'এক পরিবারে ১৭ ডেঙ্গু রোগী, দুই মাসে খরচ ৮ লাখ'

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, “এক পরিবারে ১৭ ডেঙ্গু রোগী দুই মাসে খরচ ৮ লাখ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার ফায়েদাবাদ চুয়ারিটেক এলাকায় একটি একান্নবর্তী পরিবারের ২৭ জন সদস্যের মধ্যে ১৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসা বাবদ দুই মাসে ব্যয় হয়েছে ৮ লাখ টাকার বেশি। শুধু হাসপাতালের বিলই দিতে হয়েছে সাত লাখ টাকার মতো। এই ব্যয় সংকুলান করতে গিয়েও হিমশিম খেতে হয়েছে এই পরিবারকে।
দীর্ঘ দুই মাস ডেঙ্গুর সঙ্গে যুদ্ধে রাতের পর রাত নির্ঘুম কেটেছে পরিবারের অন্য সদস্যদের। আক্রান্তদের কারও কারও জটিলতা রীতিমতো ভয় পাইয়ে দিয়েছিল অন্যদের।
আক্রান্তদের মধ্যে ছিলেন পরিবারের বৃদ্ধ মা ও আট শিশু-কিশোরও। আক্রান্ত হয়েছেন পরিবারের ভাই ও তাদের স্ত্রীরা।
সবাই সেরে উঠলেও ডেঙ্গু-পরবর্তী জটিলতা এখনো রয়ে গেছে আক্রান্তদের কারও কারও মধ্যে। আক্রান্ত সদস্যদের পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে এখন চলছে ডেঙ্গু-পরবর্তী যুদ্ধ।
একই বিষয় নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “ডেঙ্গু চিকিৎসায় আইসিইউ ব্যয়ে রোগীদের নাভিশ্বাস”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চাহিদার তুলনায় সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা কম থাকায় ৯০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীকে বেসরকারি হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে।
সাধারণত বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় প্রতি ২৪ ঘণ্টায় আইসিইউর ভাড়া, কেবিন ভাড়া, ওষুধপত্র, থাকা-খাওয়াসহ প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ পরে।
এই ব্যয় মেটাতে গিয়ে রোগীর স্বজনদেরর নাভিশ্বাস উঠেছে। খরচ কুলাতে না পেরে অনেকে জমিজমা বিক্রি করে ব্যয় মেটাচ্ছেন।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
চলতি বছর ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তন হওয়ায় আক্রান্তদের শরীরে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিচ্ছে। জ্বর, ডায়রিয়া, বমি, পেট ও ফুসফুসে পানি জমাসহ ডেঙ্গু শক সিনড্রোম ও ডেঙ্গু হেমরোজিক ফিভারে অধিকাংশ রোগীর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ ও পিআইসিইউ) প্রয়োজন হচ্ছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, “ডেঙ্গু বিস্তার রোধে মশা নিধন ও চিকিৎসা দুটোই সংকটে”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ক্রমাগত চরিত্র পালটাচ্ছে এডিস মশা। গত বছর প্রথম ৯ মাস ১০ দিনে যত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী মারা গেছে এবার মৃতের সংখ্যা তার চেয়ে প্রায় ২২ গুণ বেশি। তারপরও মশক নিধন ও চিকিৎসা দুটিই সংকটে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, মশা মারার কার্যকর পদক্ষেপ নেই। দ্রুত মশা মারার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে যেহেতু এডিস মশার চরিত্র পালটেছে, তাই চিকিৎসা পদ্ধতিও পরিবর্তন করতে হবে।
ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে জাতীয় কমিটি গঠনের তাগিদ দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
সোমবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে ডেঙ্গু ডেথ রিভিউ কমিটি জানিয়েছে, আগামীতে আরও ভয়াবহ হবে পরিস্থিতি, কঠিন হবে রোগী বাঁচানো। তাই প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাছের হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফর নিয়ে সবগুলো পত্রিকায় প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে।
এনিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “উড়োজাহাজের পর কেনা হচ্ছে ফ্রান্সের স্যাটেলাইটও”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ফরাসি প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে ১০টি এ-৩৫২ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার একই প্রতিষ্ঠান থেকে বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এমন সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শীর্ষ বৈঠকের পর গতকাল সন্ধ্যায় প্রচারিত যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ শান্তি, সমৃদ্ধি এবং জনগণের কল্যাণে দুই দেশের অংশীদারত্বকে ‘কৌশলগত’ পর্যায়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
দুই শীর্ষ নেতা যেকোনো দেশে অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন এবং সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের নিন্দা জানিয়েছেন।
দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর এমানুয়েল মাখোঁ গত রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন। সোমবার বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে দুটি চুক্তি সই হয়।
খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, “মানুষ কুলিয়ে উঠতে পারছে না”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে বিষয়টি জরিপ ছাড়াই টের পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা পরিচালনা করে।
