পত্রিকা: 'যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা শেষে ফিরতে হতে পারে বেশিরভাগ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীকে'

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা শেষে ফিরতে হতে পারে বেশির ভাগ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীকে— আজ বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ ভিসায় পড়াশোনা শেষে অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং বা ওপিটির মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।
এই সময়ের পর যদি কোনও গ্র্যাজুয়েটকে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি রাখতে চায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর দক্ষ কর্মী ভিসায় (এইচ-১বি ভিসা ক্যাটাগরি) প্রতি বছর অভিবাসীদের ১ লাখ ডলার ফি দেওয়ার নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এমন ঘোষণার পর বাংলাদেশিদের বড় আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন না অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে বাংলাদেশি শিক্ষকরাও।
তাদের ভাষ্য, উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটরা প্রবেশ করছেন। যাদের অনেকে পড়াশোনা শেষে দেশটিতে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের চেষ্টা করেন। এইচ-১বি ভিসার ওপর বড় ধরনের এ ফি আরোপ কর্মসংস্থান পেতে বাংলাদেশিদের বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ ধরনের ভিসায় মার্কিন কোম্পানিগুলো বিদেশি কর্মী গ্রহণে ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। অনেকেই চাকরি হারাবে, আবার অনেককে দেশে ফেরত আসতে হবে। কেউ কেউ হয়তো বিকল্প পথ খুঁজে নেবেন।

সংক্রমণ ৫৩% বৃদ্ধি, শঙ্কার মাস শুরু— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৩৪২ জন ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা গত বছরের তুলনায় ৫৩ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে মৃত্যু বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
শুধু তাই নয়, এই রোগে মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ রোগী রাজধানীর সরকারি ছয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জেলা পর্যায়ে জটিল রোগী ব্যবস্থাপনা না থাকার কারণেই মূলত ঢাকার হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, চলতি অক্টোবর মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে, যা নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
ঢামেকের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গুরুতর পেট ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, রক্তক্ষরণ, তীব্র অবসাদ, প্রস্রাবের পরিমাণ বা প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলো যে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে, সেটা বুঝতে পারছেন না অনেক রোগী। যার কারণে দেরি করে হাসপাতালে আসার পর দেখা যাচ্ছে, অনেকের অবস্থাই সংকটজনক।
ঝুঁকি এড়াতে বয়স্ক রোগী, একাধিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ও সন্তানসম্ভবা নারীদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন তিনি।
এ বছর ১০ জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকারে দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রোগী বরগুনায়; এরপরই রয়েছে ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, গাজীপুর ও কুমিল্লা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধেকের বেশি শিক্ষকের উচ্চতর ডিগ্রি নেই— প্রথম আলোর শেষ পৃষ্ঠার সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৫৬ শতাংশ শিক্ষকের উচ্চতর ডিগ্রি নেই। বাকি শিক্ষকদের মধ্যে ৩৮ শতাংশ পিএইচডি এবং ৬ শতাংশ এমফিল বা সমমানের ডিগ্রিধারী।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এ চিত্র ওঠে এসেছে। ২০২৩ সালের তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রতিবেদনটি।
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে শুরুর পদে (প্রভাষক) পিএইচডি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পাস করার পরপরই শিক্ষক হন। তবে পদোন্নতিতে এ ডিগ্রিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
কিন্তু স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়াতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান বা ভালোভাবে পড়াতে পারেন না বলে অভিযোগ আছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষার মানের ওপর প্রভাব পড়ছে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার ওপর জোর দেওয়ার কথা থাকলেও যোগ্য শিক্ষকের ঘাটতির কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে শিক্ষাঙ্গনে অভিযোগ আছে। অধিকাংশ শিক্ষকের উচ্চতর ডিগ্রি না থাকায় গবেষণামূলক পড়াশোনা করানো তাদের জন্য কঠিন মনে পড়ে।
এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে শুরুর পদেই পিএইচডি থাকার আবশ্যকতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চললেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।

শিক্ষার মান তলানিতে— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষার মান নিয়ে বিশ্বব্যাংকের চলতি বছরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি শিশু ১৮ বছর বয়সে সাধারণত ১১ বছর মেয়াদি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন্ন করে (প্রথম শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি)।
কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা শেখার মান বিবেচনায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ৬.৫ বছরের সমতুল্য। অর্থাৎ শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মানে বাংলাদেশ অন্তত ৪.৫ বছর পিছিয়ে।
সে ক্ষেত্রে দেশের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সপ্তম শ্রেণির সমান, যা শিক্ষার গুণগত দুর্বলতার বড় প্রমাণ।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী পাঠ্যবই ঠিকভাবে পড়তে পারে না।
এছাড়া, বিশ্ব র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো জায়গা করে নিতে পারছে না।
দেশে ১৭ বছর ধরে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চললেও সৃজনশীল ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে তলানিতে।
এমনকি দেশে যত বেকার, এর ১৩ শতাংশই স্নাতক।

