আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ডলারের বিপরীতে টাকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দরপতন'
ডলারের সংকটকে ঘিরে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, “Taka sees biggest fall against dollar”। অর্থাৎ ডলারের বিপরীতে টাকার সবচেয়ে বড় দরপতন হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে টাকার সর্বোচ্চ অবমূল্যায়ন ঘটেছে সোমবার। এদিন বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ থেকে ১০৮.৮৫ টাকা আন্তঃব্যাংক হারে মার্কিন ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এতে একদিনে স্থানীয় মুদ্রার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ টাকা ৮৫ পয়সা অবমূল্যায়ন হয়।
একাধিক বিনিময় হার-ভিত্তিক ব্যবস্থা থেকে সরে এসে, বাজার-ভিত্তিক একটি একক বিনিময় হার চালুর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “সারা বিশ্বে মূল্যস্ফীতি কমছে, বাংলাদেশে নয়”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কোভিড-১৯ সৃষ্ট বৈশ্বিক দুর্যোগ আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দামামায় বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই বাড়তে থাকে মূল্যস্ফীতি।
কিন্তু গত ছয় মাসে প্রায় সব দেশেরই মূল্যস্ফীতির চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। শ্রীলংকার মূল্যস্ফীতি ৬০ শতাংশে থেকে ১২ শতাংশে নেমেছে। ভারতের মূল্যস্ফীতিও দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোয়ও মূল্যস্ফীতি কমেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ ভোগ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার কোভিড-পূর্ব পরিস্থিতিতে ফিরেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে একেবারেই বিপরীত অবস্থান বাংলাদেশের।
বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্যসহ সব পণ্যের দাম এখনো অস্থিতিশীল। ফলে নিয়ন্ত্রণে আসছে না মূল্যস্ফীতির হার। চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা গত বছরের জুনে ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিকে ঘিরে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “নির্বাচনের আগে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্বন্দ্ব নয়”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছয় মাস পরই জাতীয় নির্বাচন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই নির্বাচনকে প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচিত সরকারদলীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদদের দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চায়ন হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ করে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব যাতে প্রকাশ্যে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যেও সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসনের শীর্ষমহল থেকে এসব কড়া নির্দেশ আসে।
নির্বাচনকে ঘিরে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দুদল”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের ভেতরে ও বাইরে বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীনরা।
বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনকে পাত্তা না দিলেও বিদেশি তৎপরতাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন তারা। ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ আদায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্ররা যদি আরও চাপ বৃদ্ধিসহ রাজপথের বিরোধী দলকে ব্যবহার করার পন্থা বেছে নেয় তা মোকাবিলা করাই হবে দলটির মূল চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে বিএনপির সামনে মূল ভাবনায় নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি। সেটা বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাধা হিসাবে দেখছেন তারা। সব বাধা মোকাবিলা করে কীভাবে একটি সফল আন্দোলন করা যায় সেই পরিকল্পনা আঁটছেন দলটির হাই কমান্ড।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Spread of Aedes in Dhaka city worrying”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালিত এক জরিপে যা এখনও প্রকাশ হয়নি, সেখানে দেখা গিয়েছে ঢাকায় ডেঙ্গু ভাইরাসবাহী এডিস মশা উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১৮ই থেকে ২৭শে জুন দুই সিটি করপোরেশনের ৯৮টি ওয়ার্ডের ৩,১৫০টি বাড়িতে এই জরিপ পরিচালনা করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।
এরমধ্যে উত্তর সিটির ২০ শতাংশ এবং দক্ষিণ সিটির ১৫ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। লার্ভা পাওয়া ৪৩ শতাংশ বাড়ি মূলত বহুতল ভবন।
এক্ষেত্রে দ্রুত অভিযান পরিচালনার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
একই ইস্যুতে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার আশঙ্কা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত বছরের এই দিনের চেয়ে চলতি বছর মৃত্যু বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।
এসব বিশ্লেষণ করে জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, চলতি বছর নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যেতে পারে ডেঙ্গু সংক্রমণ। এ বছর যারা ডেঙ্গুতে মারা যাচ্ছে তারা ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে মারা যাচ্ছে বলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকেই মুমূর্ষু না হলে ডেঙ্গু টেস্ট করাতে যাচ্ছে না। দেরিতে হাসপাতালে যাওয়ার কারণে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হারও বাড়ছে বলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতনরা বলছেন।
