধান বলেন, তারা গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। এখন তারা দেশ বিক্রি করবে। তারা নাকি সেন্টমার্টিন দ্বীপ বিক্রির মুচলেকা দিয়ে আসতে চায়।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন পেছানো নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “100 times and counting”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারির রাতে তাদের হত্যার পর থেকে, তদন্তকারী সংস্থা দুবার বদলানো হয়েছিল, পাঁচবার তদন্ত কর্মকর্তা বদলানো হয়েছিল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দুইবার তার নেতৃত্বে পরিবর্তন দেখেছিল।

কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রহস্য ভেদ করতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত, র‌্যাব ৯৮ বার এবং আগের দুটি সংস্থা আরও দুবার অর্থাৎ মোট ১০০ বার আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পিছিয়েছে।

অথচ হত্যাকাণ্ডের পরপরই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের ধরার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই ৪৮ ঘন্টা এখন ৯৯ হাজার ঘন্টা ছাড়ালেও প্রতিশ্রুতি অপূর্ণই থেকে গিয়েছে।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়ার বিষয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “নির্বাচনের বছরে ব্যাংক পরিচালকদের বড় ছাড়”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবারও ব্যাংকের মালিকদের আবদার পূরণ করল সরকার।

ব্যাংকে পরিচালক পদে টানা ১২ বছর থাকার সুযোগ দিয়ে গতকাল ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এক প্রতিষ্ঠান খেলাপি হলে অন্য প্রতিষ্ঠানকে খেলাপি দেখানো যাবে না– এমন সুযোগও রাখা হয়েছে। তাদের ঋণ পেতেও কোনো সমস্যা হবে না।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগেও ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে পরিচালক পদে ৬ বছরের পরিবর্তে টানা ৯ বছর এবং এক পরিবার থেকে ২ জনের পরিবর্তে চারজন পরিচালক হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এবার তাঁদের জন্য সুযোগ আরও বাড়ানো হলো।

সংসদের বৈঠকে বুধবার বিলটি পাসের তীব্র বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্যরা।

হাসপাতালে জন দুর্ভোগ নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Dialysis in two key public hospitals face suspension”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের হায়দ্রাবাদ-ভিত্তিক স্যান্ডর ম্যাডিকেডস বৃহস্পতিবার থেকে ডায়ালাইসিস সেবা স্থগিত করার ঘোষণার কারণে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের কিডনি রোগীদের দুর্ভোগে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্যান্ডর ২০১৭ সাল থেকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজিতে ৫৯টি ডায়ালাইসিস মেশিন এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১টি মেশিনের মাধ্যমে সেবা প্রদান করছে।

কর্মকর্তারা জানান, এ দুটি হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন শত শত কিডনি রোগী ডায়ালাইসিস সেবা নেন।

স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ৩০ কোটি টাকা সার্ভিস চার্জ না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে সেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি। বাংলাদেশ সরকার বকেয়া অর্থ প্রদানে বিলম্ব করায় তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানায়।

প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “প্রবাসে ঢাকা থেকে শ্রমিক যায় ৩%, রেমিট্যান্সের ৩৩ শতাংশ আসে ঢাকায়”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রবাসী শ্রমিকদের সংখ্যায় ঢাকা জেলার অবদান ৩ শতাংশের সামান্য বেশি।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৩৩ শতাংশ আসছে ঢাকা জেলায়। এ ব্যবধান নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন ব্যাংকাররা।

দেশের প্রথম সারির একটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী বণিক বার্তাকে বলেন, দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থের একটি অংশ রেমিট্যান্স আকারে ফিরে আসছে। এ কারণে ঢাকায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ অস্বাভাবিক বেশি।

আবার দেশের হুন্ডি তৎপরতা ও অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ ব্যক্তিরা ঢাকায় বসেই নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। ঢাকায় রেমিট্যান্স বেশি আসার পেছনে এরও ভূমিকা থাকতে পারে।’

কুরবানির পশু নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “এবারে পশুর মজুদ বেশি, দামও বেশি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে গতবারের চেয়ে কোরবানির পশুর মজুদ বেশি তবে গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পশু কিনতেও খরচ বেশি হচ্ছে।