পার্বত্য জেলায় ইন্ধনের অভিযোগ ভারতের প্রত্যাখ্যান— দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ভারত ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যে অভিযোগ করেছে, দেশটি তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
গতকাল শুক্রবার দিল্লিতে ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ 'মিথ্যা ও ভিত্তিহীন'।
উল্টো তিনি বলেছেন, 'বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অক্ষম। এ বিষয়ে নিয়মিত অন্যের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা তাদের অভ্যাস।'
প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে একটি মহল খাগড়াছড়িতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
রণধীর জয়সওয়াল অন্তর্বর্তী সরকারকে পার্বত্য তিন জেলার বিষয়ে আত্মানুসন্ধান এবং সেখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ওপর স্থানীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করার পরামর্শও দেন।

আজকের পত্রিকার প্রধান সংবাদের শিরোনাম— ইয়াবার আঁতাতে জড়িত সবাই।
এতে বলা হয়েছে, প্রশাসন কঠোর নজরদারির কথা বলে এলেও বাস্তবে ইয়াবার স্রোত থামছে না। কক্সবাজারের অন্তত ২১ টি সীমান্ত পথ দিয়ে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ মাদক দেশে ঢুকছে।
স্থানীয়রা মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিলে এসব চালান সরবরাহ করছে।
খোদ পুলিশ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে মাদক পাচারকারীদের সম্পৃক্ততায় মাদককে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দুরূহ করে তুলেছে, সেই অভিযোগ রয়েছে।
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি— সোজাসাপ্টা এ স্বীকারোক্তি দিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাই তো বললেন, 'মাদক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গডফাদাররা চা- কফি খাচ্ছে।'
মাঝেমধ্যে মাদকের কিছু চালান অন্য বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও পুরো চক্র অক্ষতই থেকে যায়। আটক হয় মূলত চালান বা সাধারণ বাহকেরা।
২০১৯ সালে আত্মসমর্পণ করা এক সময়ের শীর্ষ ইয়াবা গডফাদার আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, 'কী পরিমাণ ইয়াবা আর আইস টেকনাফ দিয়ে ঢুকছে, সেটা আপনাদের কল্পনার বাইরে। এখন পাচার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। মিয়ানমারের পার্টি এখন শহর পর্যন্ত চালান পৌঁছে দিচ্ছে। ২০টি চালান গেলে সর্বোচ্চ একটা ধরা পড়ে। অনেক সময় সেটাও হয় সমঝোতা না হওয়ার কারণে।'
জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ইউএনওডিসি) বলছে, বাংলাদেশে প্রবেশ করা মাদকের মাত্র ১০ শতাংশ ধরা পড়ে, বাকি ৯০ শতাংশ অদৃশ্য থেকে বাজারে ছড়িয়ে যায়।

রোমাঞ্চকর জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের— ইত্তেফাকের দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন ম্যাচের সিরিজে গতকাল শুক্রবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান নির্ধারিত ওভারে পাঁচ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৭ রান তোলে।
পাঁচ বল বাকি থাকতেই যা বাংলাদেশ পেরিয়ে যায় ৮ উইকেট হারিয়ে।
২ উইকেটের এই জয় বাংলাদেশকে এনে দিয়েছে সিরিজও।
এদিকে, আফগানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও খেলবে টাইগাররা। যা শুরু হবে আট অক্টোবর থকে।
এই ওয়ানডে সিরিজের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশে। দলে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, নাঈম শেখ, হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা।
টি-টোয়েন্টি দলে থাকা ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনকে রাখা হয়নি স্কোয়াডে, যদিও ওয়ানডে ফরম্যাটে তিনি নিয়মিত মুখ নন।
এছাড়া, বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামকেও রাখা হয়েছে এবারের ওয়ানডে দলে।