এখন থেকেই ব্যবস্থা না নিতে পারলে সামনে বিপদ অপেক্ষা করছে বলে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেন।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, “বিভিন্ন জেলায় বন্যার পদধ্বনি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে নদ-নদীর পানি।
আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের উজানে ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
এতে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, লালমনিরহাট, নীলফামারী জেলার কিছু নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
প্রবল বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে এরিমধ্যে সিলেটের সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ শহরে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
ভিন্ন ধরণের এক খবর শিরোনাম করেছে দেশ রূপান্তর “সংসার স্বচ্ছল হয় নারীর গুণে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ফলাফল ইতিবাচক।
সরকারের জরিপ বলছে নারী প্রধান পরিবারে পুরুষ প্রধান পরিবারের চেয়ে দারিদ্র অনেক কম অর্থাৎ দারিদ্র ঠেকানোর দিক থেকে এগিয়ে আছে নারীরা। পরিসংখ্যান ব্যুরোর খানা আয় ব্যয় জরিপের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ দেখা যায় দেশের উচ্চ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে রয়েছে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার।
উচ্চ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে থাকা নারী প্রধান পরিবারগুলোতে দারিদ্র্যের হার ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। অথচ পুরুষ প্রধান পরিবারে দারিদ্রের হার ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ নারী নেতৃত্বে থাকা পরিবারের তুলনায় অনেক কম।
অন্যান্য খবর
আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের বাংলাদেশ সফর নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “বাংলাদেশকে দেখলেন কোথায় মার্তিনেজ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আর্জেন্টিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা নিজের চোখে দেখবেন বলে ঢাকায় এসেছিলেন। তা কী দেখলেন এমিলিয়ানো ও মার্টিনেজ? সেই উন্মাদনার কিছুই না।
যা দেখলেন, তা হল সকালে হোটেলের সামনে কিছু সাংবাদিকের ভিড়। কিন্তু সাংবাদিকদের কেউই তাকে দেখতে পেলেন না। হোটেলের রুম থেকে সরাসরি আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ে নেমে গাড়িতে উঠেছেন, সেই গাড়িতে আবার কালো কাঁচ।
সাধারণ আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সাথে তার দেখাই হল না।
বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “সড়ক দুর্ঘটনায় ঈদের পরের তিনদিনে নিহত ৩৯”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদুল আজহার পরের তিনদিনে সারা দেশের সড়কে ৩৯ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ সময় আহত হয়েছেন আরো ১৪০ জন।
তবে ঢাকা বিভাগে অন্যান্য সময়ের চেয়ে ঈদের পরের তিনদিনে তুলনামূলক কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে বিআরটিএর প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে।
সমকালের পেছনের পাতার খবর, “রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫০ ছিনতাইকারী”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে চলমান পুলিশের বিশেষ অভিযানে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই দিনে ১৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঈদের আগেও এক হাজার ৭৬৪ ছিনতাইকারীকে ধরা হয়। ঈদুল আজহার ছুটিতে ছিনতাইকারীদের হাতে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুজ্জামান খুনের ঘটনায় তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া এক সংবাদকর্মীকে ছুরিকাঘাতের মামলার তদন্তে অগ্রগতি রয়েছে।
সোমবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন জিনিসপত্র ও শরীরের নিরাপত্তা নিজেকেই নিতে হবে।
সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “হাজার টাকার কাঁচা মরিচ এখন ১৬০-২৫০ টাকা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদের ছুটি শেষে খুলছে দেশের স্থলবন্দরগুলো।
গত কয়েকদিন ধরে কাঁচামরিচের অগ্নিমূল্যের জেরে রোববার থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। আমদানির খবরেই কমতে শুরু করে কাঁচা মরিচের দাম।
দুই সপ্তাহ আগেও রাজধানীতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। কয়েক দিনের ব্যবধানে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।
এর পর থেকে দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে ১০০০ টাকায় পৌঁছায়। তবে রোববার আমদানির প্রভাবে কাঁচা মরিচের তেজ কমতে শুরু করেছে। এখন মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায়।
কালবেলার প্রথম পাতার খবর, “হাজতিকে মারধোরের পর পাপিয়া কুমিল্লা কারাগারে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আলোচিত যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে সোমবার গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কাশিমপুর মহিলা কারাগারে তিন বছর চার মাস ধরে বন্দি ছিলেন পাপিয়া। ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পাপিয়াকে সেখানে রাইটার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি পাপিয়া রুনা লায়লা নামে এক হাজতিকে নির্মম নির্যাতন এবং তার কাছ থেকে টাকা লুট করেন এমন অভিযোগে রুনার ছোট ভাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান।
এই ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও কারা কর্তৃপক্ষ আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এরিমধ্যে পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।