গত বছরের তুলনায় কোরবানির পশুর দাম বেড়েছে অন্তত পাঁচ শতাংশ এদিকে অনলাইনে পশু বেচাকেনা শুরু হলেও হাট কেন্দ্রিক ব্যবসা এখনো জমেনি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শহর কেন্দ্রে কোরবানির পশুর কেনাকাটা জমে উঠে ঈদের ঠিক আগে আগে। বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম এসোসিয়েশন বলছে, নির্বাচনের বছর হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পশু বিক্রি কিছুটা বাড়ার কথা।

এদিকে অর্থনীতিতে একটা চাপও আছে। তাই মানুষ খরচ কমাতেও পারে। তাতে শেষ মুহূর্তে পশুর ব্যবসা ঘিরে একটা শঙ্কা আছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে বাংলাদেশে এবারে চাহিদার তুলনায় ২১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৪ টি পশু বেশি আছে।

অন্যান্য খবর

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “ফের পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় বাড়ছে ১,১১৮ কোটি টাকা”। প্রতিবেদনে ব্যয় বাড়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাতে বলা হচ্ছে, নকশা প্রণয়নে অতিরিক্ত সময় লাগা, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়াসহ সাতটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ডলার অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগেও আরো কয়েকবার পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো হয়েছিল।

বর্তমানে পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর সাথে এখন নতুন করে আরও ১ হাজার ১১৮ কোটি টাকা যোগ হচ্ছে। ২০০৭ সালে প্রথম প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, “ডিআইজি মিজানের ১৪ বছর কারাদণ্ড”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া এই মামলায় মিজানুর রহমানের স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নেকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মিজানুরের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার (রত্না) শুরু থেকে পলাতক।

মিজানের ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা জামিনে ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে হাজির হন।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম বুধবার এই রায় দেন। এর আগে গত বছর ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় মিজানকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছিল ঢাকার আরেকটি আদালত।

দুর্নীতি বিষয়ে যুগান্তরের পেছনের পাতার খবর, “দানের টাকার ওপরও দুর্নীতির থাবা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সম্পূর্ণ দান ও অনুদানে পরিচালিত বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা-বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানেও দুর্নীতির থাবা পড়েছে।

ট্রান্সফরমার স্থাপন, বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনাকাটা, জনবল নিয়োগসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি।

প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (সামাজিক নিরাপত্তা) উপসচিব ড. মোকতার হোসেন বলেন, ‘দুর্নীতি অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পরিচালনা কমিটি ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তারা কেউই এখন দয়িত্বে নেই। তবে আমি তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও সমবায় মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি।’

জাল নোট নিয়ে সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “জাল নোট তৈরির ২০ চক্রের সন্ধান”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে কোরবানির ঈদ ও পূজাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে জাল নোট তৈরির ২০টি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে।

প্রতিটি চক্রের সদস্য সংখ্যা কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন। তারা জাল নোট তৈরি ও বিক্রিতে জড়িত। এসব চক্রের সদস্যরা তিন ভাগে বিভক্ত।

একটি গ্রুপের অর্ডার অনুয়ায়ী জাল নোট তৈরি করা হয়। অন্য গ্রুপ জাল নোটের বান্ডিল পৌঁছে দেয়। আরেক গ্রুপ এই সব টাকা বাজারে বিক্রি করে। এক লাখ টাকার জাল নোট তৈরি করতে খরচ পড়ে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ক্রাইম শাখার কর্মকর্তারা জাল নোট তৈরি চক্রের ওপর অনুসন্ধান চালিয়ে এসব তথ্য বের করেছেন।

সমকালের পেছনের পাতার খবর, “লিঙ্গ সমতায় ১২ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম জেনেভা থেকে ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ’ ২০২৩ সালের যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬ দেশের মধ্যে ৫৯তম। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭১তম।

এ বছর বাংলাদেশের স্কোর শূন্য দশমিক ৭২২। গত বছর শূন্য দশমিক ৭১৪ স্কোর ছিল।

বাংলাদেশ কয়েক বছর ধরে গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবার চেয়ে ভালো করছে। এর প্রধান কারণ রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উপসূচকে এ দেশ অন্যদের চেয়ে বেশ এগিয়ে। এবার এই উপসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। গত বছর ছিল নবম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিকভাবে লিঙ্গ বৈষম্য পরিস্থিতির কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। তবে তা সামান্য। গত বছরের চেয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট স্কোর বেড়েছে।