আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'খালেদা জিয়াকে ভিভিআইপি ঘোষণা, পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা'
'খালেদা জিয়াকে ভিভিআইপি ঘোষণা, পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে 'স্পেশাল কেয়ারে' রাখা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এরই মধ্যে ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন। শারীরিক অবস্থা অনুকূল হলে খালেদা জিয়াকে বিদেশেও নেওয়া হতে পারে।
সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করেছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গতকাল রাতে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মাধ্যমে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সকে (এসএসএফ) দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) আইন, ২০২১-এর ধারা ২ (ক) অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে 'অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' হিসেবে ঘোষণা করা হলো। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে কিছু সময়ের জন্য ভিভিআইপি ঘোষণা করেছিল তৎকালীন সেনা সর্মথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতালের চতুর্থ তলার একটি কেবিনে খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই তলার বাকি কেবিন খালি করে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি নেতাকর্মীরা কয়েক দিন ধরেই হাসপাতালের বাইরে ভিড় করছেন। তবে এসএসএফ দায়িত্ব নিলে সে সুযোগ আর থাকবে না।
যুগান্তরের শিরোনাম 'ভোট বানচালের চেষ্টায় আ.লীগ'। খবরে বলা হচ্ছে , আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরিসহ নির্বাচন বানচালের সর্বাত্মক অপচেষ্টা চালাতে পারে আওয়ামী লীগ। ৩২টি সংসদীয় আসনে ঢুকে যেতে পারে প্রতিবেশী দেশে পলাতক দলটির নেতারা।
ওইসব আসনে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করতে পারে তারা। সীমান্তবর্তী আসনগুলোতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ভারত থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র সংগ্রহ করে নির্বাচনে সহিংসতা চালাতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে তারা সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করে সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে পারে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বিভিন্ন মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের উসকানি ও মদদ দিয়ে তাদের বসতবাড়ি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করাসহ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাতে পারে।
একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আওয়ামী চক্রান্তের এমন সব তথ্য।
'খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, উদ্বেগও আছে' সমকালের শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, এক দিনের স্বস্তির পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আবার উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন তিনি। গতকাল সোমবার সকালে হঠাৎ তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হয় বলে চিকিৎসকরা জানান।
এর আগে শুক্রবার খালেদা জিয়ার অবস্থার অবনতি হলেও রোববার কিছুটা উন্নতি হয়। তিনি চিকিৎসক, স্বজনদের সঙ্গে দু-একটি কথাও বলেন বলেও তথ্য পাওয়া যায়।
গতকাল একাধিক দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন। সন্ধ্যায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তারা। ৬টার দিকে চিকিৎসক দলের জরুরি সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়ার ডায়ালাইসিস শুরু করা হয়।
'উদ্বেগ উৎকণ্ঠা প্রার্থনা' কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অর্থাৎ আগের চেয়ে তার অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। তবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
এ অবস্থায় দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুজব-বিভ্রান্তিতে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে দলের নেতাকর্মী, অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুরাগী- সমর্থকরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। তার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা করছেন তারা।
এদিকে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের 'অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' ঘোষণা করেছে সরকার। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় সহায়তা ও পরামর্শ দিতে চীন থেকে একটি বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল টিম ঢাকায় এসেছে। এই টিম গতকাল এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
লন্ডন থেকে তার বড় ছেলে তারেক রহমান মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে সারাক্ষণ যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও তিনি যোগাযোগে সমন্বয় করছেন।
'মাহফুজ সিদ্ধান্তহীন, আসিফের রাজনৈতিক ঠিকানা অনির্দিষ্ট' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল হতে পারে আগামী সপ্তাহে। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পদত্যাগ করে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেবেন, নাকি সরকারে থেকে যাবেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম পদত্যাগ ও নির্বাচন করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে গত রোববার রাতে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ঢাকা থেকে ভোট করবেন, সেটা আগেই জানিয়েছেন।
