আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ভারতের ঋণে দুই সড়ক, বাংলাদেশের লাভ নিয়ে প্রশ্ন'
সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'ভারতের ঋণে দুই সড়ক, বাংলাদেশের লাভ নিয়ে প্রশ্ন'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের ঋণে দুটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্প চলছে, যার মধ্যে একটি আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত এবং অন্যটি ময়নামতি থেকে ধরখার সড়ক পর্যন্ত।
এই দুটি সড়ক ভারতীয় ঋণে নির্মাণ হচ্ছে এবং ভারতীয় পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়াবে। বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, এসব প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য কতটা লাভজনক?
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, এই সড়ক দুটি বাংলাদেশ এবং ভারত দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।
তবে প্রকল্পটির ব্যয় এবং মেয়াদ বৃদ্ধি পেছনে বাংলাদেশের লাভের বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এই সড়ক দুটি নির্মাণ হলে, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরার যোগাযোগ সহজ হবে, যা ভারতের বাণিজ্য বাড়াবে।
তবে বাংলাদেশ কী লাভ পাবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঋণের শর্তে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, এবং প্রকল্পের খরচ বাংলাদেশকেই বহন করতে হবে।
ফলে, প্রশ্ন উঠছে যে, এসব প্রকল্প ভারতীয় স্বার্থে বেশি সুবিধা দিচ্ছে কিনা, তা পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত।
এছাড়া, আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়ক নির্মাণে সেচ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'বড় সংস্কার হলে নির্বাচন আগামী বছরের জুনে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের জুনে হতে পারে, যদি বড় ধরনের সংস্কার হয়।
তবে, ছোট সংস্কার হলে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঢাকা সফরে এসে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে গুতেরেস বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ও দেশের রূপান্তরের জন্য সহায়ক হবে।
তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা গুতেরেসকে জানান, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন কাজ করছে এবং অনেক রাজনৈতিক দল তাদের মতামত দিয়েছে।
তিনি জানান, এই সংস্কার প্রক্রিয়া সফল হলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্ভব হবে।
গুতেরেস বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সহায়তা প্রদান করতে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকের পর, তারা কক্সবাজার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'আমরা গভীর সংকটের দ্বারপ্রান্তে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশ্ব এখন একটি গভীর সংকটের মুখে। তিনি কক্সবাজারে এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন।
গুতেরেস বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে ফিরতে চায়, যা এই সংকটের মূল সমাধান হতে পারে।
তিনি মায়ানমারের সব পক্ষকে সংযমের আহ্বান জানান এবং বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে সংঘাত ও নিপীড়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে।
গুতেরেস বলেন, আর্থিক সহায়তা কমে যাওয়ায় ২০২৫ সালে সহায়তা ৪০ শতাংশ কমে যেতে পারে, যা একটি বড় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সহযোগিতা কামনা করেন।
মিয়ানমারে দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিপীড়ন এবং ধর্মীয় বৈষম্য তুলে ধরে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আন্তর্জাতিক সমাজকে রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংকট যতদিন মায়ানমারে সমাধান না হবে, ততদিন রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে জাতিসঙ্ঘ'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন এবং রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কমানোর ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের মানবিক সহায়তার বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে, যার কারণে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা হ্রাসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘ এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে যথাসাধ্য সবকিছু করবে বলে গুতেরেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।
গুতেরেস রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং তাদের জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
তিনি এও বলেন, বিশ্বে অন্যান্য জনগোষ্ঠী এমন দুর্দশায় পড়েনি, যতটা রোহিঙ্গারা ভোগ করছে।
এছাড়া, তিনি বাংলাদেশ সরকারের সংস্কার কর্মসূচি সমর্থন করেছেন এবং রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন।
যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'অনুসন্ধানে অনীহা দুদকের'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের সাত মাস পরেও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যক্রমে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি।
যদিও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান চলছে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুর্বল অভিযোগ দাখিল করা হচ্ছে, যা আদালতে শাস্তি নিশ্চিত করতে কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া সত্ত্বেও, দুদক সেই অভিযোগগুলো যথাযথভাবে অনুসন্ধান করতে অস্বীকার করছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
গত বছর গোপালগঞ্জে একটি দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল, কিন্তু দুদক তা সঠিকভাবে অনুসন্ধান না করে স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ও অনেক সময় অভিযোগের অনুমোদন দেয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
টান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক বলেছেন, তফশিলভুক্ত অপরাধের ক্ষেত্রে অনুসন্ধান দুদকের দায়িত্ব, এবং তেমন ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ায় তাদের জন্য তা বিব্রতকর হতে পারে।
দুদকের ভিতরে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে এর কার্যক্রম সঠিকভাবে চলতে পারে না।
কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার অভাব এবং অভিযোগ যাচাই-বাছাই কমিটির দুর্বলতা দুদকের কার্যক্রমে সংকট তৈরি করছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'কর্মস্থলে উপস্থিত থাকে না সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ৪০-৫০% কর্মী'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের সরকারি স্বাস্থ্য সেবায় কর্মীদের উপস্থিতির হার অনেক কম, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কর্মী প্রতিদিন কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না।
১৩ই মার্চের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ ৬১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কর্মী উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু রংপুরে এই হার ছিল মাত্র ৪৭ দশমিক ১৬ শতাংশ।
অন্যান্য বিভাগের উপস্থিতির হারও খুব ভালো ছিল না, যেমন খুলনায় ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ, ঢাকায় ৫১ দশমিক ৭৪ শতাংশ, ও রাজশাহীতে ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাত ইতিমধ্যেই কর্মী সংকটে ভুগছে এবং প্রায় অর্ধেক কর্মী অনুপস্থিত থাকায় রোগীদের সেবা আরও বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।
চিকিৎসক, নার্স, এবং অন্য কর্মীদের অনুপস্থিতি রোগীদের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য যারা সরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল।
বিভিন্ন সময়ে সরকার বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করেছে, তবে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এর কার্যকারিতা সীমিত।
বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলে স্বাস্থ্য কর্মীদের উপস্থিতি আরও কম, যেখানে অনেক চিকিৎসক সপ্তাহে একদিনই দায়িত্ব পালন করেন। উপস্থিতি তদারকি এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলা কমাতে শক্তিশালী মনিটরিংয়ের প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'A systematic cover up of bodies' অর্থাৎ, 'কৌশলে মরদেহ লুকানোর চেষ্টা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী সাত মাসেও বহু বিক্ষোভকারী নিখোঁজ রয়েছে।
এ নিয়ে ৩১টি ঘটনার তদন্ত করছে দ্য ডেইলি স্টার , যার মধ্যে ছয়টি দাফন করা হয়েছে রায়ারবাজার কবরস্থানে, চারটি মৃতদেহ আশুলিয়ার পোড়া লাশ থেকে চিহ্নিত হয়েছে, দুটি ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ১৯টি এখনো নিখোঁজ।
আমাদের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, সরকার বিশেষভাবে মৃতদেহগুলো আড়াল করতে চেষ্টা করছে, যাতে এগুলো আর খুঁজে পাওয়া না যায়।
হাসপাতাল মর্গে নিহতদের দেহ নিতে পরিবারের সদস্যদের সময় দেওয়া হয়নি এবং তারা এখনো মৃতদেহের জন্য অপেক্ষা করছেন।
এছাড়া ৫ই অগাস্ট, ২০২৪ তারিখে গাজীপুরে প্রতিবাদকারীরা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। ২০ বছরের ছাত্র হৃদয়কে গুলি করে পুলিশ নিয়ে যায়, কিন্তু পরে তার মৃতদেহ কোথায় গিয়েছে কেউ জানে না।
একই দিনে আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে একজন বেঁচে ছিল কিন্তু পরে তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। এসব ঘটনা তুলে ধরে, সারা দেশে গুম ও মৃতদেহের আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
মৃতদেহগুলো নিয়ে সরকারি রিপোর্টে ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, পুলিশের উদ্দেশ্য ছিল যেন মনে হয় বিক্ষোভকারীরা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