প্রফেসর ইউনূস নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এক বছর আগে তার নিউইয়র্ক সফরে কম সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে রেকর্ড করেছিলেন।
সেইবার শুরুতে আটজন বলা হলেও তা ৫৭ জনে গিয়ে ঠেকেছিল।
আর এবার ১০৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল দেখে অনেকেই হতাশ এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
এই প্রতিনিধিদলে হাফ ডজন উপদেষ্টা ও সম মর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন। সেখানে তাদের কাজ কী ছিল, এ নিয়ে দৃশ্যমান কিছু চোখে পড়েনি।
এই সফর 'রাষ্ট্রীয় পিকনিকে' পরিণত হওয়ায় এ নিয়ে এখন অন্তহীন আলোচনা চারদিকে।
যদিও শুরুতে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিনিধিদলে জায়গা দিয়ে কিছুটা চমক সৃষ্টি করা হয়েছিল। তবে ফলাফল শূন্য। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যকার দূরত্ব আরও বেড়েছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

মিরপুরে বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে অগ্নিসংযোগ ও গুলি— সংবাদের প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাসের সব যাত্রী, চালক ও হেলপারকে নামিয়ে দিয়ে রাজধানীতে আলিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। একই সঙ্গে বাসটির সামনের গ্লাসে কয়েক রাউন্ড গুলিও ছুঁড়া হয়।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে মিরপুরের সেনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী, বাস চালক ও যাত্রীরা জানিয়েছেন, বাসটি যখন সেনপাড়া এলাকায় পৌঁছায় তখন, ৪-৫ জন হাতের ইশারা দিয়ে বাসটিকে থামাতে বলেন। চালক যাত্রী ভেবে বাসটি থামান।
থামানোর পর দুর্বৃত্তরা বাসে উঠেই চালক ও তার সহকারীকে পিটাতে শুরু করে এবং তাদের বাস থেকে নামিয়ে দেয়।
এতে যাত্রীরা ভয় পেয়ে যান। আতঙ্কে অনেকে বাস থেকে নেমে যান। বাকিদেরও বাস থেকে নেমে যেতে বলে দুষ্কৃতকারীরা। যাত্রীরা নামতেই বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
এ সময় নিচে থাকা একজন বাসের সামনের গ্লাসে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, বাসটির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের চলমান দ্বন্দ্বের ফলেই এ হামলা সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

গাজায় যাচ্ছে আরো ১১টি জাহাজ— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের অবরোধকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ফ্রিডম ফোটিলা কোয়ালিশনের আরও ১১টি জাহাজ অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দিকে যাত্রা করেছে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গাজাগামী ৪২টি নৌকা আক্রমণ করে জব্দ এবং ৪৫০ জনেরও বেশি কর্মীকে আটকের একদিন পরই জানা গেলো নতুন এই বহরের খবর।
২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ফ্রিডম ফোটিলা কোয়ালিশন ইসরায়েল-অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক সঙ্কটের প্রতি সাহায্য সরবরাহ এবং বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকবার মিশন পরিচালনা করেছে।
প্রায় ১৮ বছর ধরে গাজায় অবরোধ বজায় রেখেছে ইসরায়েল, যেখানে প্রায় ২৪ লাখ লোক বাস করে।
গত মার্চে মাসে সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে এবং খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে অবরোধ আরও জোরদার করা হয়। এর ফলে অঞ্চলটি দুর্ভিরে কবলে পড়ে।

ইংরেজি দৈনি দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— $4.7 Billion IMF loan: Govt meets most conditions for next tranche; অর্থাৎ আইএফের ঋণের পরবর্তী কিস্তি পেতে বেশিরভাগ শর্ত পূরণ করেছে সরকার।
এই খবরে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণের পরবর্তী কিস্তি পেতে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো পূরণ করতে পেরেছে। যার মধ্যে রয়েছে রিজার্ভ ধরে রাখা, জ্বালানি খাতের বকেয়া কমিয়ে আনা।
তবে, আবারও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ব্যর্থ হয়েছে।
গত জুন পর্যন্ত চার লাখ ৪৩ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে ঢাকাকে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল আইএমএফ। বাংলাদেশে সেখানে সংগ্রহ করতে পেরেছে তিন লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা।
রিজার্ভের ক্ষেত্রে ১৭.৪ বিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে তা দাঁড়িয়েছে ২০.৭৩-এ। আর বৈদেশিক ঋণ ৮৭০ মিলিয়ন থেকে কমিয়ে ৩১৪ মিলিয়নে আনে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণের অনুমোদন দিয়েছিল সংস্থাটি। পরবর্তীতে আরও ৮০০ মিলিয়ন তহবিল বাড়ানো হলে এই প্যাকেজে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় পাঁচ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার।
এখন পর্যন্ত এই ঋণের আওতায় তিন দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ গত জুনে ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি একসাথে পেয়েছে বাংলাদেশ।
পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল দুই সপ্তাহের জন্য ঢাকায় আসতে যাচ্ছে আগামী ২৯ অক্টোবর।