তবে তিনি বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), নাকি স্বতন্ত্র-কোন পথে হাঁটবেন, সেটা এখনো খোলাসা করেননি। তার রাজনৈতিক ঠিকানাও এখনো নিশ্চিত হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে দুই উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সম্প্রতি আবারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
এর আগেও সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তখন তারা আরও সময় চেয়েছিলেন। এরপর আরও একাধিকবার পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'PLOT SCAM CASE: Hasina, Rehana, Tulip jailed' অর্থাৎ 'প্লট দুর্নীতির মামলা: হাসিনা, রেহানা, টিউলিপের কারাদণ্ড'।
খবরে বলা হচ্ছে, পূর্বাচল প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং তার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককে গতকাল বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ভারতে থাকা হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে; রেহানাকে সাত বছরের কারাদণ্ড; এবং শেখ হাসিনার ভাগ্নি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. রবিউল আলম শেখ হাসিনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রেহানার জন্য পূর্বাচলের একটি প্লট অবৈধভাবে অর্জনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
রেহানার জন্য প্লট নিশ্চিত করার জন্য হাসিনাকে প্রভাবিত এবং প্ররোচিত করার জন্য টিউলিপকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত আরও তিনটি মামলায় বিশেষ আদালত হাসিনাকে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার চার দিন পর গতকাল এই রায় ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযুক্ত ছিলেন।
'মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন' মানবজমিনের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীবাসীর সবচেয়ে আরামদায়ক পরিবহন মেট্রোরেল। ঢাকার নাগরিকদের পছন্দের এই বাহনটিতে একের পর এক ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায়ই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মেট্রো চলাচল। এসব ঘটনায় মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। গত এক মাসে ১০ শতাংশ যাত্রী কমে গেছে মেট্রোরেলে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মেট্রোরেলের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবিলায় নিয়মিত জোরদার করা হচ্ছে নিরাপত্তা।
গত নভেম্বর জুড়ে মেট্রোরেলের লাইনে ৫টি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। গত ২৯শে অক্টোবর বিয়ারিং প্যাড পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে এক পথচারীর।
বিয়ারিং প্যাড পড়ে পথচারীর মৃত্যুর পর মেট্রোরেলের যাত্রী সংখ্যা দিন দিন কমছে। গত ১ মাসে মেট্রোরেলে গড়ে ১০ শতাংশ যাত্রী কম যাতায়াত করছে। আগে দৈনিক গড়ে চার লাখ ৬০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতেন। এ সংখ্যা এখন চার লাখের আশপাশে রয়েছে।
'সরকারি প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয়: শিক্ষকবিহীন পরীক্ষার হলে হ-য-ব-র-ল' ইত্তেফাকের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা গতকাল বার্ষিক পরীক্ষা নিতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েন। সহকারী শিক্ষকবিহীন পরীক্ষার হলে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়। অনেক কেন্দ্রে দেড় ঘণ্টা পরে পরীক্ষা শুরু হয়।
শিক্ষার্থীরা দেখাদেখি করেছে, একজন আরেক জনের খাতা টেনে ছিড়েছে। প্রধান শিক্ষক যে কেন্দ্রে থাকছেন না, সেই কেন্দ্রে ঘটছে বিশৃঙ্খলা। এমন অবস্থায় অনেক প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানের বিশৃঙ্খলার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে চার দফা দাবিতে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতির কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। আবার অনেক জায়গায় স্কুল তালাবদ্ধ থাকায় গেট থেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে তাদের।
শিক্ষকরা বলছেন, চার দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি এবং দাবি পূরণ না হলে তারা চলমান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি: ২৮ বছরেও হয়নি পূর্ণ বাস্তবায়ন' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি। সেই চুক্তির বয়স ২৮ বছর হলেও আজও পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি চুক্তিটি।
চুক্তি অনুযায়ী রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা পরিচালিত হবে পার্বত্য চুক্তির আলোকে। চুক্তির আলোকে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। সংশোধন করা হয় তিন পার্বত্য (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) জেলা পরিষদ।
চুক্তিতে উল্লেখ আছে, তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের একজন করে চেয়ারম্যান এবং ৩৩ জন করে সদস্য। নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের একজন চেয়ারম্যান এবং ২২ জন সদস্য। ২৫ সদস্যের আঞ্চলিক পরিষদে পদাধিকারবলে সদস্য হবেন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
পার্বত্য চুক্তিমতে, জেলা পুলিশ এবং ভূমি দপ্তরটি জেলা পরিষদে হস্তান্তরের কথা থাকলেও এখনো তা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চুক্তির ২৮ বছরে তা করা হয়নি। যে সরকার আসে, সেই সরকারের মনোনীত ব্যক্তিদের দিয়ে চালানো হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন জেলা পরিষদ।