এভাবেই, পরিবারগুলো এখনও তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ খুঁজে পাচ্ছে না এবং তাদেরকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না।
ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, 'সামাজিক অপরাধ বেড়ে চলেছে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে সামাজিক অপরাধের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।
২০২৪ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণসহ মোট ২৮৭০টি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।
ধর্ষণ ও পারিবারিক সহিংসতা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনাও ঘটেছে এবং অনেক শিশু ও কিশোরী শিকার হয়েছে।
সমাজবিজ্ঞানী ড. তৌহিদুল হক বলেন, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়া, মাদকাসক্তি, পারিবারিক কলহ এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এসব অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সমাজে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিচ্যুতি এবং নেতৃবৃন্দের অবহেলা অপরাধের মূল কারণ।
মানবাধিকার সংস্থা এমএসএফ বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির কারণে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বেড়ে গেছে, এবং পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে।
পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে দেশে খুনের সংখ্যা বাড়ছে, যেমন পরকীয়ার কারণে স্ত্রী ও সন্তানের হত্যা, জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে খুনের ঘটনা।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়ানোর প্রয়োজন।
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর 'অবিশ্বাস অনাস্থায় দূরত্ব বাড়ছে দলগুলোতে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন বেশ উত্তপ্ত, যেখানে বিভিন্ন দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য এবং অবিশ্বাসের মাত্রা বাড়ছে।
বিএনপি এবং তার জোটের দলগুলি দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে, তবে তাদের মধ্যে সংস্কারের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।
বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে প্রথম বিরোধ দেখা দেয় যখন বিএনপি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও জামায়াত তা অগ্রাহ্য করেছিল।
অন্যদিকে, ছাত্রদের নতুন দল এনসিপি সংস্কারের পর নির্বাচন চায়, কিন্তু বিএনপি ও অন্য দলগুলোর আপত্তি রয়েছে তাদের গঠনের বিষয়ে।
এসব বিরোধ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি করছে এক অস্থির পরিবেশ।
রাজনৈতিক নেতারা এখন বলেন, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বিরোধগুলিও তত তীব্র হচ্ছে, কারণ সবাই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে চাইছে।
বিএনপি নির্বাচন নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার না করায় দলের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং একে অপরের প্রতি অবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে।
জামায়াত এবং বিএনপির মধ্যে সম্পর্ক জটিল, এবং এনসিপি, ইসলামি দলগুলো দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ চাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যহীনতা এবং সিদ্ধান্তের দ্বন্দ্ব দেশে নির্বাচনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, 'Govt's move to slash power subsidies: Phasing out costly plants, pushing renewables' অর্থাৎ, 'বিদ্যুতে ভর্তুকি কমাতে সরকারের পদক্ষেপ: ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সরকার অপ্রয়োজনীয় এবং অদক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদকগুলো বন্ধ করতে চায় এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে।
এছাড়া, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার উপর নিয়মিত অডিট চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে আইপিপি (স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদক) গুলোর জন্য ক্ষমতা চার্জ কমানো যায়।
বর্তমানে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে শক্তির উৎপাদনে সাশ্রয়ী জ্বালানির ব্যবহার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ২০২৬ সালের মধ্যে সরকার বিদ্যুৎ খাতে সব ধরনের ভর্তুকি পুরোপুরি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা আইএমএফ এর সঙ্গে চুক্তির অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
এছাড়া, বিদ্যুৎ উৎপাদনে উচ্চ খরচের জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং দক্ষতা বাড়াতে কাজ চলছে।
সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, শক্তির খরচ কমানোর জন্য কয়লা, গ্যাস এবং তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য ট্যারিফ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিরিক্ত ক্ষমতার বিষয়েও কাজ করছে, যাতে বিদ্যুৎ সংকট কমানো যায় এবং ভবিষ্যতে খরচ বাড়ানো না হয়।