‘কোটাবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে’

সংবাদপত্র

পুলিশ সদর দপ্তরের বার্তা নিয়ে মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে এই আন্দোলন ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

গত ঈদের আগেই কোটা বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে বেশ কিছু সুপারিশ ও পর্যবেক্ষণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সে সময়ই ঈদের ছুটির পর বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর আন্দোলন কর্মসূচি জোরদার হওয়ার সম্ভাব্যতার বিষয় তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় সরকারি দলের কোনও কোনও নেতার মন্তব্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের যে কোনও ধরনের আন্দোলন একটি স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের মন্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

এছাড়া দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে হরতালের মতো কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণাও দেয়া হয়েছে।

এই পত্রিকাটিতে প্রথম পাতার আরেকটি খবরের শিরোনাম করা হয়েছে, কোটাবিরোধী আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি- ‘বাংলা ব্লকেড’ আসছে হরতাল।

সংবাদপত্র সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতির মামলা শুনানির জন্য বিচারিকে ১৩ এবং উচ্চ আদালতে এখতিয়ার-ভুক্ত ১০টি বেঞ্চ রয়েছে। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে যথাক্রমে ১১ এবং ২৬ জন আইনজীবী মামলা লড়ছেন।

তবে এসব আইনজীবীর মধ্যে বেশিরভাগই খণ্ডকালীন। ফলে যে হারে দুর্নীতির অভিযোগ, এরপর মামলা হচ্ছে সে হারে এগুচ্ছে না বাকি প্রক্রিয়া। অবকাঠামোগত দুর্বলতার সুযোগই নিচ্ছেন দুর্নীতিবাজ বিশেষ করে রাঘব বোয়ালরা।

তাদের আবেদন- নিবেদনে বছরের পর বছর বিচার কার্যক্রম থমকে থেকে জমছে মামলার পাহাড়।

বর্তমানে উচ্চ আদালতে ঝুলে রয়েছে চার হাজারের বেশি দুর্নীতি মামলার বিচার। সারাদেশে বিচারাধীন মামলা প্রায় তিন হাজার। দুর্নীতির মামলা দিন দিন বাড়লেও নিষ্পত্তির হার খুবই কম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকলে অপরাধীরা কিছুটা হলেও আইনের আওতায় থাকে। বিচার ব্যাহত বা বিলম্ব হলে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।

তারা বলছেন, ফলে দুর্নীতির মহোৎসব থামাতে সবার আগে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি। পাশাপাশি বিশেষায়িত বেঞ্চ, পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ, সুপ্রিম কোর্টে বিচারক এবং দুদকের নিজস্ব আইনজীবী বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সংবাদপত্র প্রথম আলো

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফর নিয়ে “বেইজিং ৭০০ নয়, ৫০০ কোটি ডলার ঋণ দিতে আগ্রহী” এমন শিরোনাম করেছে প্রথম আলো। পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর হিসেবে এটি প্রকাশিত হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর পর বেইজিং সফরে গিয়ে দুই দেশের ‘অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায়’ নিতে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

এ সময় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে দুই সরকারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চীনের আরও বেশি যুক্ততার মতো বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে।

এই সফরে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার থাকবে বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে। সে ক্ষেত্রে চীনা মুদ্রায় ঋণ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগের মতো বিষয়গুলোতে চীনের অংশীদারত্ব গুরুত্ব পাবে।

বেইজিং নিজেদের মুদ্রায় বাংলাদেশকে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ দিতে আগ্রহী। যদিও বাংলাদেশ চেয়েছিল ৭০০ কোটি ডলার- কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদটিতে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ

“১৫ জেলায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত” কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর।

চলতি বছরের বন্যায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী জানান, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এবার দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা আছে। এখন পর্যন্ত ১৫টি জেলা বন্যায় কমবেশি আক্রান্ত হয়েছে।

তবে বন্যার পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চলের লাখ লাখ বাসিন্দা এরই মধ্যে পানি-বন্দি হয়ে পড়েছে।

জিডিপির আকার প্রবৃদ্ধি থেকে মাথাপিছু আয় সবই কমবে” বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) কাছ থেকে দুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

দুই সংস্থার তথ্যে বরাবরই দেখা গেছে বড় ধরনের ফারাক। সম্প্রতি হিসাব পদ্ধতি সংশোধন করে রফতানি আয় থেকে ১৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৩৮০ কোটি ডলার বাদ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জিডিপির আকার, প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়সহ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো পরিমাপের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো এ রফতানি আয়ের তথ্য।

সংশোধনের মাধ্যমে রফতানি আয় কমে আসায় দেশের জিডিপির আকার, প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়সহ এসব সূচকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মকর্তারা বলছেন, এ হিসাব পরিবর্তনের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে সংস্থাটি এ নিয়ে কাজ করবে।

অর্থ বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, “রফতানি আয়ের তথ্যে কোনও অসংগতি থাকলে সেটি সংশোধন করাই ভালো। এতে প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। যথাযথ নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি অবশ্যই সহায়ক হবে”।

সংবাদপত্র ডেইলি স্টার

“Patient Referral System: Three out of 5 still going straight to major hospitals” The Daily Star পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর।

এই সংবাদে বলা হয়েছে, রেফারেল ব্যবস্থার অভাবে বাংলাদেশে হাজার হাজার রোগীকে অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাঁচজনে তিনজন রোগী প্রাথমিক সেবা না নিয়েই সরাসরি প্রধান হাসপাতালগুলোতে চলে যায়।

পিয়ার-রিভিউড জার্নাল ‘বিএমসি হেলথ সার্ভিসেস রিসার্চ’এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশের পাঁচজনের মধ্যে তিনজন রোগীকে রেফার না করলেও তৃতীয় স্তরের (টারশিয়ারি লেভেল) হাসপাতালে যায়।

এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে , ৮২২ জন উত্তরদাতার মধ্যে ৫৮ শতাংশ রেফারেল সিস্টেম সম্পর্কে একেবারেই জানেন না।

মাত্র ৪১ শতাংশ রোগীকে অন্যান্য সুবিধার মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

২০১৪ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম রংপুরে রোগী রেফারেল সিস্টেম চালু করেন।

তবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সুযোগ-সুবিধা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং লোকবলের অভাবের কারণে এই পদ্ধতি কাজ করেনি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

একটি সঠিক রেফারেল সিস্টেমে একজন রোগী প্রথমে কাছাকাছি একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যায়। যেখান থেকে প্রয়োজন হলে তাদের আরও উন্নত সুবিধা রয়েছে এমন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং তৃতীয় স্তরের হাসপাতালের মধ্যে এই রেফারেল ব্যবস্থা একটি সম্পর্ক তৈরি করে।

স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেছেন, এই ব্যবস্থার অভাবে বেশিরভাগ সময় রোগীরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুবিধা না নিয়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যান। ফলে রোগীদের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়।

সংবাদপত্র

BNP morally supports movements of teachers, students: Fakhrul” নিউএইজ পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

বিএনপি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নৈতিকভাবে সমর্থন করে বলে সংবাদটিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার বলেছেন, ‘ন্যায়সঙ্গত’ দাবির ভিত্তিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে দলটি নৈতিকভাবে সমর্থন করেছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

একইসাথে নতুন সার্বজনীন পেনশন প্রকল্প ‘প্রত্যয়’ নিয়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভ এবং সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপি উসকানি দিচ্ছে বলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।