দেশব্যাপী ১০ হাজার মানুষের ওপর ওই জরিপে ৯৭ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামবৃদ্ধি তাদের জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর মধ্যে ৮৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছে, এই প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক।
তখন সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ শতাংশের কাছাকাছি। এখন তা প্রায় ১০ শতাংশ। এছাড়া অগাস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যা প্রায় একযুগের মধ্যে সর্বোচ্চ।
ফলে বাজারের উত্তাপ এবং টিকে থাকার কষ্ট এখন আরও বেড়েছে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দরের সঙ্গে গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষ কুলিয়ে উঠতে পারছে না। তাদের ব্যয়ের বেশির ভাগ অংশ খাদ্য কিনতে খরচ হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সংসদে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য দিয়ে প্রথম পাতায় খবর করেছে নয়া দিগন্ত, “শিগগিরই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন সরকারের নেয়া পদক্ষেপের ফলে শিগগিরই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। সেইসাথে লেনদেনের ভারসাম্য পরিস্থিতির উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল হবে।
এ সময় মন্ত্রী সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা সংসদে তুলে ধরেন। এর মধ্যে মার্কিন ডলারসহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে টাকার বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা, রিজার্ভ পুনর্গঠনের জন্য সঠিক মূল্যে পণ্য আমদানি নিশ্চিত করা, বাণিজ্যিক ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের সীমা হ্রাস করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ৫ হাজারের ডলারের বেশি প্রবাস আয়ের উৎস প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা বাতিল করা হয়েছে। পাইপ লাইনে থাকা বৈদেশিক অর্থায়ন ছাড়করণ ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “সরকারি ঋণের ৩৮% প্রবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা কি”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) মূল্যস্ফীতির হার গত অর্থবছরে দেশে মূল্যস্ফীতির গড় হারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।
আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে।
বাংলাদেশে ঊর্ধ্বমুখী হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশে মূল্যস্ফীতির হার এখন নিম্নমুখী। পণ্যের দামও নেমে এসেছে এক বছর আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে।
কিন্তু উল্টোচিত্র বাংলাদেশে, আমদানি এক-তৃতীয়াংশ কমানোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনীতিতে পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়নের বিরূপ প্রভাবও বাজারে পড়েছে। আবার সরকারের আয়ের উৎসগুলোও সংকুচিত হয়ে এসেছে। কমেছে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে ঋণপ্রাপ্তিও।
এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে যে ঋণ দিয়েছে, সেটি মূল্যস্ফীতি উসকে দেয়ায় বড় ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই-পরবর্তী এক বছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩৮ শতাংশের বেশি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে সরকারের ঋণ গ্রহণ ও ব্যয় কমাতে হবে বলে অথনীতিবিদরা জানিয়েছেন।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বহুমুখী ঝুঁকিতে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে এখনই বহুমুখী ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
কেননা বৈদেশিক মুদ্রার আয় কমে গেছে, বেড়ে গেছে খরচ। এখন আয়ের চেয়ে খরচ হচ্ছে বেশি। ফলে দুই বছর ধরে রিজার্ভের ওপর হাত পড়েছে। রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার খরচ মেটাতে হচ্ছে।
প্রকৃত হিসাবে আয় থেকে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে যোগ হচ্ছে না। ফলে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। গত দুই বছরে রিজার্ভ ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলার কমে এখন নিট দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৪৮ কোটি ডলারে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) জুনে নিট রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ২০ লাখ ডলার রাখার কথা বলেছিল। যা দিয়ে ২ দশমিক ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। রিজার্ভ এখন তার চেয়েও ২৯৮ কোটি ডলার কম।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কোনো দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। তবে কোনো দেশ খাদ্য আমদানি করলে অন্তত পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান রিজার্ভ রাখতে হয়। কিন্তু তা আছে তার চেয়ে অনেক কম।

ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধোরের বিষয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “এডিসি হারুন বরখাস্ত, আগে থেকেই ছিলেন বেপরোয়া”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন-অর-রশীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, আইনজীবী, সাংবাদিক থেকে শুরু করে সহকর্মীকে পেটানোর অভিযোগ উঠলেও কখনও শাস্তি হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডিএমপির রমনা জোনের এডিসি হওয়ার পর থেকেই অনেকটা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তিনি। যদিও মি. হারুন বিভিন্ন সময়ে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অথবা নিজের কাজের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন।
তবে সর্বশেষ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে থানায় নিয়ে বেদম মারধরের ঘটনায় তিনি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।
সোমবার তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে।
গত শনিবার রাতে থানা পুলিশ নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদকে নির্মম মারধর করেন তিনি।
এ ঘটনা তদন্তে পুলিশের তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

শ্রম আদালত নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “Workers cry for justice as cases pile up” অর্থাৎ “মামলার স্তূপ জমায় ন্যয়বিচার জন্য চোখের পানি ফেলছেন শ্রমিকরা”
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের শ্রম আদালত এবং শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল ২৪ হাজার ৭টি মামলার জটে পড়েছে। যার কারণে হাজার হাজার শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।
মামলা নিষ্পত্তিতে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে মামলাকারীরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ কারণে শ্রমিকদের মূল্যবান সময়, শক্তি এবং অর্থ ওব্যয় হচ্ছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী, মামলাগুলি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। মামলাগুলো যদি ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না যায়, তাহলে আদালত বৈধ কারণ দেখিয়ে সময়সীমা আরও ৯০ দিনের জন্য বাড়িয়ে দিতে পারে।
তবে, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে নির্ধারিত ১৫০ দিনের মধ্যে যে কোনও শ্রম মামলার বিচার হওয়া বিরল ঘটনা। আইনে নির্দিষ্টভাবে বলা নেই যে সময়মতো মামলা নিষ্পত্তি না হলে কী হবে।

অন্যান্য খবর
রেল খাতের দুর্নীতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “১৯ হাজার টাকার যন্ত্র রেল কিনেছে ৩ লাখে”।
প্রতিবেদনে লিফটিং জ্যাক নামে একটি যন্ত্র ক্রয়ে এই দুর্নীতির কথা তুলে ধরা হয়। লিফটিং জ্যাক হল এমন এক যন্ত্র যেটি লাইনচ্যুত ট্রেনের চাকা এবং দেবে যাওয়া রেললাইন ওপরের দিকে তুলতে ব্যবহার হয়।
এমন একটি যন্ত্র ভারত থেকে আমদানি করলে খরচ পড়ে ১৯ হাজার টাকার মতো। কিন্তু সেই যন্ত্র ঠিকাদারদের থেকে রেলওয়ে কিনেছে তিন লাখ টাকায়।
এই দামে তারা এমন ১২টি যন্ত্র কিনেছে। অথচ তিন লাখ টাকায় ১৬টি যন্ত্র কেনা যেতো।
একইভাবে লোহার পাত ছিদ্র করার ড্রিলিং মেশিনের প্রকৃত মূল্য ৬৫ হাজার টাকা হলেও রেলওয়ে কিনেছে নয় লাখ ৬৫ হাজার ছয়শ টাকায়। অর্থাৎ বাজার মূল্যের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি।
বাজারমূল্যের চেয়ে ৮ গুণ বেশি দামে কেনা হয়েছে লোহার পাত কাটার জন্য কাটিং ডেস্ক নামে একটি যন্ত্র।
এভাবে অস্বাভাবিক দামে ঠিকাদারদের মাধ্যমে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের (চট্টগ্রাম) অধীন ট্র্যাক সাপ্লাই কর্মকর্তার কার্যালয় চার ধরণের মোট ২৮টি যন্ত্র কিনেছে। যার প্রকৃত মূল্য ১৮ লাখ টাকা।
যন্ত্রগুলো কেনা হয়েছে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে। বিষয়টি ধরা পড়েছে ২০২০ সালে এবং সরকারের মহা হিসাব নিয়ন্ত্রণ ও নীরিক্ষণ কার্যালয় প্রতিবেদন দিয়েছে চলতি বছরের জুন মাসে।
ডলারের মূল্য তদারকি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “মানিচেঞ্জারগুলোর তদারকি জোরদার: নির্ধারিত মূল্যের মধ্যে ডলার লেনদেনের নির্দেশ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নানা পদক্ষেপ নেয়ার পরও খোলাবাজারে ডলারের মূল্য না কমায় মানিচেঞ্জারগুলোতে তদারকি জোরদার করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছে তারা।
সোমবার প্রতি মার্কিন ডলার ১১৮ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে খোলাবাজারে। অথচ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেঁধে দিয়েছে ১১২ টাকা ৫০ পয়সা। এ অবস্থায় মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে লেনদেনের তথ্য পাঠাতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যত্যয় হলে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
ইতোমধ্যে ৮টি মানিচেঞ্জারকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। ৭টির লাইসেন্স স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। ১০টি মানিচেঞ্জারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেঁধে দেয়া দরে ডলার কিনতেও পারছেন না বলে জানিয়েছেন মানিচেঞ্জার ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হচ্ছে বলে তারা জানান।











